কিছু অনুভুতি বড্ড আকস্মিক ভাবেই আসে। তাদের কোন নাম থাকে না। কোন ভিত্তি থাকে না। তবে সারাজীবন হৃদয় এর এক কোনে আপন হয়ে জমা থাকে। হয়তবা তা সামান্য মুহূর্ত ছিল কিন্তু সেই সামান্য মুহূর্ত তেই জীবনের একটা বিরাট গল্প ধরা পড়ে যায়।

অধরা আকুতি রয়ে যায় সারাজীবন,কখনো সখনো কবিতার মাঝে প্রকাশিত হয় সেই আকুতি। কবির লেখা কবিতায়,গীতিকারের গানের মাঝে ফুল ফুটে, ফুল ঝরে-অগণিত অসংখ্য। হিসেব ছাড়া ফুল ফোটানো, বসন্ত আনা চির স্বভাব লেখনীর। ফুল ফুটিয়েই দিগন্তে মিলানো যেন চিরচারিত এক লুকোচুরির খেলা,হেলা-অবহেলায় বেলা অবেলায়। পিছু ফিরে চাইবার সময় থাকে না, জানতে হয় না কে ফুল তুলল,কে খোঁপায় পড়লে,কে ই বা ফুলদানিতে রাখল,কেই বা পায়ে ডলে পিষে শেষ করল আবার কারো ডায়েরির ভাজেই সারাজীবন ভালবেসে মধুমাখামাখির মত হলদেটে রং ছড়ায়, মিশে যায় প্রতি পাতায় পাতায়,অনুভুতিতে,জাগরণে।কখনো সেই ফুলের সুবাস বীণার ঝংকারে তীব্র থেকে তীব্রতর হয়; ভৈরবী, মালকোষ,ইমন,জৌনপুরী সহ আর হরেক রাগ,তান আলাপে উত্তাল বেদুঈন এর মত আনাগোনা করে। অনেকটা কচ্ছপের গতির মত চলা দিনের পর দিন....... অবশেষে চলেই যেতে হয়.....
খুন হয়ে যায় শত শত স্বপ্ন
হয়তো নিজে হাতে খুন করতে হয় না ,তাই বলে যে কেউ এই লেখনীর জন্য নিজে খুন হয় নাই এটা বলতে পারব না!
অতঃপর
লেখক দোষী!
কিন্তু আসলে লেখকের ও বাস্তবতা টা ভিন্ন...অনেক বেশি ভিন্ন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



