somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

শোক দিবস ও জন্মদিন

১৪ ই আগস্ট, ২০১৫ রাত ৯:৩৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


১৫ই আগষ্ট! একটি শোকাবহ দিন। এই দিন নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়েছিল জাতির স্বপ্নদ্রষ্টাকে। শুধু তাঁকে নয়, তাঁর পরিবারকেও নিশ্চিহ্ন করে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছিল। যদিও শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা ভাগ্যক্রমে বেঁচে গিয়েছিলেন। অনেককেই জাতির পিতাকে হত্যাকে জায়েজ করার চেষ্টা করতে দেখি। তারা সংসদে দাঁড়িয়ে বলেন আরেকটি ১৫ ই আগষ্ট হওয়ার কথা। অবশ্য তারা এখন তাদের প্রাপ্য ফল হাতে নাতে পাচ্ছেন। জাতি হিসেবে নিজেকে খুব ছোট মনে হয় যখন দেখি সাবেক প্রধাণমন্ত্রী ১৫ই আগষ্ট রাতে হাসৌজ্জ্বল মুখে কেক কাটেন। এবার নাকি উনি ৭০ পাউন্ডের কেক কাটবেন। বিশাল এক কর্মযজ্ঞ বটে! এমন না যে ১৫ ই আগষ্ট কারোরই জন্মদিন নেই। অনেকেই হয়তো এই দিন কেকও কাটেন। কিন্তু এই অনেকের সাথে বেগম খালেদা জিয়ার যায় না। কারণ এক সময় তিনি এই দেশের প্রতিনিধি ছিলেন। তিনি আর ১০টা/ ৫টা মানুষের মত না। তাঁকে রাজনীতির শিষ্টাচারিতা মেনে চলতে হবে। আচ্ছা এমন যদি হতো তিনি যদি আজ রাতে বলতেন ১৫ই আগষ্ট(যদিও তাঁর নাকি কয়েকটা জন্মদিনের খবর বেরিয়েছে!) আমার জন্মদিন হলেও জাতির একজন নায়ককে হত্যার দিনে আমি তা পালন করবো না, তাহলে এই দেশের মানুষ কৃতজ্ঞচিত্তে তাঁকে সম্মান জানাতো। এবং বিএনপি নামক দলটিরও অনেকাংশে লাভ হতো। টিভিতে কয়েক দিন ধরে বলতে শুনি বঙ্গবন্ধুকে যেনো দলীয় বৃত্তে আবর্ত করে রাখা না হয়। আচ্ছা বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর পর এই দেশে তো তাঁর নামই নেয়া যেতো না। আমি যদি ভুল না করে থাকি কবি নির্মলেন্দু গুণই প্রথম ব্যক্তি যিনি বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে তাঁর মৃত্যুর পর প্রথম কোন অনুষ্ঠানে কবিতা আবৃত্তি করেছিলেন। তাঁকে এই জন্য হেনস্তাও হতে হয়েছিল। ৭৫এর পর ১৯৯৬ সালে যখন আওয়ামীলীগ প্রথম ক্ষমতায় আসলো তখন বিটিভিতে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে প্রথম বারের মত অনুষ্ঠান সম্প্রচার শুরু হলো। মাঝখানে কিন্তু সুদীর্ঘ ২১ বছর পেরিয়ে গেছে। পরবর্তী সময়ে বিএনপি যদি জোট কখনো ক্ষমতায় আসে (আমি ক্ষমতা শব্দটির প্রচন্ড বিরোধী। আমরা আসলে তাঁদেরকে দায়িত্ত্ব দেশ পরিচালনার জন্য! কিন্তু তাঁরা এমনভাবে দেশ চালান তাই ক্ষমতা শব্দটি না চাইলেও ব্যবহার করতে হয়), আপনার কি মনে হয় তাঁরা বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে অনুষ্ঠান প্রচার করতে দিবে? তাহলে এর থেকে পরিত্রাণের উপায় কি? একমাত্র উপায় দেশ বিরোধীদের সঙ্গ ত্যাগ করা!
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই আগস্ট, ২০১৫ রাত ৯:৩৬
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

**চিঠি ০৩ : ক্যাফের চিঠি** ☕️

লিখেছেন চারাগাছ, ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:০৫




বহু বছর পর আজ তোমাকে দেখলাম।

একটা ক্যাফেতে।

জানালার পাশের টেবিলে বসে ছিলে তুমি। সামনে একটা বই, পাশে একটা Affogato। মাঝে মাঝে কফিতে চুমুক দিচ্ছিলে, আবার বইয়ের পাতায় চোখ রাখছিলে।

আমি ক্যাফেতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাঙালিয়ানা ভোজ ও রুপালি ইলিশের স্বাদ

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:৫৫

বন্ধু মারফত খবর পেলাম দেশের বাজার নাকি ভারতীয় ইলিশে সয়লাব। পদ্মার ইলিশের দাম কম, তাই নিম্নচাপ উপেক্ষা করে চলে গেলাম ইলিশের বাড়ি চাঁদপুরে। ঘাটে এসে দেখলাম পুরা বাজার... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রজ্ঞার জয়ধ্বনি বিজ্ঞান ও যুক্তির মহাকাব্য

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:৩৯


ভূমিকা
সকল নবি ও রাসুল প্রতি সালাম ও দুরুদ পর
দাউদের সুরে, মূসার পথে, ঈসার প্রেমের বাণী
মুহাম্মদের মরু পেরিয়ে শুনেছি যুগের ধ্বনি
কৃষ্ণের বাঁশি, বুদ্ধের ধ্যান, সুফির অন্তর সন্ধান
যোগীর তপে, মরমীর গানে খুঁজেছি... ...বাকিটুকু পড়ুন

আওমীলীগকে সম্পর্কে কি আপনার মনে এখন কোনো পজিটিভ চিন্তা উঁকি দেয়?

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:০৬


বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতি মূলত চারটি বিষয়ের উপর মানুষের কাছে জনপ্রিয়তা পায়।
প্রথমত, মানুষ মনে করে এ দলটি ক্ষমতায় থাকলে স্বাধীনতার সার্বভৌমত্ব রক্ষা পায়। এটা খুবই সত্য যে ১৯৭১ সালে আমাদের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শিরোনামহীন কবিতা-০৭

লিখেছেন কাজী আবু ইউসুফ (রিফাত), ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৫৪

তোমাকে নিয়ে কক্সবাজারে
সমুদ্রের গান শোনা,
অথবা বান্দরবানের কোনো পাহাড়ের চূড়ায় উঠে
মেঘের ভেলায় হারিয়ে যাওয়ার
কত যে ইচ্ছে—স্ব-যত্নে পুষে রেখেছিলাম
মনের গহীনতম কোণে!

কোনো এক ঈদের পড়ন্ত বিকেলে—
অকারণ কাঁপা আঙুলে
একটি খুদে বার্তা পৌঁছে দিয়েছিলাম
তোমার... ...বাকিটুকু পড়ুন

×