somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বাংলাদেশকে কি আসলেই দারিদ্্রমুক্ত করা যাবে? -1 [ পূর্ব কথা]

৩০ শে আগস্ট, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:৫৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মানুষ শ্রমের দ্্বারা উৎপাদন ও আয় করে। এর বিনিময়ে পণ্য ও সেবা ভোগ করে জীবন ধারণ করে। উৎপাদন ও আয় উপার্জন ক্রিয়াকে সাধারণত ঃ অর্থনৈতিক ক্রিয়া বলা হয়।

কৌটলীয় অর্থ শাস্ত্র (রচনা কাল খৃষ্ট পূর্ব 300-400 বছর) থেকে প্রাচীন বাংলার অর্থনৈতিক ক্রিয়ার শ্রেণীবিভক্তি জানা যায় । প্রাচীন বাংলার জনপদ ছোট থেকে বড়ের ক্রমানুসারে যে ভাবে বিভক্ত ছিল , তা হলো- গ্রাম, সংগ্রহন, কাবর্্বটিক, দ্্রোনমুখ এবং স্থান ীয় - নামে।

আরও আগে (খৃঃ পূঃ 487-567 বছর) প্রায় 100 বছর ব্যাপী বৌদ্ধ যুগে ভারতে ছোট ছোট রাজ্য ও গণ শাসিত সমাজ ছিল। তখন শ্রেনী ও বর্ণভেদ প্রথার অনেকাংশে বিলুপ্তি ঘটে। কিন্তু পরবর্তিতে ব্রাহ্মণ ও ক্ষত্রীয় নামক "উচ্চ শ্রেনীদের" ক্ষমতা দখলের মধ্য দিয়ে ভারতবর্ষে বর্ণভেদ ও শ্রেনী বিভক্তি পুনরায় চালু হয়।

ব্রাহ্মণ ও ক্ষত্রীয় সম্রাটদের শাসিত রাজ্যে গ্রাম ছিল অধিকাংশই শূদ্্র জাতীয় কৃষকদের নিয়ে গঠিত। প্রতি গ্রামে 100 থেকে 500 ঘর গৃহস্থ বাস করতো। সংগ্রহন 10টি গ্রাম নিয়ে ; কাবর্্বটিক 200 গ্রাম নিয়ে; দ্্রোনমুখ 400 গ্রাম নিয়ে এবং স্থানীয় গঠিত হতো 800 গ্রাম নিয়ে।

গ্রামে শূদ্্র জাতীয় কৃষকের বাস অধিকাংশ হওয়ায় জনপদের সংখ্যাগরিষ্ঠ অধিবাসী ছিল শ্রমজিবি শূদ্্র কৃষক।

এই সময়ে ( খৃঃ পূঃ 500 বছর ) গ্র ীসের এথেন্সের ংর রাষ্ট্রের অধিবাসীরা চার শ্রেনীতে বিভক্ত ছিল। যথা- দার্শনিক , যোদ্ধা , উৎপাদক( কৃষি, কারিগর) ও দাস(সেবক)।

[চলবে]
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই মে, ২০০৮ দুপুর ১২:২২
৫টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চোখ

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৫:১৬

এতদিন উপমা হিসাবে জেনেছি কারোর চোখ থাকে পটল চেরা, কারোর থাকে বাবুই পাখির বাসার মতন।
এই প্রথম দেখলাম গ্রে'স এলিয়ানের চোখ - এত মায়ায় ভরা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

সব দুনিয়ার আহার যোগাই, আমরা না পাই খাইতে

লিখেছেন ঢাকার লোক, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৬:৩৪



সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার বাওন হাওরের বর্গাচাষি আলী আকবর। কেমন আছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ কৃষিকাজ করি খালি বাঁইচ্যা থাকার লাগি। কোনো লাভ নাই।’ হিসাব কষে বলেন, এখন... ...বাকিটুকু পড়ুন

গুম আর গুপ্ত

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:১৫


খোঁজ করলে দেখাি যাবে, কুকুর-বিড়াল পালকদের অনেক কাছের আত্মীয়-পরিজন অনেক কষ্টে জীবন কাটাচ্ছে। তাদের প্রতি কোনও দয়া-মায়া নেই; অথচ পশুদের জন্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

=পাতার ছাতা মাথায় দিয়ে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৯


মনে আছে ছেলেবেলায়
ঝুমঝুমিয়ে বৃষ্টি এলে,
পাতার ছাতা মাথায় দিয়ে
হাঁটতাম পথে এলেবেলে।

অতীত দিনের বৃষ্টির কথা
কার কার দেখি আছে মনে?
শুকনো উঠোন ভিজতো যখন
খেলতে কে বলো - আনমনে?

ঝুপুর ঝাপুর ডুব দিতে কী
পুকুর জলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

তালেবান ঢাকায়, রাষ্ট্র ঘুমায়

লিখেছেন মেহেদি হাসান শান্ত, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৮:৩২

জুলাই অভ্যুত্থানের পরে বাংলাদেশে অনেক কিছু নতুন হইছে। নতুন সরকার, নতুন মুখ, নতুন বুলি। কিন্তু একটা জিনিস খুব চুপচাপ, খুব সাবধানে নতুন হইতেছে, যেইটা নিয়া কেউ গলা ফাটাইতেছে না। তালেবানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×