মানুষ শ্রমের দ্্বারা উৎপাদন ও আয় করে। এর বিনিময়ে পণ্য ও সেবা ভোগ করে জীবন ধারণ করে। উৎপাদন ও আয় উপার্জন ক্রিয়াকে সাধারণত ঃ অর্থনৈতিক ক্রিয়া বলা হয়।
কৌটলীয় অর্থ শাস্ত্র (রচনা কাল খৃষ্ট পূর্ব 300-400 বছর) থেকে প্রাচীন বাংলার অর্থনৈতিক ক্রিয়ার শ্রেণীবিভক্তি জানা যায় । প্রাচীন বাংলার জনপদ ছোট থেকে বড়ের ক্রমানুসারে যে ভাবে বিভক্ত ছিল , তা হলো- গ্রাম, সংগ্রহন, কাবর্্বটিক, দ্্রোনমুখ এবং স্থান ীয় - নামে।
আরও আগে (খৃঃ পূঃ 487-567 বছর) প্রায় 100 বছর ব্যাপী বৌদ্ধ যুগে ভারতে ছোট ছোট রাজ্য ও গণ শাসিত সমাজ ছিল। তখন শ্রেনী ও বর্ণভেদ প্রথার অনেকাংশে বিলুপ্তি ঘটে। কিন্তু পরবর্তিতে ব্রাহ্মণ ও ক্ষত্রীয় নামক "উচ্চ শ্রেনীদের" ক্ষমতা দখলের মধ্য দিয়ে ভারতবর্ষে বর্ণভেদ ও শ্রেনী বিভক্তি পুনরায় চালু হয়।
ব্রাহ্মণ ও ক্ষত্রীয় সম্রাটদের শাসিত রাজ্যে গ্রাম ছিল অধিকাংশই শূদ্্র জাতীয় কৃষকদের নিয়ে গঠিত। প্রতি গ্রামে 100 থেকে 500 ঘর গৃহস্থ বাস করতো। সংগ্রহন 10টি গ্রাম নিয়ে ; কাবর্্বটিক 200 গ্রাম নিয়ে; দ্্রোনমুখ 400 গ্রাম নিয়ে এবং স্থানীয় গঠিত হতো 800 গ্রাম নিয়ে।
গ্রামে শূদ্্র জাতীয় কৃষকের বাস অধিকাংশ হওয়ায় জনপদের সংখ্যাগরিষ্ঠ অধিবাসী ছিল শ্রমজিবি শূদ্্র কৃষক।
এই সময়ে ( খৃঃ পূঃ 500 বছর ) গ্র ীসের এথেন্সের ংর রাষ্ট্রের অধিবাসীরা চার শ্রেনীতে বিভক্ত ছিল। যথা- দার্শনিক , যোদ্ধা , উৎপাদক( কৃষি, কারিগর) ও দাস(সেবক)।
[চলবে]
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই মে, ২০০৮ দুপুর ১২:২২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।






