নিজেদের বিশ্বজয়ী মনে হচ্ছিল।
ঃ বর্ণা আমার গয়না মনে হয় বেচাই লাগবে। উর্মিরে এক জোড়া রিং কিনে দেব। আল্লাহরে, মেয়েটার চোখ গুলা এত্ত সুন্দর!! ইনফেকশনের ভয় না থাকলে চুমা দিয়ে ভরায় দিতাম!!
বর্না হি হি করে গড়ায় পড়ে। তারপর হঠাৎ ই শক্ত হয়ে বসে। ওর এতক্ষণে মনে পড়ে যে আমি একটা শুয়োর।
আমি েপ্রমাদ গুনি! বর্নার গালির ভান্ডার এই খুললো বলে!
আমি সাত তাড়াতাড়ি সর্বনাশে বাঁধ দেই---
বর্না , তোমার রুদ্ধ ঠোঁটে ফুটো না ফুল!
পাপড়ি গুলো আরেকটু থাক জড়িয়ে। ভুল
হলেও হোক না! এই টুকুতেই স্বর্গ পাবো,
তোমার চোখের নাব্য নদী। আজকে নাবো!
ঠোঁট দুটোকে একটু রাখো নিরব করে,
পাপড়ি গুলো আলগোছে না পড়ুক ঝরে,
আরেকটু ক্ষণ জড়িয়ে থাকুক , ভীষণ সুখে-
তারপরে নয় ঝরিয়ে দিও , আমার বুকে!!!
বর্না তার চিরাচরিত ভঙ্গিতে 'থ' হয়ে থাকে! ওর এই সরল, মুগ্ধ, দিশেহারা ভালোবাসার রুপটা আমার দারুন পছন্দ।
হাজার কোটিবার বলা কথাটা ও আবার বলে!
ঃ ইমন, ছেলে হইলি না কেন?
[চলবে]
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


