কেন লিখলাম জানি না! কিভাবে লিখলাম তাও জানি না! ছন্দটা মাথায় ঘুরছিল, ছন্দ মিলাতে কথাগুলো কিভাবে জানি AUTOMATIC এসে গেছে। এমন কথা কেন আসল তার ব্যখাও জানি না । খুবই আপত্তিকর ১৮++ লিখা। কারো অনুভূতিতে আঘাত লাগলে ক্ষমাপ্রার্থী ।
চোখের ভেতর স্বপ্ন এসে জুড়িয়ে গেল
পুড়িয়ে গেল ভোর , মানুষ বলল
নষ্টা মেয়ে রাত বিরেতে খুলল কেন দোর?!
এমন সময় হাওয়া এল হুড়মুড়িয়ে
অভিমান আর টলমলে জল মনখারাপি
বলল লোকে সন্ধ্যা রাতে ঘরের দাওয়ায়
কেন ছিল? ঢঙ্গী মাগী!
যাক সে কথা, পর্দা টানাও
লক্ষ্মীঝাঁপি থাকলো শুধু ঘরের ভেতর
বোশেখ এল সোহাগ সুখে হাত বাড়ালো
পান্তা ভাতের বিলাস বাসন, মাটির সাঙ্কি ।
মধ্যিখানে সুর কেটে যায় কল্পদুখে
পুরানপাপী ফের বলে যায়, ক্লিষ্টকেশে
কাজের শেষে সারাটাদিন পানিমাখা ভাত!
গরমভাত উজাড় করে অন্যপুরুষ! কেমন খানকি!
ডুবল আবার ঘোর কুয়াশায় রাত কুঠুরি,
সব্জি বটি, পারিবারিক ঝগড়াঝাঁটি অন্তরালে
বলল সবাই পাক্কা নটি!
এত জোরে বরের সঙ্গে কথা বলে!
কালক্ষয়ে জীবনযাপন, বেঁচে থাকার ফন্দি ফিকির-
খোঁজ রেখেছে কখন কে তার?
প্রায় প্রতিদিন ননদ দেবর পুবপাড়ার ভাবীরা সব
শুধায় এসে কোথায় গেল এখন ভাতার?!
এমন করেই কাটছিল দিন
চাঁদ দেখে না, জোনাক নদী ছুত-অচ্ছুৎ বালাই মেনে
অসূর্যস্পশ্যা, এবার খানিক নতুন বোল,
ঘরের মধ্যে কি কাজ এমন , কেমন বাঁকা চলন বলন!
কখনো কারোর নেয়না খবর এ পাড়া ওপাড়া!
কানে কানেই পড়ল সারা এ কান ও কান ঘুরে
ঘরেই মধ্যেই খুলেছে পাড়া!
হায় ছেলেটার কপাল পোড়া! এত এত বিদ্যাবুদ্ধি শেষে
জুটল শেষে এসে, বেশ্যা বেশ্যা!!
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৪ দুপুর ১২:২২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




