somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সহজ ভাষায় বিনা দলীলে ঈদে মীল্লাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ব্যাখ্যা

০৮ ই জানুয়ারি, ২০১৪ দুপুর ২:১৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

যারা ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অর্থই বুঝেনা তারাই বিরোধীতা করে।
শুধু নির্দিষ্ট একদিন নয় সারা জীবন খুশি প্রকাশ করে অর্থাৎ প্রত্যেকটা কাজ হুযূরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অনুসরনে করা এবং উনার প্রশংসায় রত থাকাই হলো ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।
বিষয়টা আরেকটু স্পষ্ট করে বলা যেতে পারে, যেহেতু আমরা নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ , হুযূরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পেয়েছি, অবশ্যই আমরা তাতে খুশি। এখন খুশিটা কিভাবে প্রকাশিত হবে? আদেশ – নিষেধ মেনে, উনার প্রতি ছলাত ও সালাম পড়ে, দরুদ পড়ে, উনার প্রশংসা করে , উনার সংশ্লিষ্ট বিষয় আলোচনা করে ইত্যাদি।
আরেকটা উদাহরন দেয়া যেতে পারে। যেমন কারো গর্ভে সন্তান আসলে সে খুশি হয়, ভুমিষ্ট হলে আরো খুশি, সবাইকে মিষ্টি খাওয়ায়, সন্তানের জন্য জামা কাপড় কেনে, সবসময় সন্তানের খোঁজ খবর নেয়, তার ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবে, তার বিপদে পেরেশান হয়, প্রয়োজনে জীবন ও দেয়।
তাহলে যিনি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, যিনি ইমামুল মুরসালীন, খতামুন্নাবীয়্যিন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আগমনে কতটুকু খুশী হতে হবে, উনাকে কতটুকু মুহব্বত করতে হবে, উনার বিষয়ে কতটুকু চিন্তা করতে হবে, কত টুকু আদেশ নিষেধ পালন করতে হবে, কতটুকু মুহব্বত করতে হবে?
আর এসব করাই হলো ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। অর্থাৎ নবীজী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আগমনে খুশি।
তাই শুধু ১২ ই রবিউল আউয়াল শরীফ নয় বরং মাস, বছর, যুগ, শতক, দুনিয়ার জীবন অনন্তকাল ধরেই নূরে মুজাসসাম , হাবীবুল্লাহ, হুযূরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পেয়ে খুশি প্রকাশ করতে হবে।
ঈদ = খুশি, মীলাদ = আগমন , নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম = সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামান্নবীয়্যিন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহিওয়া সাল্লাম।

সূত্র: View this link
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Extra Long - Dual Coverage!

লিখেছেন মুনতাসির, ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:৪৫

আজান দিলে আমাদের দেশের অনেক নারীর মাথায় কাপড় দেওয়ার একটা দীর্ঘদিনের অভ্যাস আছে। আজান শুরু হলো, ওড়না মাথায় উঠল। ব্যাপারটা এত দ্রুত ঘটে যে মাঝখানে চিন্তাভাবনার বিশেষ সুযোগ নেই।

সমস্যা হচ্ছে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মৃত্যু পেরিয়ে আবার ব্লগে------

লিখেছেন মোঃ মাইদুল সরকার, ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:০৬




প্রায় ০৩ মাস হয়ে গেলো ব্লগে আসনা হয় না, আসা হয়না মানে লিখা হয়না। প্রিয়জনের মৃত্যু শোক কাটিয়ে ব্লগে উকি দেওয়া হয় কিন্তু পোস্ট দেওয়া হয় না।


গত... ...বাকিটুকু পড়ুন

জল-জলন্ত

লিখেছেন রাজীব নুর, ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:৫৪



সময় তখন ১৯৫০ সাল।
অলকা থাকে আমেরিকার ফারগো নামক শহরে। খুবই ছোট শহর। শহরটি ছবির মতন সুন্দর। শীতের সময় প্রচণ্ড শীত পড়ে। এলিন নামের এক বৃদ্ধার কাছ থেকে অলকা দুই রুমের... ...বাকিটুকু পড়ুন

৩৬ জুলাইয়ের আন্দোলনে কোটি কোটি মানুষকে টাকা দেওয়া হয়েছিলো?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৩

গানঃ হাল্লাজের কাপড়
গানের লিংকঃ https://on.soundcloud.com/Vctd83PVm40VJ64T16



১) ৩৬ জুলাইয়ের আন্দোলনকে অনেকে আম্রেকিয়া আর শিবিরের প্ররোচনায় হয়েছে বলে প্রচার করেন। আমার প্রশ্ন, আম্রিক্যা ও শিবির কাউকে কাউকে হয়তো 'ভাড়া' করে থাকতে পারে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

দুটি হাসিখুশি গল্প: ফাজিল কানাডিয়ান ও মহা সিরিয়াস কানাডিয়ান

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০১ লা অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:৩৩


হুমায়ূন আহমেদের একটা গল্প ছিল তাদের মাকে নিয়ে। তাদের মেঝ ভাই জাফর ইকবাল তখন আমেরিকার নিউ ইয়র্ক শহরে থাকেন। তাদের মা ছেলের কাছে বেড়াতে গিয়েছেন। বিকেলে তিনি একা একা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×