লেখার শুরুতেই আমি কিউবার ফিদেল কাস্রোর উক্তিটি দিতে চাই -“ আমি হিমালয় দেখিনি। কিন্তু আমি শেখ মুজিবকে দেখেছি। ব্যক্তিত্ব ও সাহসিকতায় তিনিই হিমালয়। এভাবেই আমার হিমালয় দেখার অভিজ্ঞতা অর্জিত হয়েছে।”
বঙ্গবন্ধু এমন একজন ব্যাক্তি যাকে সকল আলোচনা সমালোচনার এবং সকল প্রকার রাজনীতির উর্ধে রাখা উচিত বলে আমি না পুরা জাতিই তা মনে করে
আওয়ামীলীগ যখন ক্ষমতায় না থাকে তখন উনাকে অনাকর্ষণীয় ব্যক্তি হিসাবে উপস্থাপনের হাজার চেষ্টা করা হয়, বাজারে ছাড়া হয় অজস্র মিথ্যা ,জন্মদিনের নাটক ও জাতিকে উপভোগ করতে হয় ।
আর যখন আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় থাকে তখন ব্যাপারটাকে অতি রঞ্জিত করে ফেলো তেতো বানাইয়া ফেলে । সারা দেশে ছিচকে নেতা কর্মীরা , টিভি চ্যানেল আর পত্রিকা অফিস জুড়ে যেরকম অতি ভক্তির মেকি অভিনয়ের প্রতিযোগিতায় নামেন তাতে এই অসাধারণ মানুষটার প্রতি আকর্ষণের পরিবর্তে বোধ করি বিকর্ষণ তৈরি হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট যখন সপরিবারে হত্যা করা হয়ে ছিলো কই তোমাদের কে তো দেখি নাই প্রতিবাদ জানাতে আজ ৪০ বছর এখন তোমাদেরকে অতি ভক্তি দেখাতে দেখা যায় , আমার জানা মতে তখন একমাত্র বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিক ই প্রথম সশস্র প্রতিবাদ করে ছিলেন ।
তাই বর্তমানের অতিভক্তির নাটকের মাধ্যমে তার নাম ভাঙ্গিয়ে নিজেদের আঁখের না গুছিয়ে তাঁকে অন্তত মুক্তি দিন।
হে বাঙালি একজন নেতাকে তোমরা জীবিত থাকতে দেও নি কিন্তু মৃত্যুর পরে শান্তিতে থাকার অধিকার নিয়ে কারাকারি করার অধিকার তোমাদের কি আছে?
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই আগস্ট, ২০১৫ দুপুর ২:০৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



