তখনের ছোটবেলা,
ছিল মধুতে ভরা অথবা মৌচাকে বাঁধা ।
শুভ্র সকাল জেগে উঠে মিষ্টি রৌদে, পাখির কলতানে
অথবা কাঁচা মাটির গন্ধে, মোরগ রাজার ডাকে ।
গ্রাম্য মাতা ব্যস্ত পিঠাপুলির আয়োজনে
কত রঙ্গ খেলা করতো মাটির চুলোর রসই ঘরে !!
স্কুল, মক্তব ছিল শিক্ষক, হুজুরদের যত্নে মাখা
এ যেন এক সঠিক দীক্ষার সুন্দর শাখা
আদর ভালোবাসায় দিতেন সঠিক পথের ব্যখ্যা
দেখেছিলাম কিছু ভালো মানুষের পাগলামী-
তাদেরকেই শান্তির পথের উজ্জল গুরু মানি
করতাম না তাই তাঁদের সাথে সূক্ষও বেয়াদপী ।
পুকুর ক্রন্দন করতো ভর দুপুরে
প্রতিযোগীতার সাতার কাটা হত যে তার বুকে
পুকুরতলে মৃত্তিকাগুলোও কাঁদতো জ্বলে ভেসে
মাফ পেত না যে তারা অল্পতে
মাঝে মাঝে তাই অসুখ বাঁধাতাম তাদের বদ-দোয়াতে !!
বিকেলের সকাল হত মাঝমাঠে আউট চিৎকারে
মাঠ দৌড়াতো দিব্বি ঘোড়াদের ক্রিকেট, ফুটবলে
আরো চলতো ঘোল্লাছুট আর হা-ডুডুতে
বিকেল ঘুমোতো বোম্বাস্টিং খেলার মেজাজে !!
মনযোগ হারাতো সন্ধ্যার পড়ার টেবিলে
চক্ষুদ্বয়ের ক্লান্ত পাতা আটকানো সাধ্যের বাহিরে
এদিক ওদিক বাহানায় ঘুমিয়ে যেতাম যেথায় সেথায়
জেগে উঠে পেতাম নিজেকে মায়ের আচলের পহারায়
এ কেমন মায়ার টান-
এখনো আমায় টানে সেই আচলের নিরাপদ পুলকিত ঘ্রান ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।