তোমরা দুঃখ কী তা জানো?
তবে তাই হোক-
আজ দুঃখ নিয়েই লিখি, লিখে করি তার ব্যবচ্ছেদ,
আমার যে শুধুই আছে কিছু বর্ণ দিয়ে তৈরী শব্দ !
তবে শোন, শব্দরাও করতে পারে দুঃখ লুন্ঠন ।
বেশ, তবে তাই হোক...
আমি দেখেছি দুঃখনুরাগীদের, শব্দ পড়ে তারা হেসেছে ,
উগরে দিয়েছিল তাদের পুরনো শেওলার মত লুকিয়ে থাকা বিষাক্ত আকাশ ।
কিন্তু কাঁটাতারে ঘিরে রেখেছিল তারা অবধি স্মৃতির লুন্ঠনে, সেখানে যে ছিল কিছু সুখ,
যার পাপে মুগ্ধ হয়ে এখনো তাদের মুখশ্রী মুখোশে বেঁচে থাকা, শব্দেরা তাই নিরপরাধ ।
শূন্য থেকে বিন্দু হয়ে পাহাড়সম দীর্ঘকায়ে যাদের গড়ে ওঠা, তারা কী তবে কুক্ষিগত হয় !
সময় বলে দেয়- তবুও শব্দ পড়ে যাও, ধীরে ধীরে গড়ে উঠবে এর চেয়েও বৃহৎ নিরোধক,
ভাঙ্গবে গুড়ি গুড়ি, এতোদিন যে দুঃখবিহারী গড়েছিলে- যা ছুঁতে চায় আকাশ- বিমুগ্ধে, বিধ্বংসে !
মনে ফলবে রক্ষের অবাধ বিচরণ, একদিন গুড়িয়ে যাবে আকাশচুম্বী- তোমার শব্দ পাঠে তৈরি নিরোধকে,
এই বিশ্বাস রাখো, তারা তোমায় করবে না নিরাশ, শব্দেরা বিশ্বাসী, তারা ওয়াদা রক্ষার মর্যাদায় ভয়ঙ্করী ।
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই আগস্ট, ২০১৫ রাত ৮:২৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



