কোরানের মত অস্পষ্ট ,দুর্বোধ্ ও স্ববিরোধী কিতাব দুনিয়াতে দ্বিতীয়টা নেই
============================================
কোরান বলেছে তার মধ্যেকার প্রতিটা বিষয় পরিস্কার ও বিস্তারিত-
-------------------------------------------------------------------------
সুরা নাহল-১৬:৮৯:আমি আপনার প্রতি গ্রন্থ নাযিল করেছি যেটি এমন যে তা প্রত্যেক বস্তুর সুস্পষ্ট বর্ণনা, হেদায়েত, রহমত এবং মুসলমানদের জন্যে সুসংবাদ।
সুরা হুদ -১১:১:এটা কিতাব, এর আয়াতসমূহ বিশদভাবে বিবৃত আরবী কোরআনরূপে জ্ঞানী লোকদের জন্য।
সুরা আলআনআম- ৬: ১৪:----তবে কি আমি আল্লাহ ব্যতীত অন্য কোন বিচারক অনুসন্ধান করব, অথচ তিনিই তোমাদের প্রতি বিস্তারিত গ্রন্থ অবতীর্ন করেছেন।
সুরা হামিম সেজদা -৪১:৩এটা কিতাব, এর আয়াতসমূহ বিশদভাবে বিবৃত আরবী কোরআনরূপে জ্ঞানী লোকদের জন্য।
-------------------------------------------------------------------------
সুতরাং ধরে নেয়া যায় যে কোরানে দুনিয়ার সব বিষয়ই সুস্পষ্টভাবে বর্নিত আছে। কিন্তু ঘটনা কি সত্য ? মুহাম্মদের ব্যাক্তিগত কিছু চাওয়া পাওয়া - যেমন বহু বিবাহ , ডাকাতি , লুটপাটের মালের ভাগাভাগি , বন্দিনী নারী ধর্ষন, অবিশ্বাসীকে হত্যার কথা সহ আল্লাহর হুমকি ধামকি ছাড়া কোরানে আর কি আছে ? যদি ধরে নেই , কোরানে যে সব বিষয়ের অবতারনা করা হয়েছে, অন্তত: সেসব বিষয়ের সুস্পষ্ট ও বিস্তারিত বর্ননা আছে। কিন্তু বিষয়টা কি তাই ? কোরানে বহু পুর্ববর্তী নবীর কথা উল্লেখ করা হয়েছে যেমন - ইব্রাহীম, মুসা , দাউদ ইত্যাদির , কিন্তু তাদের জীবনের বিস্তারিত ঘটনার কোন বর্ননা আছে ? নাই , হুট হাট করে তাদের সম্পর্কে অতি সামান্য কিছু কথা আছে। তাহলে কিভাবে আমরা বুঝব যে ইব্রাহীম , মুসা বা দাউদ সোলেমান ইত্যাদিরাও নবী ছিল? আর কিভাবেই বা বুঝব কোথায় তারা জন্মেছিল ও তাদের ধর্ম প্রচার করেছিল ? কোরানে কি তাদের কথা বিস্তারিত আছে ? ঘটনার এখানেই শেষ নয়, এরপরেই কোরান বলছে -
-----------------------------------------------------------------------------
সুরা আল ইমরান -৩:৭:তিনিই আপনার প্রতি কিতাব নাযিল করেছেন। তাতে কিছু আয়াত রয়েছে সুস্পষ্ট, সেগুলোই কিতাবের আসল অংশ। আর অন্যগুলো রূপক। সুতরাং যাদের অন্তরে কুটিলতা রয়েছে, তারা অনুসরণ করে ফিৎনা বিস্তার এবং অপব্যাখ্যার উদ্দেশে তন্মধ্যেকার রূপকগুলোর। আর সেগুলোর ব্যাখ্যা আল্লাহ ব্যতীত কেউ জানে না। আর যারা জ্ঞানে সুগভীর, তারা বলেনঃ আমরা এর প্রতি ঈমান এনেছি। এই সবই আমাদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে অবতীর্ণ হয়েছে। আর বোধশক্তি সম্পন্নেরা ছাড়া অপর কেউ শিক্ষা গ্রহণ করে না।
-----------------------------------------------------------------------------
অর্থাৎ কোরান বলছে কিছু আয়াত সুস্পষ্ট আর কিছু রূপক বা অস্পস্ট। তার মানে আগে যে বার বার কোরান বলল , তার আয়াতের বিষয়বস্তু সুস্পস্ট ও বিস্তারিত , এই ৩:৭ আয়াতে ঠিক তার উল্টো কথা বলছে।
এসব আয়াতের বিষয় মুমিনদের চোখের সামনে তুলে ধরলেও তারা এর মধ্যে স্ববিরোধীতা দেখে না। কোরান একবার বলছে - এর সব আয়াত পরিস্কার ও বিস্তারিত, আবার অন্য যায়গায় বলছে - কিছু আয়াত পরিস্কার ও কিছু রূপক বা অস্পষ্ট - সরাসরি এই স্ববিরোধী কথা কোরানে বলা থাকলেও মুমিনদের বোধ বুদ্ধি এখানে লোপ পেয়ে যায় আর তারা এর মধ্যে স্ববিরোধীতা দেখে না। কারন এতকিছুর পর কোরান বলছে -
-----------------------------------------------------------------------------
সুরা নিসা -৪:৮২:এরা কি লক্ষ্য করে না কোরআনের প্রতি? পক্ষান্তরে এটা যদি আল্লাহ ব্যতীত অপর কারও পক্ষ থেকে হত, তবে এতো অবশ্যই বহু বৈপরিত্য দেখতে পেত।
------------------------------------------------------------------------------
কোরান ভিন্ন ভিন্ন আয়াতে সুস্পষ্টভাবে স্ববিরোধী কথা বলেই আবার দাবী করছে তাতে কোন স্ববিরোধীতা নেই। সুতরাং এখন মুমিনদেরকে সামনে যতই কোরানের মধ্যে থেকে স্ববিরোধী বক্তব্য তুলে ধরা হোক না কেন , মুমিনরা সেটা কোনভাবেই স্বীকার করবে না , কারন কোরান বলেছে তাতে কোন স্ববিরোধীতা নেই। সুতরাং সুস্পষ্টভাবেই মূর্খ , অন্ধ , উন্মাদ , ও পাগল এবং জড়বুদ্ধি সম্পন্ন মানুষ না হলে তার পক্ষে খাটি বা সহিহ মুমিন হওয়া অসম্ভব।
সংগৃহীত:view this link

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

