somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বিদ্যানন্দ কি ফিরে পাবে পুরনো খ্যাতি?

২৯ শে এপ্রিল, ২০২৩ রাত ৯:৫৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

২০২০ সালের মে মাসে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন নিয়ে একটি লেখা লিখেছিলাম। তখন ও বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন নিয়ে তুমুল আলোচনা ও সমালোচনা হয়েছিল তবে ঐ আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল ভিন্ন। ঐ বছর ৫ মে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা কিশোর কুমার দাশ প্রতিষ্ঠানটির সর্বোচ্চ পদ থেকে অব্যাহতি চেয়ে ছিলেন। ‘পড়বো, খেলবো, শিখবো’ স্লোগান নিয়ে প্রতিষ্ঠা করেন বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন আর বিদ্যানন্দ নামের সাধারণ বিশ্লেষণ ছিল আন্দন্দের সাথে বিদ্যা অর্জন। আমার ঐ লেখা বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন ও এর প্রতিষ্ঠাতা কিশোর কুমার দাশকে নিয়ে আমার জানা প্রায় সব টুকু তথ্যই আমি তুলে ধরতে চেষ্ঠা করেছি। লিখার মাধ্যমে বিদ্যানন্দকে সহযোগিতা করার চেষ্টা করেছি। যদি ও বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য ছিল অসহায় সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের লেখা পড়া শিখিয়ে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করা। পরবর্তীতে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন আলোচিত হয় " এক টাকায় আহার " নামে মাত্র এক টাকার বিনিময় গবীর ক্ষুধার্ত মানুষকে খাবার বিতরনের মাধ্যমে। যা ছিল নিসন্দেহে একটি মানবিক কাজ। কারন যে ই যা বলুক আমাদের দেশের দরিদ্র ও হতদরিদ্র মানুষের সংখ্যা কত তার প্রমান মিলে টিসিবির পন্য বিক্রির ট্রাকের সামনে দাড়ালে। বিদ্যানন্দ আমাদের সাধারন গরীব মানুষের জন্য যে উদ্যোগ নিয়েছে তা সত্যি মানবিক। পৃথিবীর অনেক উন্নত দেশেই ভবঘুরে মানুষদের জন্য সমান্য নাম মাত্র বিনিময়ে খাদ্য বিতরন কর্মসূচি পরিচালনা করে বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় সংগঠন।

সম্প্রতি আবারো আলোচনা ও সমালোচনার মুখে পরেছে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন। এবার তাদের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ গুলো খুবই গুরুতর বিষয় নিয়ে। এ সব অভিযোগ তোলার মত অনেক কাজ ও করেছেন বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন কতৃপক্ষ। তাদের বিরুদ্ধে এবারের আলেচনার সুত্রপাত বঙ্গবাজারে গত ৪ মে ২০২৩ তারিখে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর। তারা কোন এক নারী উদ্যোক্তার ফেইসবুক পেইজ থেকে কাপরের তৈরির গহনা ছবি নিয়ে নিজেদের ফেইসবুকে পেইজে বঙ্গবাজারের আগুনে পুরে যাওয়া কাপরের অংশবিশেষ দিয়ে তৈরি গহনা বলে চালিয়ে দিয়েছেন। তাতেই বাধে বিপত্তি। বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের মত এত বড় একটি বহুল পরিচিত সংগঠন কিভাবে পারলো একজন নারী উদ্যোক্তার নিজস্ব পন্যের ছবি তাদের বলে চালিয়ে দিতে? এর পর বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন ও তাদের " এক টাকার আহার " এর ফেইসবুক পেইজ ঘেটে তাদের বিরদ্ধে অনেক নেটিজেন ই অনেক অভিযোগ তুলেছেন। তার মধ্যে আছে মজিদ চাচা নামের একজন ছদ্মনামের ব্যক্তি, একই গরুর ছবি বার বার ব্যবহার করা, যাকাতের টাকা নেওয়া আমাদের পার্বত্যজেলা বিশেষ করে বান্দরবানের জমি টাকার বিনিময় দানপত্র, লীজ নিয়ে অনাথালায় বা এতিমখানা প্রতিষ্ঠা করা। অবশ্য বান্দরবানে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের এই জমি নিয়ে ২০২০ সালের ৭ সেপ্টেম্বর হিল ভয়েস নামের একটি অনলাইন পোর্টাল " আলিকদমে স্কুলের নামে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন কর্তৃক ম্রো সম্প্রদায়ের জমি দখল " শিরোনামে একটি প্রতিবাদ প্রকাশ। যদিও ঐ প্রতিবেদনকে আমি কখনোই তেমন গুরুত্ব দেই নাই। কারন বিদ্যানন্দ সহ যে কোন প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের ভাল কাজকে সব সময় ই যথাসম্ভব সমর্থন ও সহযোগিতা করাই আমার নৈতিক দায়িত্ব।

অনেকে ই বিভিন্ন সেবাদাতা বা সামাজিক সংগঠনে জাকাত দিয়ে থাকেন। তারই অংশ হিসেবে গত কয়েক বছর ধরে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে জাকাত গ্রহন করে আসছে। সম্প্রতি এই ফাউন্ডেশনে জাকাত দেওয়া নিয়ে নানা সমালোচনা শুরু হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। বিদ্যানন্দে জাকাত দেওয়া যাবে কি না, এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। আবার অনেকে ই বিদ্যানন্দকে জাকাতের টাকা দেওয়া ইসলাম ধর্মে শরিয়তসম্মত নয় বলেও জানাচ্ছেন। কারন এটা যেহেতু ধর্মীয় বিধান তাই আল্লাহ রাব্বুল আল আমিন পবিত্র কুরআনেই বলে দিয়েছেন কারা কারা জাকাত পাবার অধিকার রাখে। সেখানে আট শ্রেণীর লোকের কথা বলা হয়েছে।
প্রথম ও দ্বিতীয় খাত হলো ফকির ও মিসকিন। আরবিতে ফুকারা এবং মাসাকিন দুটি শব্দ দিয়েই দারিদ্রকে নির্দেশ করলেও এ দুটির অর্থ ভিন্ন। ফেকাহ শাস্ত্রের গ্রন্থগুলোতে এর সংজ্ঞায়ন করা হয়েছে এভাবে, ফুকারা বা ফকির হলেন এমন শ্রেণীর দরিদ্র ব্যাক্তি যে তার আয় থেকে মৌলিক চাহিদা পূরণ করতে পারে না। অনেক জায়গায় এর সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, ফকির হলো এমন মানুষ যার জীবিকা নির্বাহ করার মতো সম্পদ নেই এবং আয়েরও ব্যবস্থা নেই। আর মিসকিনের সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, যার কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা আছে কিন্তু তার জীবিকা নির্বাহের মতো পর্যাপ্ত আয় হয় না। অনেক পরিশ্রম করেও যে তার অন্নসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হিমশিম খায় সেই হচ্ছে মিসকিন। কেউ কেউ আবার বলেছেন, ফকির মিসকিনের পার্থক্য হলো সাহায্য চাওয়ার দিক থেকে। ফকির হচ্ছে সে যে মানুষের কাছে সাহায্য চেয়ে বেড়ায়। আর মিসকিন হলো যে ফকিরের মতই অর্থাভাবে থেকেও কারো কাছে সাহায্য চায় না আত্মসম্মানের জন্য।

জাকাত প্রদানের তৃতীয় খাত হলো আমিলীন এটি একটি আরবি শব্দ । যার বাংলা অর্থ এমন যে, কর্মচারী যারা জাকাত ব্যবস্থাপনার সাথে সম্পৃক্ত। পবিত্র কুরআনের ভাষ্যমতে এই শ্রেণিও জাকাত পাবার অধিকার রাখে। যারা সরকারি বা বেসরকারিভাবে জাকাত আদায় এবং বণ্টনের কাজে লিপ্ত তারাও জাকাতের অর্থ গ্রহণ করতে পারে। তবে বেশিরভাগ শরিয়ত বিশেষজ্ঞের মতে , এই ক্ষেত্রে আদায়কৃত জাকাতের সাড়ে ১২ ভাগের বেশি খরচ করা যাবে না এই খাতে। এর পরের খাত গুলি হলো হৃদয় জয় করা উদ্দেশ্য, দাসত্ব থেকে মুক্তি, ঋণগ্রস্তকে ঋণ মুক্ত করা, আল্লাহর পথে ব্যয় করা আর অস্টম খাত হলো ইবনুল সাবিল বা মুসাফির অর্থাৎ সফরে থাকাকালীন একজন মুসাফিরের নানা রকম পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়। সর্বস্ব হারিয়ে ফেলার মতো ঘটনাও ঘটতে পারে। এছাড়া নাগরিকত্ব হারিয়ে অভিবাসী হয়ে ভিনদেশে বাস করা লাগ তে পারে এমন মানুষ । এরকম বিপদে মুসাফিরকে জাকাত দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য উৎসাহ দিচ্ছে ইসলাম। দুর্ঘটনা বা দুর্যোগে অনেক মানুষ তাদের সর্বস্ব হারিয়ে ফেলে তাদেরকেও জাকাত দেয়া বৈধ। রাজনৈতিক সংকটের কারণে যারা গৃহহীন হয়ে অন্য দেশে আশ্রয় নিয়েছেন তাদের জাকাত দেয়া বৈধ।পবিত্র কুরআনে জাকাতের এই আটটি খাতের বাইরে জাকাত পাবার অধিকার দেয়া হয়নি কাউকে। বিশেষ করে নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক, অমুসলিম, আত্মীয়-স্বজন, শিশু, সেবার প্রতিদানে, কর্মচারীকে, মসজিদে, মৃত ব্যক্তির দাফনের কাজে, ঋণ হিসেবে, উপহার হিসেবে এবং পাপী ব্যক্তিকে জাকাত দেবার বিষয়ে শরিয়তে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তাই শরিয়তের বিধান অনুযায়ী বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন জাকাতের অর্থ সম্পদ পাওয়ার যোগ্যাতা বা অধিকার রাখে কি না সেটা ই একটা প্রশ্ন?

বিদ্যানন্দের মুল উদ্দেশ্য ই ছিল শিক্ষা তারা সমাজের সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের লেখাপড়া শিখিয়ে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করবে এটা ই ছিল অনেকের ধারনা। কিন্তু বিদ্যানন্দ তাদের সেই লক্ষ্য থেকে অনেকটাই দুরে সরে এসেছে। বুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থী ও আমেরিকা প্রবাসী রাজকুমার ধর ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আসিফ ইমতিয়াজ তারা দুই জন ই বিদ্যানন্দ নিয়ে মারাত্মক অভিযোগ তুলেছেন। রাজকুমার ধর তার ফেইসবুক আইডিতে এক স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন বিদ্যানন্দের, ২০২১ সালে বিদ্যানন্দে বাৎসরিক একটা এমাউন্ট ডোনেট করে ওদের অনাথালয়ের একজন বাচ্চার দায়িত্ব নেওয়ার পোস্ট দেখি। যোগাযোগ করি, কথা হয় ৪ কিস্তিতে ৩ মাস পরপর টাকা দিতে হবে। প্রথম কিস্তির টাকা দেওয়ার পর বাচ্চার ডিটেইলস জানিয়ে দিবে। আমি প্রথম কিস্তির টাকা দেই, ওরাও ছবি, ভিডিওসহ বাচ্চার সবকিছু পাঠায়। ওদের পক্ষ থেকেই আরো বলা হয় যে প্রতিমাসে একবার বাচ্চার সাথে কথা বলানো হবে, আর বাচ্চার পড়ালেখার আপডেট দেওয়া হবে। সবকিছুতে স্বচ্ছতা দেখে আমি বেশ খুশি হই। এট পর থেকে নাকি বাধে বিপত্তি। এর পর বিদ্যানন্দ থেকে তার সাথে ঐ সম্পর্কে কোন তথ্য বা ঐ বাচ্চার আপডেট জানননো হয় নাই। বিদ্যানন্দের এমন কাজ মোটও গ্রহনযোগ্য বলে কেউই মনে করেন না। পাহার জমি নিয়ে বিদ্যানন্দ যে অনাথালয় অর্থাৎ এতিম খানা নির্মানের যে পরিকল্পনা হাতে নিয়ে ছিল তা নিয়ে ও বিতর্কের কমতি নাই। যদিও বিদ্যানন্দের প্রতিষ্ঠা কিশোর কুমার দাস নাকি দক্ষিণ আমেরিকার পেরুতে বসেই এর কার্যক্রম পরিচলনা করেন। জানিনা সুদুর পেরুতে বসে কিশোর কুমার দাসের পক্ষে বিদ্যানন্দের মত এত বড় একটি প্রতিষ্ঠান সঠিক ভাবে চাালানো আদৌ সম্ভব কি না? যেহেতু বিদ্যানন্দ সাধারণ মানুষের টাকা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। কিশোর কুমার দাসের সম্প্রতি একটি মন্তব্য আমাকে খুবই পিড়া দিয়েছে তা হলো তিনি এবং তার স্ত্রী নাকি বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন সঠিক ভাবে চালানোর জন্য ই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা কখনো সন্তান নিবেন না। কারন কেউ যাতে বলতে না পারে তারা তাদের বাচ্চার ভবিষ্যতের জন্য সম্পদ রেখে গেছেন। প্রতিটা মানুষ ই তার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য কিছু সঞ্চয় রেখে যেতে চান এবং চেস্টা ও করেন। তবে সেটা সৎ পথের হলে দোষের কোথায়? তবে কিশোর কুমার দাসের এমন মন্তব্য সত্যি পিড়া দায়ক সেই সাথে কিছুটা অস্বস্তির ও বটে। বিদ্যানন্দের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের বিরুদ্ধে আমাদের বিশেষ বুদ্ধিজীবি শ্রেণী মুসলমান সম্প্রদায়ের অনেক আলেম সহ অনেক মুসলমানদের দোষারোপ করলে ও বাংলাদেশ হিন্দু মহাজোটের মহাসচিব গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক কিন্তু বিদ্যানন্দকে ঠিক ই কয়েক হাত দিয়েছেন। তার বক্তব্য বিদ্যানন্দ ও নাকি হিন্দুদের সাথে এক প্রকার প্রতারণা করেছে। তার মতে হিন্দু ধর্মের সাধু সন্ন্যাসীদের নামের পরে আনন্দ যুক্ত থাকে তাই তারা নামের শেষে আনন্দ যুক্ত করে সকলের কাছে নাকি প্রমান করতে চায় এটা একটি হিন্দু ধর্মীয় সংগঠন। তার অভিযোগ তারা ইফতার বিতরন করছে গরু জবেহ করছে কোরবানি দিচ্ছে ইত্যাদি। এমনকি গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক বিদ্যানন্দের প্রতিষ্ঠাতা কিশোর কুমার দাসের দক্ষিণ আমেরিকার দেশ পেরুতে আয়েসি জীবন যাপন নিয়ে ও প্রশ্ন তুলেন।

বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য যাই হউক তবে আজ পর্যন্ত তাদের প্রায় কর্মকান্ড ই মানব কল্যানের সাথে ই সম্পৃক্ত। তবে আমাদের দেশে এই মুহুর্তে কিছু কিছু বিতর্কিত ব্যক্তি আছে যাদের আমাদের সাধারন মানুষ কোন ভাবে ই সমর্থন করেন না বা তাদের কথার কোন গ্রহনযোগ্যতা আছে বলে ও মনে করেন না। বরং তারা যখন কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের হয়ে কথা বলে বা তাদের সমর্থন করে তখন সাধারন আমাদের সাধারণ মানুষের ধারনা জন্ম হয় যে ঐ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানে কেন ঘাবলা আছে। আর সেই ঘাবলাকে জনসম্মুখ থেকে আরাল করতে ই ঐ সকল বির্তকিত ব্যক্তিদের সোচ্চার হওয়া। ঠিক বিদ্যানন্দের বেলায় ও তেমনটি ঘটছে। বিদ্যানন্দ প্রথমে তাদের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে প্রতিটি মানুষের সমর্থন থাকলে ও যখনই ঐ সকল বির্তক মানুষ গুলি বিদ্যানন্দের পক্ষ নিজেদের অবস্থা দৃঢ় করার প্রমান করতে নেমেছে তখন ই সাধারন মানুষ বিদ্যানন্দের কর্মকাণ্ডে সন্দেহ পোষন করতে শুরু করেন। সেই সাথে বিদ্যানন্দের বেশ কিছু কর্মকাণ্ড ও ছিল বির্তকিত এবং প্রশ্নবিদ্ধ। বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন যেহেতু মানুষের কল্যানের জন্য প্রতিষ্ঠিত একটি সংগঠন তাই সব সময় বিদ্যানন্দ মানব কল্যানের জন্য ই তাদের কর্মকাণ্ড পরিচালনা করবে এমনটি সকলের চাওয়া । তাদের বিরুদ্ধে আনিত সকল অভিযোগ গুলি বিদ্যানন্দ সুষ্ঠু ও যুক্তি সঙ্গত ভাবে খন্ডন করে ভবিষ্যতে স্বচ্ছতা সাথে সকল কর্মকাণ্ড পরিচালনা করবে এমনটাই তাদের কাছে কামনা করছি। বিদ্যানন্দ আবার তার পুরনো ঐতিহ্যে ফিরে আসবে একটা প্রত্যাশা।

সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে এপ্রিল, ২০২৩ রাত ১২:১১
৯টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ভালোবেসে লিখেছি নাম

লিখেছেন মোঃ মাইদুল সরকার, ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ দুপুর ১২:৫৮









আকাশে রেখেছি সূর্যের স্বাক্ষর
আমার বুকের পাজরের ভাজে ভাজে
ভালোবেসে লিখেছি তোমারি নাম
ফোটায় ফোটায় রক্তের অক্ষর।

এক জীবন সময় যেন বড় অল্প
হাতে রেখে হাত মিটেনাতো সাধ
... ...বাকিটুকু পড়ুন

নীলাঞ্জনার সাথে

লিখেছেন মায়াস্পর্শ, ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ দুপুর ১:৪৩

ছবি :ইন্টারনেট


কেউ নিজের মতো অভিযোগ গঠন করলে (ঠুনকো)
বলি কী ,
তার ভেতরেই বদলানোর নেশা ,
হারিয়ে যাওয়ার নেশা।
ছেড়ে যেতে অভিনয় বেশ বেমানান,
এ যেন নাটক মঞ্চস্থ হওয়ার... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফেব্রুয়ারির শেষ সময়টা

লিখেছেন রোকসানা লেইস, ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ দুপুর ২:৪৮

ফেব্রুয়ারির এই শেষ সময় কয়েকটা বছর ভয়ানক সব ঘটনা ঘটেছে বাংলাদেশ । বিডিআর হত্যা কান্ড তার মধ্যে অন্যতম । রাত গভীরে অপেক্ষা করছিলাম, বইমেলায় খবর দেখার জন্য । তখন... ...বাকিটুকু পড়ুন

একুশের নিহতদের খুন করেছে কারা?

লিখেছেন ইএম সেলিম আহমেদ, ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ বিকাল ৩:৩৪



মূল ঘটনায় যাওয়ার আগে একটি ভিন্ন ঘটনায় নজর দেই। ২৪ নভেম্বর যাত্রাবাড়ি, ১৯৭৪ সাল, ভয়ানক বিস্ফোরণ হয় একগুচ্ছ বোমার। বোমার নাম আলোচিত নিখিল বোমা। সে বোমার জনক নিখিল রঞ্জন... ...বাকিটুকু পড়ুন

গত ৯ বছরে সামুর পোষ্টের মান বেড়েছে, নাকি কমেছে?

লিখেছেন সোনাগাজী, ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ রাত ৮:১৮



আমার ধারণা, গত ৮/৯ বছরে সামুর পোষ্টের মান বেড়েছে, অপ্রয়োজনীয় পোষ্টের সংখ্যা কমেছে। সব পোষ্টেই কিছু একটা থাকে; তবে, পোষ্ট ভুল ধারণার বাহক হলে সমুহ বিপদ,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×