Facebook এর "Behind the Scenery of Media & Society" এই প্রফাইল এর বর্ণনা মতেঃ
(((নিজে পড়ে নিজেই ভয় পেয়ে গেছি, এইভাবে মানুষকে কেউ হত্যা করে? )))
নির্মমভাবে টুকরো টুকরো করে হত্যা করা হয়েছে এক তরুনীকে। পুলিশ তরুনীর ২৬ টুকরো লাশ উদ্ধার করেছে। চেহারা বিকৃত করার জন্য ঘাতকরা ওই তরুনীর শরীর থেকে চামড়া তুলে ফেলে। লাশের টুকরোগুলো রাজধানীর শাহাবাগের হাতিরপুলের একটি বাসার ছাদ থেকে উদ্ধার করা হয়। তবে হত্যাকান্ডটি পাশের নাহার প্লাজার সোনালী ট্রাভেলসের অফিস কক্ষে ২/৩ দিন আগে সংঘটিত হয় বলে পুলিশ নিশ্চিত হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ ৬ জনকে আটক করেছে। লাশের টুকরোগুলো ময়না তদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। রোববার লাশের ময়না তদন্ত হবে বলে জানিয়েছে ডিবি পুলিশ।
হতভাগা তরুনীর নাম শাহিনুর আক্তার রত্মা (২১) বলে দাবি করেছে গাজিপুর থেকে আসা তার মা খাদিজা এবং স্বামী সুরুজ আলী। বর্তমানে তারা ডিবি প্রধান কার্যালয়ে রয়েছেন। তাদের দাবি রত্মা ২৪ মে থেকে নিখোঁজ রয়েছেন। গাজিপুর হোতাপাড়া মনিপুরি পাড়ার এনার্জি গেট সংলগ্ন স্বামীর বাড়ির থেকে বের হয়ে আর বাড়ি ফেরেনি। টেলিভিশনে রত্মার বিকৃত মুখের উপরের অংশ দেখে তারা নিশ্চিত হয়েছেন যে এটা তাদেরই মেয়ের লাশ। রত্মা তার স্বামী সুরুজের সঙ্গে পাশ্ববর্তী একটি গার্মেন্টেসে কাজ করতো। রত্মার এক বছর ৮ মাস বয়সী একটি মেয়ে রয়েছে।
আটকরা হচ্ছে: নাহার প্লাজার লিফটম্যান আলিম, হোটেল স্কাই গার্ডেনের সহকারি ম্যানেজার ফয়েজ আহমেদ, কর্মচারি মশিউর ও জুয়েল। এছাড়া সোনালী ট্রাভেলস অফিস থেকে ২ জনকে গোয়েন্দা (ডিবি) কার্যালয়ে নেয়া হয়েছে। পরীবাগের বাসিন্দা প্রাইভেটকারচালক ইসমাইল জানান, শনিবার সকাল ৮টার দিকে পরীবাগের পিজা গলির একটি বাড়ির সামনে ফুটপাতে পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি হাত ও পা দেখতে পান এলাকাবাসি। ওই বাড়ির কেয়ারটেকার আবুল হোসেন ঘটনাটি তার মালিককে জানান। বাড়ির মালিক বিষয়টি থানা পুলিশকে জানান। খবর পেয়ে সেখানে যায় থানা পুলিশ, ডিবি, র্যাব এবং সিআইডির সদস্যরা। আশপাশে তল্লাশি চালায়। বাড়ির বিভিন্ন ফ্ল্যাটের বাসিন্দাদের জিজ্ঞাসাবাদের পর ওই ছাদে যায় পুলিশ। ছাদে গিয়ে খন্ড খন্ড বিভৎস লাশের টুকরো দেখতে পায়। সেখানে এক তরুনীর মাথা, দুই হাতের বিচ্ছিন্ন কবজি, বিচ্ছিন্ন স্তন, হাড় থেকে খসানো মাংস, পায়ের উপরের অংশসহ দেহের ১৬ টুকরো উদ্ধার করে। ভবন মালিকের সন্দেহ পাশের হাতিরপুল ৩৭, সি আর দত্ত রোডের বহুতল বিশিষ্ট নাহার প্লাজার হোটেল স্কাই গার্ডেন থেকে লাশের টুকরোগুলো ফেলে দেয়া হয়েছে। এরই সূত্র ধরে পুলিশ নাহার প্লাজার স্কাই গার্ডেন হোটেলের বিভিন্ন কক্ষে তল্লাশী এবং স্টাফ ও বোর্ডারদের জিজ্ঞাসাবাদ করে। পরে প্রত্যকটি কক্ষ তল্লাশী করে। কিন্তু হোটেলে হত্যাকান্ডের সংশ্লিষ্টতা পায়নি পুলিশ।
এরই মধ্যে একজন পুলিশকে জানায়, হোটেলের উপর তলায় (১৩ তলায়) একটি কক্ষের বাইরে কয়েক ফোটা রক্ত দেখা যাচ্ছে। পুলিশ তখন ১৩ তলার ১৩০৮ নম্বর কক্ষে তল্লাশী চালায়। ওই কক্ষটি সোনালী ট্রাভেলস নামে একটি প্রতিষ্ঠানের অফিস। সেখানের বাথরুমেই হত্যাকান্ডটি সংঘটিত হয়েছে বলে পুলিশ নিশ্চিত হয়। সেখানে পাওয়া গেছে শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করা চামড়া ও আরো কয়েকটি টুকরো। পুলিশ সেখান থেকে হত্যাকান্ডের বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ এবং ওই প্রতিষ্ঠান থেকে ২ জনকে গ্রেফতার করে। হোটেল বয় ইউনুস বলেন, ১৬ তলা নাহার প্লাজার ১০ থেকে ১২ তলা পর্যন্ত আবাসিক হোটেল। ১৪ ও ১৫ তলায় রয়েছে পাম্পিং নামে একটি রেস্টুরেন্ট। মাঝখানে ১৩ তলাটিতে রয়েছে অনেকগুলো ব্যবসায়িক অফিস।
এছাড়াও হোটেল সুপারভাইজার পুলিশকে জানায়, গত শুক্রবার রাতে হোটেলের ১২০৯ নং কক্ষের বোর্ডার গাইবান্ধার জহিরুল ইসলাম বাথরুমে গিয়ে দেখতে পান কমোড থেকে রক্ত এবং পচা নাড়ি-ভূড়ির মতো বের হচ্ছে। তিনি বিষয়টি হোটেল কর্তৃপক্ষকে জানালে তারা বলেন, হয়তো ১৪ তলায় রেষ্টুরেন্টের জন্য ছাগল জবাই হয়েছিল। সেই রক্ত ও নাড়ি-ভুড়ি কোনভাবে পানির পাইপের সঙ্গে মিশে গেছে। এর ঘন্টা খানেক পরেও একই অবস্থা দেখতে পান। শনিবার সকালে তিনি কমোডে রক্ত, চর্বি এবং চামড়া ভাসতে দেখেন। হোটেল কর্তৃপক্ষ তাকে রুম পরিবর্তন করে দেন।
পুলিশ বলেছে, ছাদ থেকে ১২ টুকরো, বাড়ির সামনে থেকে পায়ের দু‘টি টুকরো এবং সোনালী ট্রাভেলসের ১৩০৮ নম্বর কক্ষের কমোড থেকে আরো ১২ টুকরো উদ্ধার করা হয়। ওই কক্ষ থেকে খুনী ও তার সহযোগীদের পুলিশ আটক করে।(((নিজে পড়ে নিজেই ভয় পেয়ে গেছি, এইভাবে মানুষকে কেউ হত্যা করে? )))
নির্মমভাবে টুকরো টুকরো করে হত্যা করা হয়েছে এক তরুনীকে। পুলিশ তরুনীর ২৬ টুকরো লাশ উদ্ধার করেছে। চেহারা বিকৃত করার জন্য ঘাতকরা ওই তরুনীর শরীর থেকে চামড়া তুলে ফেলে। লাশের টুকরোগুলো রাজধানীর শাহাবাগের হাতিরপুলের একটি বাসার ছাদ থেকে উদ্ধার করা হয়। তবে হত্যাকান্ডটি পাশের নাহার প্লাজার সোনালী ট্রাভেলসের অফিস কক্ষে ২/৩ দিন আগে সংঘটিত হয় বলে পুলিশ নিশ্চিত হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ ৬ জনকে আটক করেছে। লাশের টুকরোগুলো ময়না তদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। রোববার লাশের ময়না তদন্ত হবে বলে জানিয়েছে ডিবি পুলিশ।
হতভাগা তরুনীর নাম শাহিনুর আক্তার রত্মা (২১) বলে দাবি করেছে গাজিপুর থেকে আসা তার মা খাদিজা এবং স্বামী সুরুজ আলী। বর্তমানে তারা ডিবি প্রধান কার্যালয়ে রয়েছেন। তাদের দাবি রত্মা ২৪ মে থেকে নিখোঁজ রয়েছেন। গাজিপুর হোতাপাড়া মনিপুরি পাড়ার এনার্জি গেট সংলগ্ন স্বামীর বাড়ির থেকে বের হয়ে আর বাড়ি ফেরেনি। টেলিভিশনে রত্মার বিকৃত মুখের উপরের অংশ দেখে তারা নিশ্চিত হয়েছেন যে এটা তাদেরই মেয়ের লাশ। রত্মা তার স্বামী সুরুজের সঙ্গে পাশ্ববর্তী একটি গার্মেন্টেসে কাজ করতো। রত্মার এক বছর ৮ মাস বয়সী একটি মেয়ে রয়েছে।
আটকরা হচ্ছে: নাহার প্লাজার লিফটম্যান আলিম, হোটেল স্কাই গার্ডেনের সহকারি ম্যানেজার ফয়েজ আহমেদ, কর্মচারি মশিউর ও জুয়েল। এছাড়া সোনালী ট্রাভেলস অফিস থেকে ২ জনকে গোয়েন্দা (ডিবি) কার্যালয়ে নেয়া হয়েছে। পরীবাগের বাসিন্দা প্রাইভেটকারচালক ইসমাইল জানান, শনিবার সকাল ৮টার দিকে পরীবাগের পিজা গলির একটি বাড়ির সামনে ফুটপাতে পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি হাত ও পা দেখতে পান এলাকাবাসি। ওই বাড়ির কেয়ারটেকার আবুল হোসেন ঘটনাটি তার মালিককে জানান। বাড়ির মালিক বিষয়টি থানা পুলিশকে জানান। খবর পেয়ে সেখানে যায় থানা পুলিশ, ডিবি, র্যাব এবং সিআইডির সদস্যরা। আশপাশে তল্লাশি চালায়। বাড়ির বিভিন্ন ফ্ল্যাটের বাসিন্দাদের জিজ্ঞাসাবাদের পর ওই ছাদে যায় পুলিশ। ছাদে গিয়ে খন্ড খন্ড বিভৎস লাশের টুকরো দেখতে পায়। সেখানে এক তরুনীর মাথা, দুই হাতের বিচ্ছিন্ন কবজি, বিচ্ছিন্ন স্তন, হাড় থেকে খসানো মাংস, পায়ের উপরের অংশসহ দেহের ১৬ টুকরো উদ্ধার করে। ভবন মালিকের সন্দেহ পাশের হাতিরপুল ৩৭, সি আর দত্ত রোডের বহুতল বিশিষ্ট নাহার প্লাজার হোটেল স্কাই গার্ডেন থেকে লাশের টুকরোগুলো ফেলে দেয়া হয়েছে। এরই সূত্র ধরে পুলিশ নাহার প্লাজার স্কাই গার্ডেন হোটেলের বিভিন্ন কক্ষে তল্লাশী এবং স্টাফ ও বোর্ডারদের জিজ্ঞাসাবাদ করে। পরে প্রত্যকটি কক্ষ তল্লাশী করে। কিন্তু হোটেলে হত্যাকান্ডের সংশ্লিষ্টতা পায়নি পুলিশ।
এরই মধ্যে একজন পুলিশকে জানায়, হোটেলের উপর তলায় (১৩ তলায়) একটি কক্ষের বাইরে কয়েক ফোটা রক্ত দেখা যাচ্ছে। পুলিশ তখন ১৩ তলার ১৩০৮ নম্বর কক্ষে তল্লাশী চালায়। ওই কক্ষটি সোনালী ট্রাভেলস নামে একটি প্রতিষ্ঠানের অফিস। সেখানের বাথরুমেই হত্যাকান্ডটি সংঘটিত হয়েছে বলে পুলিশ নিশ্চিত হয়। সেখানে পাওয়া গেছে শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করা চামড়া ও আরো কয়েকটি টুকরো। পুলিশ সেখান থেকে হত্যাকান্ডের বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ এবং ওই প্রতিষ্ঠান থেকে ২ জনকে গ্রেফতার করে। হোটেল বয় ইউনুস বলেন, ১৬ তলা নাহার প্লাজার ১০ থেকে ১২ তলা পর্যন্ত আবাসিক হোটেল। ১৪ ও ১৫ তলায় রয়েছে পাম্পিং নামে একটি রেস্টুরেন্ট। মাঝখানে ১৩ তলাটিতে রয়েছে অনেকগুলো ব্যবসায়িক অফিস।
এছাড়াও হোটেল সুপারভাইজার পুলিশকে জানায়, গত শুক্রবার রাতে হোটেলের ১২০৯ নং কক্ষের বোর্ডার গাইবান্ধার জহিরুল ইসলাম বাথরুমে গিয়ে দেখতে পান কমোড থেকে রক্ত এবং পচা নাড়ি-ভূড়ির মতো বের হচ্ছে। তিনি বিষয়টি হোটেল কর্তৃপক্ষকে জানালে তারা বলেন, হয়তো ১৪ তলায় রেষ্টুরেন্টের জন্য ছাগল জবাই হয়েছিল। সেই রক্ত ও নাড়ি-ভুড়ি কোনভাবে পানির পাইপের সঙ্গে মিশে গেছে। এর ঘন্টা খানেক পরেও একই অবস্থা দেখতে পান। শনিবার সকালে তিনি কমোডে রক্ত, চর্বি এবং চামড়া ভাসতে দেখেন। হোটেল কর্তৃপক্ষ তাকে রুম পরিবর্তন করে দেন।
পুলিশ বলেছে, ছাদ থেকে ১২ টুকরো, বাড়ির সামনে থেকে পায়ের দু‘টি টুকরো এবং সোনালী ট্রাভেলসের ১৩০৮ নম্বর কক্ষের কমোড থেকে আরো ১২ টুকরো উদ্ধার করা হয়। ওই কক্ষ থেকে খুনী ও তার সহযোগীদের পুলিশ আটক করে।
আর প্রথম আলো অনলাইন এর বর্ণনা মতেঃ
রাজধানীর হাতিরপুল থেকে তরুণী হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার সাইদুজ্জামান ওরফে বাচ্চু স্বীকার করেছেন, লোকজনের কাছে ধরা পড়া থেকে বাঁচতে ওই তরুণীকে হত্যা করেছেন তিনি।
আজ রোববার বেলা ১১টায় ঢাকা মহানগর পুলিশের মিডিয়া সেন্টারে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের সামনে সাইদুজ্জামানকে হাজির করা হয়। সেখানে তিনি সাংবাদিকদের কাছে এ দাবি করেন।
গতকাল শনিবার হাতিরপুলের পরীবাগ এলাকার নাহার প্লাজার ১৩ তলার একটি ট্রাভেল এজেন্সি, পাশের ভবনের ছাদ ও রাস্তার ওপর ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা এক তরুণীর ২৬ টুকরা হাড় আর মাংসপিণ্ড উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে নাহার প্লাজায় অবস্থিত সোনালি ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরসের মালিক সাইদুজ্জামান ওরফে বাচ্চুকে আটক করে করা হয়।
হত্যার বর্ণনা দিতে গিয়ে সাইদুজ্জামান দাবি করেন, প্রায় দুই বছর আগে তাঁর সঙ্গে রুমির (গতকাল তরুণীর নাম সুস্মিতা ও পপি বলে জানিয়েছিলেন সাইদুজ্জামান) মুঠোফোনে পরিচয় হয়। এর সূত্র ধরে এক বছর আগে তাঁদের প্রথম দেখা হয়। গত শুক্রবার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে তিনি মিরপুর-১০ নম্বর থেকে রুমিকে হাতিরপুলে নাহার প্লাজার সোনালি ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরস কার্যালয়ে নিয়ে আসেন।
সাইদুজ্জামান আরও দাবি করেন, কার্যালয়ে আসার সময় স্থানীয় কিছু লোক তাঁদের পিছু নেয়। একপর্যায়ে তাঁরা দরজায় ধাক্কা দিয়ে ওই তরুণীকে নিয়ে বেরিয়ে আসতে বলেন এবং বিয়ে করিয়ে দেওয়ার হুমকি দেন। এতে আতঙ্কিত হয়ে তিনি রুমিকে গলা টিপে হত্যা করেন। পরে লাশ বাথরুমে নিয়ে ছুরি দিয়ে টুকরো টুকরো করেন। কিছু টুকরো জানালা দিয়ে বাইরে ছুড়ে এবং কিছু টুকরো বাথরুমে কমোডে ফ্ল্যাশ করে নিশ্চিহ্ন করার চেষ্টা করেন।
পুলিশ জানায়, রুমির গ্রামের বাড়ি ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় আর সাইদুজ্জামানের বাড়ি ফরিদপুরের মধুখালীতে।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপকমিশনার মনিরুল ইসলাম জানান, রুমির পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। তাঁর বাবা নেই। দরিদ্র পরিবারে মেয়ে রুমি ১০-১২ দিন আগে মিরপুরে খালার বাসায় আসেন। রুমি গ্রামের চেয়ারম্যানের কাছ থেকে সনদ নিয়ে ঢাকায় কোনো চাকরির জন্য এসেছিলেন নাকি সাইদুজ্জামান তাঁকে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে নিজ কার্যালয়ে নিয়ে এসেছিলেন, তা রিমান্ডে নিলে জানা যাবে।
এদিকে শাহবাগ থানা পুলিশ সাইদুজ্জামানকে ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করলে মহানগর হাকিম রেজাউল করিম চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
একই ঘটনার বর্ণনা দুই জায়গাই দুই রকম। এমনকি নিহত তরুনীর নামও ভিন্ন বলা হয়েছে। তাহলে আমরা কোনটা বিশ্বাস করবো।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


