somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

প্রেমের অধিক যে প্রেমের গল্প

৩০ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:৩৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

তো একজন একজনকে পছন্দ করে। ওই একজনের আবার আরেকজনের সাথে প্রেম চলছে। সহজ করে বলি।
ধরি একজনের নাম পলাশ। আরেকজনের নাম দীপ্তি। অপরজনের নাম বিপুল। বিপুল আর দীপ্তির প্রেম চলছে। কিন্তু পলাশের জ্বলছে। পলাশ দীপ্তিকে পছন্দ করে। প্রেম করতে চায়। চায় দীপ্তিও তার প্রেমে সাড়া দিক। ছেড়ে দিক বিপুলকে। কিন্তু ব্যাপারটা তো জটিল আছে। কিন্তু এইসব গ্রামের চাচাতো মামাতো ছেলেমেয়েদের কাছে এগুলা যেনো পান্তাভাত। কে যেন পলাশকে বুদ্ধি দিলো কবিরাজি করতে। কবি রাজি মানে যে কবিতা লেখা না এটা মনে হয় মোটামুটি আমরা সবাই জানি। তাবিজ কবজ করবে আরকি! কবিরাজের কাছে গেছে পলাশ। হাজার পাঁচেক টাকা দিয়ে তাবিজ কিনসে পলাশ। দুইটা তাবিজ। তাবিজের এই ব্যাপারটাই ইন্টারেস্টিং আর কৌতুহলকর।

একটা তাবিজ কবরে পুততে হবে। নিশিরাতে কবরে। লাশের নাভী বরাবর মাটিতে অমাবস্যা রাতে পুততে হবে। বিষয়টা অনেকের কাছে ভীতির মতে শুনালেও পলাশের কাছে এটা সহজই হয়ে গিয়েছিল। ভালোবাসার জন্য এইটুক তেমন কিছুই না! এই তাবিজের কাজ হলো দীপ্তির মনে পলাশের প্রতি ভালোবাসা তৈরি করা।

দ্বিতীয় তাবিজ পুততে হবে দীপ্তিদের চুলার পাশে। অনেক গ্রামের মতোই মাটির চুলা। যেখানে লাকড়ি, শুকনা পাতা টাতা দিয়ে রান্না হয়। এইটা কিন্তু সহজ বিষয় না। তো এইটার খুবই ইন্টারেস্টিং কাজ। চুলার আগুনের তাপ লাগবে তাবিজের গায়, আর বিপুলের প্রতি দীপ্তির জাগবে ঘৃণা। কীয়েক্টা অবস্থা।

পলাশ দুইটা তাবিজই পুততে পেরেছিল। তবে পলাশ সফল নাকি ব্যর্থ এটা জানাবো না।
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

নির্ভীক অভিযাত্রা

লিখেছেন আকিব হাসান জাভেদ, ১৭ ই আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩৩

আমি চলি ঐ প্রান্তে,
যেখানে অসৎ থেকে মানুষ হয়েছে সৎ।
আমি চলি উড়ে উড়ে,
ডানাহীন পাখির মতো,
যেখানে দুর্বলতাকে জয় করে
হয়েছে দুঃসাহস।
আমি চলি শক্তির সাথে,
দেহ যায় না ঝুঁকে।
করি না প্রণাম,
করি না চাটুকারিতা আর... ...বাকিটুকু পড়ুন

চুপ - একদম চুপ

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ১৭ ই আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫৭



আমরা শুধু চুপ থাকবো -
আমাদের কথা বলার মুখ নেই
আমাদের দেখার মতো চোখ নেই
আমাদের শোনার মতো কান নেই
মনে হয়, মনে হয় -
আমাদের হাত-পাও নেই।

আমাদের বিবেক নেই
আমাদের চিন্তা-চেতনাও নেই
আমরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

তবুও বেঁচে আছি

লিখেছেন সালমান মাহফুজ, ১৭ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৯:১৫

এই নিথর নগ্ন শরীরের প্রতিটা পল্লবের করুণ আর্তচিৎকার
পৃথিবীর মাটি ভেদ করে কোনদিনও
ওই মৃত কানে পৌঁছাবে না
আমি জেনে গেছি ।

বিপন্ন আকাশের গায়ে লেপ্টে থাকা
দেবতাদের প্রতারণার ফাঁদ আর মিথ্যা প্রলোভনের গল্পগুলি
আমার শুনতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

জুলাই মিউজিয়ামঃ স্মৃতির বিরুদ্ধে বিস্মৃতির লড়াই....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৭ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৫৩



জুলাই মিউজিয়ামঃ স্মৃতির বিরুদ্ধে বিস্মৃতির লড়াই....

১৫ আগস্ট আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে গিয়েছিলাম জুলাই মিউজিয়ামে। সেখানে গিয়ে মনে হলো- এটি শুধু একটি জাদুঘর নয়; এটি বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ইতিহাসের এক ভয়াবহ অধ্যায়ের বিরুদ্ধে... ...বাকিটুকু পড়ুন

হিজিবিজি নদী চলে মন উদাসের দেশে !

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৮ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:০২





হিজিবিজি নদী চলে মন উদাসের দেশে !

...................................................................
মানচিত্রের আঁকাবাঁকা রেখায় তারে পাবেনা,
সে নদী তো চেনা কোনো ঠিকানায় যাবে না।
তার কোনো কূল নেই, নেই কোনো ঘাট,
সে বয়ে চলে একা, বুক জুড়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×