somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বাম্পিং রাইড উইথ চাপাতিং বাংলাস্তান

১৩ ই মে, ২০১৫ রাত ১০:৪১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

এখানে যাবতীয় লেখা মঙ্গলগ্রহের একটি দেশ বাংলাস্থান নিয়ে। যদি কেউ এর সাথে বাংলাদেশের কোন মিল খুঁজে পান তবে তা মস্তিকের বাম্পিংনেস ছাড়া কিছুই নয়।
মরেছে। এবার অনন্ত বিজয়। এখন অপেক্ষা কখন পরবর্তি পদক্ষেপ আসে। যেহেতু মাসিক ভিত্তিতে এগোচ্ছে তাই সামনের মাসেই আশা করছি। অবাক হচ্ছেন? ৮৪ জনের লিস্টে এখনও অনেক নাম বাকি। মাসখানিক আগে লিখেছিলাম, “আমার অতিক্রান্ত সময়ে আর কতবার শোকগ্রস্ত হব ? বলেছিলাম অভিজিৎ এর মৃত্যুতে এরা থামবে না। কিছু যেন হয় নি এমন ভাবে আরও একজন চলে গেল। ওয়াশিকুর বাবু নামে একজন আবারো নস্টদের অধিকারে গেল। আবারো অর্থহীন হবে আরও একটি প্রান। কারন নপুংশকতা আমাদের রক্তে, মগজে, মজ্জায় আর চিন্তায় এখন।” হয়েছেও তাই।

অতীত ভুলে যাওয়া বাংলার মানুষের প্রথা হয়ে দাঁড়িয়েছে। মুচকি হাসছেন তো অনেকেই, যাক শালা একটা নাস্তিক মরেছে, তো হয়েছে কি? মার্টিন নেমলার বলেছিলেন- “প্রথমে ওরা যখন কমিউনিস্টদের জন্য এসেছিলো, আমি কোন কথা বলিনি, কারণ আমি কমিউনিস্ট নই। তারপর যখন ওরা ট্রেড ইউনিয়নের লোকগুলোকে ধরে নিয়ে গেল, আমি নীরব ছিলাম,কারণ আমি শ্রমিক নই।তারপর ওরা যখন ফিরে এলো ইহুদিদের গ্যাস চেম্বারে ভরে মারতে, আমি তখনও চুপ করে ছিলাম,কারণ আমি ইহুদি নই। আবারও আসল ওরা ক্যাথলিকদের ধরে নিয়ে যেতে, আমি টু শব্দটিও উচ্চারণ করিনি,কারণ আমি ক্যাথলিক নই। শেষবার ওরা ফিরে এলো আমাকে ধরে নিয়ে যেতে, আমার পক্ষে কেউ কোন কথা বলল না, কারণ, কথা বলার মত তখন আর কেউ বেঁচে ছিল না।” তো যারা মুচকি হাসছেন, তারা এদিকটা ভেবে হাসছেন তো?

গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাস্থান সরকার মুখে ফেনা তুলে ফেলছে জঙ্গীবাদ তারা কখনই সহ্য করবে না। এটা হচ্ছে খাটি সরকারী জিরো টলারেন্স ভন্ডামি। অথচ একই সাথে জংগীবাদের সূত্রগুলোকে উতসাহ দিচ্ছে পরোক্ষ ভাবে। অভিজিৎ মরলে তাঁর পরিবারের সাথে লুকিয়ে দেখা করতে হয়, যেনো কোন আন্ডারগ্রাউন্ডের নেতার সাথে দেখা করতে যাচ্ছে। ওহহো তাতে ভোটব্যাঙ্কে টান পড়ে যে ! দুধকলা দিয়ে সাপ পুষলেও সাপ যে পোষ মানে না, তা তাদের মগজে নেই। তেতুল হুজুরকে রেলের জমি আর কোটি টাকা দেবার সময় তাদের যেমন উতসাহ দেখতে পাওয়া যায়, তেমনি, মুরতাদ মাত্র কতল করতে হবে (তেতুল) এ কথারও কোন প্রতিবাদ তাদের কাছ থেকে আসে না। উলটো দেখি তাদের অর্ধ সহস্র মসজিদ নির্মানের পরিকল্পনা। সাথে তাঁদের মতপ্রকাশের ভন্ডামি। ৫৭ এক্টের ব্যাপার তো আছেই। এ তো গেল জংগীবাদ, কট্টরপন্থা কি শুধু ধর্মীয় ? সামাজিক, রাস্ট্রীয় নয়? প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা করলেই তো এ দেশে মাফ নাই, মহানবীর সমালোচনা করলে কি হবে? বিরোধীদলের তো খুব সমালোচনা হয়, দলের তো কিছু দেখি না। তারা তো শতভাগ নিস্পাপ নয় !

মুক্তমনার কাজ কি? মুক্তমনা কারা? তদানিংকাল থেকে এই প্রশ্ন হচ্ছে। যারা নিজে থেকে বুঝে নিয়েছেন, মুক্তমনা মানে শুধু ইসলামের পশ্চাৎদেশ মর্দন, মুক্তমনা মানে কেবলই নবী-রাসুলের চৌদ্দ গোষ্ঠী উদ্ধার তারা ছাগলের তিন নাম্বার বাচ্চার মত। কিছু বুঝি আর না বুঝি, আগে একটা লাফ দিয়া নেই, অবস্থা। মুক্তমনা মানে যে কোন চিন্তার সাথে একাত্ম হওয়া, যে কোন চিন্তাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা, তা সে ধর্মীয় চিন্তাই হোক বা রাজনৈতিক-সামাজিক বা বৈজ্ঞানিক। এ জন্য বিজ্ঞান বুঝে যারা কাজ করেন তারা সবাই মুক্তমনা, যার শুরুর কথাই হচ্ছে অনাস্থা অর্জন। যদি সবকিছুতে আমি আস্থাই জানিয়ে যাই, তবে সমাজ এগোবে না, থমকে যাবে। সমাজ-বিজ্ঞান-রাজনীতি সব কিছুই আগের অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করে, তার চেয়ে উপযোগিতার প্রশ্নে এগিয়ে থাকা বস্তু-তত্ত্বকে গ্রহন করাই মুক্তমনের পরিচায়ক। তাই মুক্তমনা মানুষ প্রশ্ন করে শুধু ইসলাম নয় বরং জবরজং সব ধর্মের উপযোগিতাহীন তথ্য ও তত্ত্ব নিয়ে, প্রশ্ন তোলে মানুষের বৃহত্তর উপযোগিতার স্বার্থে সমাজ সংস্কারের, প্রশ্ন তোলে বৈজ্ঞানিক সংস্কারের, প্রশ্ন তোলে রাজনীতির নামে ব্যাক্তি পূজার, প্রশ্ন তোলে দলীয় আদর্শের নামে দলদাস হিসেবে ভূমিকার। মুক্তমনারা তাই কথা বলে টিকে থাকা প্রতিপত্তিশালী পুরুষতন্ত্রের বিরুদ্ধে, আওয়াজ তোলে সামাজিক সংস্কারে নিমগ্ন মানুষকে, মানুষ হিসেবে বাচতে দেবার স্বপ্ন দেখাতে। প্রচলিত অন্ধবিশ্বাসের বিরুদ্ধে মুক্তমনারা। কারন বিশ্বাস তৈরি হয় অজ্ঞানতা থেকে, যা জানি তা কি আমার বিশ্বাস করতে হয়? তাই মুক্তমনা যে কোন মানুষ, তাঁর কাজে কথায় একটি যুক্তি নির্ভর বৈষম্যহীন সমাজ গড়ার পথে এগিয়ে যায়। এতে যে কোন মুহুর্তে কোন ভুল এমনকি নিজের কোন ভুলও শুধরে নিতে, স্বীকার করে নিতে সে পিছপা হয় না। তাই তাঁর সমগ্র স্বত্তা আচ্ছন্ন থাকে এই কবিতার মত,

বরং দ্বিমত হও, আস্থা রাখ দ্বিতীয় বিদ্যায়।
বরং বিক্ষত হও প্রশ্নের পাথরে।
বরং বুদ্ধির নখে শান দাও, প্রতিবাদ করো।
অন্তত আর যাই করো, সমস্ত কথায়
অনায়াসে সম্মতি দিও না।
কেননা, সমস্ত কথা যারা অনায়াসে মেনে নেয়,
তারা আর কিছুই করে না,
তারা আত্মবিনাশের পথ পরিস্কার করে।
****মিলিত মৃত্যু / নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী****

ধর্মীয় জংগিবাদ ধীরে আগায়। স্লো পয়জন এটা। সে যখন পুরোপুরি আসে তখন ধর্মীয় আমেজ থাকে, কিন্তু যখন আসি আসি করে তখন সামাজিক-রাজনৈতিক-ব্যক্তিগত আমেজ নিয়েই তা শুরু হয়। এখন কিন্তু তাই চলছে। তাই এত কথা এত প্রতিবাদ। শেষে হাত পা কেটেও রোগী বাচাতে না পারার মত অবস্থা হয়। একে যদি থামাতে হয় নিতে হবে কিছু সহজ, দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ।

একটু ইতিহাস ঘাঁটি, পঁচানব্বই হাজার শুধু রাজাকার আমরা আটকেছিলাম (১৯৭১) । কেন আমরা সেটি ভুলে যাই? এই সংখ্যার প্রত্যক্ষ কর্মীর সাথে তাদের সমর্থক ও নিশ্চয়ই ছিল। সেই সংখ্যাটাও কি উপেক্ষা করা যায়? যুদ্ধটা আমরা শেষ করিনি, কারন তাদের বিচার হয়নি। তার মানে হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের সময়ও (ও তৎ পরবর্তী সময়ে) আমরা যে এদের বিচার করতে পারিনি, সেই ফলাফল, হলাহল রুপে আমাদের এখনও আক্রান্ত করে চলেছে। ভুল হবে না যদি বলি, সেই অংশেরই প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ ফলাফল লেবাসী জামাত এবং ল্যাংটা তালিব্যাং ও আধাল্যাংটা কট্টরপন্থী, দন্ডায়মান ঈমানী জোসে আক্রান্ত মানুষ। তা তো গেল, ইতিহাসের কথা, ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাগুলোও ইদানিং সম্ভাব্য হুমকি হিসেবে আসছে। জামাতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ বা জেএমবি নামের একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী (সরকার যাদের বহু বছর আগে শেষ করে দিয়েছে বলে নিশ্চিন্ত বোধ করে) ২০২০ সালের মাঝে বাংলাদেশকে ইসলামী ব্যবস্থার পতাকাতলে আনতে চেয়েছে। দরকার হলে তারা তা দেশী-বিদেশি সতীর্থদের নিয়েই করবে, সে ঘোশনাও আছে। তার সাথে আছে চীনের ভয়ে ভীত আমেরিকার ভারতীয় উপমহাদেশে আগ্রাসন চালিয়ে যাবার পরিকল্পনা। বরাবরের মত ধর্ম খুব চমৎকার হাতিয়ার সে জন্য। অবাক হবো না, রাশিয়া খেদাতে তালেবান ইতিহাস অনুসৃত হয়ে চীনা প্রভাব ঠেকানো ও অস্ত্র ব্যবসার জন্য জোম্বি, টারান্টুল্লা, বাল কয়ডাদের (জেএমবি, আনসারুল্লাহ, আলকায়েদা) যদি এখানে আনা হয়। আর ভদ্র সুশ্রী জামা (মডারেট জামাত ই ইসলাম !!) তো আমাদের গায়ে আছেই !!

এই যখন অবস্থা, তখন আপনি যদি প্রতিবাদ করতে যান, বলতে চান ধর্মীয় উগ্রতার বিপক্ষে তখন আপনাকে মুখোমুখি হতে হবে কিছু ভিন্ন সমস্যার। হুম জংলিদের বিপক্ষে বলায় তারা আপনাকে মহিমান্বিত ৮৪ বা ৮৪০০০ এর লিস্টে নিয়ে নিবে, সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু অবাক হবার জায়গা দুটো। প্রথমত, এলিয়েনেটেড ফিলিংস। একটু ব্যাখ্যা করা যাক। সমাজে আর দশটা স্বাভাবিক মানুষ এখন এই সময়ে কিভাবে বাঁচে খেয়াল করুন। তারা খায়-দায় ঘুমায়। চিন্তা তাঁদের ক্ষুন্নিবৃত্তির বাইরে কদাচিৎ যায়। যদিচ যায় তা থাকে পরনিন্দা আর পরচর্চায় সীমাবদ্ধ। তো সমাজের সবাই যখন এই বৃত্তে বন্দী তখন আপনি যখন এর বাইরে বেরোতে চান সবাই আপনাকে এমনভাবে দেখবে যেন এই মাত্র বৃহস্পতি গ্রহ থেকে আপনি ল্যান্ড করলেন। তাদের দৃষ্টি, কথা, আচরনে আপনি এলিয়েনেটেড অনুভব করবেন নিশ্চিত। দ্বিতীয়ত, আপনার কাছের মানুষদের আতংক আপনাকে ব্যাথিত করবে। সাম্প্রতিক বিভিন্ন সহি ইসলামী কায়দার উদাহরন হিসেবে অভিজিৎ, অনন্ত, বাবুর পর তারা আপনার নামটি দেখতে চায় না। তাই আপনার পরিবার, কাছের বন্ধু, ভালোবাসার মানুষ থেকে শুরু করে শুভাকাংখী সবাই আপনাকে যথা অনুযায়ী উপদেশ, নির্দেশ, আদেশ বা অনুরোধ করে যাবে যেন আপনি এ ধরনের কথা, চিন্তা, লেখা না বলেন, করেন বা লিখেন। এহেন পরিস্থিতিতে চিন্তা করুন, কি ভালই না হত ভাত-মাছ-যৌনতা লুটেপুটে খেয়ে আর দশটা বাঙ্গালীর মত দুপুরে ভাতঘুম দিলে ! মানুষ যে বলে, মুক্তমনারা আঁতেল, সাধে কি আর বলে, এ জন্যই বলে। অথচ, আড়ালে আবডালে কানাঘুষা শুনি মুক্তমনা হবার জন্য, এ ধরনের কথা-কাজের জন্য নাকি অর্থ পাওয়া যায়, পাওয়া যায় সুনিশ্চিত বৈদেশিক ভবিষ্যৎ। আহা ! কেউ জানলে জানাবেন প্লিজ, আমিও মুক্তমনা হয়ে যাব !

মিডিয়া আতলামিও দেখার মত। যৌনাংগের কেশ কার কতখানি বৃদ্ধি পেল আর টিআরপি বাড়ানো ছাড়া আর কোন এজেন্ডা তো দেখি না। প্রিন্ট মিডিয়ায় তো খবর আসে প্রথম পাতায় শিরোনাম হয়ে আর প্রতিদিন সেই একই খবর একপাতা পিছোতে পিছোতে শেষ পাতায় ও টিকে না। আর ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া? বাজারে যখন যার কাটতি বেশী তাই চালিয়ে দেবে। তাই তাদের কাছ থেকে আমি এই মুহুর্তে কাজের কিছু আশা করতে পারছি না। আমি দুঃখিত।

যদি এইসব কথায় আপনি যদি বিচলিত না হোন, বরং যদি উদ্বেলিত হোন বাংলাস্থানের আনন্দে, তবে আপনাকে স্বাগতম। তবে যদি এই লেখায় আপনার বাম্পিংনেস অনুভূত হয়, যদি এই চাপাতিং বাংলাস্থান আপনার কাম্য না হয় তবে পথ একটাই খোলা। জ্বি না জনাব, আমি আপনাকে বদলাতে বলব না, আপনার চতুর্পাশ বা আপনার সমাজকেও না। আমি বলব আগামীর কথা। যে ছেলে-মেয়েগুলো শৈশব ছাড়ছে, কৈশোর ধরছে তাঁদের কথা। সমাধান একটাই, তাদের হাতে তুলে দিন বই। ইতিহাস, বিজ্ঞান, সাহিত্য, যুক্তি, দর্শন, কল্পবিজ্ঞান এমনকি আতংকিত হবেন না বড়দের জন্য নির্ধারিত বইগুলো তুলে দিতেও। যে কিশোর দর্শন জানে সে যুক্তি বুঝবে, উপযোগিতার প্রশ্ন বুঝবে, সুতরাং চাইলেও কৈশোর পেরোবার সময়ে তার হাতে কেউ তুলে দিতে পারবে না চাপাতি। বই এর মজা এখানেই। শরৎচন্দ্র থেকে হুমায়ুন আজাদ, সুকুমার রয় থেকে বিনয় মজুমদার, শীর্ষেন্দু থেকে আসিমভ, ডিকেন্স থেকে মার্কেজ, নেরুদা থেকে হুমায়ুন আহমেদ, ডারউইন থেকে ডকিন্স, অমর্ত্য সেন থেকে কোরান-রামায়ন-বাইবেল সব দিন তাকে। অন্তত চোখ বন্ধ করে বলতে পারি, একটি শিশুকেও যদি বই এর প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে পারেন তার মাধ্যমে শুধু সেই শিশুটি নয় বরং তার চতুর্পাশের ডজনখানেক মানুষ আলোকিত হবে। আমাদের সময়ে বাবা-মা পাঠ্যবই ছাড়া সব বই কেই আউট বই বলতেন। পড়তে দিতেন না, কিছুই। লুকিয়ে পরেছি, পড়ার নেশা যাকে একবার ধরে, মৃত্যু ছাড়া আর কিছু সেই নেশা থেকে তাঁকে আলাদা করতে পারেনা। দেখেছি, বড় হয়ে উঠবার সময়ে যে বন্ধুরা বইয়ের চমৎকার জগতের সাথে পরিচিত হতে পারেনি তাদের অনেকেই আজ আস্তাকুড়ে। ভাল আছে তারা অর্থনৈতিক, সামাজিক বা পারিবারিক ভাবে। কিন্তু নস্ট মানুষ কি সমাজে আর পরিবারে থাকে না ? আজ যার বয়স পনেরো, ২০২০ সালে সে হবে বিশ বছরের তরুণ। আপনিই চিন্তা করুন, চাপাতি কিম্বা বই কোনটা তার হাতে মানাবে। তাই আজই তুলে দিন তার হাতে একটি বই।

এই দেশে এইসব ভাবতে, লিখতে, বলতে গিয়ে বাম্পিং কন্ডিশান তৈরী হচ্ছে, প্রতিনিয়ত চাপাতিং আওয়াজ আসে কানে। জানি, সব বুঝিও, তবু চাপাতিং বাংলাস্থান কখনই হতে দেব না। যুক্তি, চিন্তা, দর্শন অধিকার করে কেমন বিচ্ছিন্ন দ্বীপের মত বসবাস করছি। অস্বীকার করে তো কোন লাভ নেই, আমি চলেছি যে যাত্রায়, তা বাম্পিং রাইড উইথ চাপাতিং বাংলাস্থান, বাংলাদেশ মোটেই নয়। সে বহু আগে হারিয়ে গেছে।

সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই মে, ২০১৫ রাত ১০:৪৪
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাংলাদেশ কি অন্যের যুদ্ধ লড়বে, নাকি নিজের দেশকে আগে রক্ষা করবে?

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:২৯

বাংলাদেশ কি অন্যের যুদ্ধ লড়বে, নাকি নিজের দেশকে আগে রক্ষা করবে?
============================================
সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের মধ্যে যে নতুন যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি হয়েছে, সেখানে বাংলাদেশকে যুক্ত করার আলোচনা চলছে। বাংলাদেশের পক্ষ... ...বাকিটুকু পড়ুন

দৃশ্যমানতা এখন একধরনের পুঁজি

লিখেছেন মুনতাসির, ৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৯:০০

মানুষ শুধু অর্থ উপার্জনের জন্য কনটেন্ট নির্মাতা হতে চাইছে না। দৃশ্যমানতা নিজেই এখন একটি মূল্যবান সামাজিক সম্পদে পরিণত হয়েছে।

অনুসারীর সংখ্যা একজন মানুষকে পরিচিতি, আমন্ত্রণ, প্রভাব, গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের কাছে প্রবেশাধিকার, বাণিজ্যিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

।। রাশিয়ার মতো বাংলাদেশে হামলা করুক ভারত।।

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৯:১২


আমি আজ পর্যন্ত আম্লিগে কোন ভালোমানুষ খুঁজে পাইনি। আম্লিগ মানেই ইয়ের বাচ্চা। আম্লিগ মননে মগজে ধর্ষক, লুন্ঠনকারী, দেশদ্রোহী ও পাচারকারী। এদের মাঝে কোন কালেই কোন ভালোমানুষ ছিলোনা বর্তমানেও নেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইয়ামানাকা ফ্যাক্টরস

লিখেছেন কলাবাগান১, ৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:৫৭


ছবিতে যাকে দেখছেন উনার নাম প্রফেসর ইমানাকা। উনাকে সারা বিশ্ব মনে রাখবে উনার যুগান্তরী আবিস্কার এর জন্য। তার আবিস্কার যেভাবে সবার জীবনকে বদলে দিবে এবং দিচ্ছে সেটা জানানোর জন্যই... ...বাকিটুকু পড়ুন

Movie-Obsession(2026)

লিখেছেন ডি এইচ তুহিন, ৩০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:৫৯

বিশিদবার রাতে খুব বাজে আর একটা ছিনেমা দেখলাম। ভাই-রে ভাই কি বলবো, ঐ রাতে আর ঘুমাতে পারি নাই। মানে দেখার পর থেকে এখনো গা শিরশির করছে। চোখ বন্ধ করলেও চোখের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×