অতঃপর সে তাকে নিজের কোলে তুলে নিজের জাতির কাছে ফিরে এলো, লোকেরা (তার কোলে সন্তান দেখে) বললো, হে মারইয়াম, তুমি তো সত্যিই এক অদ্ভুত কান্ড করে বসেছো।
হে হারুনের বোন (একি করলে তুমি)? তোমার পিতা তো কোনো অসৎ ব্যক্তি ছিলো না, তোমার মাতাও তো কোনো (চারিত্রিক দিক দিয়ে) খারাপ (মহিলা) ছিলো না !
সে (সবাইকে) তার (কোলের শিশুটির) দিকে ইশারা করে বললো, (তোমাদের যদি কিছু জিজ্ঞাসা করার থাকে) তাহলে একেই জিজ্ঞেস করো, তারা বললো, আমরা তার সাথে কিভাবে কথা বলবো, যে (এখনো) দোলনার শিশু !
(এ কথা শুনেই) সে (শিশু) বলে উঠলো, (হ্যা) আমি হচ্ছি আল্লাহ তায়ালার বান্দা, তিনি আমার প্রতি কেতাব দিয়েছেন এবং আমাকে তিনি নবী বানিয়েছেন,
যেখানেই আমি থাকি না কেন তিনি আমাকে (তার) অনুগ্রহ-ভাজন করেছেন, তিনি আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন, যতোদিন আমি বেঁচে থাকি ততোদিন যেন আমি নামায প্রতিষ্ঠা করি এবং যাকাত প্রদান করি।
আমি যেন মায়ের প্রতি অনুগত থাকি, আল্লাহর শোকর, তিনি আমাকে না-ফরমান (করে) পয়দা করেননি।
আমার ওপর (ছিলো আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে বিশেষ) শান্তি, যেদিন আমি জন্মগ্রহণ করেছি, শান্তি (থাকবে) সেদিন, যেদিন আমি (আবার) মৃত্যুবরণ করবো এবং (মৃত্যুর পরে) যেদিন জীবিত অবস্থায় পুনরুত্থিত হবো।
এই হচ্ছে মারইয়াম পুত্র ঈসা ও (এই হচ্ছে তার) আসল ঘটনা, যাকে নিয়ে তারা অযথাই সন্দেহ করে,
(তারা বলে, সে আল্লাহ তায়ালার সন্তান, কিন্তু) সন্তান গ্রহণ করা আল্লাহ তায়ালার কাজ নয়, তিনি (এই থেকে) অনেক পবিত্র, তিনি যখন কোনো কিছু করতে চান তখন শুধু বলেন 'হও' এবং সাথে সাথেই তা 'হয়ে যায়'।
(সূরা মারইয়ামঃ আয়াত ২৬-৩৫)
*** মূল আরবী থেকে অনুবাদ করেছেনঃ হাফেজ মুনির উদ্দীন আহমদ ***
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই জুলাই, ২০০৭ রাত ১১:৩৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



