

কি ভাবে, কোন মানুষের পক্ষে সম্ভব এমন অমানবিকতা ?!! তিনি মেনে নিতে পারেন নি এ অন্যায় । ৫৪ বছর বয়স্ক ওডারল্যান্ড ঝাপিয়ে পড়েন বাংঙ্গালীদের পক্ষে যুদ্ধে ।
বাটা সু কোম্পানীতে চাকরী করার সুবাধে তার চলাচল ছিল যত্রতত্র । সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে তিনি পাকিস্তানীদের অত্যাচারের ছবি তুলে, খবর সংগ্রহ করে বিদেশী গন মাধ্যমে পাঠাতেন । এক পর্যায়ে পাকি গভর্ণর টিক্কা খান, লে.জে নিয়াজীর সাথে তার সখ্যতা গড়ে উঠে । সখ্যতাকে কাজে লাগিয়ে তিনি বিভিন্ন তথ্য, পরিকল্পনা পাকিদের কাছ থেকে কৌশলে মুক্তিবাহিনী উচ্চ পর্যায়ে পাঠিয়ে দিতেন । পরবর্তীতে তিনি বাটা সু কোম্পনীর ভিতরেই মুক্তিযোদ্ধা ট্রেণিং ক্যাম্প স্থাপন করেন গোপনে । তিনি ও তার বাহিনী ঢাকা ও তার আশে পাশের এলাকায় গেরিলা আক্রমন চালাতে থাকেন । পাকিদের চলাচলে বাধা সৃষ্টির জন্য উড়িয়ে দেন অনেক ব্রীজ, কালর্ভাট ।
দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তিনি ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত টঙ্গীস্থ “বাটা”তে কাজ করতেন । পরে দেশে ফিরে যান । মুক্তিযুদ্ধে দু:সাহসী অবদানের জন্য তাকে “বীর প্রতীক” উপাধি দেওয়া হয় । জার্মানদের দ্বারা ১৯৪০ হল্যান্ড আক্রন্ত হলে তিনি ডাচ সেনাবাহিনীতে যোগ দেন । ১৯৪৩ সালে কমান্ডো বাহিনীতে যোগ দিয়ে বীরত্বের সাথে যুদ্ধ করেন ।
দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের সময় কমান্ডো ট্রেনিং পাওয়া এ মানবতাবাদী ( অবশ্যই সূশীল নয়) ১৯১৭ সালের ৬ ডিসেম্বরে জম্ম গ্রহণ করেন । ২০০১ সালের ১৮ মে তিনি দেহত্যাগ করেন ( বিপ্লবী, মানবতাবাদীর মৃত্যু হয় না )
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ১০:০৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




