এ কে খন্দকার সাহেবের বই নিয়ে চারদিক তোলপাড় । ঠিক আছে । কিন্তু আমি একটা ব্যাপারে কনফিউশানে ভুগছি । কনফিউশানের আভিধানিক অর্থ মনে করতে পারছি না ।
বাংলাদেশের রাজনিতীর দ্বিতীয় সানি লিয়ন ( প্রথম কে বলেনতো) খন্দকার সাহেবের প্রমাণ বিহীন, যুক্তি বিহীন ধারনা প্রসুত বইটি প্রকাশ হওয়াতে অনেকেই স্বাভাবিক কারণে মহা খুশি । তাদের প্রভুরা “চাদে সাঈদী”কে দেখানোর মত আর একটা অস্ত্র তাদের হাতে তুলে দিয়েছে বলে তাদের ধারণা তাই তারা খুশি ।
আমি কনফিউজ হয়ে যাই বামদের খুশি দেখে ।
বি এন পি - জামাত না হয়। খুশি “কনফিউশন তৈরী করে” তের নম্বর পাঠক/ঘোষককে যদি স্বাধীনতার ঘোষক বানানো যায় তাহলে হয়ত তাদের কলঙ্কগুলো একটু ডাকতে পারে। কিন্তু বামদের লাভ কি?!
** মাও সেতুং-এর দেশ চীনের তৎকালীন সরকার প্রধান চৌ এন লাই সরাসরি পাকিস্তানকে সমর্থন দিয়েছিল । শুধূ সমর্থনই নয় সব ধরণের জাগতিক সহযোগীতাও করেছিল । তাই বলা যাচ্ছেনা যে আসলে বাংলাদেশের স্বাধীনতায় চীনই ছিল সবচেয়ে বড় বন্ধু ।
** ৭১ এ মাও সেতুং-এর দর্শণকে ধর্ষন করে চীন মানবতার বিপক্ষে দাড়িয়ে ছিল । তখনকার আমেরিকার মনোভাব, কর্মকান্ড পুরোপুরিই ছিল চীনের মতনই । বরং আমেরিকার ২ জন মানুষ ছাড়া বাকী সবাই ছিল বাংলাদেশের পক্ষে । মানুষের, মানবিকতার দেশ চীন মানবিকতাকে সে দিন ধর্ষণ করেনি?!!!! আমেরিকা গনতন্ত্রের নাম দিয়া পশু হয়েছিল, চীণারা সমাজতন্ত্র নাম নিয়া পশু হয়েছিল । চীনা গণ মাধ্যম যুদ্ধের পুরো সময়ই পাকিস্তানীদের বর্বরতার পক্ষে প্রচার চালিয়েছিল । বামরা এখন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে বলতে পারছে না “চীন মানুষে”র দেশ, মজলুমের দেশ, শোষিতের দেশ। ( চীয়না পন্থিরা আমেরিকারে বলে মানুষ না । অ-মানুষ । চীনের কর্ম আমেরিকার সমনই । )
তাহলে বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ, মানুষের আবেগের, কষ্টের জায়গাটা বিতকৃত করার চেষ্টায় তারা খুশি কেন?
(অবশ্যই কিছু বলার থাকতো না যদি খন্দকার সাহেবের কাছে কোন প্রমাণ থাকতো ।)
তাহলে?!!! তাহলে উহারা খুশি কেন?!!!!
( আমার কৌতহল নিবারণের জন্য বিশেষ কয়েকজনকে ট্যাগ দিলাম । আশা করি তারা বিরক্ত করার কারণটা ক্ষমার সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন)
গালাগালি ছাড়া যে কেউই যুক্তি যুক্ত, শালীন কোন মতামত দিতে পারেন । আমরাতো আমাদেরই দেশে থাকি , থাকতে হবে, পরিচয় একই । তাই বোঝার চেষ্টা করি পরষ্পরকে ।ৃ

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

