রোদেলার স্টল বন্ধ করা হয়েছিল মৌলবাদীদের দাবীর কারণে। কোন বই যাচাই বাছাই পূর্বক যদি সামাজিক, রাজণৈতিক, অর্থনৈতিক, ধর্মীয়, ক্ষতির কারণ হয় তবে তা নিয়ে ব্যাবস্থা নেওয়া যেতে পারে। রোদেলার ঐ বইটি বাংলা একাডেমীর কেউই পড়ে নি। কিন্তু একটি বই এর কারণে শাস্তি পেল কত জন লেখক? অনেকে হয়ত জমি বিক্রি করে বা মা-বৌ এর গয়না বিক্রি করে বই বের করে ছিল সেই বই মেলায় প্রদর্শিন, বিক্রি হলো না অণ্য একটি মাত্র বইয়ের কারণে। এবারও বাশের কেল্লার দাবীর প্রেক্ষিতে “ব-দ্বীপ” প্রকাশনীর স্টল বন্ধ করে দেওয়া হয়। ধরলাম কোন একটি বই নিয়ে সমস্যা আছে সেই জন্য ঐ প্রকাশনীর সব লেখক শাস্তি পাবে? কেউ কেউ দেউলিয়াও হবে। সভ্য সমাজে এমন বর্বরতা ?!!!!
আমরা জানতাম “একুশ মানে মাথা নত না করা” কিন্তু বর্তমান ডি.জি গত চার বছরে আমাদের শিখাচ্ছেন “একুশ মানে জামাত, জঙ্গী, আই.এস, জেএমবি, জঙ্গীদের নাপছন এমন কিছু না লিখা এবং না ছাপানো” । আগামীবার বা তার পরের বার জামাতিরা সরাসরি দাবী তুলবে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বই না ছাপাতে, তাদের বেশি অপছন্দের কোন বই তুলে নিতে বা স্টল বন্ধ করে দিতে। বাংলা একাডেমী তাই করবে। অবশ্য মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে তাদের এক ধরনের অনাগ্রহ দৃশ্যমান। স্বাভাবিক ভাবে বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্নজীবনী প্রকাশ হওয়া উচিত ছিল বাংলা একাডেমী থেকে। হয় নি। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে তাদের উল্লেখ্য যোগ্য কোন কার্যক্রম নাই।
এফডিসি মৃত। বহু চেষ্টা করেও এটিকে আর বাচানো যাচ্ছেনা। বাংলা একাডেমীকে কি কৌশলে সেই দিকেই ঠেলে দেওয়া হচ্ছে?
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ রাত ১১:০৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


