somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

একটি রুপকথার গল্প

১১ ই মার্চ, ২০১২ রাত ১১:৪১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

(কাহিনীর সব কথা কাল্পনিক। বাস্তবের সাথে মিলে গেলে কেউ দায়ী না)
অনেক অনেক দিন আগের কথা। একটা খুব সুন্দর দেশ ছিল। দেশে কোন রাজা রানী ছিল না। সেই দেশে ছিল গনতন্ত্র। দেশের সবাই নির্বাচনে দাড়াতে পারত। তবে দেশের প্রধান দুই দল ছিল আহাম্মক লীগ আর বেসিক্যালি নন্‌সেন্স পার্টি। তবে যেহেতু সবাই নির্বাচন করতে পারত তাই আরও দল ছিল।এই যেমন জাতীয় লুচ্চা পার্টি, জাতীয় পাগল সংঘ, স্বেচ্ছাসেবক দল। তাঁদের আবার ছাত্রপ্রতিনীধিও ছিল।
দেশটির গনতন্ত্র খুব শক্তিশালী। পর পর দুই বার কেউ ক্ষমতায় যেতে পারে না। তবে সমস্যা হল নন্‌সেন্স পার্টি আর আহাম্মক লীগ ছাড়া আর কেউ ক্ষমতায় যায় না। অন্যরা এদের সাথে জোট করে ক্ষমতায় যায়। তো যা বলছিলাম, দেশের মানুষ খুব রাজনীতি সচেতন। তাই একবার একে পরের বার ওকে নির্বাচিত করে। নির্বাচনের আগে দলগুলোর নেতা কর্মীরা মানুষের খুব কাছে ছলে যায়। কিন্তু সমস্যা হল মানুষ যেহেতু সমধর্মী তাই একে অপরকে বিকর্ষণ করে। ফলে নির্বাচনের পর তারা বিকর্ষীত হয়ে দূরে চলে যায়। :D
মূল দল দুইটা হলেও এদের শরিক দলগুলোও কম না। বিশেষ করে নন্‌সেন্স এর স্বেচ্ছাসেবক ।তবে লুচ্চা পার্টির ঠিক নাই,একেকবার একেক দিকে যায়। নন্‌সেন্স পার্টি দেশের আপামর জনতার ধর্ম রক্ষা করতা চায়, তাই ধর্মের প্রতি তাঁদের ভালবাসা তাঁদের বক্তৃতায় ফুতে উঠে। তবে বাস্তবে ধর্ম নিয়ে কিছু দেখা যায় না। দেশটার পাশের দেশের প্রতি প্রবল ঘৃণা দেখায় কিন্তু এখানেও কাজে কিছু পাওয়া যায় না। আর আহাম্মক লীগ পাশের দেশের খুব ভক্ত। কারণ তারা ওই দেশের এক যুদ্ধে তাঁদের সাহায্য করেছিল। আর স্বেচ্ছাসেবক আবার যার সাথে যুদ্ধ হয়েছিল তার পা চাটা কুকুর। আর দুই দেশের ধর্ম এক হওয়াতে মানুষকে ভুলভাল বলে ভোট নিয়ে নেয়। হাজার হলেও দেশের মানুষ খুব ধর্ম প্রিয়। আর তাই নন্‌সেন্স আর স্বেচ্ছাসেবক এর অনেক ভক্ত। সেচ্ছসেবক এর ছাত্র প্রতিনীধিরা আবার খুব ধর্ম প্রিয়, অন্যদের চেয়ে এক মাত্রা বেশি। কেউ ধর্মের কথা(মানে দলের কথা) না শুনলে তার হাত পায়ের রগ কাঁটা হয়। তবে এটা বেশি হয় ক্ষমতায় থাকলে। ঠিকই তো করে, কথা শুনবে না তো ভোট কেন দিছে??আর অন্য ধর্মের মানুষকে অত্যাচার করা বাদ দিলাম।
আহাম্মক লিগ আবার ধর্ম নিরপেক্ষ, তবে ধর্ম নিরপেক্ষ কাকে বলে তাই ঠিক মত জানত না। তাই সেচ্ছাসেবকদের মত দেখতে হইলেই হইছে, জেলে পাঠানো হত। আর তাঁদের ছাত্র প্রতিনিধিরা তো দেশের সেরা! একবার এক ছাত্রকে যা মারল!!মারবে না কেন, দেশের সেরা সন্তানদের অনুষ্ঠানে ঢুকতে দিবে না,সাহস কত!!! আবার আরেক জায়গায় মারল খাওয়া নিয়ে। আরে দেশের কত জন খাইতে পায় না আর তোমরা সামান্য খাওয়া নিয়ে এত হই চই!টাকা দিছো তো কি??আমরা দেশের সেরা। আমরা যা করি ঠিক করি!!! :>
দুই দলের দুইটা দেশের প্রতি খুব ভালবাসা। তারা যায় যেন তার একটা প্রদেশ হয়ে যায়। কিন্তু তারা বুঝু না রক্ষিতা রাখা সহজ। আর দুই দেশ তাই করতেছে।
প্রত্যেকবার যে ক্ষমতায় যায় না, তারা সরকারকে আল্টিমেটাম দেয়। কিন্তু সরকার আবার সুপার গ্লু নিয়ে ক্ষমতায় যায়। পরেরবার আসার ব্যাবস্থা করে কিন্তু কেউই পারে না।
এক সরকারের আমলে কোথাও যদি কেউ মরলে তা নিয়ে বেশ কাহিনী বানায় সরকার। সাহিত্যে নোবেলটা যে কেন পায়নি তারা নোবেল কমিটি জানে। আর আরেক সরকারেরও অবশ্য নোবেল পাওয়া উচিৎ। তবে তাঁদের পদার্থে। কিভাবে সময় সঙ্কুচিত আর প্রসারিত হয় তার এত সুন্দর উদাহরণ আগে কেউ দেয় নি। নোবেল কমিটির জবাবদিহি করা উচিৎ ছিল বিশ্ববাসীর কাছে। X(
দেশের জনতার কথা তো বলা হল না।,আজ হাতে একদম সময় নেই,আরেকদিন বলব সময় পেলে। |-)
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই

লিখেছেন রানার ব্লগ, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:৫৫

আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।

তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

নাজিয়া সামান্তা, হিজাব এবং আমাদের সমাজের প্রাতিষ্ঠানিক ভণ্ডামি।

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ১০ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫১



​একজন তরুণী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ড্রাম বাজিয়ে দর্শক মাতাল। নেটিজেনরা বাহবা দিল। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়—মেয়েটি বোরকা-হিজাব পরা, সে ২০২৫ সালে হজ করেছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এবং নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×