
আজ জাতীয় শোক দিবসের।
জাতির পিতাকে আজকের দিনে স্বপরিবারে নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়েছিলো। আজ শেখ মুজিবের ৩২ নম্বরের ভাঙ্গা বাড়িতে একজন গিয়েছেন শ্রদ্ধা জানাতে। তার হাতে ফুল ছিলো। তাকে শ্রদ্ধা জানাতে দেওয়া হয়নি। বরং পুলিশ তাকে টেনে হিচড়ে থানায় নিয়ে গেছে। লোকটা তো কোনো অন্যায় করেনি। সে শ্রদ্ধা জানাতে পারবে না? ফুল দিতে পারবে না? এজন্য বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিলো? একজন রিকশা চালক ৩২ নম্বর গিয়েছে, সেই রিকশা চালককে কথিত জুলাই যোদ্ধারা মেরেছে। রিকশা চালকের মোবাইলে শেখ মুজিবের ছবি পাওয়া গেছে, এজন্য রিকশা চালককে ইচ্ছে মতো পিটানো হয়েছে। এটা অন্যায়। অথচ বিএনপি সরকার চুপ। এরকম চলতে থাকলে বিএনপি সরকারের কপালে দুঃখ আছে। ইউনুসের কারনে ৩২ নম্বর গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিলো। আজ সেই ভাঙ্গা বাড়িতে গেলে, মানুষকে পিটানো হচ্ছে। এত বড় দুঃসাহস দেখাচ্ছে জানায়োর গুলো!
জুলাই যোদ্ধারা মূলত রাজাকার।
রাজাকারের বাচ্চা। এরা এই দেশে জন্ম নিলেও, এদের বাপ পাকিস্তান। ভয়ানক হারে এদের সংখ্যা বেড়েছে। আজ শোক দিবস! মানুষ ৩২ নম্বর যাবে এটা স্বাভাবিক। কিন্তু পুলিশের সামনে রাজাকারের ছানা পোনারা (জুলাই যোদ্ধারা) ইচ্ছে মতো মারছে। এই ভাবে মারার অধিকার এদের কে দিলো? আর পুলিশরা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখছে। দেশে কি কোনো আইন নেই? আজ যারা অন্যায় করছে, এই বাংলার মাটিতে একদিন তাদের বিচার হবে। অন্যায় করে কেউ পার পাবে না। ১৯৭১ এ যারা রাজাকার ছিলো, বহু বছর তাদের বিচার হয়েছে। ১৯৭৫ এ যারা শেখ মুজিবকে হত্যা করেছিলো, তাদেরও বিচার হয়েছে। আজ যারা নির্মম অন্যায় করে যাচ্ছে তাদেরও বিচার হবে। অবশ্যই হবে। দেরি হোক যায়নি সময়। রাজাকার শাবকেরা মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। এই পাকী বীজ গুলো দেশের শত্রু। আওয়ামীলীগ আজ নেই বলে, এরা গর্ত থেকে বের হয়েছে।
কথিত জুলাই যোদ্ধাদের অন্যায়ের নিউজ গুলো পত্রিকায় আসছে না।
এখন সবার হাতেই মোবাইল আছে, আছে হাজার হাজার ইউটুবার- কেউ না কেউ এইসব অন্যায়ের ভিডিও করছে। প্রমান থেকে যাচ্ছে। আজ যারা বুক ফুলিয়ে অন্যায় করে যাচ্ছে, এদের কপালে দুঃখ আছে। এইসব জারজ সন্তানেরা যা মন চায় তাই করছে। তাদের সাপোর্ট দিচ্ছে জামাত শিবির। বিএনপিরও নিরব আশকারা আছে। কিছু কিছু অন্যায়ের ক্ষমা নেই। দেশের সাথে যারা অন্যায় করবে তাদের কোনো ক্ষমা নেই। রাজাকারদের কোনো ক্ষমা নেই। রাজাকার শাবকদের কোনো ক্ষমা নেই। শেখ হাসিনা চলে যাবার পর দেশে একের পর অন্যায় করেই যাচ্ছে। ৩২ নম্বর গুড়িয়ে দেওয়া, শেখ মুজিবের ভাস্কর্য ভেঙ্গে ফেলা, শ্রদ্ধা জানাতে যাওয়া মানুষের মারধর করা। এই হারামজাদাদের অন্যায়ের বিচার হবে। অপেক্ষা করো।
আমি রাজনীতি করি না।
কোনো দলের সাপোর্টও করি না। কিন্তু কেন জানি অন্যায়টা মেনে নিতে পারি না। তবে আমি জামাত শিবির এবং জুলাই যোদ্ধাদের ঘৃণা করি। আমৃত্যু ঘৃণা করে যাবো। পুলিশ হত্যাকারী এইসব কথিত জুলাই যোদ্ধারা মূলত লুটেরা। গনভবন থেকে লুট করেছে। জুতোর দোকান লুট করেছে। পত্রিকার অফিস ভাঙচুর করেছে। জামাত কোনোদিন এই দেশকে মাথা উচু করে দাড়াতে দিবে না। তারা বাঙ্গালী জাতিকে ধ্বংস করতে চায়। ধ্বংস করে তারা পাকিস্তান চলে যাবে। একবার ছাত্রলীগ বিশ্বজিত নামের এক ছেলেকে কুপিয়ে মেরেছিলো। সেজন্য আমি ছাত্রলীগের প্রতি ঘৃণা প্রকাশ করেছি। আমি বারবার বলেছি, এমন ছাত্রলীগ চাই না। এদের চির তোরে অফ করে দেওয়া হোক। আজ জামাতের ছানাপোনা যা করছে, এদের বিএনপি থামাবে না। তাদের সেই সাহস নেই। এদের চিরতরে বিদায় করতে দরকার গ্রেট শেখ হাসিনাকে। উনি ছাড়া এদের কেউ লাইনে আনতে পারিবে না। জয় বাংলা।
হৃদয়ের গভীর থেকে জাতির জনকের প্রতি শ্রদ্ধা।
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:০২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




