
যদি কোনোদিন টাইম ট্রাভেল মেশিন আবিষ্কার হয়, পঁচাত্তরের ঘটনা নিজের চোখে দেখার চেষ্টা করতাম। সে সময় কিছু মানুষ মিষ্টি বিতরণ করেছিল বলে শোনা যায় । আমি তাদের কাছ থেকে মিষ্টি খেতাম আর বোঝার চেষ্টা করতাম এরা আসলে কারা, কোথা থেকে এলো? এরা বর্তমানে আলোচিত নিজেদের নিরপেক্ষ দাবি করা শিক্ষার্থীদের মতো নিরপেক্ষ ছিলো কিনা ?
আমার বড় মামির কাছে শুনেছিলাম তিনি খুশিতে মিষ্টি বিতরণ করেছিলেন। আবার মামি এটাও বলেছিলেন, মুজিবুর রহমানকে যখন আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় ধরে নিয়ে ঝুলিয়ে দেয়ার প্ল্যান করছিল, তিনি পরিবারের সাথে বসে শেখ সাহেবের জন্য কুরআন খতম দিয়েছিলেন। মামি পরবর্তীতে জামায়াতের মহিলা রুকন হয়েছিলেন।
এদিকে আওয়ামী লীগের অনেকে অভিযোগ করে যে হাসানুল হক ইনু গং রাস্তায় লিফলেট বিতরণ করেছিলেন শেখ মুজিবের হত্যার পর। সেই ইনু আওয়ামী লীগের এমপি হয়ে বিন্দাস লাইফ কাটিয়ে এখন শ্রীঘরে।
একজন আত্মস্বীকৃত রাজাকার ওবায়দুল হক চেয়ারম্যান, ফেনী সোনাগাজীর, তার মুখে শুনেছিলাম শেখ মুজিব হত্যাকাণ্ডের পর তিনি গর্ত থেকে বের হয়ে এলাকায় ফিরে আসেন। এরপর বিদেশ চলে যান, দেশে ফিরে এরশাদ পিরিয়ডে চেয়ারম্যান হন। ভদ্রলোক বিন্দাস লাইফ কাটিয়েছেন। তিনি শেখ মুজিবকে স্বৈরশাসক বলতেন।
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:২৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



