
আলবদরের ৩য় নেতা হলেন মীর কাসেম আলী,অর্থাৎ ১'টি ফোর্সের ৩য় সর্বোচ্চ ক্ষমতাধর ব্যাক্তি কি করে সিভিলিয়ান হয় !বদর বাহিনি ছিলো পাক বাহিনির তত্ত্বাবদানে প্রশিক্ষিত একটি সমরিক বিহিনিকে সহায়তাকারি আরেকটি বাহিনি । মতিউর রহমান নিজামি ,আলি আহসান মুজাহিদ-এর পরের অবস্থানটিই ছিল মীর কাসেম আলীর ।পাকিস্তানি বাহিনির সৃষ্ট বদর বাহিনিতে।এই মীর কাসেম আলী হোচ্ছে চট্টগ্রাম অঞ্চলের বদর বাহিনির প্রধান।অর্থাৎ চট্টগ্রাম অঙ্চলের বদর বাহিনির প্রতিটি কার্যকলাপের দায় তার উপরেই বর্তায়।চট্টগ্রাম টেলিগ্রাফ অফিস সংলগ্ন হিন্দু মালিকানাধীন 'মহামায়া" ভবনটি দখল করে গড়ে তোলা হয় "ডালিম হোটেল" নাম সম্বলিত নির্যাতন কেন্দ্রটি।এর পুরো তত্ববদানে ছিলেন এই মীর কাসেম আলী।এই হোটেলেই মুক্তিযোদ্ধা "জসিমকে" নির্যাতনের মাধ্যমে হত্যা করে লাসটি ভাসিয়ে দেওয়া হয় কর্ণফুলি নদিতে।প্রতিটি সাক্ষির স্বাক্ষে সেটা দিবালোকের মতই প্রমাণিত হয়েছে।এবং নরপিশাচ মীর কাসেম আলীর উপস্থিতিও প্রমাণিত হয়েছে।কোন বাহিনির না হলেই সুপিরিয়র ক্ষমতা থাকতে পরেনা বা সেই অপরাধের জন্য সাস্তি দেওয়া যাবেনা এটা আইনের কোন কিতাবে লিখা আছে ? পৃথিবীর সবচাইতে শক্তিশালি দেশের সুপ্রিম কমান্ডার যদি ১'জন সিভিলিয়ান হয় তাহোলে তার দ্বারা সংঘঠিত অপরাধের জন্য তাকে দায়ি করা যাবেনা কেনো!
১২ নম্বর অভিযোগেও তার মৃত্যুদন্ড বহাল থাকতো বলেই আমার বিশ্বাস।প্রসিকিউশনের উপর দোষ না চাপিয়ে তখনকার পরিবেশ পরিস্থিতি বিবেচনা করলেই পরিস্কার হয়ে যাবে।স্বাক্ষিদের নিরাপত্তা না দিয়ে বিচার করাটা কতটা ঝুকিপুর্ণ তা আমরা উপলব্দি করতে ব্যার্থ হয়েছি।আজ পর্যন্ত স্বাক্ষিদের সুরক্ষা আইনিটিই পাশ করা হলোনা।যেখানে স্বাক্ষিরা স্বাক্ষ দিতে ভয় পায় সেখানে প্রসিকিউসন কিইবা করতে পারে।বিচার মূলত পরিপূর্ণতা পায় স্বাক্ষির স্বাক্ষের ভিত্তিতেই।আমার বিশ্বাস প্রসিকিউশনের আন্তরিকতা বা দেশপ্রেমের কোন অভাব ছিলোনা বলেই ৪৫ বছর পুর্বের অপরাধ তারা প্রমাণ করে দিয়েছেন।বিচারে কিছু প্রমাণ না করা গেলেও ইতিহাসে অক্ষয় থাকবে যে এই অপরাধগুলো ঘটেছিলি।এবং এর অপরাধিরাও চিহ্নিত হয়েছে।ইতিহাস থেকে কোনদিনই কেউ মুছে ফেলতে পারবেনা তাদের কৃত অপরাধগুলো।
"সুপ্রিম পাওয়ার" সামরিক,বেসামরিক বা কোন বাহিনি ব্যাতিত যে কারোই থাকতে পারে।এবং তার দ্বারা বা তার অনুগত বা তার আয়ত্বাধিন কোন অপরাধ সংগঠিত হলে তার দায় অবশ্যই তাকে নিতে হবে।এবং যদি কোন অপরাধের সাস্তি হয় তাকে সেই সাস্তি প্রদানে কোন বাধাই নেই বলেই মনে করি আমি।
আশা করি আমার এই বক্তব্য বিচারাধিন বিষয়ে মন্তব্য বা আদালত অবমাননা বলে গণ্য হবেনা।যেহেতু প্রধান বিচারপতি তার পর্যবেক্ষন দিয়েছেন ।সেই পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের ১'জন সচেতন নাগরিক হিসেবে আমি আমার দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরতেই পারি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

