রাসূল ্র্র(সা

কে মহব্বত/ভালোবাসা প্রত্যেক মুমিনের জন্য ফরজে আইন।আর রাসূল (সা

কে মহব্বত করা ঈমাণের সাথে সম্পৃক্ত। ঈমানের অর্থ হচ্ছে জানা এবং মেনে নেওয়া ।যে ব্যক্তি আল্লাহর একত্ব, তার সত্যিকার গুনরাজি , তার কানুন এবং তার পুরস্কার ও শাস্তি সম্পর্কে জানে এবং দিলের মধ্যে তৎসম্পর্কে প্রত্যয় পোষন করে, তাকে বলা হয় মু'মিন এবং ঈমানের ফল হচ্ছে এইযে, তা মানুষকে মুসলিম অথর্াৎ আল্লহর অনুগত ও আঞ্জাবহ করে তোলে।
ইসলাম ধর্মে যতপ্রকার ইবাদত আছে,সেগুলো প্রতিপালনের উদ্দেশ্য হচ্ছে ঈমানদার বা মুমিন হওয়া ।ঈমাদার হওয়ার পুর্বশর্ত হলো হজরত রাসূল(সা

কে সবার উর্দ্ধে ভালোবাসা।হাদিসে বর্ণিত আছে ুযে ব্যক্তি নিজের জান, মাল,পিতা-মাতা, সন্তান-সন্তুষ্টি যাবতীয় সবকিছুর উধের্্ব আমাকে বেশি ভালো না বাসবে সে মুমিন হতে পারবে না"(বোখারী,2য় খন্ড)। হাদিস শরীফে আরো বর্নিত আছে যে "যার অন্তরে অনু পরিমান ঈমাান বিদ্যমান থাকবে তাকেও (জাহান্নাম থেকে মুক্তির পর ) জান্নাতে স্থান দেওয়া হবে(বোখারী)অন্তর বা হৃদয় থেকে ভালোবাসতে হবে। আর ঈমান, বিশ্বাস, আর ভালোবাসা হচ্ছে এই অন্তর বা হৃদয়ের বিশ্বাস....
আর একজন মুমিন মুসলমানের কর্তব্য বলতে রাসূল (সা

কে ভালোবেসে, তাকে বিশ্বাস করে তার নির্দেশে আল্লাহ পাকের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে তাদের নির্দেশিত পথে চলা............
এখন আসাযাক এই ভালোবাসার অর্থ কি????ভালোবাসার একনিষ্ঠ সংঙ্গা প্রদান করা কষ্ঠসাধ্য হয়ে পড়বে । কারন ত্রে ভেদের কারনে ভালোবাসার সংঙ্গারও পরিবর্তন ঘটে থাকে এবং ভিন্ন ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে থাকে....যেমন : মাকে ভালোবাস, স্থ্রীকে ভালোবাসা, বোনকে ভালোবাসা,দেশকে ভালোবাসা, রাসূল (সা

ভালোবাসা, আল্লাহকে ভালোবাসা ইত্যাদি।প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে ভালোবাসার ভিন্ন অর্থ হয়ে থাকে। আর যারা একে এক অর্থে দেখে থাকেন তাহলে তাদেরকে মানুষ বলার সুযোগ থাকেনা।
ভালোবাসার কারনে একের সাথে অপরের অন্তরের সম্পর্ক স্থাপিত হয়ে থাকে। আর মহান আল্লাহ তাআলা নিজে যাকে ভালোবাসেন , সেই ভালোবাসার রাসূল(সা:ঘকে যদি কোন ব্যক্তি সবকিছুর উর্দ্ধে ভালোবাসেন তাহলে তার সাথেও রাসূল (সা

এর আন্তার সম্পর্ক সৃষ্টি হবে।
মহানবী (সা

এর আত্বা তো ণূরময় । ফলে রাসূলকে যারা সবকিছুর উর্দ্ধে ভালোবাসবেন তাদের সাথে রাসূলের আত্বার সাথে অন্তরের সম্পর্ক সৃষ্টি হয়।যার ফলে সেই প্রেমিকের অন্তরও হয়ে উঠে নূরময়।অর্থাৎ সেই প্রেমিকের অন্তরের সকল কালিমা দূর হয়ে যায় , তিনি পরিশুদ্ব অন্তরের এবং আদর্শ চরিত্রবান হন । যারফলে আল্লাহর কাছে আত্নসমর্পন করেন এবং পূর্ন ইমানদার বা মুমিন হয়ে উঠেন।
( চলবে)
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে জুলাই, ২০০৬ সকাল ৭:১১