আমার প্রিয় পোস্ট

C:\Documents and Settings\raad\My Documents\Lighting cig..jpg

ঊনসত্তুর থেকে পচাঁত্তুর-'৭১এ যাদের বয়স তিনের কম ছিল তাদের থেকে সামুর কনিষ্ঠতম ব্লগারটিকে উৎসর্গীকৃত-পর্ব-১

৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৩৫

শেয়ারঃ
0 4 0

অবতরনিকা:

বংগবন্ধু শেখ মুজিবুর (ত্রিভুজ আপনার বানান ভুল) রহমানকে নির্বংশকারীদের (আমি নির্বংশই বলবো কারন প্রচলিত ধারায় বংশগতি পুরুষ উত্তরাধিকারীর ওপরেই বর্তায়) শাস্তি প্রদানের পর থেকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটার পর একটা পোষ্ট আসছে। যার প্রায় সবগুলোই (গুটি কয়েক ব্যতিক্রম ছাড়া) পক্ষপাত দুষ্ট। অনেক ভাবনা চিন্তা করে আমার নিজস্ব ক্ষতির কথা ভুলে/ এড়িয়ে, আমি আমার একান্ত ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতা তুলে ধরছি, শিরোনামে উৎসর্গীকৃত ব্লগারদের জন্যে। ৩ বছর বয়সটা উল্লেখ করার কারন হ'ল যে মানুষের কোন স্মৃতি ৩ বছর বয়সের আগে থাকেনা, সাধারনত। এ পোস্টে আমার ব্যাক্তিগত ক্ষতি গুলোঃ ১। এটা প্রকাশিত হবার পর আমার পরিচয় আর গোপন থাকবেনা, যা আমি এতদিন সযতনে রক্ষা করেছি (হাতে গোনা কয়েকজন ছাড়া আমার পরিচয় কারুরই জানা নেই)। ২। ব্যাক্তিগত ঘটনা বয়ান পাঠকদের কাছে মাঝে মধ্যে আত্মপ্রচার ও পারিবারিক প্রচারের মত লাগবে যা আসলেই অশোভন, অরুচিকর এবং বিরক্তিকর। এগুলোও আমি লুকিয়ে রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করে এসেছি আজীবন। ৩। কোন পক্ষাবলম্বন না করে লেখাটা অত্যন্ত দুঃসাধ্য। আমার জন্যে আরো কঠিন। কারন যৌবন যখন সদ্য দেহ-মনে ভর করে আমার সমগ্র সত্তাকে ভীষনভাবে নাড়িয়ে দিচ্ছে, যা কিছুই সুন্দর তারই প্রেমে পড়ছি, ঠিক সে সময়ই বংগবন্ধুর সাথে আমার পরিচয়। নিরপেক্ষভাবে তাঁর ব্যাপারে লিখতে আমার খুবই কষ্ট হবে এবং আমাকে অসাধ্য সাধন করতে হবে। আমি আপ্রাণ চেষ্টা করবো-আমার যে একটা দায় আছে আমার পরের প্রজন্মগুলোর কাছে। আমার এই দায় শোধ যদি এই প্রজন্মগুলোকে আমাদের গৌরবময় আর কলংক লেপিত অতীতকে নিরপেক্ষ ভাবে দেখতে শেখার পথে একপাও এগিয়ে নিয়ে যায়, তা'লেই সেটা হবে আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ অর্জন।

অনুগ্রহ করে মনে রাখবেন এটা আমার একান্তই ব্যাক্তিগত সৃতিচারন। পারিবারিক ঘটনাবলীর চর্বণ। সমগ্র দেশের ব্যাপারটা এখানে কখনোই প্রধান্য বিস্তার করবেনা।
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>

জেলের তালা ভেংগেছি শেখ মুজিবকে এনেছি-প্রথম দেখা

আমি তখন পড়ি সরকারী জুনিয়র হাই স্কুল, (সাবেক এম ই স্কুল, এখন সরকারী হাই স্কুল) ষষ্ঠ শ্রেণীতে। ১৯৬৯এর একদিন। ক্লাস করছি। হঠাৎ রাস্তার ওপারের চট্টগ্রাম কলেজ থেকে হৈচৈয়ের শব্দ। আমাদের জানা ছিল সদ্য কারা মুক্ত শেখ মুজিবুর রহমান তখন চিটাগাংএ এবং সেদিন এ পথ দিয়ে যাবেন। কোব্বাৎ স্যারের লাগাম ছাড়া গালিগালাজ, সিদ্দিক স্যারের XXXL করতলের চড়, নেপাল স্যারের অসহনীয় বেত্রাঘাত সব তুচ্ছ হয়ে গেল এক লহমায়। পুরো স্কুলের ছাত্রেরা মাঠ পেরিয়ে রাস্তার কাছে চলে এলো। আমাদের স্কুলটি রাস্তা থেকে উঁচু ছিল। আমরা ক'জন বাঁদর স্কুলের মাঠ থেকে নেমে রাস্তায় নেমে পড়লাম। পেছনে তাকিয়ে দেখি শৃংখলার দৃষ্টান্ত সিদ্দিক স্যারও ছাত্রদের মাঝে থেকে উকিঝুকি দিচ্ছেন।

লোকে লোকারন্য-সবার মুখে একটাই শ্লোগান: জেলের তালা ভেংগেছি/শেখ মুজিবকে এনেছি। চক বাজারের দিক থেকে ধীরে ধীরে একটা লাল রংএর গাড়ি (কার) আসতে থাকলো। ঠিক চিটাগাং কলেজের গেটের সামনে ছাত্রেরা গাড়িটিকে থামিয়ে দিল। আমরা ক'জন যাদের গালি, চড় আর বেত ততদিনে সহ্য হয়ে গিয়েছে তারা ভীড়ের মধ্যে কারো দুপায়ের মাঝখান দিয়ে ,কারো বগলের তল দিয়ে এগিয়ে গাড়িটার কাছে পৌঁছে গেলাম।

অতি সুদশর্ন, দীর্ঘ একজন মানুষ বেরিয়ে আসলেন গাড়ী থেকে। আজ পর্যন্ত অত সুন্দর মানুষ (লক্ষ করুন আমি মানুষ বলেছি, পুরুষ নয়) আমি দেখিনি। সে বয়সে কারিশমা, পৌরুষ, শৌর্য কি বুঝতাম না-সুন্দর অসুন্দর বুঝতাম শুধু। ৩২ নম্বরের লনে এক মিনিটের জন্যে কথা হয়েছিল শেখ কামালের সাথে। শেখ হাসিনা, শেখ রেহানাকে আমি কেন আপনারা সবাই দেখেছেন। বিধাতার এ কি লীলা! মুজিবের সন্তানদের একজনও সে সৌন্দর্য্যের ছিঁটে ফোঁটাও পান নি। শেখ হাসিনা যদি বাবার সৌন্দয্যের এক নিযুতাংশও পেতেন, আমি অবশ্যই এখনো কুমার থাকতাম নয় তো হাউজ হাজবেন্ড।

গাড়ি থেকে বেরিয়েই তিনি বল্লেন: "নাগিনীরা দিকে দিকে ফেলিতেছে বিষাক্ত নিশ্বাস,/ শান্তির ললিত বাণী....।" বলেই আবার গাড়িতে উঠে রওয়ানা দিলেন গণি বেকারীর দিকে। আমার প্রথম তাকে দেখা/প্রথম তাঁর কথা শোনা/ প্রথম মুগ্ধতা-যা সিরাজ শিকদার পুলিশের হেফাজতে মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত স্থায়ী ছিল।


সত্তুরের ঘুর্নিঝড় , ঝড়ের একটি শিকারের সদগতির চেষ্টা ও নির্বাচন
সত্তুরের ১২ই নভেম্বরের প্রলয়ংকারী ঘুর্নিঝড় আমাদের উপকুলীয় এলাকাকে লন্ডভন্ড করে দেয় ([link|http://www.somewhereinblog.net/blog/Trishonku/29042155|আমার অভিজ্ঞতা পড়তে পারেন)। ইয়াহিয়া খান উপদ্রুত এলাকা সফরে আসেন। কিন্তু ত্রান সামগ্রী ছিল অতি অপ্রতুল। ৫ লক্ষ মানুষের প্রানহানি হয়েছিল-তৎক্ষনাৎ এবং পরবর্তীতে-ত্রানের অভাবে। স্মরনাতীত কালের ভয়াবহতম ঘুর্ণিঝড় ছিল সেটা।

নির্বাচনী প্রচারনা এই ঘুর্ণিঝড়ে কয়েক দিনের জন্যে স্থিমিত থাকে। এর মধ্যে আমি স্কুল বদলে , ছ'মাস চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুলে পড়ে, ভর্তি হই ফৌজদারহাট কেডেট কলেজে (তখন লেখাও হ'ত কেডেট, উচ্চারিতও হত কেডেট, কবে এবং কিভাবে এ-কারের জায়গায় একটা য-ফলা আর আ-কার যোগ হ'ল আমি তা বলতে পারবোনা)। নির্বাচন প্রচারনা যখন তুংগে তখন আমাদের শীতের ছুটি হয়।ছুটিতে বাবার শিকারের সংগী হয়ে একদিন শিকার কুড়োতে কুড়োতে উত্তর পতেংগা থেকে হালি শহর সৈকতে আসি। তখন সন্ধ্যা প্রায়। বীচ থেকে (তখন মাটির বাঁধ আর ম্যাংগ্রোভ ছিলনা)একসারি নারিকেল গাছ আমাদেরকে গ্রামের ভেতর দিয়ে সোজা সমুদ্র পাড় থেকে রাস্তায় নিয়ে আসতো। বাবা উত্তর পতেংগায় নেমে গাড়িটিকে হালিশহরে পাঠিয়ে দিতেন। যেখানে বীচ শেষ এবং গ্রাম শুরু হ'তে যাচ্ছে ঠিক সেখানেই একটা ঝোপের মধ্যে কমলা রংয়ের কিছু একটা দেখে এগিয়ে যাই আমি। তিন চার বছরের একটা মেয়ে শিশুর মৃতদেহ -সমুদ্রের পানিতে ভেসে আসা ঘুর্ণিঝড়ের সংহার। বেশ কিছুদিন গত হয়েছে। কিন্তু তাতে না পচঁন ধরেছে না মুখটা একটুও বিকৃত হয়েছে। দেখে মনে হচ্ছিল শিশুটি পুতুল খেলতে খেলতে ঘুমিয়ে গেছে। বাবা অনেক চেষ্টা করলেন সৎকারের। গ্রামের লোকদের অসহযোগিতায় তা আর সম্ভব হয়নি। তারা এক পর্যায়ে বলা শুরু করলো "শহরোত্তুন মাঁরি আনি খবর দিত ছায়" (শহর থেকে বাচ্চাটাকে আমরা মেরে এই নির্জন জায়গায় কবর দিতে চাচ্ছি)।

নির্বাচনের জোয়ার। তীব্র। সর্বগ্রাসী। আমরা সবে পারসিভ্যাল হিল (দেব পাহাড়ের কাছে প্যারেড গ্রাউন্ডের উল্টো দিকে)থেকে সিডিএ আবাসিক এলাকা, আগ্রাবাদে বাসা বদলিয়েছি। আমাদের বাসার সামনের বাসায় থাকতো এক পান্জাবী পরিবার। চার ছেলে মেয়ে তাদের।-হারুন, তাহের, আনোয়ার আর বেবী। বেবী-খাঁটি আর্য সৌন্দয্য..... থাক প্রসংগান্তরে চলে যাচ্ছি। আমরা ছিলাম সাত ভাই বোন তখন (পরে সংখ্যা আরেকটি বৃদ্ধি পায়)। আমাদের পেছনের বাসায় থাকতো এক মুলতানী পরিবার। তাদের দুই বাচ্চা-গুড্ডু আর গুরিয়া। আমাদের মধ্যে সবচে' ছোট তখন ছিল আমার বোন-দু বছরের। ও ছাড়া বাকি ১২ জন সারাদিন মুজিব আর আওয়ামী লীগের প্রচারনার জন্যে পোস্টার লিখতাম আর দেয়ালে, ইলেকট্রিক পোষ্টে সেগুলো সাঁটতাম। সারাদিন এবং রাত দশটা পর্যন্ত। মনে পড়ে হারুন পোষ্টারে লিখতো: LONG LIVE MUJIB. YOU ARE OUR LEADER!

আমাদের এলাকায় নৌকা নিয়ে নির্বাচন করেন মরহুম এম এ আজিজ। আমরা সবাইকে (অবাংগালীদেরকেও, অন্তত: বাহ্যিক ভাবে) আমাদের সাথে পেয়েছিলাম তখন। কিন্তু প্রদীপের নীচেই অন্ধকার। আমার আপন খালা এবং তাঁর চার্টার্ড এ্যাকাউন্টেন্ট স্বামীকে (পেশা এবং মতাদর্শ হিসেবে আজকের রয়েল বেংগল টাইগারের মতই তখনকার দিনের অতি বিরল প্রজাতির) নেজামে ইসলামীর কাছ থেকে সরিয়ে আনতে সমর্থ হইনি। আমার বাবা মার সাথে এ কারনে তাদের সম্পর্কের দীর্ঘস্থায়ী ছেদ ঘটে। ডিসেম্বরের ৩ তারিখে (সম্ভবত) হালি শহরের নির্বাচন কেন্দ্রে যাই। ভেবেছিলাম এত প্রচারনা যেহেতু করেছি, নিশ্চয়ই আমিও ভোট দিতে পারবো। কিন্তু ৪ ফুট ৯ ইন্চির অজাতশশ্রুকে সেদিন ভোট দিতে দেয়া হয় নি। সে ছেলেটি বিধাতার এই অবিচারে ক্ষুব্ধ হয়ে দু'দিনের জন্যে নাওয়া খাওয়া ছেড়ে দিয়েছিল। সে নির্বাচনের ফলাফল আপনাদের সবারই জানা।

-চলবে।

 

সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৫৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:০৩

লেখক বলেছেন: মজা হবেনা একটুও।

সত্য কথনের চেষ্টা করবো। সর্বশক্তিমান যেন সে ক্ষমতা দেন।

যখন ছোট ছিলাম ব্যাপারটা সোজা ছিল।

বয়স হওয়ার সাথে সাথে আর সব কিছুর সাথে সাথে এগুণটিরও লয় হয়।

শুধু যা শক্তিশালী হতে থাকে তা হ'ল লোভ।

৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৪৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। সাথে থাকুন। উৎসাহ দিন। সত্য বলার সুকঠিন কাজটি তা না হ'লে সম্পন্ন করতে পারবো না। তাছাড়া বংগবন্ধুর সমালোচনা করার মত যোগ্যতা আমার নেই। ওটা ছিল আমার প্রথম দর্শনে প্রেম।

৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৪৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। সাথে থাকুন। সাহস দিন।

৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৫৩

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্যে ধন্যবাদ। আপনারা থাকলেই লজ্জায় পরে হলেও হয়তো সত্য কথন হবে।

৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:০৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আবু সামীহা। সাথে থাকুন।

৬. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:১০
নরাধম বলেছেন: চলুক, অপেক্ষায় আছি।
৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:০৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। খুব বেশীদিন হয়তো অপেক্ষা করতে হবেনা।

৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:০৭

লেখক বলেছেন: আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ উদার হাতে প্লাস দেবার জন্যে।

৮. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:২৯
ধূসর মানচিত্র বলেছেন: পরের পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।+++
৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:০৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সাথে থাকার জন্যে আর প্লাস দেবার জন্যে।

সাথে থাকুন।

৯. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৩৭
এস এইচ খান বলেছেন: চলুক, অপেক্ষায় আছি।
৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:১০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার আগ্রহের জন্যে।

১০. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৪৫
নাজনীন১ বলেছেন: যতদূর বুঝতে পারছি, শেখ হাসিনা বয়সে আপনার বড়ই হবে, উনি আরো সুন্দরী হলেও আপনার কপালে জুটতো না। ;)
৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:২৩

লেখক বলেছেন:
ঠিকই বলেছেন। তবে কল্পনা করতে দোষ কোথায়?

সত্য অলীকের চেয়ে চমকপ্রদ। আমার ১৩ বছর বয়সে(১৯৭১এর দ্বিতীয়ার্ধ) .................. বিষয় বস্তু থেকে দুরে সরে যাচ্ছি।

যদি ধৈর্য্য থাকে তা'লে নিচে ক্লিক করে মন্তব্যের উত্তর গুলো পড়ে দেখতে পারেন। অল্প স্বল্প ইংগিত থেকে কিছু একটা আঁচ করতে পারবেন।
অল্প একটু দুর থেকে ব্লগাড্ডা দেখা।

৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৩২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কাঁকন।


একেকটা উত্তর দু' তিনবার লিখতে হচ্ছে।

পোষ্ট ট্যাব থকে গায়েব হয়ে যাচ্ছে।

৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৩৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রিয়াজ।

আমার ব্লগে আপনার আনাগোনা আমাকে অনেক কিছু শিখতে সাহায্য করে।

১৩. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৪৭
সবাক িনর্বাক বলেছেন: 'শেখ হাসিনা যদি বাবার সৌন্দয্যের এক নিযুতাংশও পেতেন, আমি অবশ্যই এখনো কুমার থাকতাম নয় তো হাউজ হাজবেন্ড।'- ভাইজান কি বুঝাইলেন, তয়কি আফনে এ জাতীর দুলাভাই হবার চান্স নিতেন?
৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৪০

লেখক বলেছেন: ভাই, আমি কিন্তু দুটো অপশন দিয়েছি।

১। কুমারত্ব।

২। জাতীর দুলাভাই।

১৪. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৫৫
ও.জামান বলেছেন: চলুক.... ভালই লাগছে।
৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৪০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ জামান।

১৫. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:০৩
আধার রাতের মুসাফির বলেছেন: +০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০+
৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৪১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৬. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:০৭
আসিফ রেজা রাজ বলেছেন: উৎসর্গ কাকে করলেন এই হিসেবটা বেশ ইন্টারেস্টিং! আমার বয়স তখন নেগেটিভ, এখানে বেশিরভাগ ব্লগারের বয়স-ই মনে হয় তখন নেগেটিভ ছিল..............:)
৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৫১

লেখক বলেছেন: জ্বী, আপনাদেরকেই।

গত এক বছরে আমি আপনাদের বয়সীদের কাছ থেকে সেই সময় সম্পর্কে জানার আগ্রহ, না জানতে পারার হতাশা, বিভিন্ন মতাদর্শের মানুষের বিভিন্ন লেখা পড়ে কনফিউজড হতে দেখেছি। আমি যা করতে যাচ্ছি তা হ'ল আমার নিজের চোখে দেখা নিজের কানে শোনা ঘটনাগুলো আপনাদের কাছে তুলে ধরতে।

এ থেকে যদি নিরপেক্ষ ইতিহাসের কিছুটা ছোঁয়াও পান আমার কথন সার্থক হবে।

১৭. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:১৫
ফারযানা বলেছেন: চলুক, অপেক্ষায় আছি।
৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৫২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ফারযানা অপেক্ষায় থাকুন।

১৮. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:২৩
জুল ভার্ন বলেছেন: চলুক..................

(৬৯ এর গণআন্দোলনের সময় নীচু ক্লাশের (ক্লাস সিক্স)ছাত্র হওয়া সত্যেও ব্যক্তিগত ভাবে সম্মিলিত সিনিয়র ছাত্র আন্দোলনে আমিও শরিক হয়ে শ্লোগান তুলেছিলাম-"জেলের তালা ভাংগব, শেখ মুজিবকে আনবো"............। নিজেকে জড়িয়েছিলাম বংগবন্ধুর প্রতিটি আন্দোলনের ডাকে। আবার সেই আমিই স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় রাজাকার-পাকিস্তানী হানাদারদের হাতে এবং স্বাধীন দেশে রক্ষী বাহিনীর হাতে নির্মম অত্যাচার সয়েছি বিনা কারনে)
৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৫৭

লেখক বলেছেন: আমার ব্লগে আপনার নিয়মিত আগমন আমাকে আনন্দিত করে।


আমাদের জেনারেশনের প্রায় প্রত্যেকেই বিয়োগান্ত নাটকের নায়ক।

রক্ষী বাহিনীর জন্যে একটি ছোট্ট অংশ বরাদ্দ আছে। অবশ্য ভিন্ন দৃষ্টি কোণ থেকে। সত্য কথনের এই এক জ্বালা।

১৯. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:২৫
বিডি আইডল বলেছেন: প্লাস সহ প্রিয়তে নিলাম
৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:০৯

লেখক বলেছেন: সকল প্রশংসা সৃষ্টিকর্তার। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

মুশকিল হল আমার এ লেখা যতদিনে শেষ হবে, আমার আশঙ্কা, ততদিনে আমি আপনাদের সবাইকে কোন না কোন ভাবে আহত করবো।

সাথে থাকুন। সাহস দিন।

২০. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:২৫
সাজিদ বলেছেন: লিখে যান নিজের বিবেকের দায়বদ্ধতা থেকে আপনাদের কাছ থেকে আমরা অনেক কিছুই জানতে পারবো। অনেকে হয়ত কষ্ট পাবে এই জন্য অনেক কিছু লিখতে পারি না। আপনারা জীবনের যেই পর্যায়ে আছেন মনে হচ্ছে তাতে আপনাদের উচিত আরো সাহসী হওয়া। সব দোষ আজকে ফারুক রশিদে-ডালিম-হুদাদের অথচ সেদিন সবাই নাকি মুক্তির সাদ পেয়েছিলো। আজকেও কি পরিস্হিতি অথবা মানসিকতার পরিবর্তন হয়েছে? রাজপরিবারের নামে কিছু লিখলে হয় মাস্তানরা হামলা করে, নয়তো মামলাবাজরা মামলা করে। আর কিছু না পারলে সরকারের সচিবদেরকেও চকারি কেড়ে নেয় জেলে নেয়। সেদিন কয়জন মামলা করেছিলো?
৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:২৩

লেখক বলেছেন: বয়স বাড়ে, দাঁত পড়ে যায় , শরীর অশক্ত হয়, দৃষ্টি শক্তি কমে যায়, বুক কাঁপে, সবই ক্ষয়ে যায়, শুধু যা বৃদ্ধি পেতে থাকে তা হ'ল লোভ।

- কথা সরিৎ সাগর (পঁয়ত্রিশ বছর আগের স্মৃতি থেকে)।

_____________________________________________
"ফারুক রশিদে-ডালিম-হুদাদের "


-এ ব্যাপারে আমার একটা ব্যাখ্যা আছে, যা আমি গত কয়েকদিনে কয়েকবার মন্তব্যে এনেছি। কারুরই মনপুত হয়নি তা।

"রাজপরিবারের নামে কিছু লিখলে হয় মাস্তানরা হামলা করে, নয়তো মামলাবাজরা মামলা করে। আর কিছু না পারলে সরকারের সচিবদেরকেও চকারি কেড়ে নেয় জেলে নেয়। সেদিন কয়জন মামলা করেছিলো?"

-আমার লেখা রাজ পরিবার , বিরোধী দল, মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি, যুদ্ধাপরাধী ও তাদের অনুগামী কারুরই পছন্দ হবে না। একটি ক্ষীণ আশা -আম জনতা আমার সাথে থাকলেও থাকতে পারে।

৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:২৪

লেখক বলেছেন: থাকুন। আপনাকে ব্যাথিত করতে যাচ্ছি সম্ভবতঃ। আগে থেকেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।

২২. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:০২
ফালতু মিয়া বলেছেন: পড়লাম একদমে। যাহোক আমার বয়স আপনার উৎসর্গকৃতদের একটু আগে :P :P
৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:০১

লেখক বলেছেন: ক্ষতি নেই। আপনি সম্ভবত ৫-৭ বছরের ছিলেন। আপনিও হয়তো অজানা কিছু জানতে পারবেন।

আপনার কাছেও আগাম ক্ষমা চাচ্ছি। আপনাকে আমি কষ্ট দেব। আমি জানি।

সানুনয়ে অনুরোধ করছি পড়ে যাওয়ার সময় শুধু একটু মনে রাখবেন আমার বিবেকের কাছে জবাবদিহিতা থেকেই আমার এই লেখা। সম্ভবতঃ আমার জীবনের সবচে' বড় নির্বুদ্ধিতাও এই লেখাটা।

২৩. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৩৯
রোহান বলেছেন: চলুক.... সাথে আছি...
৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৩৪

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। সাহস পাই সাথে থাকলে।

২৪. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৩১
ইরফান আহেমদ বলেছেন: ১৯৭২ এর ১০ই জানুয়ারি থেকে ১৯৭৫ এর ১৫ই আগষ্ট পর্য্যন্ত ৩ বছর ৭ মাস ৫ দিনে অর্থাৎ ১৩১৩ দিনের এক রাজনৈতিক গুন্ডার নারকীয় শাসনের হাত থেকে যারা মুক্ত করেছিলো স্বদেশ তাদের মধ্যে অন্যতম এই পঞ্চবীর। ৮ টাকায় চাল আর বিনামুল্যে সার দেয়ার মিথ্যে প্রলোভন দেখিয়ে মঈন উ আহমেদের ঘাড়ে চেপে ক্ষমতায় এসে যাদেরকে ফাঁসির কাষ্টে ঝুলানো হলো।

পঞ্চবীরকে ফাঁসিকাষ্টে ঝুলানোর মাধ্যমে বাংলা নামক দেশটির ললাটে আরেকটি কৃষ্ণতিলক সাঁটানো হলো। মীরজাফরের সন্ততি কিছু হায়েনার চক্ষে ক্রুরতার হাসি প্রস্ফুটিত হলো। তিন যুগ পুর্বে যারা মুক্তি এনেছিলো আজীবন প্রেসিডেন্টের কুক্ষিথেকে। পত্রিকা গুলো হয়েছিলো সংবাদ জগতে উন্মুক্ত। একক রাজনৈতিক দলকে দিয়েছিলো ছিন্ন করে। হাতে অর্পণ করেছিলো লাল নীল বাহিনীর হস্ত হতে মুক্তির স্বাদ। পৌনে চার বছরে রক্তাক্ত হয়েছিলো যাদের হাতে স্বদেশভুমি।

বেঁচে থাকবে তোমরা চিরকাল, সবুজ বাংলাদেশের আধিপত্যবাদ বিরোধী গণমানুষের হৃদয় মণিকোটায়। চিরবিদায় পঞ্চবীর।
৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৩৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আমার এই ব্লগটাতে পদধুলি দেবার জন্যে।

২৫. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৩৩
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: আপনার পরিচয় জানার চেয়ে অভিজ্ঞতা জানার আগ্রহ বেশী বোধ করছি। চালিয়ে যান।
৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৪৯

লেখক বলেছেন: সেটাই তো সবচে' বড় সমস্যা আমার। অভিজ্ঞতার প্রকাশই আমাকেও প্রকাশিত করে ফেলবে।

সাথে থাকুন। ধন্যবাদ।

২৬. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৪৭
রাজর্ষী বলেছেন: আগ্রহ নিয়ে পড়ছি...। দেখি আপনার অভিগ্যতা কি বলে।

রক্ষীবাহীনির অত্যাচার কেন কিভাবে পেয়েছিলেন তা নিয়ে বস্তুনিষ্ঠ লিখুন@ জুলভার্ন।

কিছু পাকি জারজ দেখা যাচ্ছে কমেন্ট করছে।
৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:০৪

লেখক বলেছেন: হতাশ হতে পারেন। একান্তই স্বল্প পরিসরে, সীমিত গন্ডির ভেতরে থেকে দেখা সাদামাটা লেখা।

সাথে থাকুন।

২৭. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:০৫
অনার্য তাপস বলেছেন: সমস্যা হচ্ছে আমার ‌‌‌চলবে শিরোনামের লেখাগুলো আর শেষ হয়নি। এটা চলতে থাকুক।
৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৩৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। সবকিছু যদি ঠিক থাকে এটা শেষ করবো সৃষ্টিকর্তা চাহেন তো।

আমার একটানে লেখা। শুধু বাংলা লেখাটা গত এক বছরেও সড়গড় করতে পারিনি। লেখার অনেক আগে চিন্তা চলে যায়। আমার বাংলা লেখার গতি সম্ভবতঃ মিনিটে পাঁচ অক্ষর।

২৮. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:০৮
রাগিব বলেছেন: সিডিএতে থাকতেন সেই আমলে শুনে খুব ইন্টারেস্টিং লাগছে। তখন তো ওখানে বনজঙ্গল থাকার কথা!! আমার বাবা-মার কাছে শুনেছিলাম, তখন জাম্বুরী মাঠে শেয়াল ঘুরতো।

যাক, কলেজিয়েটের আরেকজন ছাত্রকে পাওয়া গেলো ...
৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:১০

লেখক বলেছেন: রাগীব,

পুরো সিডিএতে ছিল ১১টি বাড়ি। তার মধ্যে তিনটি অবাংগালী পরিবার ছিল। জাম্বুরী ফিল্ডটা এখনকার চেয়ে অনেক বড় ছিল। পুরো স্বাধীনতা সংগ্রমের সময়টা (৫ই এপ্রিল থেকে ১৭ই ডিসেম্বর)পাকি সেনা ছাউনি ছিল সেখানে। আমরা শেয়াল ধরবার চেষ্টা করেছি। পারিনি। ঢোঁড়া সাপ ভেবে একটা গোখরা মেরেছিলাম।পাশের জোয়ার ভাটা হওয়া খাল থেকে চ্যাওয়া, কাইক্খ্যা, চিংড়ি ও চিরিং মাছ ধরতাম। খালের পাড়ের গাছগুলোতে ওয়াঁক পাখী (বকের মত আকৃতির কিন্তু আরও বড় এবং স্বাদু)ফাঁদ পেতে ধরে/এয়ার গান/পয়েন্ট টুটু দিয়ে মেরে খুব ঝাল আর মসলা দিয়ে রেঁধে খেতাম। তবে এসবই করেছি স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে। আবার যুদ্ধের পরে অল্প কিছুদিন।


তবে শেয়াল আমি ধরেছি আরও পরে। ঢাকার বনানীতে। বনানীর যেটা 'এ' ব্লক সেখানে '৭২এ শেয়ালের বাচ্চা ধরে চোংগা দিয়ে বাংলা খাইয়ে দিয়েছিলাম। পরদিন দুপুর পর্যন্ত ঘুমিয়ে পালিয়ে গিয়েছিল। '৭২ এ বনানীতে যত শেয়াল ছিল, '৭০এ সিডিএতে তত শেয়াল ছিলনা।

পোস্টের শুরুতেই আপনাকে স্মরন করেছি দেখেছেন হয়তো। কলেজিয়েট স্কুলে যে আপনি পড়তেন তা সম্ভবত: লালসালু বা হোসাইন১৯৫০এর একটা পোষ্ট থেকে জানতে পেরেছি। এম ই স্কুল ছিল ৮ম শ্রেনী পর্যন্ত। ৭ম শ্রেনীতে উঠতেই বাবা তাই ভর্তি পরীক্ষা দেয়ালেন কলেজিয়েটে আর ফৌজদারহাটে। কলেজিয়েট স্কুলের ফল অনেক আগে বের হওয়ায় ওখানে পড়তে পেরেছি। । সে কি ভীষন দুটি অগ্নি পরীক্ষা।

২৯. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:২০
পারভেজ বলেছেন: কোব্বাৎ স্যারের ক্লাশ তো আমরাও করেছি আশির দশকে। পড়তে বেশ নস্টালজিক লাগলো।
চলুক।
৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৩৩

লেখক বলেছেন: এই নিয়ে দুবার উত্তর দিলাম দু'বারই গায়েব হয়ে গেল। বেশ বড় একটা উট্তর দিয়েছিলাম। এখন সংক্ষেপ করছি। স্কুলে প্রথম দিনে সহপাঠি শওকইত্যা আমাকে টিফিন টাইমে 'চনা বিরানী খাওয়ানোর ডাওয়াত দেয়। বিরিয়ানীখাব ভেবে জিব দিয়ে লালা পড়ছিল। তো ছোলা ভুনাই যে চনা বিরানী জানতে পেরে খুব কষ্ট পেয়েছিলাম।

৩০. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:২৯
অলস ছেলে বলেছেন: সত্য কথা বলা দিন দিন কঠিন হয়ে যাচ্ছে। তাই অনেক আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষায় থাকলাম। আর, যেহেতু উৎসর্গীকৃতদের মধ্যে পড়েই গেলাম, কি আর করা :)

পুরনো দিনের চট্টগ্রাম প্রচন্ড স্মৃতিকাতর করে আমাকে ইদানীং। ছোটবেলায় দেখতাম জুবিলী রোড খালি পড়ে থাকতো বিশাল মহাসড়ক, কয়মাস আগে মনে হলো ঘুপচি গলি। আন্দরকিল্লা থেকে সিরাজদৌলা রোডে গিয়ে মনে হলো ইরাকের বদলে মার্কিন বিমান এখানে বোমা ফেলে গেছে, সব ভাঙ্গাচুরা :( সবচেয়ে খারাপ লেগেছে ষ্টিল মিল থেকে কাঠগড় হয়ে সিবীচ। ডাষ্টবিনের মতো হয়ে গেছে।

যাইহোক, চট্টগ্রাম কথা না। কথা হলো ঘটনাগুলো পড়ার অপেক্ষায় থাকলাম।
৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৩৯

লেখক বলেছেন: বাংলাদেশের (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের) প্রথম এসকেলেটর (চলন্ত সিঁড়ি) ছিল চিটাগাংএর বিপনী বিতানে।


১৯৬৭ সালে কণর্ফুলীর পাড় ঘেঁষা অপূর্ব সড়ক দিয়ে সল্টগোলা হয়ে শহরে প্রবেশ করি প্রথম ।

৩১. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৩১
শ্রাবনসন্ধ্যা বলেছেন: পড়লাম..........সাথে আছি।
৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৪১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। আপনি সব সম্য়ি কাছে থাকছেন সে জন্যে কৃতজ্ঞতা।

৩২. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৪৬
শ্রাবনসন্ধ্যা বলেছেন: ইতিহাস রাজনীতি ধর্ম এই ব্যপারগুলো অনেক কঠিন এবং জটিল আমার জন্য। খুব কম বুঝি।
আর নিরপেক্ষতা ব্যপারটিও মনেহয় কঠিন।

রাজনীতিতে দেখি সবাই যার যার ইচ্ছেমতন, কড়া করে বললে নিজের স্বার্থসুবিধা মতন আদর্শ বানিয়ে চলেন। যেমন যিনি বঙ্গবন্ধুর কাছের মানুষ (অথবা বলা যায় তাঁর কাছ থেকে যার স্বার্থ হাসিল হয়েছে) তিনি তাঁর গুন ছাড়া দোষ আর দেখেন না। জিয়ার যিনি ভক্ত ( একই ব্যপার... যদি স্বার্থ হাসিল হয় তো........নইলে প্রিয় কি আর হয়!) তিনিও তার গুন বইতো দোষ পান না।

মাঝে মাঝে আমিও ভাবি যদি নামকরা কোন রাজাকার আমার পরিবারের কেউ হোত.........আমি কি পারতাম তাদের প্রতি এখনকার যে ঘৃণা, তা বজায় রাখতে। ব্যক্তিগত ভালমন্দ, স্বার্থ, লাভ লোকশানই আমাদের কাছে বড়, আর কিছু নয়।
৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৫৯

লেখক বলেছেন: "আর নিরপেক্ষতা ব্যপারটিও মনেহয় কঠিন।"

বড়ই কঠিন। বংগবন্ধুর ব্যাপারটাই দেখুন না আমার ক্ষেত্রে। একে তো আমি তাঁর প্রেমে পড়ে গেলাম সেই ছোট বেলাতেই তিনি লাল গাড়িটা থেকে নামতেই। আবার স্বাধীনতার পর আমার পরিবার ছিল বংগ বন্ধুর দেশ প্রধান হওয়ার ডাইরেকট বেনিফিসিয়ারী। আমার পক্ষে তাঁর দোষ খুঁজে বের করা প্রায় অসম্ভব।

"মাঝে মাঝে আমিও ভাবি যদি নামকরা কোন রাজাকার আমার পরিবারের কেউ হোত.........আমি কি পারতাম তাদের প্রতি এখনকার যে ঘৃণা, তা বজায় রাখতে"।

-আমার নানার পরিবারের অনেকেই কট্টর রাজাকার। এখনো তারা মনে করেন পাকিস্তানের সাথে জোড়া লাগলে এক টাকা সের চাল খেতে পারবো। আমি কি পেরেছি তাদের সাথে সম্পর্ক ছেদ করতে?


"ব্যক্তিগত ভালমন্দ, স্বার্থ, লাভ লোকশানই আমাদের কাছে বড়, আর কিছু নয়।"

-অবশ্যই। এবার বুঝুন কি অসম্ভব কাজ না বুঝেই হাতে নিয়েছি।

৩৩. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:২১
উদাসবাউল বলেছেন: আপনার কুমারত্ব যেহেতু ঘুঁচেছে, তাই ধরে নেয়া যায় আপনার তিনি অসামান্যা রুপবতী। তাই কি?
৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:০৫

লেখক বলেছেন: বেলা যে পড়ে এল/ জলকে চল।

আমার ও আমার অর্ধাংগিনীরও।

প্রেমেতে মজিলে মন/কিবা হাড়ি কিবা ডোম?।

হায় তারুণ্য।

৩৪. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৩৯
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: পড়লাম....পরবর্তী পর্বগুলোও পড়ার চেষ্টা করবো।
৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:০৮

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্যে অসংখ্য ধন্যবাদ। সামনে দেখা পেলে আনন্দিত হবো।

৩৫. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৩৯
মুনশিয়ানা বলেছেন: খুব আগ্রহ নিয়ে পড়তে শুরু করলাম, আশা করছি দারুন কিছু অভিজ্ঞতা শুনতে পাবো।

সাথে থাকার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি...
৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:১১

লেখক বলেছেন: দারুন কিছুই পাবেন না। তবে মানবতার চরম অবমাননা দেখে বড়ই কষ্ট পাবেন।

আপনার মনটা বড্ড নরোম।

৩৬. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:০১
তুষারকনা বলেছেন: ভাইয়া ঐ সময়ের সত্যি কথাগুলো আমারও জানার অনেক ইচ্ছা। যারা শেখ মুজিব কে পছন্দ করে,তারা দেখি মোটামুটি পূজা করে তাকে।আর যারা ১৫ই আগস্ট সমর্থন করে তাদের চোখে দেখি কি তীব্র ঘৃনা!!!


পরের পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।
৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:১৮

লেখক বলেছেন: তুষার কন্যা,

আপনার আশাহত হবার সম্ভাবনা প্রায় শত ভাগ। আমি মুজিবকে হয়তো এখনো খুবই ভালবাসি। কোন বোধগম্য কারন ছাড়াই। তার সমালোচনা করার যোগ্যতা যেন আমার হয়, আমার ভালবাসা যেন আমার ৭২-৭৫এর স্মৃতিকে বাস্পাচ্ছন্ন না করে, সে প্রার্থনা করুন। ।

৩৭. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:২৯
হোসাইন১৯৫০ বলেছেন:

শ্রদ্ধায় মাথা নুয়ে এলো ।
৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

আসলে আমি উচ্চ স্বরে চিন্তা করছি (loud thinking)মাত্র।

৩৮. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪১
অলস ছেলে বলেছেন: হায় নিউমার্কেটের সিড়ি। উঠতাম আর দৌড়ে দৌড়ে উল্টো দিকের র‌্যাম্পের মত ঢালাই রাস্তা দিয়ে নামতাম, আবার এসকেলেটর।
যে রাস্তা দিয়ে এসেছেন, বিমানে নেমেছেন মনে হয়। মাথা আকাশের দিক লেজ মাটিতে নামানো বিমানে নাকি?
৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪৪

লেখক বলেছেন: ১৯৬৭/৬৮তে চিটাগাংয়ে ভাল মিস্টি আর মিঠা পানির ভাল মাছ পাওয়া যেত না। কাপ্তাই লেকের মাছ ছিল কাগজের মত খেতে। এখন যদিও কাপ্তাইয়ের মাছ স্বাদু। বোস ব্রাদার্স বলে একটা মিষ্টির দোকান ছিল। সেখানে কালো জাম পাওয়া যেত। মিষ্টির যে বিচি হয় তা আমি ঐ কালো জাম খেয়েই জেনেছি প্রথম। বাবা একবার কাঁচকী মাছ খাবার জন্যে হন্যে হয়ে গেলেন। অনেক কসরৎ করে হলুদ দিয়ে অর্ধ ভেজে করে সেটা ঢাকা থেকে আনা হল। ধীরে ধীরে আমরা সমুদ্রের মাছ খাওয়া শিখে গেলাম। এখন লইট্টা আমার প্রিয় মাছ। চিরিং অতি প্রিয়। সেদিন মোহাম্মদপুর বাজারে গিয়ে জ্যান্ত চিরিং মাছ আর চ্যাওয়া মাছ আবিষ্কার করি। খোঁজ নিয়ে জানতে পারি ওগুলো নোয়াখালী থেকে আসে। কাউন (অনেকদিন দেখিনা, মাগুড় মাছ আর রিঠা মাছের মাঝামাঝি দেখতে) হালিশহর বিচে কাদার মধ্যে থেকে ধরতে দেখেছি
৮৭তে।তখনই শেষ বার খেয়েছি। ভালোতরো অর্ধেককে যদিও এখনো খাওয়াতে পারিনি চান্দা মাছ ছাড়া।

"যে রাস্তা দিয়ে এসেছেন, বিমানে নেমেছেন মনে হয়। মাথা আকাশের দিক লেজ মাটিতে নামানো বিমানে নাকি?"

ঠিকই ধরেছেন। কি বিমান মনে নেই। তবে বিমানে সেটাই ছিল আমার প্রথম চড়া। তার আগে('৬৫র যুদ্ধের আগে) যখন হেলিকপ্টার সার্ভিস ছিল তখন ঢাকা- সিরাজগন্জ গেছি কয়েকবার হেলিকপ্টারে নানা বাড়ি।

৩৯. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৪৬
নাজনীন১ বলেছেন: ইতিহাস লিখতে গিয়ে নোয়াখালীর লইট্টা, চিরিং মাছের স্বাদ নিয়ে গুণগান শুরু করলেন, ভাল হচ্ছে না কিন্তু, জিভে জল এসে যাচ্ছে, সে সাথে নষ্টালজিক...
৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৫৭

লেখক বলেছেন: না ইতিহাস লিখছিনা এখন। বিশ্রাম করছি এখন। মোহাম্মদপুর বাজার অনেক দুরে। কাল একবার ঢুঁ মারবো কিনা ভাবছি। ভাগ্যে থাকলে একটা বাঘাইর কিম্বা মহাশোলও জুটে যেতে পারে!

পরের কিস্তি লিখতে বসবো গভীর রাতে। এখন কন্যা বলছে রচনা লিখে দিতে, কনিষ্ঠ পুত্র বিশ্ব বিদ্যালয়ের প্রেজেন্টেশন নিয়ে জ্বালাচ্ছে আমাকে। বরেন্দ্র ভুমির মাটির প্রয়োজন। বড় ছেলে টিউশনি করে ফিরেছে। মেজাজ সুবিধের নয়। স্ত্রীর একটা ফরমাসে গরিমসি করছি অনেকদিন ধরে। মুখ তার অন্ধকার। অজুহাতের ঝুড়ি আমার শেষ।

৪০. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:১৮
সাজিদ বলেছেন: নানাবাড়ি সন্দ্বীপ যাবার পথে আমিও সদরঘাটের সামনে কড়ই গাছে বানর দেখেছি। সেটা মনে হয় ৮৬ এর দিকে।

আপনি লিখে যান। আমজনতার একজন হিসেবে সাথে আছি।
৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৩০

লেখক বলেছেন: নানাবাড়ি যেতে গত বছর আমি দেখেছিলাম একটা বাঘাইর। দেড় মণ ওজনের, যমুনার।

উৎসাহ দেবার জন্য আর সাথে থাকার জন্যে অনেক ধন্যবাদ।

৪১. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৫১
কায়েস মাহমুদ বলেছেন: লেখক বলেছেন: থাকুন। আপনাকে ব্যাথিত করতে যাচ্ছি সম্ভবতঃ। আগে থেকেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।


আমি বুঝলাম না, কিভাবে কষ্ট পাব আমি?
৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:১৩

লেখক বলেছেন: আমার লেখটি স্বাধীনতার স্বপক্ষ এবং বিপক্ষের সবাইকেই ব্যথিত/রাগান্বিত করার সম্ভাবনা প্রায় শতভাগ।

আপনি স্বাধীনতার স্বপক্ষের একজন সক্রিয়, সোচ্চার ব্লগার, তাই বলেছি।

৪২. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:২৯
শ।মসীর বলেছেন: স্বাধীনতা আমি দেখিনি- শুনেছি, কিছুটা জেনেছিও- আর এখন তীব্রভাবে সেটা উপলব্ধি করতে পারি যখন দেশের সীমানা ছেড়ে অন্য ভূখন্ডে পা ফেলি.........তীব্র ভাবে টের পাই ঐ মাটি আমার নয়, ঐখানে আমার কোন অধিকার নেই- আবার দেশে পা দিলেই টের পাই প্রতি ইঞ্চিতে আমার তীব্র অধিকার।

অনেকের হয়ত অনেক মত থাকতে পারে, তবে আমি মুজিব কে বিচার করি দুই ভাগে- ৭২ এর ১০ই জানুয়ারি পর্যন্ত প্রথম ভাগ, ২য় অংশ এর পরের জীবন।

প্রথম ভাগে চরম বিপ্লবী, বজ্র হুঙ্কারে যার বাংলার প্রতি তীব্র ভালবাসা টের পাই, চরম ভাবে সফল একজন স্বাধীনতাকামী বিপ্লবী। প্রচন্ড শ্রদ্ধা যার জন্য দেখাতে কোন কার্পন্য কাজ করেনা।

দ্বিতীয় অংশে চরম ভাবে অসফল একজন রাষ্ট্রনায়ক- তা সে যে কারনেই হউক। তিনি ভালবাসার মূল্য বুঝেননি, দম্ভ ভর করেছিল তার মাঝে---- যা তাকে দেয়া হয়েছিল, তিনি সেটা বুঝেননি, তিনি ভেবেছিলেন জোর করে আদায় করবেন অথচ অনেক আগেই তা তাকে দিয়ে দেয়া হয়েছিল। তিনি বুঝতে পারেননি তার জীবদ্দশায় অন্য কেউ এদেশের প্রধান হতে পারবেননা- আর তিনি কিনা সেটা সুশংহত করার ব্যবস্হা করতে গেলেন....।আফসোস মানুষের বোঝার কত ভুল থাকে।

দেবতা ভেবে তাকে দেয়া ফুল তিনি পায়ে ঠেলে বেছে নিয়েছিলেন দানবের হাতিয়ার........

অট: আপনি দেখি কলেজিয়েটস সাময়িক হলেও :):)
পদচারনা গুলো যেন সব মিলে যায়...।

হাসিনা আর ঐ পাকি মেয়েকে নিয়ে লেখায় মজা পেলাম :):)
৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:২১

লেখক বলেছেন: অত্যন্ত মনোযোগ দিয়ে আমার একান্ত ব্যক্তিগত স্মৃতি চারনা পড়ার জন্যে আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

"স্বাধীনতা আমি দেখিনি- শুনেছি, কিছুটা জেনেছিও- আর এখন তীব্রভাবে সেটা উপলব্ধি করতে পারি যখন দেশের সীমানা ছেড়ে অন্য ভূখন্ডে পা ফেলি.........তীব্র ভাবে টের পাই ঐ মাটি আমার নয়, ঐখানে আমার কোন অধিকার নেই- আবার দেশে পা দিলেই টের পাই প্রতি ইঞ্চিতে আমার তীব্র অধিকার।"

- অনেক বিশাল একটা সত্যকে তুলে ধরেছেন।

আপনি দেখি কলেজিয়েটস সাময়িক হলেও :):)
পদচারনা গুলো যেন সব মিলে যায়...।

-ধন্যবাদ। সময়ের পরিসরটা ছোট হতে পারে, তবে অভিগ্ঞতা ও স্মৃতি মধুর।

দেবতা ভেবে তাকে দেয়া ফুল তিনি পায়ে ঠেলে বেছে নিয়েছিলেন দানবের হাতিয়ার........

- আপনি সঠিক, তবে আপনার মত ভাগ্যবান আমি নই।

যে স্বামী প্রতিদিন তার স্ত্রীকে প্রহার করে সেই স্ত্রীকে তার স্বামী সম্পর্কে খারাপ কিছু বলে দেখুন, তেড়ে আসবে।

৪৩. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৩১
মিহির আহমেদ বলেছেন: কমেন্টে হেব্ভি মজা পাইলাম। তয় চিটাগাইঙ্গা কাহিনী শ্যাষ হৈলে পরে আসুমনে।
৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:২৮

লেখক বলেছেন: কিচ্ছার বিয়াফক বাগোই ছট্টগ্যারামের।

যাইয়্যেন না, পিলিজ।

চাটিগাঁইয়াদের কুব বালা ফাই।

৪৪. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৫৬
লুৎফুল কাদের বলেছেন: জানার এবং সাথে থাকার ইচ্ছা আছে. সত্য বরই নির্মম.
৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৩১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ লুৎফুল কাদের। আমার একান্ত ব্যাক্তিগত এই আখ্যানটি যদি সেই সময়টা সম্পর্ক্যে একটুও ধারনা দিতে পারে আপনাকে, আমি কৃতজ্ঞ হব।

৪৫. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৩৮
হোসাইন১৯৫০ বলেছেন:

বোস ব্রাদার্সের মিষ্টির দোকান এখনো আছে , তবে , জৌলুশ কিছুটা থমকে গেছে ।
তবে , যে বোস ব্রাদাসের মিষ্টি খায়নি , সে এখনো মিষ্টির অনেক স্বাদ পাইনি ।
এছাড়াও সন্দ্বীপ , সীতাকুন্ড আর মীরেরসরাই মানে উত্তর চট্টগ্রামে এক ধরণের স্পন্জ মিষ্টি পাওয়া যায় । ওটার স্বাদ বা, রস যার মুখে একটু লেগেছে সে আর কোনদিন এই মিষ্টির কথা ভুলতে পারবে না ।
আসলে পুরো চট্টগ্রামই একখান জটিল জায়গা ।
বাঙালী হিসেবে অহমিকা আছে আমার তবে , চাৎটগাইয়া হিসেবে আছে সোভিনিজম ।
হা হা হা
যাই হোক ভিন্ন প্রসংগ অবতারণার জন্য ক্ষমাপ্রার্থী ।

পুনশ্চ : খুব ভাল লাগছে সৃত্মিচারণটি । মনে হচ্ছে বাংলা ব্লগের শ্রেষ্ঠ সৃত্মিচারণ ।
৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:২৭

লেখক বলেছেন: "বোস ব্রাদার্সের মিষ্টির দোকান এখনো আছে , তবে জৌলুশ কিছুটা থমকে গেছে ।
তবে , যে বোস ব্রাদাসের মিষ্টি খায়নি , সে এখনো মিষ্টির অনেক স্বাদ পাইনি ।
এছাড়াও সন্দ্বীপ , সীতাকুন্ড আর মীরেরসরাই মানে উত্তর চট্টগ্রামে এক ধরণের স্পন্জ মিষ্টি পাওয়া যায় । ওটার স্বাদ বা, রস যার মুখে একটু লেগেছে সে আর কোনদিন এই মিষ্টির কথা ভুলতে পারবে না ।"

ভাইরে,

১৯৮২তে বান্দরবনে নিযুক্ত থাকতে চিটাগাংএ ভাল মিষ্টি খেয়েছি, ১৯৮৬ থকে ৮৮ পর্যন্ত ও থেকেছি চিটাগাংএ। তখন সব মিষ্টিই পেয়েছি। ফটিকছড়িতে ১৯৯২তে সুস্বাদু ক্ষীর খেয়েছি দীঘিনালায় কাজ করার সময়।

মীরের সরাইতে '৬৮তে পুকুরের গলদা চিংড়ি খেয়েছি। বাবার ছাত্র জয়নাল আবেদিন চাচার গ্রামের বাড়িতে। তাছাড়া চিনকি আস্তানায়ও কৃষকের বাড়িতে বেলেম্বু দিয়ে চ্যাওয়া মাছ খেয়েছিলাম '৭৮এ-অমৃত।

আমি বলছিলাম ১৯৬৭র কথা। আমি এবং আমার বাবা ছিলাম মিষ্টি, গরুর মাংস আর ছোট মাছের পাগল। আমার প্রিয় খাদ্যের মধ্যে আছেঃ

ক।চিকন চালের সুগন্ধী ভাতের সাথে বাশঁ পাতা (কাজলী) মাছের ঝোল আর লাউয়ের শাক।

খ।ঝুমের চালের ভাত দিয়ে কোটা মশলায় রাঁধা দেওয়ানহাটের (এখন বদ্দারহাটের) গরুর মাংস

গ।তৃতীয়ে বিন্নি চালের ভাত দিয়ে নতুন মাষকলাইয়ের ডাল আর কাঁচকী মাছ।

মাছ না পেয়ে আমরা দুজনই তিন বেলা গরুর মাংসে অভ্যস্ত হয়ে পড়ি। বাবা গরু ছেড়েছেন ১৯৯৫এ আমি কমিয়েছি বছর খানেক হয়।

আমার গায়ে হলুদের পর আমার শশুড় বাড়ীর কুটুম্বেরা আমার বা আমার বাড়ির কিছু নিয়েই নিন্দে বা প্রশংসা করতে পারেনি। আমার মিষ্টি খাওয়ার পরিমানই ছিল তাদের একমাত্র আলোচ্য বিষয়।
___________________________________________

"বাঙালী হিসেবে অহমিকা আছে আমার তবে , চাৎটগাইয়া হিসেবে আছে সোভিনিজম । "

- তা করার যোগ্যতা আপনাদের আছে। কারন বাংলাদেশের আর সব গ্রামে যেখানে ( আমার দেখা আগের ১৯ টার মধ্যে ১৭টি জেলার গ্রামগুলোর মধ্যে) বছরে একবার গরু জবাই হয় (বিয়ে ছাড়া) সেখানে চিটাগাংএর প্রতিটি গ্রামের মানুষ দিনে অন্ততঃ দুটো গরু সাবাড় করে।
____________________________________________

ভাল লাগার জন্যে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

____________________________________________
পুনশ্চঃ এদ্দিন জানতাম মীরের সরাই নোয়াখালীতে (যেমন ১৪ গ্রাম আর হাজীগন্জ নোয়াখালীতে)।

৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২৫

লেখক বলেছেন: "মনে হচ্ছে বাংলা ব্লগের শ্রেষ্ঠ সৃত্মিচারণ ।"

-আমার কাছে আমারটার চাইতে মন্জুরুল হকের স্মৃতিচারন "এক কিশোরের চোখে মুক্তিযুদ্ধের অমলিন স্মৃতি" কে অনেক বেশী উন্নত বলে মনে হয়েছে।

৪৬. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৪৩
হোসাইন১৯৫০ বলেছেন:
মীরেরসরাই এখন উত্তর চট্টগ্রামের অংশ ।
যদিও ভাষার দিক থেকে কিছুটা নোয়াখালীর ডায়ালেক্ট আছে ।
কিন্তু আচার চ্ট্টগ্রামের মত ।
৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৯

লেখক বলেছেন: আমি একটু মজা করলাম। ভাষার জন্যে আমরা অনেক আগে থেকেই ১৪ গ্রাম, হাজীগন্জ, চাঁদপুরকে বৃহত্তর কুমিল্লার অংশ বলে স্বীকার করতে চাইতাম না।

৪৭. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০৮
হোসাইন১৯৫০ বলেছেন:
হুমম দাদা ।
সেটাও পড়েছি ।
তবে , আপনারটাও কোন অংশে কম নয় ।
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৪৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। ভালবাসার কথা বিচারের নয়।

৪৮. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৪৩
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: হোসাইন১৯৫০ বলেছেন: বোস ব্রাদার্সের মিষ্টির দোকান এখনো আছে , তবে , জৌলুশ কিছুটা থমকে গেছে । তবে , যে বোস ব্রাদাসের মিষ্টি খায়নি , সে এখনো মিষ্টির অনেক স্বাদ পাইনি ।
একমত, স্পঞ্জ প্রথম খাইছিলাম ভোলার দোকানের।

ত্রিশোনকু, পোস্টটি পড়তে পড়তে আপনার জুতো পায়েই হাঁটছিলাম। বর্ণনার প্রতিটি জায়গা আমার খুব চেনা। চট্টগ্রামের ছেলে আমি, দূরন্ত তারুণ্যের ১৩টা বছর সেখানেই কাটিয়েছি। সিরিজটা পড়ছি। সবচেয়ে অদ্ভুত ব্যাপার হচ্ছে আমি আগে থেকেই আপনার লেখার লাইনটা ধরে ফেলেছি। কোনো সমালোচনায় যাচ্ছি না। স্রেফ পড়ে যাচ্ছি। তৃতীয় পর্ব পড়লাম সবার আগে, সেখানে থেকে ফিরলাম এখানে
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৫০

লেখক বলেছেন: অনেও চাঁডিগাইয়া ন' জোয়ান! খুশি হলাম। কাছের হ'লেন।

বিশ্বাস নাহয়, আপনার আব্বাকে জিজ্ঞেস করুন, ১৯৬৭তে বোস ব্রাদার্সের মিষ্টির মান কেমন ছিল।

৪৯. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৫৮
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: সবচেয়ে অদ্ভুত ব্যাপার হচ্ছে আমি আগে থেকেই আপনার লেখার লাইনটা ধরে ফেলেছি এই কথাটায় ভুল বুঝবেন না আবার। আপনি এই লেখায় আমাকে আম ব্লগার হিসাবেই পাবেন
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৫১

লেখক বলেছেন: অসুবিধে নেই।পিঠেছালাবেঁঢেই নেমেছি,

৫০. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০৯
সুবিদ্ বলেছেন: দৌড়ের উপর আছি বলে দেরী হয়ে গেল পড়তে........

সূচনা হিসেবে দারুন হয়েছে......আশা করি সাথে থাকতে পারবো
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৫২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সুবিদ। সাথে থাকুন।

৫১. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:০৩
পারভেজ বলেছেন: প্রিয়তে নিলাম, অনেকগুলি কারণে;
তবে খাদ্য বিবরণ গুলিও একটা বড় কারণ :)
বিনি চাউল প্রবর্তণা থেকে মাঝে মাঝেই আনা হয়। তবে মিস করি রামগতির মহিশের দৈ। এখনো চিটাগাং এ গেলে সন্দিপের মহিশের দৈ মিস করি না। হালিশহরে এক ফেরিওয়ালা নিয়মিত নিয়ে আসে।
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:২২

লেখক বলেছেন: হালি শহরের এক ফেরীওয়ালা আমাকে প্রতি সপ্তাহে দিয়ে যেত '৮৬-৮৮তে।

রামগতির দই খাই ৮০/৮১/৮২ তে। সেবার দাগন ভুঁইয়া, মাতু ভুঁইয়া, সেন বাগ, রায়পুরা ও গিয়েছিলেম। সে কি স্বাদ। মুখের ভেতর মাখনের প্রলাপ আর ঘ্রান এখনো মুখে লেগে আছে। এক কালে গৌর নদীর দৈও খুব স্বাদু ছিল। এখন পঁচা।

মোহাম্মদপুরের প্রবর্তনার বিন্নি (লাল এবং সাদা) বেশীর ভাগ সময়ই অতি পুরোনো থাকে।

৫২. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৪২
একরামুল হক শামীম বলেছেন: দেরিতে পড়া শুরু করলাম।
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:২৮

লেখক বলেছেন: পড়লেই হবে। দেরিতে আর আর তাড়াতাড়িতে।

৫৩. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:১৪
পাপতাড়ুয়া বলেছেন: আগে কয়েকটা পর্ব মিস দিয়ে পড়েছি।এখন চেষ্টা করছি মনোযোগ সহ.......


আমি কি আপনার লেখা গুলো পিসি তে ওয়ার্ডে সেভ করতে পারি?

তাহলে নিজের পড়ার সুবিধা হত,সাথে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে পারতাম।
১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:১২

লেখক বলেছেন: অনুগ্রহ করে একটু ইমেইল করুন।

১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:১০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কাঠঠোক্‌রা।

৫৬. ১৫ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৯:৪৫
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: এই সিরিজটা পুরোটাই পড়েছি -- এখন প্রিয়তে নিলাম ।

অসংখ্য ধন্যবাদ আপনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করার জন্য ।
১৬ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:২৪

লেখক বলেছেন: Sorry my Bangla font isn't coming.

I'm grateful for your foot steps on my blog.

And of course, thank you for being so kind to my works.

Take care,

৫৭. ২১ শে এপ্রিল, ২০১০ ভোর ৫:১৯
স্বপ্নখামারী বলেছেন: সত্য জানার জন্য ঘাঁটতে ঘাঁটতে বহুত ঘাটের ঘোলাজল গিলে এখন বদহজমে ভুগছি... মিথ্যের খিচুড়িতে তবু কেউ সত্যের ফোড়ন দিক...

প্রিয়তে...

এবং আপনাকে ধন্যবাদ।
২১ শে এপ্রিল, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০১

লেখক বলেছেন: চেষ্টা করেছি, পেরেছি কিনা কে জানে?

৫৮. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:৫৬
র হাসান বলেছেন: ভালো পোষ্ট! প্লাস++++++

Bangladesh travel information
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ১০:৪৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৯ শে মার্চ, ২০১১ রাত ১১:৫৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৬০. ২৯ শে মার্চ, ২০১১ রাত ৯:৫৫
নাআমি বলেছেন: আমার যে একটা দায় আছে আমার পরের প্রজন্মগুলোর কাছে।

খুব ভাল লাগল এই কথাটা জেনে....... আসলে আমাদের সবারই দায়িত্ব, ইতিহাসের পাতাগুলি তুলে ধরতে আমাদের পরবর্তি প্রজন্মের কাছে.....

ধন্যবাদ আপনাকে......

পড়া শুরু করলাম......
৩০ শে মার্চ, ২০১১ রাত ১২:২৮

লেখক বলেছেন: নাআমি,

স্বাগতম আমার ব্লগে।

৬১. ০৩ রা এপ্রিল, ২০১১ বিকাল ৪:৫২
পথেরহাট. বলেছেন: আপনি আর আমি তো একি স্কুলের ছাত্র। কোব্বাত স্যারকে কিছুদিনের জন্য পেয়েছিলাম। এখন সরকারী হাই স্কুল অনেক পরিবর্তন হয়ে গিয়েছে। গেলেই মনটা খারাপ হয়ে যায়। সেই লাল টিনের ক্লাস রুমগুলো আর নেই। রাস্তার সাথে লাগানো মাঠেই গড়ে উঠেছে নতুন বিল্ডিং।
০৩ রা এপ্রিল, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:২৬

লেখক বলেছেন: আ্পনার কথা শুনে মন্টা খারাপ হয়ে গেল খুব, পরের বার চিটাগাং গেলে আলমা ম্যাটারটি দেখার ইচ্ছে ছিল।

দেখতে যাবো না, স্মৃতিতেই জ্বলজ্বল করুক।

৬২. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ৮:২৪
ইকরাম উল্যাহ বলেছেন: ১৯৬৯এর একদিন। ক্লাস করছি। হঠাৎ রাস্তার ওপারের চট্টগ্রাম কলেজ থেকে হৈচৈয়ের শব্দ। আমাদের জানা ছিল সদ্য কারা মুক্ত শেখ মুজিবুর রহমান তখন চিটাগাংএ এবং সেদিন এ পথ দিয়ে যাবেন।

হুম, আব্বার মুখে শুনেছিলাম। পীরবক্সহাট থেকে রেলে চেপে উনি ফেনী শহরে এসেছিলেন। শেখ মুজিবুর রহমান খুব সম্ভবত রাতটা ফেনীতে কাটিয়েছিলেন। কোহিনুর হোটেলে ছিলেন মনে হয়। বছর পাঁচেক আগে শুনেছিলাম। উনি খুব সম্ভবত আগরতলা মামলা থেকে মুক্তি পান।

আমার আপন খালা এবং তাঁর চার্টার্ড এ্যাকাউন্টেন্ট স্বামীকে (পেশা এবং মতাদর্শ হিসেবে আজকের রয়েল বেংগল টাইগারের মতই তখনকার দিনের অতি বিরল প্রজাতির) নেজামে ইসলামীর কাছ থেকে সরিয়ে আনতে সমর্থ হইনি।

আমার বাবার নানারা নেজামে ইসলামী সমর্থক ছিল। মিরসরাইয়ের মিঠানালার আমানুল্লাহ ভূঁইয়াবাড়ি। আমার পরিবারের অনেকেই এ সময়টায় সেখানে আশ্রয় নেন। তবে সম্পর্কচ্ছেদের মত ঘটনা ঘটেনি।





০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ৯:২২

লেখক বলেছেন: দশ মাস পর একটা মন্তব্য পড়তে মজা লাগছে খুব।

ভাল থেকো ইকরাম।

৬৩. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ৯:০৪
ইকরাম উল্যাহ বলেছেন: আমার বাবা ভোট দিতে পেরেছিলেন। হে হে

লেখক বলেছেনঃ যে স্বামী প্রতিদিন তার স্ত্রীকে প্রহার করে সেই স্ত্রীকে তার স্বামী সম্পর্কে খারাপ কিছু বলে দেখুন, তেড়ে আসবে।

আমরা পারিনি। তেড়েও আসিনি।

অফটপিকঃ খন্ডলের মিষ্টি খেয়েছেন কোন সময়? খাবারদাবার সংক্রান্ত আলোচনা চলছে তাই জিজ্ঞেস করলাম ।

এটাও এক ধরনের স্পঞ্জের মিষ্টি। পাওয়া যায় ফেনীর পরশুরামে।
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ রাত ৯:২৩

লেখক বলেছেন: না খাইনি।

কখন খাওয়াচ্ছ বল?

জ্বীবে জল এসে গেল যে!

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৩৩০ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
না প্রেমিক না বিপ্লবী
trishonku@hotmail.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই