আমার প্রিয় পোস্ট

C:\Documents and Settings\raad\My Documents\Lighting cig..jpg

ঊনসত্তুর থেকে পচাঁত্তুর-'৭১এ যাদের বয়স তিনের কম ছিল তাদের থেকে সামুর কনিষ্ঠতম ব্লগারটিকে উৎসর্গীকৃত-পর্ব ৩

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৫৮

শেয়ারঃ
0 3 0

অবতরনিকা: বংগবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নির্বংশকারীদের (আমি নির্বংশই বলবো কারন প্রচলিত ধারায় বংশগতি পুরুষ উত্তরাধিকারীর ওপরেই বর্তায়) শাস্তি প্রদানের পর থেকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটার পর একটা পোষ্ট আসছে। যার প্রায় সবগুলোই (গুটি কয়েক ব্যতিক্রম ছাড়া) পক্ষপাত দুষ্ট। অনেক ভাবনা চিন্তা করে আমার নিজস্ব ক্ষতির কথা ভুলে/ এড়িয়ে আমি আমার একান্ত ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতা তুলে ধরছি, শিরোনামে উৎসর্গীকৃত ব্লগারদের জন্যে। ৩ বছরটা উল্লেখ করার কারন হ'ল যে মানুষের কোন স্মৃতি ৩ বছর বয়সের আগে থাকেনা, সাধারনত। এ পোস্টে আমার ব্যাক্তিগত ক্ষতি গুলোঃ ১। এটা প্রকাশিত হবার পর আমার পরিচয় গোপন থাকবেনা, যা আমি এতদিন সযতনে রক্ষা করেছি। ২। ব্যাক্তিগত ঘটনা বয়ান পাঠকদের কাছে মাঝে মধ্যে আত্মপ্রচার ও পারিবারিক প্রচারের মত লাগবে যা আসলেই অশোভন, অরুচিকর এবং বিরক্তিকর। এগুলোও আমি লুকিয়ে রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করে এসেছি আজীবন। ৩। কোন পক্ষাবলম্বন না করে লেখাটা অত্যন্ত দুঃসাধ্য। আমার জন্যে আরো কঠিন। কারন যৌবন যখন সদ্য দেহ-মনে ভর করে আমার সমগ্র সত্তাকে ভীষনভাবে নাড়িয়ে দিচ্ছে, যা কিছুই সুন্দর তারই প্রেমে পড়ছি, ঠিক সে সময়ই বংগবন্ধুর সাথে আমার পরিচয়। নিরপেক্ষভাবে তাঁর ব্যাপারে লিখতে আমার খুবই কষ্ট হবে এবং আমাকে অসাধ্য সাধন করতে হব. ৪। শুধুমাত্র স্মৃতি নির্ভর লেখার মূল সমস্যাটা হ'ল ভুল স্মৃতি মনের মধ্যে থাকা। যে কেউ যদি নিজের অভিজ্ঞতা থেকে আমার কোন বক্তব্যে দ্বিমত প্রকাশ করেন, তা'লে তাকে আমি অনুরোধ করবো মন্তব্যে তা তুলে ধরতে। আমার স্মৃতি ঘাটতে সাহায্য করার নেই কেউ আমার হাতের কাছে। আমি আপ্রাণ চেষ্টা করবো-আমার যে একটা দায় আছে আমার পরের প্রজন্মগুলোর কাছে। আমার এই দায় শোধ যদি এই প্রজন্মকে আমাদের গৌরবময় আর কলংকলেপিত অতীতকে নিরপেক্ষ ভাবে দেখতে শেখার পথে একপাও এগিয়ে নিয়ে যায়, তা'লেই আমি মনে করবো সেটা আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ অর্জন।

অনুগ্রহ করে মনে রাখবেন এটা আমার একান্তই ব্যাক্তিগত সৃতিচারন। পারিবারিক ঘটনাবলীর চর্বণ। সমগ্র দেশের ব্যাপারটা কখনোই প্রধান্য বিস্তার করবেনা, সে সাধ্য বা যোগ্যতা আমার নেই।

পুরোটা পড়ার পর অনেকের কাছেই এটাকে "পর্বতের মূষিক প্রসব" বলে মনে হ'তে পারে। তাদের কাছে আমি ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।

>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>

পর্ব-১
পর্ব-২

আগের স্মৃতি পরে আসায়ঃ
রোমান হরফে বাংলা লিখন

মাতৃ ভাষা আছে অনেক জাতির, উপজাতির, আদিবাসীদের এবং বিভিন্ন জনগোষ্ঠির। কিন্তু লিপি আছে কটি ভাষার? আমাদের বাংলার আছে একটি অতি উন্নত লিপি (script)। পাকিরা এই লিপিকেও ধংস করতে চেয়েছিল। বিভিন্ন অন্চলের বিভিন্ন লিপির জায়গায় একটি সর্বগ্রাহ্য লিপি চালু করার অজুহাতে রোমান লিপির প্রচলন করার চেষ্টা চালানো হয়েছিল। পাকিস্তান অবজারভারে রোমান লিপিতে লেখা বাংলায় নিবন্ধ উঠতো। আমি তখন স্কুলের নীচু ক্লাসে পড়ি। আমার খুব মজা লাগতো তা পড়তে। একদিন বাবা দেখে ফেলেন যে আমি ওটা পড়ছি এবং অল্প অল্প হাসছি। অকারনেই উনি রেগে গিয়ে আমাকে গলা চড়িয়ে বল্লেন আর যদি কোন দিন দেখি এগুলো পড়তে তা হ'লে "দাঁতের হালি ফালাইয়া দিমু" । বিনা কারনে বকা খাওয়ায় আমি খুব মন খারাপ করে ছিলাম বেশ ক'দিন। পরে বাবা আমার মন মরা ভাব দেখে তার কারন বের করলেন এবং বুঝিয়ে বল্লেন যে কেন বকা দিয়েছিলেন।

ঘটনার কয়েক দশক পর বিষয়টার সম্মুখিন হই আবার। এম এস এন চ্যাট শুরু হয়েছে মাত্র। একদিন দেখলাম আমার ছোট পুত্র চ্যাট করছে-রোমান হরফে। "স্থান কাল পাত্র"এর মধ্যেরটা ভুলে প্রচন্ড ধমক দিলাম। পরে অবশ্য কাফফারা দিতে হয়েছিল। এখন তো মোবাইলে বাংলা লেখার ওটাই একমাত্র উপায় (নকিয়ার কয়েকটি মডেল ছাড়া)

হায়রে- বিরাট চক্রান্ত করে, লোকবল অর্থবল ব্যয় করে যা পাকিরা সম্ভব করতে পারেনি, তা একটি প্রযুক্তিগত উৎকর্ষে আপনাতেই হয়েছে। গতকাল পেয়েছি আরেকটি চমক, হাতে লেখা আমাকে পাঠানো এই চিঠিটা:

Dear Mohan Mohapurush,

Ami apnake onurodh korchi je ajke lokkhi sonamoni xxxx ke ekti shuayojito program dekhte diben. Ei programti bochore ekbar ashe.

To apni ta-ke 7:30 theke shesh porjonto "Star Screen Award" dekhte dien, please.

- P. C.

লিখেছে আমার কন্যার প্রিয়তম বন্ধুটি। কন্যাটি বাবার আর কিছুই না পেলেও বাঁদরামীর স্বভাবটি পেয়েছে পুরো মাত্রায় । বাঁদরামীর জন্যে তার বাবাকে তিনজন শিক্ষিকার কাছে উপদেশ শুনতে হয়েছে যা বাবার অত্যন্ত অপছন্দ। কন্যাকে বাবা গত পরশু সাতদিনের জন্যে গ্রাউন্ডেড করেছেন। টিভি দেখা কন্যার বন্ধ।

আমার আশংকা। ইন্টারনেটে আর মোবাইলে রোমান লিপিতে বাংলা লিখতে লিখতে কি আমাদের বংশধরেরা কি বাংলা লিপি হারিয়ে ফেলবে চিরদিনের জন্যে?

আমার সোনার বাংলা/আমি তোমায় ভালবাসি

২৩শে মার্চ, ১৯৭১। পাকিস্তানের প্রজাতন্ত্র দিবস ছিল বোধহয়। সে দিন ৩২ নম্বরে চার খলিফা (আমরা তাদের ডাকতাম) মিলে বংগবন্ধুর বাসায় বাংলাদেশের পতাকা ওড়ায়। আমি আমার সদ্য প্রয়াত ফুপাতো বোনকে (আমার ছোট) নিয়ে সকাল বেলায় আগ্রাবাদের রেডিও স্টেশনে গেলাম। আগেই ও পাশ করেছিল অডিশনে। ছোটদের অনুষ্ঠানে গান গাইবে ও, যা সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। দু'দিন আগে থেকেই ভীষন উত্তেজিত কোন গানটা গাইবে। পথে আমাকে দু' তিনবার অনুরোধ করলো যে কোন একটা গান ওকে মনে করিয়ে দিতে। রবীন্দ্র সংগীত গাওয়াটা ছিল পাকিদেরকে বিদ্রুপ করার একটি অস্ত্র। আমি প্রস্তাব করলাম '"আজি বাংলাদেশের হৃদয় হতে"। ও রাজী হয়ে গেল। সম্প্রচার/রেকর্ডিং কক্ষে মাউথ পিসের সামনে দাঁড়িয়ে একবার আমার দিকে তাকালো। গাওয়া শুরু করলো:"আমার সোনার বাংলা/আমি তোমায় ভালবাসি"! আমাদের মধ্যে ও ছিল সবচে' ভদ্র। গান গাওয়া শেষে বেরিয়ে এসে থেকে বাসায় পৌঁছানো পর্যন্ত আমাকে বারবার বলেছে "সরি, তোমার গানটা গাইনি। মাউথ পিসটা সামনে নিয়ে গাওয়ার সময় বিশ্বাস কর, আমার সোনার বাংলা মুখে এসে গেল।"

আমার ফুপা ফুপু এবং তাদের আত্মীয়স্বজনেরা শত চেষ্টাও সে সম্প্রচার শুনতে পাননি নরসিন্দী থেকে।

স্বাধীন চিটাগাং

২৫ শে মার্চ রাতে ভাল ঘুম হয় নি। কয়েক মাস ধরেই পাড়ার কুকুর গুলো কাঁদতো। মা শিউরে উঠতেন। আমার নানীর কাছে শোনা তার, দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের সময় একটা দুর্ভিক্ষ হয়েছিল। গ্রামকে গ্রাম উজাড় হয়ে গিয়েছিল না খেতে পেয়ে। সেই দুর্ভিক্ষ আসার আগে নাকি কুকুর এভাবে কাঁদতো। মা একথা বল্লেই বাবা দেখতাম থমথমে মুখ করে থাকতেন। কুকুরের কান্না খুব বেড়ে গেলেই তিনি রেডিওগ্রামের আওয়াজ বাড়িয়ে দিতেন যাতে কান্না না শোনা যায়। অনেক পরে বাবা বলেছিলেন যে তিনি যখন স্কুলের নীঁচু ক্লাসে পড়তেন তখন তিনিও শুনতেন সেই কুকুরের কান্না। মন্বন্তর তার কিছুদিন পরেই তার কালো থাবা বিস্তার করে। তা ছিল ওলাওঠা বা গুটি বসন্তের চেয়েও ভয়াবহ ও সর্বগ্রাসী। সর্বোপরি তা ছিল মানবতার চরম অবমাননা। মানুষগুলো এক আঁজলা ফ্যানের (ভাতের মাড়) জন্যে রাস্তার সারমেয়র মত কামড়া কামড়ি করতো। বাবাদের আখাউড়া আর আগরতলায় কিছু দোকান পাট ছিল। যুদ্ধের সময় সে দোকান গুলোর ভাড়া ১০/১২ গুন বৃদ্ধি পাওয়ায় পারিবারিক ভাবে সে মন্বন্তরের আঁচ থেকে তারা বেঁচে গিয়েছিলেন।

তো তাজ্জবের ব্যাপার হ'ল সে রাতে (২৫শে মার্চ, ১৯৭১) কোন কুকুরের কান্না শোনা যায়নি। চারিদিকে শুনশান। বোধ হয় কান্নার সুরে এতই অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছিলাম যে, ওটাই হয়ে উঠেছিল ঘুমপাড়ানি গান।

খুব ভোরে উঠে পড়লাম। আমাদের বাড়িটা ছিল ডুপ্লেক্স (পোষ্টাল এড্রেস: ২২৭ সিডিএ রেসিডেন্সিয়াল এরিয়া, আগ্রাবাদ, চিটাগং। তখন সড়ক নম্বর ছিলনা)। দোতলায় সব ক'টা শোবার ঘর আর নীচ তলায় বসার ঘর, খাবার ঘর, রান্না ঘর আর অতিথি ঘর। মুখ হাত ধুয়ে সিঁড়ি দিয়ে নামছি - সুলতান চাচার ভরাট গলা, একটু উত্তেজিত "চুদানীজঝিরে............" । বসার ঘর দিয়ে চাচার গলা অনুসরন করে লনে বেরিয়ে এলাম। বাবা আর সুলতান চাচা একটা কাগজ দেখছেন। কাগজটার রং হলদেটে। অনেকদিন রেখে দিলে কাগজের যে রং হয়। সুলতান চাচা ছিলেন নিরক্ষর। কাগজটা পেয়েই বাবার কাছে ছুটে এসেছেন, কি লেখা জানতে, যদিও ঘটনা তিনি জেনেই এসেছেন। বাবার হাতের কাগজটির ওপর আমি ঝুঁকে পরলাম। ইংরেজীতে লেখা দু'টি প্যারাগ্রাফ। আজ কিছুই মনে নেই কি লেখা ছিল সে কাগজে তবে একটি বাক্যাংশ স্মৃতিতে এখনো জ্বলজ্বল করে: "Bengalees are fighting the enemy with great courage for an independent Bangladesh". কাগজটার প্রথম বাক্যের বাংলা ছিল সম্ভবত: "আজ বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র"। আমার গায়ের লোম সব খাড়া হয়ে গেল। মাথা বোঁ বোঁ করে ঘুতে লাগলো-সেই করে বাবা মা শিখিয়েছিলেন বাংগালী জাতীয়তাবাদের কথা, আমাদের শোষনের কথা, বন্চনার কথা, অক্ষরজ্ঞান দানের আগে। মনে পড়ে গেল বুয়েটে থাকা কালীন কাক ঢাকা ভোরে বাবার ঘুম থেকে জাগিয়ে দেবার কথা, শীত শীত ভোরে খালি পায়ে শহীদ মিনারে বাবা-মার মাঝখানে থেকে ফুল দেয়া, আপোষ না সংগ্রাম-সংগ্রাম সংগ্রাম, জয় বাংলা বাংলার জয়...............মনে পড়ে গেল অবাংগালীদের করুনার দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকানো- মনে পড়ে গেল আমাদের ফৌজদারহাটের ড্রিল স্টাফের হুংকার: " বাংলা বোলনে সে সাস নিকাল দেগা" ,... অন্তর গেয়ে উঠলো মাত্র পাঁচ দিন আগে স্বজন, সখা, সুহৃদের গাওয়া গানটি' "আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালবাসি"। আপনাদের কারো মনে আছে কি প্রথম বড় হয়ে ওঠার প্রমানের সময়কার অনুভূতিটি? আমি তখনো বড় হয়ে উঠিনি কিন্তু সেই অসহ্য সুখ, অপ্রাকৃত ভাললাগা, স্বর্গীয় আনন্দ আমি বড় হয়ে ওঠার আগেই পেয়েছিলাম।

আমার শোনা ভাষাগুলোর মধ্যে পান্জাবীর পরই মনে চাঁটগাইয়্যা ভাষা সবচেয়ে সমৃদ্ধ- মনের ঝাল মেটানোর জন্য। "ওৎতুর মা........" বলতে পারার সংগে সংগে রাগ অর্ধেকটা নেমে যায়। সুলতান চাচার অবিশ্রান্ত গালিগালাজ আমাকে বাস্তবে ফিরিয়ে আনে। সেটা ছিল বার্তাটির বংগানুবাদ শোনার পর তাঁর তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়া। আমার সেটা মুখস্ত আছে কিন্তু এখানে প্রকাশ করলে রাগীমন, দূঃখিত, রাগ ইমন আমাকে খেয়ে ফেলবেন।

চাচার সাথে একাধিকবার জহুর আহমদ চৌধুরী (স্বাধীন বাংলাদেশে পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রক তাঁর অধীনে ছিল। সেটা ছিল একটা বাস্তব কৌতুক। তাঁর বাড়ি ভর্তি ছিল অসংখ্য আত্মজ, আত্মজা দিয়ে), এম আর সিদ্দিকী (আংগুলে গোনা বাংগালী শিল্পপতিদের একজন, বিশিষ্ট শিল্পপতি এ কে খানের মেয়ের জামাই, রেনেঁস ব্যান্ডের বোগীর বাবা) ও হান্নান-মান্নানের কথা হয়েছে। এম আর সিদিকী তাঁকে যেতে অনুরোধ করেছেন। হলদেটে কাগজটা নিয়ে তিনি চলে গেলেন। ঐ কাগজটাই ছিল ইপিআরের মাধ্যমে পাঠানো বংগবন্ধুর ওঅরলেস মেসেজ। তখন বলতাম-টেলিগ্রাম।

সেদিন ছিল শুক্রবার (সম্ভবত:)। আমার বাবা ছিলেন খাঁটি ওঅর্কোহোলিক (কাজ পাগলা)। পাঁচলাইশ আবাসিক এলাকাতে (১৯৬৭-৬৮) থাকার সময় রোববার ছাড়া (অতি অল্প সময়ের জন্যে) তাঁকে কোনদিন দেখিনি। আমরা ঘুম থেকে ওঠার আগে চলে যেতেন সাইটে, ঘুমিয়ে পড়বার পর আসতেন বাসায়। আব্বার বন্ধুরা মজা করে বলতো র....কে বাচ্চারা কত বড় হয়েছে জানতে চাইলে হাত দুটি দুদিকে প্রসারিত করে সাইজ দেখায়, কেন জিজ্ঞেস করলে বলে আমি তো ওদের শোয়া অবস্থায় দেখি, কত লম্বা হয়েছে তা কিভাবে বলবো? কে কোন ক্লাসে পড়ে জীবনেও তাকে সঠিক ভাবে বলতে পারতে দেখিনি। তো সেদিন জীবনের প্রথম বাবাকে অফিস কামাই করতে দেখলাম।

আমি বাসা থেকে বেরিয়ে এলাম। এমনিতেই তখন সব মিলিয়ে এগারোটি দালান। তার মধ্যে বেশীরভাগই ওয়ান ইউনিট। বাজে তখন বড় জোর সাতটা। পুরো রাস্তায় কারো সাথে দেখা হ'ল না। বাসায় এসে মুরগীগুলোকে খাবার দিলাম ( আমাদের ২১টি মুরগী ছিল, পাহাড়তলী ফার্ম থেকে আনা। রোড আইল্যান্ড রেড, হোয়াইট লেগ হর্ণ আর নিউ হ্যাম্পশায়ার ব্রিডের। প্রত্যেকটি মুরগীর নাম ছিল, আব্বার রাখা, এ্যালফাবেটিক্যাল অর্ডারে)। একটা স্নাইপ (কাদা খোঁচা, ডানা ভাংগা) ছিল তার জন্যে বাজার থেকে মাছ কিনে এনে খেতে দিলাম ।

সকাল দশটার মধ্যেই বাসা ভরে গেল পাড়ার বড়দের দিয়ে। শুধু অবাংগালীদের কাউকে দেখলাম না। দুপুরের মধ্যে ঢাকার গণহত্যার খবরের বিষদ বিবরন পৌঁছে গেল। আমার চোখের সামনে বিহারীদের ওপর রাগ সমস্ত অবাংগালীদেরকেও গ্রাস করলো।

আমাদের গৌরবগুলো

দুপরের পরই খবর আসতে শুরু করলো প্রতিরোধের। মেজর রফিক(লক্ষ প্রানের বিনিময়ে, Tale of a Million) ইপিআরকে আর মেজর জিয়া ৮ম ইষ্ট বেংগলকে নেতৃত্ব দিয়ে প্রতিরোধ যুদ্ধ চালানো শুরু করলেন। সুলতান চাচা জানালেন যে ইপিআরের খাবার নেই। পাড়ার সব মেয়েরা, (৭ বছর থকে ৭০ বছরের) লেগে গেল রুটি আর ভাজী বানাতে। লতিফ চাচার বাড়ি ছিল খাবার বানানোর আখড়া। পিচ্চি ছেলেরা দুটো করে রুটির মধ্যে ভাজি ভরে রোল করে ঝাকায় সাজিয়ে রাখতে থাকলো, সাথে থাকতো একটুকরা শশা আর আধটা ডিম। অপেক্ষাকৃত বড় ভাইয়েরা সেগুলো যুদ্ধের জায়গায় নিয়ে যেতে লাগলো ওয়াপদার পিক আপে করে ডাঃ আনোয়ার আলীর নেত্বতে। আমাদের এলাকা থেকে কালুর ঘাটেও মেজর জিয়ার ৮ম বেংগলকে খাবার সরবরাহ করা হয়েছে। বিকেলের দিকে আসলো ইপিআরের হতাহতের খবর। তক্ষুনি ডাঃ আনোয়ার আলী (বার্মায় নিযুক্ত পাকিস্তানের এক কালীন রাষ্ট্রদূত সৈয়দ আকবর আলীর বড় ছেলে ) আর তাঁর স্ত্রী ডাঃ মন্জুলা আনোয়ার(সরকার) নিজেদের বাসার লেনের পরের লেনে একটা খালি বাসায় হাসপাতাল খুলে ফেল্লেন। ডাঃ আনোয়ারের বেংগল বে ক্লিনিক নামে একটা অষুধের দোকান ছিল আগ্রাবাদ পেরিয়ে বন্দরে যাবার পথে হাতের বাঁয়ে। সেই দোকান খালি করে সব অষুধপত্র তিনি বাসায় নিয়ে আসলেন। ব্যাংকের সব টাকা তুললেন দুজনের, কি দিয়ে পরদিন খাবার কিনবেন তার তোয়াক্কা না করে। সেই টাকায় অতিরিক্ত অষুধ, ইনজেকশন, ফার্স্ট এইড (যা যা তাঁর দোকানে ছিলনা) কিনে তার ছোট্ট হাসপাতালটা সাজালেন। আহত ইপিআর সৈনিকরা খুব শীগগিরই আসা শুরু করলো। তারা দুজন, তার চার মেয়ে ও দু'ছেলে (বড় দুজন ছাড়া বাকি সবাই ছোট) ও পাড়ার আরো ক'জন (তাদের মনে করতে পারছিনা) মিলে রাত দিন সেবা করেছে আহতদের ৪ঠা এপ্রিল পর্যন্ত। পাকিরা শহরে প্রবেশ করার পর দাঃ আনোয়র আলীকে পাকিরা ধরে নিয়ে বিমান বন্দরে আটকিয়ে রাখে। পরে তাঁর ছোট ভাই সৈয়দ কায়সার আলী ফোন করেন তাঁর পাকিস্তানী ফুপা পাকিস্তান টাইমসএর সম্পাদককে ফোনে ঘটনাটি জানা। তার হস্তক্ষেপে ডাঃ আনোয়ার আলী ছাড়া পান। ক'দিন পরি আবার পাকি আর্মি ওঁর বাসায় তল্লাসী চালায়। বেগতিক দেখে ডঃ আনোয়ার ঢাকায় চলে যান আর তার পরিবারের বাকি সবাই চলে যায় ফিরিংগী বাজার।

৩১শে মার্চ আটা সরবরাহে টান পরে। আমরা কজন (৭ থেকে ১২ বছরের) মিলে সাঁকো পেরিয়ে সিএসডি গো ডাউনে চলে যাই। সেখানকার দারোয়ানকে পাঁচ টাকা বকশিস দিয়ে এক ঠেলা গাড়ি ভর্তি গম নিয়ে আসি। ঠেলাওয়ালা কোন পয়সা নেয়নি।ওগুলো বাজারে বিনে পয়সায় ভাংগিয়ে, ৩রা এপ্রিল পর্যন্ত (খুব সম্ভবত, ঠিক মনে করতে পারছিনা তারিখটা) ই পি আর কে খাবার দেয়া অব্যাহত থাকে।

এদিকে অবাংগালীদের সম্পর্কে নান ধরনের গুজব আসতে থাকে। সবই অত্যন্ত ভয়াবহ। ২৬/২৭ তারিখ রাতে সুলতান চাচা আমাদের বাসায় আরেকটি মিটিং বসান- পাড়ার অবাংগালীদের নিরাপত্তার ব্যাপারে। সেখানে পাড়ার অবাংগালী তিনটি পরিবারের কর্তাও ছিল। সিদ্ধান্ত নেয়া হয় যে ১৬ বছরের উপরের ব্য়সের সবাইকে নিয়ে একটা দল করা হবে যারা সিডিএর বাইরের কোন সন্দেহ ভাজন কাউকেই ঢুকতে দেবেন না। আমাদের ঠিক উল্টো দিকে থাকা বাসার পান্জাবী পরিবারের কর্তা (তারার হাসি, অনুগ্রহ করে সাহায্য করুন ওঁর ছেলে মেয়েদের নাম ছিল হারুন, তাহের, আনোয়ার, বেবী) বল্লেনঃ সশস্ত্র লোকজন আসলে তাদেরকে প্রতিহত করা হবে কি ভাবে? এর উত্তর কারো জানা ছিল না। কিছুক্ষন চুপ থেকে সুলতান চাচা বল্লেন "আঁরার বাড়িৎ তাইলে গ্যান অয় (আমাদের বাড়িতে থাকলে কেমন হয়)? বেবীর আব্বা বল্লেন যেহেতু সুলতান চাচা সিডিএর বাইরে থাকেন তাই সেখানে থাকার সাহস তাঁর নেই। চাচা তখন বল্লেন সিডিএর ভেতর কোন বাংগালীর বাড়িতে থাকতে উনি রাজী কিনা?

উনি বাকি দুই পরিবার প্রধানদের সাথে নিভৃতে আলাপ করে জানালেন যে তাঁরা রাজী আছেন। চাচা এবার বাংগালীদের বল্লেন কারা কারা রাজী আছেন? বাবাকে এগিয়ে আসতে দেখে আমি প্রচন্ড খুশী হ'লাম। কি মজা হবে! এ্যাত্তোজন পিচ্চি একসাথে থাকবো! সে রাত থেকে পাকিরা না আসা পর্যন্ত (খুব সম্ভবতঃ) অতিথি কক্ষে বড় প্রাপ্ত বয়স্ক ছেলেরা, আমার বোনদের কক্ষে বড় মেয়েরা আর পিচ্চি ছেলে-মেয়েরা আমাদের (ভাইদের) ঘরে থাকতে লাগলো, ফ্লোরে বিছানা পেতে, দেয়াল থেকে দেয়ালে। প্রথম রাতে হারুন (পান্জাবী, আমার সমবয়সী) ও গুড্ডু (মুলতানী, আমার ছোট) ভয়ে ঘুমুতে পারছিলনা। মধ্য রাত নির্ঘুম পার করার পর আমি ওদেরকে সরাসরি বল্লাম: দেখ, তোমাদেরকে মেরে ফেলাই যদি আমাদের উদ্দেশ্য হ'ত তা'লে তোমাদেরকে বাসায় এনে আশ্রয় দিতাম না। কাজটা তোমাদের বাসা গুলোতেই সারতে পারতাম। আমার কথায় বোধ হয় নির্ভর করার মত কিছু ছিল। ওরা একটু পরই ঘুমিয়ে পড়লো।


বেতারে স্বাধীনতার ঘোষনা (যাদের ইচ্ছে "ঘোষনার" জায়গায় "পাঠ" পড়ার জন্যে সবিনয়ে অনুরোধ করছি)

আশিকুল ভাই (ওয়াপদার ইনজিনিয়ার, ২৬ শে মার্চই তাকে শেষ দেখি) এর সাথে আমার দেখা হয়েছিল আমার স্নাইপটাকে খাবার দেবার পর পরই। উনি যাচ্ছিলেন কালুর ঘাট। ওঁর সাথে ডাঃ আনোয়ার আর ডাঃ মন্জুলা আনোয়ার(সরকারক) আর রেখা আপা (কাজী হোসনে আরা, রেডিও পাকিস্তান চট্টগ্রামের ঘোষিকা)কেও দেখেছি। এব্যাপারে আমি পরে আলাদাভাবে লিখছি।

২৬ তারিখ দুপুর থেকেই রেডিও পাকিস্তান চট্টগ্রাম খুলে রাখা হয়েছিল বাসার রেডিওগ্রামে ফুল ভল্যুমে। সারাদিন কিছু শুনেছি বলে মনে পড়ছেনা। সন্ধ্যার পর শুনতে পাই "স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী বেতার কেন্দ্র...."। কিছুক্ষন পর একটা ভারী গমগমে গলা সকালে দেখা আমার ইংরেজী টেলিগ্রামটির বাংলা অনুবাদ পড়ে শোনায়। কে পড়েছিল মনে নেই। পরদিন সন্ধ্যা পর্যন্ত কখনো মিহি সুরে, কখনো কাঁপা কাঁপা গলায় আবার কখনো বা "ভাইয়েরা আমার স্টাইলে" স্বাধীনতা ঘোষনার বাংলা অনুবাদ শুনে যেতে থাকি। ২৭ তারিখ সন্ধ্যার পর প্রথম শুনি " I, Major Ziaur Rahman, on behalf of Bangabondhu Sheikh Mujibur Rahman..............." সবাই সেটা শুনেছেন, আগে আর পরে। আমার কাছে, ২৪ ঘন্টার মধ্যে শোনা ৮/১০টি স্বাধীনতা ঘোষনার মধ্যে সেটাই সবচে' ইমপ্রেসিভ লেগেছিল। মেজর জিয়াউর রহমানের ঘোষনা শেষ হবার কিছুক্ষন পর এশার আজান শুনেছিলাম বলে স্পষ্ট মনে পড়ে।

অস্ত্র নিয়ে সমবেত হবার আহবান

২৭শে মার্চ (তারিখ একদিন এদিক ওদিক হতে পারে) রেডিওতে সবাইকে আহবান জানানো হয় যার কাছে যে অস্ত্র আছে তাই নিয়ে লাল দিঘি/নেয়াজ স্টেডিয়ামে হাজির হ'তে। কিছুক্ষন পর সে আহবান বাতিল করা হয়।

-চলবে।

পাদটিকাঃ আগামী কালের কলেবর খুব ছোট্ট হতে পারে

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ১৯৬৯১৯৭১স্বাধীনতা যুদ্ধই পি আরমেজর জিয়ামেজর রফিকসুলতান চাচাদাঃ আনোয়ার আলী ;
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই মে, ২০১০ বিকাল ৪:৪৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:২৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:১১
লোডশেডিং বলেছেন: বুঝলাম আপনি মীরজাফরের ডাকই ৭১ এ শুনেছিলেন।
০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:২৪

লেখক বলেছেন: " বাংলা বোলনে সে সাস নিকাল দেগা"

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:২৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:২৫
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: পড়েছি।
জিয়াউর রহমানের ২৭শে মার্চের ঘোষনা নিয়ে খালি কামড়াকামড়ি হতে দেখি!
:(
০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৩৪

লেখক বলেছেন: এইবারের মত মাফ কইরা দ্যান। খুব ইচ্ছা করতেছিল ইন্টারনেট ঘাইট্যা হুবাহু তুইল্যা দেই। কষ্টে লুব সামলাইছি। কিন্তুক তাও পাবলিকে চেইত্যা গেছে। বাই, আমি যা নিজের চোক্ষে দেখছি, নিজের কানে কানে হুনছি তা কইবার পারমুনা ক্যা? যেইখানে টেলিগেরামটা দেখছি হেইখানের সাকিনডাও তো দিয়া দিছি।

৫. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:২৬
ধীবর বলেছেন: খুব চমৎকার স্মৃতিচারণ। চালিইয়ে যান ত্রিশোংকু ভাই।
০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:২৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ধীবর। যা আশংকা করেছিলাম- লোকজন ক্ষেপে যাচ্ছে।

৬. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৩১
খোশনবীশ বলেছেন: একটি জায়গায় আপনি সত্যবলার সাহস দেখিয়েছেন। আপনাকে অভিনন্দন। আপনাকে আগে নবীন মনেকরতাম। তবে নবীনরা আপনাদের ক্ষমা করবে না। কারণ ইচ্ছায় কিংবা অনিচ্ছায় আপনারাই ইতিহাসটাকে নষ্ট হতে দিয়েছেন। পর্ব চলুক। আপনার নাম জানার আগ্রহ জন্মেছে।
০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৪৮

লেখক বলেছেন:
অভিনন্দনের জন্যে আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

"একটি জায়গায় আপনি সত্যবলার সাহস দেখিয়েছেন।"

-দেখুন। সত্য মিথ্যার কোন প্রশ্ন নেই। উনচল্লিশ বছর আগের স্মৃতিগুলো লেখায় রূপান্তরিত করছি শুধু।

"কারণ ইচ্ছায় কিংবা অনিচ্ছায় আপনারাই ইতিহাসটাকে নষ্ট হতে দিয়েছেন।"

-একমত। আমাদের জেনারেশনটাই বিয়োগান্ত নাটকের একেকটি চরিত্র।

৭. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৫৩
তুষারকনা বলেছেন: দারুন লাগতেছে...."পাড়ার সব মেয়েরা, (৭ বছর থকে ৭০ বছরের) লেগে গেল রুটি আর ভাজী বানাতে।"
সেই সময় যদি জন্ম নিতে পারতাম!!!!
০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:১১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ তুষার কন্যা। আরো চিন্তা করুন সমবয়সী ১৯ জন নিয়ে বাড়িতে যদি প্রায় ৩৫জনের মত মানুষ থাকতো তাহ'লে কি মজা হত!

৮. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৫৫
পারভেজ আলম বলেছেন: লেখক বলেছেন: বংগবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নির্বংশকারীদের (আমি নির্বংশই বলবো কারন প্রচলিত ধারায় বংশগতি পুরুষ উত্তরাধিকারীর ওপরেই বর্তায়)

লেখার শুরুতেই এই ধরণের সামন্তবাদী দৃষ্টিভঙ্গী প্রকাশ করায় মাইনাস।
০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:১৫

লেখক বলেছেন: এইরে ধরা পরে গ্যাছি।

যতই নিজেকে প্রগতিবাদী জাহির করিনা কেন, মেইল শোভ্যেনিজম যে রয়েই গেছে তা লুকাবো কিভাবে?

ধন্যবাদ ভাই আপনার মন্তব্যের জন্যে।

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:১৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১০. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:০৯
নতুন রাজা বলেছেন: চলুক... সত্যি ইতিহাস জানতে চাই। কারো চোখ রাঙানীতে থামবেন না। ঠিক যতটুকু সত্যি, ততটুকুই শুনতে চাই। এ আপনার দায় শোধ...
০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:২৭

লেখক বলেছেন: ইতিহাস নয়। স্মৃতি হাতরে লিপিতে রূপান্তরের চেষ্টা। সবচে' বড় বাধা আমার কিবোর্ডে গতি-সন্চালন। বিশ্বাস করবেন কি এ পোষ্টটি দিতে আমার লাগাতার ৮ ঘন্টা লেগেছে? আর গতকানের আরো দুই?

ঠিক যতটুকু সত্যি, ততটুকুই শুনতে চাই। এ আপনার দায় শোধ..

-এ বড় কঠিন কাজ। শুরু করতেই লেগে গেল আটত্রিশটি বছর।

১১. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:১১
কায়েস মাহমুদ বলেছেন:
পড়তেছি,

মনে হইতেছে ঘটনাটা আমার আশেপাশেই এখন ঘটতেছে, আপনি তার জীবন্ত বর্ননা দিয়ে চলেছেন।


ধন্যবাদ, চলুক।
০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:২৯

লেখক বলেছেন: "মনে হইতেছে ঘটনাটা আমার আশেপাশেই এখন ঘটতেছে, আপনি তার জীবন্ত বর্ননা দিয়ে চলেছেন।"

-আজকের দীর্ঘক্ষনের কষ্টটাই এক বাক্যে ভুলিয়ে দিলেন।

অনেক ধন্যবাদ।

১২. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:১৮
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: অসাধারন লিখছেন। পরের পর্বের অপেক্ষায়।

একটা ছোট্ট প্রশ্ন। আপনি লিখেছেনঃ

আওয়ামী লীগের হান্নান -মন্নান ২৭শে মার্চ (তারিখ একদিন এদিক ওদিক হতে পারে) রেডিওতে সবাইকে আহবান করেন যে যার কাছে যে অস্ত্র আছে তাই নিয়ে নেয়াজ স্টেডিয়ামে হাজির হ'তে। কিছুক্ষন পর সে আহবান বাতিল করা হয়।


এটার কথা আগে শুনিনি, অনেক বইতে ভিন্ন একটা ঘটনা আছে - মেজর ভুইয়া বেতার ঘোষনা দিয়ে সবাইকে লাল দিঘীর ময়দানে এক হতে বলেছিলেন। সেটা পরে বাতিল করা হয়। আপনার উল্লেখিত ঘটনা আর এটা কি একই নাকি ভিন্ন ছিল?
০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৩৩

লেখক বলেছেন: লাল দিঘি হতে পারে, তবে মেজর ভুইয়ার নাম আমি শুনিনি তখন।

আসলে স্মৃতি ছাড়া আর কিছুর ওপরই সওয়ার হচ্ছিনা। যেমন দেখুন, ভরাট গলার আওয়াজটা ছিল হান্নানের এখন জানি বই পত্র পড়ে, তখন জানতাম না।

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৫৮

লেখক বলেছেন: আপনি সঠিক।ইউরোপে থাকা আমার পাড়ার এক বন্ধুর কাছ থেকে এক্ষুনি কনফার্ম করলাম। শুধরে নিচ্ছি। যদিও লাল দিঘীর কথা সে বলেছে, কিন্তু মেজর ভুইয়ার কথা সেও মনে করতে পারছেনা।

ধন্যবাদ।

১৩. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৪৬
রাগ ইমন বলেছেন: আমার সেটা মুখস্ত আছে কিন্তু এখানে প্রকাশ করলে রাগীমন, দূঃখিত, রাগ ইমন আমাকে খেয়ে ফেলবেন। ---- হাসি থামাতে পারছি না ! প্রচন্ড খুশি এই জন্য যে ,
১। একটু হলেও মানুষকে ভাবাতে পেরেছি গালি গালাজ লেখায় নিয়ে আসার ব্যাপারে যদিও আমি ১০০% নিশ্চিত ও আপনি এমনিতেও লিখতেন না । আপনার বাঁদরামির প্রমান দিলেন হাতে নাতে।

তবে , যতদূর জানি , প্রতিভাবান হরর মুভির পরিচালকরা সরাসরি দেহ না দেখিয়ে রক্তের ছিটা, চিৎকার এই সব দিয়ে কাজ সারেন। তাতে লাভ হয় যে ভয়ের যেই আবহটা উনি বহু কিছু দেখিয়েও তৈরী করতে পারতেন না , সেইটা দর্শকের কল্পনায় নিজ গুণেই আরো বেশি সুচারুরুপে তৈরী হয়ে যায় । কল্পনা সব সময়ই বাস্তবকে হার মানায় তাই না?

আপনার প্রতিভার প্রকাশ লেখার পরতে পরতে! পড়তে খুবই মজা লাগছে , জীবন্ত , সিনেমার মত !

২। হাস্যরসের জন্য হলেও ইতিহাসের অংশ হয়ে গেলাম =p~ =p~ =p~ =p~ =p~ =p~
---------------

বংশগতি ঃ আমার চোখেও ধরা পড়েছিলো প্রথম দিনই কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বর্ননার মতন গুরুত্বপূর্ণ পোস্টে আর মেল শ্যভেনিজম নিয়ে টানাটানি করতে চাইনি। ( "রাগীমন" একেবারে অবিবেচক নয়, কি বলেন?)
------------------
রোমান লিপিঃ অভ্র এবং অভ্রের মত প্রযুক্তি দিয়ে এখন মোটামুটি সব জায়গাতেই বাংলা হরফে লেখা সম্ভব। মোবাইলে ও তা সার্বজনীন করে তুলতে হলে জোর খাটাতে হবে, এছাড়া উপায় নাই। কত এলেবেলে ভাষা গুগুল ট্রান্সলেটরে পাই, বাংলা এখনো নাই। এইটা আদায় করে না নিলে মনে হয় পাওয়া যাবে না ।
-------------------
পোস্টঃ

চলুক পুরোদমে । কাজ কাম বাদ দিয়ে কয়দিন ব্লগে পড়ে থাকার পরে দেখছি আমার পুরানো নেশা আবার গ্রাস করে নিচ্ছে । ডাক্তার হিসেবে জানি , পূর্ণ বিচ্ছিন্ন ( টোটাল উইথড্রল) না হলে অর্থনৈতিক খুঁটি নড়বড়ে হয়ে যাবে ।

আপনি লিখতে থাকুন, মন্তব্য না করলেও জানবেন সাথেই আছি । বিনা টিকেটের সিনেমা দর্শক হিসেবে। ইতিহাসবিদের ইতিহাসের চেয়ে মানুষের ইতিহাস আমার কাছে সব সময়ই অনেক বেশি মূল্যবান মনে হয় । সত্য উন্মোচনেও এই সাধারণের অভিজ্ঞতার ইতিহাস অনেক বেশি আন্তরিক !

আপনাকে অভিনন্দন , কি বোর্ডে ঝড় তুলে লিখতে থাকুন!
০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৩১

লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ পড়ার জন্যে আর বড় একটা মন্তব্য করার জন্যে।

তাড়াতাড়ি কিছু একটা করুন। আমাদের ছেলে মেয়েরা বাংলা যে ভুলতে বসেছে। প্রথমেই অভিযোগ একটা এস এর জন্যে তিনটা স আর একটা ছ কেন? একটি আর এর জায়গায় তিনটি র কেন? একটা এনএর জায়গায় কেন দুটি ন। আরো কত কি। ছাব্বিশটা অক্ষরে যেখানে বিশ্ব জয় করা গেছে সেখানে ছাব্বিশ দুগুনে বাহান্নটি বর্ণ লাগে কেন অবসোলেট বাংলা ভাষার জন্যে? উঁচু ক্লাসে যখন ইংরেজীর বিকল্প নেই তখন বাংলা শেখার দরকার কি?

যেখানে আমি ইংরেজীতে মোটামুটি ভাল গতিতেই লিখতে পারি, সেখানে অতি ধীর গতিতে, বানানে হোঁচোট খেতে খেতে দশ ঘন্টায় দু পাতা লিখে তা যদি আত্মজ-আত্মজাদের পড়াতেই না পারি তা হ'লে তা বড়ই কষ্ট দায়ক।

"ডাক্তার হিসেবে জানি , পূর্ণ বিচ্ছিন্ন ( টোটাল উইথড্রল) না হলে অর্থনৈতিক খুঁটি নড়বড়ে হয়ে যাবে ।"

-মাহবুব মুতানাব্বী পিজিতে কাজ করে। একজন ডাক্তার। আমার সহপাঠি এবং প্রাণের বন্ধু। এখনো যদি কোনদিন ফোন করি ঘন্টাখানেক কথা হয়। কিন্তু অতি পঁচা পেশার জন্যে তিন বছরে একবার কথা হয়, দেখা হয় ৫ বছরে একবার।

"আপনি লিখতে থাকুন, মন্তব্য না করলেও জানবেন সাথেই আছি । বিনা টিকেটের সিনেমা দর্শক হিসেবে।"

- তা হবেনা। আমি উপার্জন বাদ দিয়ে ব্লগে লিখতে থাকবো আর আপনারা মন্তব্য করবেন না-এটা হয়না। যৌগিক বা বিয়োগিক (নিজের বানানো বাংলা, এড়িয়ে যান) কিছুতো একটা লিখবেন, তা না হলে আমি লিখতে থাকবো ক্যামনে? গালি হলেও তো দিয়ে যাবেন। পৃথিবীতে কিছুই বিনে পয়সায় নেয়া ঠিক না-মূল্যায়নে ভুল হয়ে যায়।

"কি বোর্ডে ঝড় তুলে লিখতে থাকুন! "

-বেড়ে বলেছেন! যার গতি মিনিটে ৫ টি শব্দ সে তুলবে ঝড়!

১৪. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৫৮
সব্যসাচী প্রসূন বলেছেন: আপনি বললেন কালকের কলেবর ছোট হবে ... সেটা নিশ্চয় শেষ পর্ব নয় ... কারণ ৬৯ থেকে ৭১ পর্যন্ত ঘটনা আমাদের কম বেশি সবার জানা আছে ... ৭১ থেকে ৭৫ এর ঘটনা প্রবাহে কুয়াশাচ্ছন্ন একটা ভাব আছে... একাত্তর পরবর্তি প্রজন্ম হিসেবে আপনার কাছে সেটাই জানতে চাই .... আপনি যে দায়িত্ববোধ থেকে এই লেখা শুরু করেছেন আশা করি সেটা থেকেই সব সত্য প্রকাশ করে শেষ করবেন .... আপনার সাহসী উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই :)
০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৪৪

লেখক বলেছেন: "আপনি বললেন কালকের কলেবর ছোট হবে ..."

-আমার লেখার গতির জন্যে। মিনিটে আমি মাত্র পাঁচটি শব্দ লিখতে পারি।

আজকের যে কলেবর দেখেছেন সেটা আমার ১০ ঘন্টা পরিশ্রমের ফসল।

বেঁচে থাকলে আর শয্যাশায়ী না হলে শেষ করবো, সর্বশক্তিমান চাহেন তো।

তবে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা '৭১ পরবর্তী সময়কে কতটা পরিপূর্ণভাবে বিচার করতে পারবে তা সম্বন্ধে আমার কোন ধারনা এখনো নেই (অবতরনিকা দ্রষ্টব্য)।

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৪৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৬. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৯
অলস ছেলে বলেছেন: পড়লাম। এপর্বও খুব সুন্দর লিখেছেন।
০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৪৬

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। প্রবাসে ভাল থাকুন।

১৭. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১০
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: ১২ নং মন্তব্যের জবাবেঃ

ধন্যবাদ। রেফারেন্স আমার নিজের হাতেও নেই। নিচের লিংকে ৪৫ নং মন্তব্যে মানিক ভাই এটা বলেছেন।

Click This Link
০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৪৭

লেখক বলেছেন: লিংকটা কাজ করছে না। আবার দেয়ার জন্যে অনুরোধ করছি।

০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ এখন করছে।

উনি ছিলেন মেজর ভুইয়া নন মেজর জেনারেল সুবিদ আলী ভুইয়া। মুক্তি যুদ্ধকালে চলা কালে তাঁর নাম শুনিনি। তিনি সে সময় সম্ভবত লেফটেনেন্ট ছিলেন। পরে বই পত্র ঘেটে তাঁর মুক্তি যুদ্ধ সম্পর্কে জেনেছি। তিনি সে যুদ্ধে বেশ কটি বিসঢাল ভুল (blunder) করেছিলেন। যার ফলে লে: জেনারেল আবু সালেহ মোহাম্মদ নাসিম জন্মের মত খোঁড়া হয়ে গিয়েছিলেন।

বর্তমানে তিনি দাউদ কান্দি থেক আওয়ামী লীগের টিকেটে নির্বাচিত সাংসদ।

০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ এখন করছে।

উনি ছিলেন মেজর ভুইয়া নন মেজর জেনারেল সুবিদ আলী ভুইয়া। মুক্তি যুদ্ধকালে চলা কালে তাঁর নাম শুনিনি। তিনি সে সময় সম্ভবত লেফটেনেন্ট ছিলেন। পরে বই পত্র ঘেটে তাঁর মুক্তি যুদ্ধ সম্পর্কে জেনেছি। তিনি সে যুদ্ধে বেশ কটি বিসঢাল ভুল (blunder) করেছিলেন। যার ফলে লে: জেনারেল আবু সালেহ মোহাম্মদ নাসিম জন্মের মত খোঁড়া হয়ে গিয়েছিলেন।

বর্তমানে তিনি দাউদ কান্দি থেকে আওয়ামী লীগের টিকেটে নির্বাচিত সাংসদ।

১৮. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১২
ও.জামান বলেছেন: সুন্দর বর্ণনা।
০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৪৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ও. জামান।

১৯. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৩
সাইফ শামস বলেছেন: সুন্দর লেখা। পড়তে ভাল লাগছে।
০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৪৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পড়ার জন্যে আর মন্তব্যের জন্যে।

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৫৩

লেখক বলেছেন: কি বোর্ড চালাতে দম ফুরিয়ে যাচ্ছে।

সাথে থাকুন, প্রয়োজনে ধাক্কা লাগতে পারে!

২১. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৫২
এস,আহমেদ বলেছেন: এত তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে যায় প্রতিটা পর্ব...........

অসাধারণ পরিবেশনা।
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৪১

লেখক বলেছেন: লিখতে কিন্তু অনেক সময় লাগে আমার। এ পর্বটি লিখতে আমার লেগেছে কালকের দু'ঘন্টা আর আজকের লাগাতার ৮ ঘন্টা।

স্ত্রী তো ধরেই নিয়েছে আমি কোন সুন্দরী ষোড়শীর সাথে প্রেম করছি ইন্টারনেটে।

২২. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪৮
তারার হাসি বলেছেন:
খুব আগ্রহ নিয়েই পড়ছি, এর কারণ হচ্ছে স্থানগুলি আমার খুব চেনা।
আমি সাহায্য করতে পারি তবে আমাকে আমাকে অন্য কারো সাহায্য নিতে হবে কারণ এই সময়কালে আমার কোন অস্থিত্বই ছিল না। এমনকি আমার বাবাও দেশে ছিলেন না। সওদাগর এজেন্সীজ এর মালিকের নাম খুব সহজেই বলেছি কারণ একটু দূরের দিকে আত্মীয়তার সম্পর্ক আছে।
তবে আমি জানি আপনার ধারাবাহিকে আমার পরিচিত অনেকেই চলে আসবেন।

ধন্যবাদ।
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০৭

লেখক বলেছেন: আসলে আমি চিন্তিত আপনি আগের পোষ্টে আমাদের এলাকায় একটা হত্যা কান্ডের কথা বলেছেন। আমি সে সম্বন্ধে বিচলিত। সে ঘটনাটি এ ব্লগে বা আমার ই মেইলে পাঠাতে সবিনয় অনুরোধ করছি।

২৩. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:২৪
অরণ্যদেব বলেছেন: সবাই দেহি কয় চলুক!









আমিও কৈলাম-চলুক!!
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৪৩

লেখক বলেছেন: আন্নে এড্ডু বেশী কইরা কন। বালা লাগবো।

আমার পুষ্ট আইছেন হেল্লিগ্গা দইন্না।

২৪. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩০
ফারযানা বলেছেন: অসাধারন লিখছেন। পরের পর্বের অপেক্ষায়।
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:০৩

লেখক বলেছেন: সবক'টি পর্বে আপনাকে পেয়ে ভাল লাগছে খুব। ধন্যবাদ।

২৫. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩৫
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: অসাধারন বর্ননা....!!!

মনে হচ্ছে ৭১ এ আছি|



(+++)
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:০৪

লেখক বলেছেন: আপনকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। সাথে থাকুন।

২৬. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৯
ক্যামেরাম্যান বলেছেন: জিয়ার স্বাধীনতা ঘোষণা (কিংবা পাঠ) এর আলাদা একটা ব্যঞ্জনা ছিল। সেটা হলো বাঙ্গালি জাতি সেদিন প্রথম বুঝতে পেরেছিল তারা একেবারে নিরস্ত্র হয়ে যুদ্ধ করছে না। তাদের সাথে প্রশিক্ষিত বাঙ্গালী সেনারাও আছে। এটা সেসময়ে নিশ্চয়ই সবার মনোবলকে উজ্জিবিত করেছিল।

আগ্রহের সাথে পড়ছি ...
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৪১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ক্যামেরাম্যান।

২৭. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৪৩
হোসাইন১৯৫০ বলেছেন:

খুব ভাল লাগল ।
আর একটা ইনফো , আপনার ফুফাতো বোন আমার সোনার বাংলা আমাদের জাতীয় সংগীত হওয়ার পর প্রথম দিকের পাবলিক গায়কদের/গায়িকাদের মধ্যে একজন ।
কারন , ৩ মার্চ তারিখে পল্টন ময়দানে স্বাধীন বাংলার কেন্দ্রীয় সংগ্রাম পরিষদ ঘোষিত ইশতেহারে 'আমার সোনার বাংলা' গানটিকে জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে ঘোষণা করা হয়।
স্বাভাবিকভাবেই তিনি জাতীয় সংগীত হওয়ার পর এই গানের প্রথম গায়ক বা, গায়িকাদের মধ্যে একজন ।

পুনশ্চ : পাবলিক গায়কদের/গায়িকা বলতে আমি বুঝিয়েছি তাদের কথা যারা অনেক মানুষের সামনে গেয়েছেন ; অনেকটা জাতীয় পর্যায়ের ।


অনেক ভালো লাগছে দাদা , চলুক ।
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:১২

লেখক বলেছেন: আমার সবচে' প্রিয় সংগী, সবচে' অমায়িক, অত্যন্ত সুন্দরী এই বাল্য সখী গত ২২শে জুন এ্যাপোলোতে মৃতুকে আলিংগন করে। ২২শে জুন '০৮এ তার দুরারোগ্য কানসার ধরা পরে সিংগাপোরের মাউন্ট এলিজাবেথে। আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা, পৃথিবীর উন্নততম চিকিৎসা কিছুই তার কাজে আসেনি। মৃত্যুর সময় তার ওজন নেমে দাঁড়িয়েছিল ৪০ পাউন্ড।

আমি যখন ক্লাস ওয়ানে ও তখন আমার জুতোর ফিতে বেঁধে দিত। আমি ফিতে বাঁধা শিখি আরও অনেক পরে।

ওকে কোনদিন এক মূহুর্তের জন্যেও কারো নিন্দে করতে কেউ ডেখেনি।দাড়িয়েছিল

০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:১৫

লেখক বলেছেন: ০৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৩তে প্রয়তে আপনার পোষ্টটি নিয়েছি।

আবারো ধন্যবাদ।

২৯. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৩৯
আবূসামীহা বলেছেন: ৪ এর আগেই এটা পড়েছি। তবে মন্তব্য করলাম পরে।
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:১৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

৩০. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৪৮
তারার হাসি বলেছেন:
আপনার পোস্টটি আমি বাড়ির বড় একজনের সাথে শেয়ার করছি, মজার ব্যাপার হল আপনি যা লিখেছেন তা আমি পড়ে শুনাচ্ছিলাম আর তার প্রায় কাছাকাছি পরের লাইন উনি বলে দিচ্ছিলেন।
নাহ, হত্যাকান্ড আপনার এলাকা সিডিএ তে হয়নি, হয়েছে আমার বাসভবনে। আমাদের এলাকাটির কথাও আপনার স্মৃতিচারনে উঠে এসেছে। এখানে পিছনের দিকে মাটি খুড়ে নিরাপদে থাকার একটা আন্ডারগ্রাউন্ড ঘর বানানো হয়েছিল। সেখানে উপরের প্রবেশমুখে দাঁড়িয়ে একজন পাকি ব্রাশফায়ার করেছিল। এতে মারা যায় প্রায় সকলে, দুইজন বেঁচে ছিল তার মাঝে একজন আজো খুঁড়িয়ে হাঁটে, তিনি আমাদের বাজার সরকার।
আরেকবার বাড়ির সামনের দিকের একটা ঘরের জানালা দিয়ে একই কাজ করে ৪ জনকে মুহূর্তেই লাশ বানিয়ে ফেলেছিল।

০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:২৯

লেখক বলেছেন: সিডিএতে হত্যা কান্ড না হয়ার কারনটি বয়ান করেছি আমি আমার পোষ্টে। মন দিয়ে পড়লেই বুঝতে পরবেন। ব্যাখাটা আসছে।

মেয়েটি কে? আমার বাসর নম্বর আব্বার পেশার উল্লেখ সবই করেছি। বিশেস করে অবাংগালীরা শুধু মাত্র আমাদের বাসাতেই ছিল। আমার গুষ্টির সবার নাম তার মুখস্ত থাকার কথা । উনি কি আমার নাম বলতে পারবেন? আমাকে সবাই ভাল করেই চিনতো। বিশেষ করে সাবেরা সাকেরাদের বাসার সমনে থকে গোখরো সাপ মারার পরে থেকে।

বের করতে পারলে আমাকে ইমেইলে জানিয়েন দয়া করে।

৩১. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৪৬
সাজিদ বলেছেন: এদিকে গত ২/৩ দিন একটু কম আসা হয়েছে। নাহলেতো মিস ই হয়ে যেত। লেখা চালিয়ে যান। অনেক লোক আছে যারা নিজেদেরকে সর্ব বিষয়ে সবজান্তা মনে করে তাদের নিয়ে ভাববেন না।

আমার ছোটোবেলায় নানার সান্নিধ্যে কেটেছে অনেকটা সময়। উনার মুখেও অনেক কথা শুনেছি। কিন্তু সব কিছু নিয়ে লিখা হয়না কারন আমার লেখায় অন্য কারও ক্ষতি হোক সেটা চাই না। আপনি সাহস করে স্ট্যি কথাটা লিখছেন এজন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আপনার লেখা দেখে সাহস পাচ্ছি পরে সুযোগ পেলে কিছু লিখব ইনশাআল্লাহ।

যুদ্ধ মানেই বর্বরতা। সেটা দু পক্ষ থেকেই হয়। তারপরও পৃথিবী যুদ্ধে জড়ায়। কারন নেতারা কম ভোগে অনেক। জয় এর জন্ম উপলক্ষে পাকিস্তানিরা সেনারা নাকি মিষ্টি বিতরন করেছিলো। অথচ সারাদেশে তখন ভয়াভ অবস্হা।
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৩৩

লেখক বলেছেন: যুদ্ধ মানেই বর্বরতা। সেটা দু পক্ষ থেকেই হয়। তারপরও পৃথিবী যুদ্ধে জড়া.

-যুদ্ধে আসলে কোন পক্ষই প্রকৃত পক্ষে জেতে না।

আমার পোস্টগুলোয় গঠনমূলক মন্তব্য করে আমাকে উৎসাহিত করার জন্যে আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:২৫

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ সিপাহী।

৩৩. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:২৯
সুবিদ্ বলেছেন: আপনার ফুফাতো বোনের আমার সোনার বাংলা গাওয়ার ঘটনাটি পড়ে গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠেছে.......উনার আত্মার শান্তি কামনা করছি

ইস!! খুব দুঃখ লাগে কী অসাধারন সময়টাকে আমরা কেমন ছিন্নভিন্ন করে তুলেছি.......আমরা এমন অদ্ভুত জাতি কেন??

আমাকে তুমি করে বলেন, ভাইয়া.......আমি রংপুরের........আপনার অনেক জুনিয়র
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০৬

লেখক বলেছেন: আমার ছোট্ট বেলার খেলার সাথী। বড় বেলার খুবই কাছের বন্ধু। স্ত্রীর সাথে ঝগড়া হলেই দিত বকুনী। স্ত্রীর হয়ে কত্ত যে ঝাড়ি দিয়েছে আমাকে।

আমি সরকারী ল্যাবরেটরী স্কুলে সবে ভর্তি হয়েছি, ক্লাস ওয়ানে। ও বেড়াতে এসেছে। মাকে খুঁজছি জুতোর ফিতে বেঁধে দেবার জন্যে। ও হেসে আমার ফিতে বেঁধে দিল। আমি তখন পাঁচ আর ও চার।

ওর বাড়ি ছিল মেঘনার পাড়ে, এক্কেবারে নদীর ধারে। উঠোন থেকে নদীতে লাফ দিতাম একসাথে।

বাড়িটি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে-ঠিক ওর মতই।

আচ্ছা ওপাড়ে যোগাযোগের কোন সিসটেম নেই কেন?

৩৪. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৫১
প্রতিবিপ্লবী বলেছেন: আবু সামীহা কিন্তু ছাগুভুজের আরেকটা নিক।
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:০৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩৫. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:০৩
রাজর্ষী বলেছেন: দেরীতে পড়া শুরু করলাম আপনার এ পর্ব গুলো। আশাকরি আজকেই এযাবত পোস্ট করা পর্বগুলো পড়বো। আপনি দয়া করে মন্তব্য দ্বারা বায়াসড না হয়ে যা লিখতে চান লিখুন। পাবলিক খেপলো না কি করলো তা পরে দেখা যাবে।
স্বাধীনতার ঘোষনা নিয়ে আপনার স্মৃতিচারন বস্তুনিষ্ঠ মনে হলো।
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:১১

লেখক বলেছেন: রাজর্ষ

আমার ব্লগে আপনাকে স্বাগতম।

বায়াসড হবার কোন উপায় নেই আমার।

আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

৩৬. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৪৮
পাপতাড়ুয়া বলেছেন: রোমান হরফে বাঙলা টা চিনতে পারছি না।একটু খোলাসা করবেন?
১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৩২

লেখক বলেছেন: পাপী,

প্রথমেই আমি আপনাকে অনুমতি দিলাম ওঅর্ডে আমার লেখাটা সেভ করার। শুধু কোন কাটা ছেঁড়া করবেন না বা যোগ দেবেন না, অনুগ্রহ করে।

ইংরেজীর যে এ্যালফাবেট তা হল রোমান। ইংরেজীর নিজস্ব বর্ণমালা নেই। বাংলা বর্ণমালাকে নিশ্চিহ্ন করতে পাকিরা এই রোমান বর্ণমালায় বাংলা লেখানোর চেষ্টা করেছিল।

৩৭. ২৮ শে অক্টোবর, ২০১০ রাত ২:৪৬
রাগ ইমন বলেছেন: স্বাধীনতার বেতার ঘোষণা নিয়ে বেলাল মোহাম্মদের সাক্ষাৎকার যেখানে ঐ সময়ের ঘটনা বর্নণা আছে।

১ম পর্ব --- এই পর্বের বিবরণে ত্রিশোংকুর বলা ঘটনা গুলো পাওয়া যাত। ডাঃ আনোয়ার আলীর কথা, চিরকুট ইত্যাদি।



২য় পর্ব



৩য় পর্ব



জিয়ার কন্ঠে ধারণকৃত , মুজিবের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণাসহ ভাষণ এবং বিদেশী পত্রিকায় খবর।



জিয়ার সাক্ষাৎকারে ২৭শে মার্চ সন্ধ্যায় তার নিজের বেতার ঘোষণা পাঠের বিবরণ


০৩ রা নভেম্বর, ২০১০ বিকাল ৫:৩২

লেখক বলেছেন: আপনার দেয়া কোন লিংকেই যেতে পারছিনা। আমাকে এখন যে কম্পিউটারটি ও আই এ পি ব্যাবহার করতে হচ্ছে তা মান্ধাত্তার আমলের বোধ হয়।আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।




০৩ রা নভেম্বর, ২০১০ বিকাল ৫:৩৮

লেখক বলেছেন: Address not found:

You tried to access the address Click This Link which is currently unavailable. Please make sure that the web address (URL) is correctly spelled and punctuated, then try reloading the page.
Make sure your Internet connection is active and check whether other applications that rely on the same connection are working.
Check that the setup of any Internet security software is correct and does not interfere with ordinary web browsing.
If you are behind a firewall on a Local Area Network and think this may be causing problems, talk to your systems administrator.
Try pressing the F12 key on your keyboard and disabling proxy servers, unless you know that you are required to use a proxy to connect to the Internet. Reload the page.
Need help?
Open the Opera Help.
Go to Opera's online support desk

৪১. ২৮ শে অক্টোবর, ২০১০ সকাল ১০:৩২
মৌনতা০১ বলেছেন: চমতকার পোস্ট! প্রিয়তে।
০২ রা নভেম্বর, ২০১০ রাত ১:৩৮

লেখক বলেছেন: আমার প্রাণের ছোয়াঁ মেশানো শ্রদ্ধা।

৪২. ২৯ শে মার্চ, ২০১১ দুপুর ২:০৯
সুরঞ্জনা বলেছেন: মন্তব্যের ভাষা নেই।

প্রিয়তে।
২৯ শে মার্চ, ২০১১ রাত ৯:১৫

লেখক বলেছেন: প্রাণ ভরা কৃতজ্ঞতা।

৪৩. ৩০ শে মার্চ, ২০১১ সকাল ১১:২০
ফেরারী... বলেছেন: খুব চমৎকার স্মৃতিচারণ
৩০ শে মার্চ, ২০১১ দুপুর ১:০৫

লেখক বলেছেন: ফেরারী,

আপনাকে অজস্র ধন্যবাদ।

৪৪. ৩০ শে মার্চ, ২০১১ দুপুর ১২:৪৯
নাআমি বলেছেন: আপনার লেখা গুলি টেনে নিয়ে যাচ্ছে একটার পর একটায়....অবাক হয়ে পড়ছি আর জানছি সব !!


ধন্যবাদ অনেক অনেক....।


যাচ্ছি পরেরটায়.....
৩১ শে মার্চ, ২০১১ রাত ১:১৬

লেখক বলেছেন: আমার লেখা আপনাকে টানতে পারাইয় কি যে আনন্দ হচ্ছে,


যদি বোঝাতে পারতাম!

৪৫. ৩০ শে মার্চ, ২০১১ দুপুর ১:১২
আকাশের তারাগুলি বলেছেন: ওয়াও, আমি মিস করেছি কেমন করে। প্রিয়তে নিলাম।
৩১ শে মার্চ, ২০১১ রাত ১:১৮

লেখক বলেছেন: কি সৌভাগ্য আমার!

প্রিয়তে!

কৃতজ্ঞতা।

 

মোট সময় লেগেছে ১.২১১৪ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
না প্রেমিক না বিপ্লবী
trishonku@hotmail.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই