আমার প্রিয় পোস্ট

C:\Documents and Settings\raad\My Documents\Lighting cig..jpg

ঊনসত্তুর থেকে পচাঁত্তুর-'৭১এ যাদের বয়স তিনের কম ছিল তাদের থেকে সামুর কনিষ্ঠতম ব্লগারটিকে উৎসর্গীকৃত-পর্ব ৬

০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪৯

শেয়ারঃ
0 7 0

অবতরনিকা: বংগবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নির্বংশকারীদের (আমি নির্বংশই বলবো কারন প্রচলিত ধারায় বংশগতি পুরুষ উত্তরাধিকারীর ওপরেই বর্তায়) শাস্তি প্রদানের পর থেকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটার পর একটা পোষ্ট আসছে। যার প্রায় সবগুলোই (গুটি কয়েক ব্যতিক্রম ছাড়া) পক্ষপাত দুষ্ট। অনেক ভাবনা চিন্তা করে আমার নিজস্ব ক্ষতির কথা ভুলে/ এড়িয়ে আমি আমার একান্ত ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতা তুলে ধরছি, শিরোনামে উৎসর্গীকৃত ব্লগারদের জন্যে। ৩ বছরটা উল্লেখ করার কারন হ'ল যে মানুষের কোন স্মৃতি ৩ বছর বয়সের আগে থাকেনা, সাধারনত। এ পোস্টে আমার ব্যাক্তিগত ক্ষতি গুলোঃ

১। এটা প্রকাশিত হবার পর আমার পরিচয় গোপন থাকবেনা, যা আমি এতদিন সযতনে রক্ষা করেছি।

২। ব্যাক্তিগত ঘটনা বয়ান পাঠকদের কাছে মাঝে মধ্যে আত্মপ্রচার ও পারিবারিক প্রচারের মত লাগবে যা আসলেই অশোভন, অরুচিকর এবং বিরক্তিকর। এগুলোও আমি লুকিয়ে রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করে এসেছি আজীবন।

৩। কোন পক্ষাবলম্বন না করে লেখাটা অত্যন্ত দুঃসাধ্য। আমার জন্যে আরো কঠিন। কারন যৌবন যখন সদ্য দেহ-মনে ভর করে আমার সমগ্র সত্তাকে ভীষনভাবে নাড়িয়ে দিচ্ছে, যা কিছুই সুন্দর তারই প্রেমে পড়ছি, ঠিক সে সময়ই বংগবন্ধুর সাথে আমার পরিচয়। নিরপেক্ষভাবে তাঁর ব্যাপারে লিখতে আমার খুবই কষ্ট হবে এবং আমাকে অসাধ্য সাধন করতে হবে।

৪। শুধুমাত্র স্মৃতি নির্ভর লেখার মূল সমস্যাটা হ'ল ভুল স্মৃতি মনের মধ্যে থাকা। যে কেউ যদি নিজের অভিজ্ঞতা থেকে আমার কোন বক্তব্যে দ্বিমত প্রকাশ করেন, তা'লে তাকে আমি অনুরোধ করবো মন্তব্যে তা তুলে ধরতে। আমার স্মৃতি ঘাটতে সাহায্য করার নেই কেউ আমার হাতের কাছে।

আমি আপ্রাণ চেষ্টা করবো-আমার যে একটা দায় আছে আমার পরের প্রজন্মগুলোর কাছে।

আমার এই দায় শোধ যদি এই প্রজন্মকে আমাদের গৌরবময় আর কলংকলেপিত অতীতকে নিরপেক্ষ ভাবে দেখতে শেখার পথে একপাও এগিয়ে নিয়ে যায়, তা'লেই আমি মনে করবো সেটা আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ অর্জন।

অনুগ্রহ করে মনে রাখবেন এটা আমার একান্তই ব্যাক্তিগত সৃতিচারন। পারিবারিক ঘটনাবলীর চর্বণ। সমগ্র দেশের ব্যাপারটা কখনোই প্রধান্য বিস্তার করবেনা, সে সাধ্য বা যোগ্যতা আমার নেই।

পুরো সময়টার কিছু অনুল্লেখ যোগ্য অংশ বিষদ ভাবে আসবে আবার অতি গুরুত্বপূর্ণ অংশ বাদ পরবে, ব্যাক্তগত স্মৃতিচারনের এটা একটা বিরাট সমসয়া। অনুরোধ করি বিষয়টা মনে রেখে আমার এ লেখাটা পড়বেন ।

পুরোটা পড়ার পর অনেকের কাছেই এটাকে "পর্বতের মূষিক প্রসব" বলে মনে হ'তে পারে। তাদের কাছে আমি ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।

>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>

পর্ব-১
পর্ব-২
পর্ব-৩
পর্ব-৪
পর্ব৫

আবার একটু ফিরে দেখা:

২৬ শে মার্চ থেকে ৪ ঠা এপ্রিল পর্যন্ত পি এন এস বাবর বঙ্গপসাগরে অবস্থান করছিল। দিন রাত চব্বিশ ঘন্টা ঐ জাহাজ থেকে গোলা ছোঁড়া হচ্ছিল। রাতের বেলায় কালো আকাশের বুক চিরে লাল রংএর গোলাগুলো আকাশ দিয়ে উড়ে যেতে দেখা যেত। কেমন যেন অতিপ্রাকৃত দৃশ্য । গোলাগুলো আমাদের অতিক্রম করার পর শীষ দেয়ার মত শব্দ শুনতাম। ওগুলো আসতো হালিশহর সিএসডি গোডাউনের দিক থকে। যেত বন্দরের দিকে। আতংকে থাকতাম কোন একটি আমাদের ওপর এসে পড়ে কিনা। শেষের দিকে গা সহা হয়ে গিয়েছিল।

আমাদের আনা ফ্রাংকীয় জীবন

৫ই এপ্রিল থেকে প্রতিদিন বিহারী ও পাকিদের তান্ডবের কথা কানে আসতো। আজ হালি শহরের সংখ্যা লঘু বাংগালী, কাল সার্সন রোড, পরশু কদম তলী, তরশু মাদাম বিবির হাট।

অত্যাচারের এমন সব বর্ণনা শুনতাম যে দিনভর ঘোরের মধ্যে থাকতাম। রাতগুলো ছিল নির্ঘুম। মাঝে মাঝে যাও একটু ঘুম আসতো দিনের শোনা ঘটনাগুলোর চলচিত্রায়িত রূপ দেখতাম ঘুমের মধ্যে। কতবার যে ঘুমের মধ্যে চিৎকার করে জেগে উঠেছি তার হিসেব নেই। এই সময়ই খবর আসতে লাগলো যে বিহারীরাও অস্ত্র হাতে নেমেছে। এক আবাসিক এলাকায় (জায়গাটা মনে নেই) অস্ত্র হাতে বিহারীরা যেতে যেতে কোন কারন ছাড়াই রাস্তার পাশের এক বাসয় ঢুকে গুলি করে ঘুমন্ত ৭ জনকে মেরে ফেল্ল। নারী নির্যাতনের বিভৎস বর্ণনায় আমি যেতে পারছিনা। মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলতে পারি। তবে এখানে এইটুকু বলে রাখি জন্মগতভারে পুরুষেরা নারীদের চেয়ে ভাগ্যবান। কারন যত ভাবে নারীকে অবমাননা করা যায়, অসহ্য কস্ট দেয়া, অমানুষিক নির্যাতন করা যায়, পুরুষকে যায়না। শুধুমাত্র শারিরীক গঠন-ভিন্নতার জন্যে।

ফিরোজ শাহ কলোনীর পাশে এক বাংগালী পরিবার থাকতো। সে পরিবারে ছিল বাবা, অন্তসত্ত্বা মা (তিরিশোর্ধ), দুই মেয়ে (১৫/১৬, ৭/৮)। তাদের বাড়িতে বিহারীরা ঢোকে। গৃহ স্বামীকে বেঁধে ফেলে তার সামনে ১৫/২০ জন অন্যদেরকে সারাদিন-রাত নির্যাতন করে। ৭ বছরের মেয়েটি দিনেই মারা যায়। মায়ের গর্ভপাত হয় । ১৫ বছরের মেয়েটিকে অজ্ঞান অবস্থায় তারা নিয়ে যায় কাঁধে তুলে। যাওয়ার সময় গুলি করে গৃহ কর্তাকে মেরে রেখে যায়। যখন বিহারীরা গৃহ ত্যাগ করছিল গৃহ বঁধুটি অতিরিক্ত রক্ত ক্ষরণে তখন মৃত (এক বিহারীর অন্তিম স্বীকারোক্তি, ২০-৩১ ডিসেম্বর'৭১এর মধ্যে দেয়া)।

হালি শহরে ইপআর সদর দফ্তরের উল্টোদিকে ১৯৬২ তে পূর্ব পাকিস্তানের তৎকালীন গভর্নর আযম খান একশো পঁচিশ একর জায়গার ওপর গড়ে তোলেন মোহাজের বিহারীদের একটি বিশাল আবাস স্থল। পাকা, ছোট ছোট দু'রুমের একেকটি বাসা। ছাদগুলো পাকা হলেও টিনের বাড়ির মত দুদিকে নোয়ানো। বাসার সংখ্যা হাজারের ওপর(আনুমানিক)। এ ধরনের বাসা আমি ৮০র দশকে মীরপুর সাড়ে এগারো থেকে বারোর মধ্যে দেখেছি। তাদের পেশা ছিল প্রধানত কসাইগীরী। সেখানকার বিহারীরাও আশে পাশের এলাকায় লোকদের ওপর অকল্পনীয় অত্যাচার করেছে। তাদের নরহত্যা, নারী নির্যাতন, অগ্নি সংযোগ এবং লুটপাট পাঠানটুলী থেকে বেলাভুমি পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। বড় পোল থেকে বেলাভুমির মাঝখানে অবস্থিত একটি গ্রামে তারা হানা দেয়। এক বাড়িতে ঢুকে সে বাড়ির সকল মেয়েদের (চার প্রজন্ম) প্রলম্বিত সময় ধরে নির্যাতন করে। তারপর তরুনীদের স্তন কেটে নিয়ে যায় ক্ষীরি কাবাব বানানোর জন্যে। (এক পাতি রাজাকারের অন্তিম সাক্ষ্য যার মা ছিল বিহারী বাবা বাংগালী, ১৮ /১৯ ডিসেম্বর, ১৯৭১ এ দেয়া)।

এ দুটো সাক্ষ্য আমার নিজ কানে শোনার দূর্ভাগ্য হয়েছিল। আমার জানা আমার শোনা তখনকার অত্যাচারের কাহিনী যদি আমি বলে যেতে চাই তা'লে আমি শুধু নারী নির্যাতনের ওপরই হয়তো পঁচিশটা পর্ব লিখতে পারবো। কিন্তু জল্লাদদের মুখ থেকে তাদের মৃত্যুর একটু আগে নিজের কানে শোনা ঘটনা দুটোই বল্লাম।


যারা বলে নিরীহ নিরাপরাধ লোকদের ওপর এই পাশবিক অত্যাচার অন্য কেউ ক্ষমা করে দিতে পারে তাদের বলি "নিজের ঘরের কারো যদি এমন অত্যাচার সইতে হয় আর আমি যদি আমার পদাধিকার বলে অত্যাচারীদের অপরাধ ক্ষমা করে দেই, তাইলে আপনি আমাকে ক্ষমা করবেন কি?"


হালিশহরের বিহারীরা একেক রাতে একেক জায়গায় হামলা করতো। আমরা প্রতিরাতই আতংকে কাটাতাম। একদিন বাবা এক রডের মিস্ত্রী নিয়ে আসলান। আমাদের ছাদে সে আর তার দলবল অত্যন্ত পুরু (চিড়িয়া খানার বাঘের খাঁচায় দেখা যায় এমন) রড নিয়ে একটা দরজা বানালো। সে দরজায় সাতটি তালা লাগানোর ব্যাবস্থা হোল। সেদিন থেকে প্রায় প্রতি রাতেই গুজব উঠতো যে আমাদের এলাকায় হামলা হবে। বাবা মা আমাদেরকে নিয়ে ছাদে চলে যেতেন। সাতটি অতি ভারী তালা লাগানো হ'ত। মার কাছে থাকতো বাবার বন্দুকটি, আত্মরক্ষার জন্যে নয়, তালা গুলো ভেংগে বিহারীরা যদি ছাদে আসতে পারে তাহ'লে নিজেকে গুলি করে মেরে ফেলতে, যাতে করে পরিবারের সদস্যদের সামনে তাঁর চরম অবমাননা না হয়। সবচেয়ে ভয়াবহ ছিল যে পরদিন ভোরে খবর পেতাম অন্য কোন খানে বিহারীরা হামলা করেছে।

মার ব্য়স তখন তিরিশের নীচে।



পাকিদের সুপরিকল্পিত নির্যাতনের প্রধান স্থান ছিল তিনটি। এয়ার বেইজ (এয়ার পোর্ট সংলগ্ন), নেভাল বেইজ আর সবচে কুখ্যাত চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজ। শুধু মাত্র আমার চেনা তিনজন বন্ধু/সতীর্থের বাবারা ওখানে গিয়ে আর কোনদিন ফিরে আসেনি। আমার কলেজের সাইদুজ্জামান ভাইয়ের (১০ম শ্রেনী) বাবা সরকারী উচ্চ পদে চাকুরী করতেন। তাঁর অফিসে মুক্তি যোদ্ধার একটি ছোট্ট দলকে তিনি থাকতে দিয়েছিলেন। তার অফিসে ছিল নেজামে ইসলামীর এক বাংগালী সারমেয়। সেই বেজন্মাটি নীল-পাকীদের (পাকি নেভী) খবরটি জানায়। তার অফিস তল্লাসীর আগেই মুক্তিযোদ্ধারা পালিয়ে যায়। নীল-পাকীরা চলে যায়। কয়েকদিন পর সাইদুজ্জামান ভাইয়ের বাবাকে নেভাল বেইজে তলব করা হয়। উনি আর ফেরেন নি।


উত্তর পতেংগায় বাবার অফিসের ছাদে পাকাপাকি ভাবে থাকতো বিমান বিধ্বংসী একটি পাকিদল, চার নলা আকাশমুখী আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে। ঠিক তাদের পায়ের ফুট বিশেক নীচে থাকতো ৬ জনের একটি মুক্তি সেনার ছোট্ট দল। অনেক সময়ই তারা খুব মজা করে হাসতে হাসতে পাকিদের ফুট ফরমাস খেটে দিত। আমি একদিন তাদের দেখেছি একতলা থেকে খাওয়ার পানি পাকিদের দিয়ে আসতে। তাদের সে হাসির কারন এখন বুঝি-তারাই তো রাতের বেলায় এই পাকিদের জাত ভাই শিকারে বেরুবে।তখন জানতামনা এরা যে মুক্তিযোদ্ধা। মনে করতাম বাবার অধঃস্তন। স্বাধীনতার পর জেনেছি।

একদিন গভীর রাতে আমাদের এক অবাংগালী প্রতিবেশী (সম্ভবত পি ডবলিউ ডিতে ছিলেন) আমাদের বাড়িতে এসে বাবাকে জানান যে, মুক্তিকে উনি যে জায়গা দিয়েছেন তা বাবার কারখানার এক শ্রমিক (১০০% শতাংশ শ্রমিক বাংগালী ছিল) জানিয়ে দিয়েছে পাকিদের এবং পাকিরা পরদিন বাবার ফ্যাক্টরীতে আসবে তল্লাসীর জন্যে। হন্তদন্ত হয়ে বাবা বেরিয়ে গেলেন, ফিরলেন অতি প্রত্যুষে (ঘটনাটি আমি স্বাধীনতার পর জানতে পারি)। পাকিরা সে তল্লাসীতে আসেনি কখনো। তবে দিন সাতেক পরই বাবার ডাক পরে জল্লাদ খানায়। একজন নীল-পাকি অফিসারের নেতৃত্বে অবিরাম জেরা চলতে থাকে। আমাদের বাড়িতে ওঠে কান্নার রোল। পুরো পাড়া হয়ে যায় থমথমে। পরদিন বাবা ফিরে আসেন যমের দুয়ার থকে।

একদিনেই তাঁর বয়স যেন ১০ বছর বেড়ে গিয়েছিল।


 

সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৪৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৯
ও.জামান বলেছেন: অফিস থেকে ফিরে তীর্থের কাকের মত আপনার ব্লগের দিকে তাকিয়ে ছিলাম। আপনার পোস্ট এল। আপনার সেই "আনা ফ্রাংকীয় জীবন" আমাদের ছিল কিনা আমার মাকে জিজ্ঞেস করতে হবে।

তবে আপনার বাবার মতই আমার বাবাকে চরম অপদস্থ (সত্যি বলতে কি প্রহৃত) হতে হয়েছিলো পাকী মিলিশিয়াদের হাতে। যথারীতি ইনফরমার ছিলো মিলেরই কর্মরত এক রাজাকার।
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০৬

লেখক বলেছেন: আসলেই। বাবার সেদিন কিসের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছিল তা কোনদিনই বলেন নি। আমি আমার জীবনের অভিজ্ঙতা দিয়ে অনুভব করি যে জাতি গত ভেদাভেদের কোনই অর্থ নেই। পার্থক্য মানুষ থেকে মানুষের।

আর যাকেই ক্ষমা করি না কেন পাকি ঔরসজাতদের বোধ হয় আমি কোনদিনই ক্ষমা করতে পারবোনা। সৃষ্টিকর্তা আমাকে সে মহিমায় মহিমান্বিত করেন নি।

২. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০০
ত্রিশোনকু বলেছেন: আগের লিংক দেয়াতে একটু ভুল আছে শেষেরটা ৬ নাহয়ে ৫ হবে।

কাল এর পরের পর্ব বের হবেনা। আমি ঢাকার বাইরে থাকবো।

আমর এডিটিং প্যানেল কাজ করছেনা। তাই এখানে বলা।
৩. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২২
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: পড়ে যাচ্ছি। নির্যাতনের ইতিহাস পড়ে শিউরে উঠছি।
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪৯

লেখক বলেছেন: আমার জীবনের বিরাট একটা অংশ আমি মানবতার অবমাননার সাক্ষী হয়ে চলেছি।

এ স্মৃতি দুঃসহ, এ ভার বইবার মত নয়। মানবতাকে আমি তাই সবার ওপরে স্থান দিতে শিখেছি। বাধ্য হয়ে।

এ জন্মগত নয়, আহরিতও নয়, পরিস্থিতির শিকার হয়ে শেখা।

৪. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৮
শাহেরীন বলেছেন: আপনার লেখা পড়ার জন্য অপেক্ষা করছিলাম এতোক্ষণ।।
লিখে যান।।
পাশে আছি।।
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৫. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪৫
নাজনীন১ বলেছেন: মুক্তিযুদ্ধের সময়ে আমাদের বাড়ীর মেয়েরা শুধু একটা দোয়াই পড়তো, "আল্লাহ্‌ তুমি জান, মাল, ইজ্জত রক্ষা করো"। রাজাকার আসবার খবর পেলেই বাড়ীর পেছন দিক দিয়ে জঙ্গল বা ক্ষেতের দিকে পালিয়ে যেতেন বাড়ীর মেয়েরা। দুইবার সারা বাড়ির ঘরগুলো চেক করে গিয়েছিল রাজাকারেরা, অথচ আর্মিদের ক্যাম্প ছিল আমাদের বাড়ির পাশেই বাজারে, তারা কখনো বাড়িতে ঢুকেছে বলে শুনিনি। তবে বোমা ফেলেছিল, দুটো কাচারী ঘর তাতে পুড়ে যায়। এটা চাঁদপুরের একটি গ্রামের ঘটনা।

আমার দাদাকেও ধরে নিয়ে গিয়ে জেরা করেছিল, আর্মিরা খবর পেয়েছিল আমার চাচা মুক্তিযোদ্ধা। তবে ভাগ্য ভাল, উনিও তখন জীবিত ফিরে এসেছিলেন।

এরকমই তখনকার সব দেশে থেকে যাওয়া পরিবারের কাহিনী।
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:০৫

লেখক বলেছেন: "এরকমই তখনকার সব দেশে থেকে যাওয়া পরিবারের কাহিনী।"

-ঠিকই বলেছেন। সড়ে সাত কোটি মানুষের জায়গা তো আর ভারতে ছিলনা। সাড়ে ছ'কোটিরই এক অভিজ্ঞতা। গুটি কয়েক সারমেয়র ঘটনা অবশ্য অন্য।
___________________________________________

চাঁদপুরে গিয়েছিলাম সড়ক পথে প্রথম ১৯৮১র জানুয়ারীতে কাজে কয়েক দিন ছিলাম। লক্ষ করেছি চাঁদপুরের কৃষকেরা খুব পরিশ্রমী। যশোরে যখন বছরে একটি ফসল উঠত , চাঁদপুরে তখন ৪/৫টা ফসল উঠাতো তারা। যদিও জমি একটা ব্যাপার ছিল। শেষ যাই ৪/৫ বছর আগে নদী পথে । দুই হালি ইলিশ কিনে এনেছিলাম। বাসায় এনেই দুটি ভাজি করে খেলাম। তার একটা বোধ হয় আমিই সাবাড় করেছি। কি যে স্বাদ।

অনুগ্রহ করে মাফ করবেন সবাই। আমি আসলেই একটা ছুচা।

০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:০৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৭. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:০৫
বাস্তবতা বলেছেন: আপনি বারবার খাবারের লোভ দেখান।

বিদেশে থেকে এসব খাবারের নাম শুনলেই যে সেটা চোখে দেখতে পাই!!
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৩৩

লেখক বলেছেন: দূঃখিত। খাওয়া দাওয়া আমার জন্যে খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

দেশে চলে আসুন পাকাপাকি ভাবে। রোজই খেতে পাবেন।

বিদেশে থাকলে আমি তো খাবার দুঃখে মারা যাব।

০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৩৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৯. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:০৭
মৌ-মাছি বলেছেন: দুইজন খাস বিম্পীর লোক আপনার লেখার খুব ভক্ত দেখতে পাচ্ছি -- আপনার পক্ষে তারা অন্যদের জবাব দিয়ে দিচ্ছে। হুজুরের আগে যেমন মোসাহেবরা যায়। ওরা ধারনা দেয়ার চেষ্টা করছে আপনি ওদের মনোবাঞ্চা পুরন করার জন্য লিখছেন। আমার এই মন্তব্য আপনার প্রতি নয়, বরং সেই দুইজনের প্রতি। আপনার লেখা পড়ছি, ভাল লাগছে। চালিয়ে যান।
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:১১

লেখক বলেছেন: /:) /:)

১০. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:২৬
স্তব্ধতা' বলেছেন: আপনার প্রত্যেকটি শব্দ গিলছি।কিন্তু এখানে একটু ব্যাখ্যা দরকার।দেবেন কি?



০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৩২

লেখক বলেছেন: আপনার প্রশ্নের জবাবটি আপনার ১২ নম্বর মন্তব্যের উত্তরে দিয়েছি।

১১. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৩১
স্তব্ধতা' বলেছেন: আপনার প্রত্যেকটি শব্দ গিলছি।কিন্তু এখানে একটু ব্যাখ্যা দরকার।দেবেন কি?



লিঙ্ক: এখানে, ২৫শে ফেব্রুয়ারী ২০০৯




এটির আর লিঙ্ক দিলামনা। এটি আপনার এই সিরিজের প্রথম পর্বের শেষ ক'টি লাইন।

অপেক্ষায় থাকলাম একটি ব্যাখ্যার জন্য।
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৩২

লেখক বলেছেন: আপনার প্রশ্নের জবাবটি আপনার ১২ নম্বর মন্তব্যের উত্তরে দিয়েছি।

১২. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৩৭
স্তব্ধতা' বলেছেন: ছবিটি অস্পষ্ট হবে বুঝতে পারিনি।লিখে দিচ্ছি:

এই পোষ্টটিতে

আপনি বলেছেন,

''৭০ এর ডিসেম্বরে আমি নৌকায় ভোট দেই।''

এই সিরিজের প্রথম পর্বের শেষ ক'টি লাইন

''ভেবেছিলাম এত প্রচারনা যেহেতু করেছি, নিশ্চয়ই আমিও ভোট দিতে পারবো। কিন্তু ৪ ফুট ৯ ইন্চির অজাতশশ্রুকে সেদিন ভোট দিতে দেয়া হয় নি। সে ছেলেটি বিধাতার এই অবিচারে ক্ষুব্ধ হয়ে দু'দিনের জন্যে নাওয়া খাওয়া ছেড়ে দিয়েছিল। সে নির্বাচনের ফলাফল আপনাদের সবারই জানা।''
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০৭

লেখক বলেছেন: আপনাকে কষ্ট করে এটা দেয়ার জন্যে ধন্যবাদ।

উপরেরটি ভুল নীচেরটা সঠিক। উপরেরটিতে ৭০ এর জায়গায় ৭৩ হবে, মাসটি উহ্য থাকবে।

ভুলের ব্যাখ্যাঃ

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৪৪। এর ১৪ ঘন্টারও কম সময়ের মধ্যে আমি দুটো টেলিফোন থেকে তিনবার টেলিফোন পাই ফোন নম্বর দুটো হচ্ছে:

১। ০১৭১১ ৫৬৪ ৬৩২; মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদ, ডিজি বিডিআর। আমার নিজ কোরের দুই কোর্স সিনিয়র। আমাকে অত্যন্ত স্নেহ করতেন এবং ডাল ভাত কর্মসূচী সম্পর্কে আমার অতি তিক্ত উক্তি ও সাজেসন হাসি মুখে গ্রহন করতেন। আমাকে তুই করে ডাকতেন।

২। ০১৭১৫ ০৫০ ৫১০: লেফটেন্যান্ট কর্নেল এনায়েতুল হকঃ আমার অতি স্নেহাস্পদ জুনিয়র। একসাথে হালিশহর আর্টিলারি সেন্টার ও স্কুলে কর্মরত ছিলাম। ও তখন অবিবাহিত। আমর বাসায় তিন বেলা খাওয়া দাওয়া, এমন কি সেহরী পর্যন্ত করতো। আমর আপন ভাইকেও আমি ততটা স্নহ করিনা যা এনায়েতকে করতাম।

এই দুজনের টেলিফোন আসতে শুরু করে সকাল সাড়ে আটটার পর থেকে। আমি কি কিছুই করতে পারি না? সামনে সাক্ষাৎ মৃত্যু দেখে তারা অনেককেই ফোন করেন। আমি হতভাগা তার মধ্যে একজন।তারা কেন আমাকে ফোন করে সাহায্য চেয়েছিল আজও আমার কাছে তা রহস্যাবৃত। আমি তো দেড় দশক আগে চাকুরী ছেড়েছি। আমার মনে হয় অতি বিপদের মধ্যে পড়লে যেমন মানুষ খড় কুটোও আকড়ে ধরে সে ভাবেই আমার সাথে তাদের যোগাযোগ করা।

যে সময় ঐ ব্লগটা লিখি তার আগে ওদের ফোন পেয়ে আমি পূর্ব পরিচয়ের সুত্র ধরে প্রথমে সেনাসদর ও পরে র‌্যাবের উচ্চ পদস্থ কর্ম কর্তাদের সাথে কথা বলি। সবাই আমাকে আশ্বাস দেয় যে তার খুব অল্প সময়ের মধ্যেই কিছু একটা করবে। তাদের সাথে কথা শেষে সকাল এগারোটায় আমি দুজনকেই ফোন করি, কিন্তু বিকেল তিনটা পর্যন্ত টেলিফোন দুটো বেজে বেজে থেমে যায়। সন্ধ্যার সময় থেকে "সংযোগ দেয়া সম্ভব হচ্ছেনা" শুনতে থাকি।

ঐ অবস্থাতে আমি রাতে নিষ্ফল আক্রোশে ঐ পোস্টটা করি। আমার মানসিক অবস্থা তখন কেমন ছিল তা যদি বুঝতে পারেন তা'লে নিশ্চয় তা'লে ভুলের কারনটা হৃদয়নঙ্গম করতে পারবেন।

১৩. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৩৮
অলস ছেলে বলেছেন: কি ভয়াবহ। বর্ণনা পড়তেই তো খারাপ লাগে, নিজে বলাটা নিশ্চয় সুখপ্রদ না। ধন্যবাদ আপনাকে। পড়ছি।

আম্মার কথা মনে পড়লো, ছোটবেলায় গল্প করতেন কিভাবে গোলাগুলির মধ্যে ধানক্ষেতে দৌড়িয়েছেন পুরা গ্রামের মেয়েরা, মহিলারা। অচিন্তনীয় পরিস্থিতি। কিন্তু এই অমানবিকতা আমাদের মাঝেই থাকে, বারবার ফিরে আসে এমনকি এই একবিংশ শতাব্দিতেই অনেক দেশে ঘটে যাচ্ছে একইরকম বিভৎস সব ঘটনা। মাঝে মাঝে আমার মনে হয় দেশে যদি কোন একটা অরাজক পরিস্থিতি শুরু হয় এসবই আবার শুরু হবে নিজ জাতির মধ্যেই।

লিখতে থাকুন প্লিজ।
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:২০

লেখক বলেছেন: অলস ছেলে।

আপনার সংগ দেয়া আমাকে খুবই উৎসাহ দিচ্ছে।

ভুলন্ঠিত মানবতা বোধ হয় সভ্যতারই অনুসংগ।

১৪. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৫২
তারার হাসি বলেছেন:
'৯০ তে শের শাহ কলোনীতে আমার বন্ধুর বাসা ছিল যা ছিল আমাদের আড্ডাস্থল। লেখিকা ফাহমিদা আমিনের বাসার ঠিক পাশেই। আমার বন্ধুর বাবা তখন মেজর ছিলেন। ওখানে আমরা আড্ডার মাঝেই শুনতাম তৎকালীন বিহারীদের অত্যাচারের অনেক গল্প ... হ্যাঁ, এখন গল্পই মনে হয় অনেকের, আমাদেরও তেমন মনে হত... পরের দিকে আমরা খুব আগ্রহ নিয়েই এমন কথাগুলি শুনতাম। বিভৎস সব অত্যাচারের কল্পগল্প !
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩২

লেখক বলেছেন: লেখিকা ফাহমিদা আমিনের এক ছেলের নাম প্রয়াত লেফটেনয়ান্ট কর্নেল এনশাদ ইবনে আমিন। ফৌজদার হাটে আমার এক ক্লাস জুনিয়ার।আর্মিতে এক কোর্স। ওকে চিনতাম১৯৭২ থেকে। ওদের ঐ বাসায় আমি একাধিকবার গিয়েছি। এক সথে চাকুরী করেছি। গত বছর জানুয়ারীতে ওল্ড ফৌজিয়ানস এ্যাসোসিয়েসনের পিকনিকে সারাদিন ওরই সাথে কাটিয়েছি। ওর মত ভদ্র ও নম্র মানুষ আমি আর দেখিনি। গত বছরের ৩রা মার্চ ওর অবসরে যাবার কথা, আপনারা যখন সবাই বিডিআরের জোয়ানদের বাহবা দিচ্ছিলেন মিডিয়ার প্ররোচনায়, তখনই সে নির্মম ভাবে বিডিআরের সৈনিকদের হাতে নিহত হয়।অবসরে যাবার মাত্র ৬ দিন আগে।

ওরা সম্ভবত চার ভাই কোন বোন নেই, একভাইয়ের নাম ইকবাল ইবলে আমি।

১৫. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৫৬
তারার হাসি বলেছেন: ** বিভৎস সব অত্যাচারের কল্পগল্প যেন !
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩৬

লেখক বলেছেন: সত্য অলিকের চেয়ে বিস্ময়কর!

আমি আমার সামনে মানবতার যে অবমাননা প্রত্যক্ষ করেছি কোন বইয়ে, কোন চলচিত্রে তার এক শতাংশও পাইনি।

১৬. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:১৯
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: মিলিটারী আসছে, গ্রামে বলা হতো পান্জাইব্যা আইতাছে.....!!!

মনে পড়ে মা ছোট ভাইকে কোলে নিয়ে, আমাকে এক হাতে ধরে বাড়ীর পিছনে ধান ক্ষেত ধরে দৌরাতেন, পিছে পিছে আমার অল্প বয়েসী চাচী-ফুপুরা|

অনেক বার ঘটেছে এ ঘটনা| জানের ভয়ের চাইতে নির্যাতনের ভয় ছিল মহিলাদের বেশী|

আমাদের স্বাধীনতার জন্য দাম দিয়েছি অনেক বেশী, খুব বেশী|
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩৮

লেখক বলেছেন: "অনেক বার ঘটেছে এ ঘটনা| জানের ভয়ের চাইতে নির্যাতনের ভয় ছিল মহিলাদের বেশী|

আমাদের স্বাধীনতার জন্য দাম দিয়েছি অনেক বেশী, খুব বেশী|"

- বড্ড বেশী কঠোর সত্য।

১৭. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২২
লুৎফুল কাদের বলেছেন: পড়ে যাচ্ছি, আশা করি পুরো টা শেষ করবেন.
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৪২

লেখক বলেছেন: শেষ করার ইচ্ছে, মনোবল অনেকগুনে বেড়ে যায় কষ্টের বোঝা লাঘব হয়, আপনাদেরই অংশ গ্রহনে আর উৎসাহে ।

যদি শষ করতে পারি, তা হবে আপনাদেরই কৃতিত্ব।

১৮. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২৯
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন:
ছাত্রলীগ-যুবলীগ-ধর্ষকলীগের এক সদস্য দেখি মানুষের মনের কথাও বুজতে পারে, বুজতে পারে কে খাস বিএনপি....... |

স্বাধীনতা যুদ্বের সঠিক ইতিহাস আবার বিএনপির পক্ষে-বিপক্ষে যাবে কেন, এটা আমাদের সবার ইতিহাস|

তোদের ইতিহাস হাইজ্যাকের দিন ফুরাইছে, সাধারন মানুষ সত্য ঘটনা তুলে ধরছে....।
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৪৪

লেখক বলেছেন: সে সময়ের কথা লিখছি সে সময়ে কিন্ত এ বিভাজন ছিলনা। স্বাধীনতা বিরোধীরা ছিল আজকের জামাত-শিবিরের ভগ্নাংশ।

১৯. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫২
অলস ছেলে বলেছেন: ত্রিশোনকু সাহেবের ত্রিশঙ্কু অবস্থা দেখে মজাই লাগছে। কোন মন্তব্যের কোন উত্তর না দিয়ে লিখে গেলে কেমন হয়? হুমমম। মনে হয়না জুতের হবে। :)

আ্ওয়ামী লীগের এই ফ্যাসিবাদী মানসিকতাটাই সবচেয়ে বর্বর, তাদের ছাড়া অন্য কারো যেন রাজনীতি করার, ভিন্নমত ভিন্ন আদর্শ পোষণ করার কোন অধিকার নেই। বুশের দল।
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:১৩

লেখক বলেছেন: আপনাদের এই বিভাজনে আমার কোন প্রতিক্রয়া নেই।

আমরা সমতটের এক হাজার বছরের ইতিহাসে প্রথম বারের মত একাট্টা হয়েছিলাম । তা ছিল গৌরবের।

আপনাদের মধ্যে বিভাজন লজ্জার।

২০. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১৫
স্তব্ধতা' বলেছেন: ত্রিশোনকু, আমি আপনার জবাবের অপেক্ষা করছি।এমন একটি অসঙ্গতি আমি আমার উপরের মন্তব্যে তুলে দিয়েছি যার কোন গ্রহণযোগ্য ব্যখ্যা আপনি দিতে পারবেন কি না জানিনা।আপনারই এক পোষ্টে আপনি বলেছেন, 'আপনি ৭০ এ নৌকায় ভোট দিয়েছেন, আবার বতর্মান সিরিজেরই প্রথম পর্বের শেষে আপনি বলছেন আপনাকে ভোট দিতে দেয়া হয়নি কারন আপনি ছোট ছিলেন।আবার এই সিরিজেরই কোন একটি আলোচনায় আপনি বলেছেন, আপনার বয়স তখন ছিলো ১২ বছর, সুতরাং ভোট সে সময় আপনার দেয়ার প্রশ্নই আসেনা।যদি ব্যখ্যা দিতে না পারেন তবে গত ছয়টি পর্বে যা পড়লাম তার কতুটুকু বিশ্বাসযোগ্য থাকবে আমার কাছে আমি জানিনা, হয়তো আপনাকেও তদের কাতারে ফেলে দেবো যারা প্রয়োজন মতো মিথ্যাকে মুখোশ পড়িয়ে সত্যের হাটে বিকিকিনি করে।ধন্যবাদ।
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:০৭

লেখক বলেছেন: আপনার পোষ্টের অতি দ্রুত একটা জবাব, ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০৭এ আমি দিয়েছি।

আপনি এ পোষ্ট টা লিখছেন ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১৫এ।

সম্ভবত আপনি আমার উত্তরটা মিস করেছেন।

আমার জবাব ও ব্যাখ্যাটি দেখবার জন্যে সবিনয় অনুরোধ জানাচ্ছি।
_____________________________________________

আমার আরো অনেক লেখার ছিল, কিন্তু আপনি আমার যে অসংগতিটা তুলে ধরেছেন, তার একটা গ্রহন যোগ্য ব্যাখ্যা দেয়া আরও বেশী জরুরী ছিল। আশা করি এরপর যখন আপনি আমার ব্লগে আসবেন আপনার প্রশ্নের উত্তরটা দেখতে পাবেন (১২ নম্বর মন্তব্যের উত্তর)।

০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:২৪

লেখক বলেছেন: যদি আবার না খুঁজে না পান, তাই এখানেই দিয়ে দিচ্ছি আবারঃ

আপনাকে কষ্ট করে এটা দেয়ার জন্যে ধন্যবাদ।

উপরেরটি ভুল নীচেরটা সঠিক। উপরেরটিতে ৭০ এর জায়গায় ৭৩ হবে, মাসটি উহ্য থাকবে।

ভুলের ব্যাখ্যাঃ

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৪৪। এর ১৪ ঘন্টারও কম সময়ের মধ্যে আমি দুটো টেলিফোন থেকে তিনবার টেলিফোন পাই ফোন নম্বর দুটো হচ্ছে:

১। ০১৭১১ ৫৬৪ ৬৩২; মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদ, ডিজি বিডিআর। আমার নিজ কোরের দুই কোর্স সিনিয়র। আমাকে অত্যন্ত স্নেহ করতেন এবং ডাল ভাত কর্মসূচী সম্পর্কে আমার অতি তিক্ত উক্তি ও সাজেসন হাসি মুখে গ্রহন করতেন। আমাকে তুই করে ডাকতেন।

২। ০১৭১৫ ০৫০ ৫১০: লেফটেন্যান্ট কর্নেল এনায়েতুল হকঃ আমার অতি স্নেহাস্পদ জুনিয়র। একসাথে হালিশহর আর্টিলারি সেন্টার ও স্কুলে কর্মরত ছিলাম। ও তখন অবিবাহিত। আমর বাসায় তিন বেলা খাওয়া দাওয়া, এমন কি সেহরী পর্যন্ত করতো। আমর আপন ভাইকেও আমি ততটা স্নহ করিনা যা এনায়েতকে করতাম।

এই দুজনের টেলিফোন আসতে শুরু করে সকাল সাড়ে আটটার পর থেকে। আমি কি কিছুই করতে পারি না? সামনে সাক্ষাৎ মৃত্যু দেখে তারা অনেককেই ফোন করেন। আমি হতভাগা তার মধ্যে একজন।তারা কেন আমাকে ফোন করে সাহায্য চেয়েছিল আজও আমার কাছে তা রহস্যাবৃত। আমি তো দেড় দশক আগে চাকুরী ছেড়েছি। আমার মনে হয় অতি বিপদের মধ্যে পড়লে যেমন মানুষ খড় কুটোও আকড়ে ধরে সে ভাবেই আমার সাথে তাদের যোগাযোগ করা।

যে সময় ঐ ব্লগটা লিখি তার আগে ওদের ফোন পেয়ে আমি পূর্ব পরিচয়ের সুত্র ধরে প্রথমে সেনাসদর ও পরে র‌্যাবের উচ্চ পদস্থ কর্ম কর্তাদের সাথে কথা বলি। সবাই আমাকে আশ্বাস দেয় যে তার খুব অল্প সময়ের মধ্যেই কিছু একটা করবে। তাদের সাথে কথা শেষে সকাল এগারোটায় আমি দুজনকেই ফোন করি, কিন্তু বিকেল তিনটা পর্যন্ত টেলিফোন দুটো বেজে বেজে থেমে যায়। সন্ধ্যার সময় থেকে "সংযোগ দেয়া সম্ভব হচ্ছেনা" শুনতে থাকি।

ঐ অবস্থাতে আমি রাতে নিষ্ফল আক্রোশে ঐ পোস্টটা করি। আমার মানসিক অবস্থা তখন কেমন ছিল তা যদি বুঝতে পারেন তা'লে নিশ্চয় তা'লে ভুলের কারনটা হৃদয়নঙ্গম করতে পারবেন।

২১. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:২৫
শ।মসীর বলেছেন: পড়ে যাচ্ছি।

সুযোগ পেলে মানুষ পশুর চেয়ে অধম হয়ে উঠতে পারে যেকোন সময় !!!!
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৩৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শ ।মসীর।

আমি মানুষকে পশুর সাথে তুলনা করতে দ্বিধা বোধ করি। আপনি বলতে পারেন কি কোন পশু তা যত হিংস্রই হোক না কেন ওপরের মানুষগুলোর একশতমাংশও হিংস্র হতে পারবে?

২২. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৪৫
মনজুরুল হক বলেছেন:

আপনার এই পর্বটায় যে বিভৎস অত্যাচার-নির্যাতনের বর্ণনা এসেছে এমন হাজার হাজার অত্যাচার, নির্যাতন, নিপীড়ন সয়েও মানুষ অন্তরের অন্তস্থল থেকে প্রত্যাশা করেছে স্বাধীনতা। আজ সেই স্বাধীনতার মাত্র ৩৯ বছর পর(আসলে ৩০ বছর পর) জামাতকে জোটে নিয়ে ক্ষমতা আস্বাদনের আহ্ল্লাদে হুদা মন্ত্রী যখন বলেন- আমরা সব অতীত ভুলে সামনে এগুতে চাই, আর সেই নেতার "বাণী" বেদবাক্য ভেবে যারা সেই অত্যাচারের-নির্যাতনের বিচার চাওয়াকে উপহাস করে তখন তাদের দিকে ঘৃণার থুথুও দিতে ইচ্ছে করে না! মনে হয় থুথুর অসন্মান হবে!

চলুক........
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৫৭

লেখক বলেছেন: তারা বাংলার আমাদের জাতীয় পতাকার অবমাননার ওপর লেখা একটি পোস্টে আমার একটি মন্তব্য পড়েছেন বোধ। আপনার মন্তব্যর নীচে লেখা আমার মন্তব্যে। আমি লিখেছিলাম যেখানে আমরা নিজের দেশের লোক এই পতাকাটাকে বছরের পর বছর অপমানিত হ'তে দিয়েছে সারমেয় শাবককে ভোট দিয়ে সাংসদ বানিয়ে, শরিক দল তাকে করেছে মন্ত্রী। তার বাড়ীতে উড়েছে সেই পতাকা প্রতিদিন, বছরের পর বছর, সে বেজন্মার গাড়ি শোভিত হয়েছে সেই পতাকায়।

আমরাই যদি আমাদের পতাকাকে বছরের পর বছর পদদলিত করি তা'লে কি দায় আছে বিদেশীর সেই পতাকার সম্মান সম্মুন্নত রাখার?

২৩. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:৪৬
সাজিদ বলেছেন: কি আর বলবো আমজনতারা চিরকালই পদদলিত। আপনারা সিডিএ তে থাকতেন। বোধকরি তখন সেটা অবস্হাপন্নদের আবাসস্হল ছিলো। এত ত্যাগের বিনিময়ে এই স্বাধিনতা। কিন্তু কি পেলাম আমরা। ভাবছি বাসায় বাংলাদেশের আর টিভি চ্যানেল ই দেখবোনা। চারিদিকে এত অনাচার আর শাসকদের নির্লিপ্ততা আমাকে একটাই প্রশ্ন করে কেন সময় নষ্ট করা? সব ঘটনা মনে দাগ কাটে না। সেদিন মামনি বোলছিলো যে দেশে থাকলে আমার ভাই বোনদের ভর্তি পড়াশুনা নিয়ে কত চিন্তা করতে হত কিন্তু এখানে ভাল রেজাল্ট করাতে স্কলারশিপ পাচ্ছে দেশেতো একটা চিন্তা করতেই হয় মধ্যবিত্তদের। টিভিতে দেখলাম ঢাকা কলেজে এক গার্ডিয়ান বলছে তার সন্তান পছন্দসই বিষয় পাচ্ছে না। ছাত্রলীগ ১০ হাজার টাকা দাবি করছে। এন টি ভি কে ভিতরে ঢুকতে দিচ্ছিলো না ক্যাডাররা। ঢাকা শহরে প্রশাসনের সামনে যদি এই অবস্হা হয় তাহলে মফস্সল বা গ্রামে কি অবস্হা। সেখানেতো সরকারি দলের জমিদারি চলে মনে হয়। এই সরকার আনন্দ করে কিভাবে? বাংলাদেশের মত একটা দেশে যদি সত্যেকারের কোনো দেশপ্রেমিক সরকার আসে তার প্রধানমন্ত্রীরতো রাতের ঘুম হারাম হয়ে যাবার কথা। অপ্রাসংগিক কথা বলে ফেললাম। আললাহর কাছে হাজার শোকর যে আমার বোনকে চারুকলার র‌্যাগ বা ভাইয়ের ভর্তি নিয়ে আমাকে চিন্তা করতে হচ্ছে না।
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:১২

লেখক বলেছেন: আমাদর আর্থিক চরম দৈন্যর কথা আসছে, '৭২ পরবর্তি সময়ে।

আমার যা পারিবারিক আয় তার ৬০% এর বেশী আমাকে ব্যয় করতে হয় তিনসন্তানের পড়া লেখায়।

২৪. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:২৬
স্তব্ধতা' বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।আমার কি উপকার হলো এটা শুধু আমিই জানি।আপনাকে আর বিব্রত করতে চাচ্ছিনা সেটার কথা বলে।আমি অধীর এবং অস্থির হয়ে ছিলাম ব্যাখ্যাটার জন্যে।সে জন্যই কয়েকবার দেয়া। এবং পরে আমার কম্পিউটার এর সাথে ব্যবচ্ছেদ ঘটিয়ে অগ্নিজল (আপনার অনুদিত শব্দ) এর মাঝে উত্তর খুঁজছিলাম।আসলে অসঙ্গতিটা এমন যে সেটাকে বিস্মৃতির দোষে দুষ্টের আওতায় ফেলা যায়না।আর আমিও এমন রাম গবেট, ৭০ টা যে ৭৩ হতে পারে আমার মাথাতেই আসছিলনা।অবশ্য আসলেও আপনার ব্যাখ্যার প্রয়োজনীয়তা তাতে কমতোনা।চালিয়ে যান, সাথে আছি।
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:০৭

লেখক বলেছেন: আমকে বোঝার জন্যে ধন্যবাদ। সাথে থাকুন। ভুলটি ইচ্ছেকৃত হ'লে আমার লিংকটা এই সিরিজের একটা মন্তব্যের জবাবে দেয়ার কথা নয়।

সেদিন ২৬ শে ফেব্রুয়ারী, ২০০৯ এ আমি আমার নিজের সেল, স্ত্রীর, দুই ছেলে এবং এক মেয়ের, আমার রাঁধুনীর, আমার ড্রাইভারের আর বাড়ির কেয়ার টেকারের সেল জব্দ করি। বাসার তিনটি ল্যান্ড টেলিফোন আর আটটি সেল দিয়ে হেন জায়গা নাই যেখানে ফোন করিনি।

আমি পোস্ট টি একটানে লিখি এবং কোন রকম এডিটিং ছাড়াই ব্লগে প্রকাশ করি। এই পর্বটি যা ১২ ফন্টে লেখা আড়াই পৃষ্ঠা, তা আমি তিনবার এডিট করেছি। দেখুন এখনো কত বানান ভুল ও টাইপো থেকে গেছে।

সেদিন খুন হয় আমার অতি পরিচিত অনেক অনেক অফিসার। কর্নেল এনশাদ ইবনে আমিন আমার কলেজের। চিনি ১৯৭২ থকে। একসাথে একই রেজিমেন্টে চাকুরীও করেছি। কারনেজের মাসেক আগেই ওর সাথে ওল্ড ফৌজিয়ানস এ্যাসোসিয়েসনের পিকনিকে সাভারের মিলিটারী ডেরি ফার্মে সারাদিন কাটিয়েছি।

এনায়েতকে আসলেই আমি আমার দু ছোট ভাইএর চেয়েও অনেক বেশী স্নেহ করতাম। আর ওর আমার প্রতি শ্রদ্ধাবোধ, আনুগত্য ও ভালবাসা ছিল প্রবল, প্রশ্নাতীত এবং অন্ধ।

আমার পোস্টগুলো পর্যালোচনা করলে দেখবেন যে মাঝে আমার অনেকদিন কোন পোস্ট নেই। ও সময়টা আমি মাসিকভাবে সম্পূর্ন বিপর্যস্ত ছিলাম। আমাকে নিবিড় সাইকায়াট্রক সাহায্য দিতে হয়েছে বেশ কয়েক মাস।

০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:১১

লেখক বলেছেন: LEST YOU FORGET

[img|http://media.somewhereinblog.net/images/thumbs/Trishonku_1265340761_1-BDR_Carrage-1.jpg










জেনারেল শাকিলের বাস ভবন, যেখানে সারাদিন ধরে তাঁর স্ত্রীকে অমানুষিক অত্যাচার করে হত্যা করা হয়। এই ঘরটিতে অনেকবার খাওয়ার আমার দূর্ভাগ্য হয়েছে। আমার ভোজন বোলাসের কারনে আমাকে জেনারেল শাকিল একাধিকবার আমাকে এইঘরে আপ্যায়িত করেন। ঘটনাক্রমে জেনারেল শাকিলের স্ত্রী আবার আমার স্ত্রীর সহপাঠি ছিলেন।

ফটোগুলো এই ব্লগ থেকেই সংগ্রহ করা, সে সময়ে।

২৫. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:১৮
মৌ-মাছি বলেছেন: পর্ব ৫ এ একজনের এক মন্তব্যের জবাবে বলেছেনঃ

একটু মন দিয়ে পড়লেই বুঝতে পারতেন। আমার ব্য়স ২৬ শে মার্চ, ১৯৭১ এ ছিল ১২ বছর ৯ মাস ২০ দিন। এটাই আমার আসল বয়স কারন ১৯৫৭ সালের জুলাই মাসে আমার বাবা মার বিয়ে হবার তিন মাসের মধ্যে বাবা যুক্তরাজ্যে ৩ বছরের জন্য পাড়ি জমান,

এই পর্বে আর একজনের মন্তব্যে বলেছেনঃ
''৭০ এর ডিসেম্বরে আমি নৌকায় ভোট দেই।'' "উপরেরটি ভুল নীচেরটা সঠিক। উপরেরটিতে ৭০ এর জায়গায় ৭৩ হবে, মাসটি উহ্য থাকবে।"

এখন আমরা হিসাব দেখিঃ

আমার বয়স ২৬ শে মার্চ, ১৯৭১ এ ছিল ১২ বছর ৯ মাস ২০ দিন। এ হিসাবে জন্ম তারিখ হয় ৬ জুন ১৯৫৮। একদিন এদিন ওদিক হতে পারে, আপনি বয়স হিসাব করার সময় জন্মদিন ধরেছেন কিনা জানিনা, আমিও আপাতত ধরছিনা। ৭৩ এর নির্বাচন হয়েছিল ৭ মার্চ। ঐদিন আপনার বয়স ছিল ১৪ বছর ৯মাস ১ দিন। আপনার কথামত মাসটি উহ্য ধরে নিয়ে যদি ৩১ ডিসেম্বর ১৯৭৩ এ নির্বাচন ধরে নেই, তাহলে সেইদিন আপনার বয়স হয় ১৫ বছর ৬ মাস ২৫ দিন।

আমি ঠিক জানিনা ঐসময় কত বয়সে ভোট দেয়া যেত। ১৮ বছরই হওয়ার কথা। তবে ১৫ বছর হওয়ার একটা সম্ভাবনা আছে। যাই হোক তারপরেও আপনার ৭৩ এর ৭ই মার্চ ভোট দিতে পারার কথা না। ভোটার তালিকায়ও নাম উঠার কথা না। নৌকায় ভোট দেয়ায় ধরে নেয়া যায় আপনি সাধারন নির্বাচনেই ভোট দিয়েছেন, তাছাড়া ঐ সময়ে স্থানীয় সরকারের নির্বাচন হয়েছিল কিনা জানিনা, হলেও নৌকা কি প্রতীক ছিল?
পরবর্তী সংসদ নির্বাচন হয়েছিল ১৯৭৮ বা ১৯৭৯ তে, সেখানে ভোট দিয়ে থাকতে পারেন। আর সেটা নৌকা মার্কায় হতে পারে যদি আপনি সাচ্চা আওয়ামীলীগার হয়ে থাকেন।

এই বিভ্রান্তিটা এখনও দুর হয় নাই। আশা করছি দুর হবে।
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:৪৫

লেখক বলেছেন: হা হা হা , আপনি ঠিকই বলেছেন। আপনি লক্ষ করবেন যে আমি স্তব্দ্ধতার ব্যাখার বলেছি আমার আরো কথা ছিল বলার।

যতদিনে '৭৩ এর নির্বাচন আসে ততদিনে তামি হাত খানেক লম্বা হয়ে গেছি।মোচ গজিয়েছে। '৭১ ভোট না দিতে পারার কষ্ট থেকেই গেছে। ভোটার লিষ্টে নামও উঠিয়েছি (৭০এ দিচ্ছিলাম অন্যের ভোট )। ভোটার লিষ্টে নাম, আমার উচ্চতা, গোঁফের রেখা এসব মিলিয়ে আমাকে কেউই চ্যালেন্জ করেনি।

ভোট দিয়েছিলাম এবং নৌকায়।

২৬. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:০২
সাজিদ বলেছেন: ৬ বছর বয়সে ভোট দিয়েছিলাম এরশাদ চাচার আমলে।
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:১৫

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ। আমার সাহায্যে এগিয়ে আসার জন্যে কৃতজ্ঞতা।

ভাল থাকুন সাজিদ।

২৭. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৩৯
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: মন্তব্য নিষ্প্রয়োজন:



০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৫৫

লেখক বলেছেন: "পলিটিক্স মেইকস স্ট্রেন্জ বেড ফেলোজ।" -লেঃ জেনারেল জিয়াউর রহমান, রাষ্ট্রপতি, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ। ২৬ শে মার্চ, ১৯৮১, অফিসারস ক্লাব (বর্তমানে কুর্মি টোলা গল্ফ ক্লাব)। সময় রাত ৮ থেকে ৯ টা।
একথা তিনি বলেছিলেন মুক্তি যোদ্ধা অফিসারদের একটি প্রশ্নের উত্তরে: "স্যার, হোয়াই ডিড ইউ মেইক শাহ আজিজ ইয়োর প্রাইম মিনিস্টার?"
-নিজ কানে শোনা।

২৮. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:২২
সাজিদ বলেছেন: "আমার যা পারিবারিক আয় তার ৬০% এর বেশী আমাকে ব্যয় করতে হয় তিনসন্তানের পড়া লেখায়।"

এই কারনেই টিভিতে নিউজটা দেখে খারাপ লেগেছে বেশী। বাংলাদেশের কারা এখন ঢাকা কলেজে অনার্স পরতে যায়? যারা সবদিক দিয়ে েকটু দুর্বল। আর অমানুষের বাচ্চাগুলা এদের দুর্বলতার সুযোগ নিচ্ছে। এক পিতার কথা শুনে বেশি খারাপ লাগলো। কত অসহায় মানুষ এসব কুকুরদের কাছে।
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৫১

লেখক বলেছেন: সঠক। আমার বাবা আমার থাকা, খাওয়া, পরা (পরিধেয়), পড়া বাবড আমার পেছনে যে টাকা ব্যয় করতেন কেডেট কলেজে সে টাকা দিয়ে আমার এক সন্তানের ৬ দিনের টিউশন ফি হয়না। আর আমাদের সময় ঢাকা কলেজে শুধু তারকা ছেলেরা পড়তো। নাম মাত্র বেতনে।

২৯. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:১৯
ও.জামান বলেছেন: এরশাদের হাঁ/না ভোটের সময় স্কুলে পড়তাম। ভোটের দিন প্রাইভেট পড়ে ফেরার সময় স্কুলের পাশদিয়ে আসছিলাম। মাঠ ফাঁকা, কোন ভোটার নেই। কাইয়ুম স্যার ডাক দিলেন। আমার বাবার ভোটটা দিয়ে যেতে বললেন। একটা ছোট্ট কাগজ ছিঁড়ে হাতে দিয়ে বললেন হ্যাঁ লেখা বাক্সে ফেলতে। ফেললাম। বাসায় এসে বাবাকে বলতেই সাইলেন্স ট্রিটমেন্ট শুরু হয়ে গেল এবং এক সপ্তাহ চললো।

(বাবা কোনদিন আমাদের বাকুনি দেন নি, গায়ে হাত তোলা তো অনেক দূরের কথা। যখন শাস্তি দিতে চাইতেন শুধু কথা বলা বন্ধ করে দিতেন। সন্তানকে শাস্তি দেয়ার জন্য এর চেয়ে বাঁজে পদ্ধতি অদ্যাবধি আবিস্কার হয়েছে বলে শুনিনি।)
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৫৭

লেখক বলেছেন: "সন্তানকে শাস্তি দেয়ার জন্য এর চেয়ে বাঁজে পদ্ধতি অদ্যাবধি আবিস্কার হয়েছে বলে শুনিনি।"


-আপনার সাথে একমত। আমার এক বন্ধুর বাবা সন্তানেরা নামাজ না পড়লে খাওয়া দাওয়া বন্ধ করে দিতেন।


আমার বাবা অবশ্য ছিলেন এক ডিকটেটর। বাড়িতে একমাত্র হাসি মুখে কথা বলতেন সাহায্যকারীদের সাথে। তারঁ অত্যাচারে অধীর হয়ে কয়দিন যে সৃষ্টিকর্তার কাছে তাঁর কাজের লোক হ'তে চেয়েছি তা মনে নেই

৩০. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:১৯
স্তব্ধতা' বলেছেন: সমস্যা হচ্ছে আমরা নিজেরা যখন নিজেদের বিচার করি, মানুষ হিসেবেই বিচার করি কিন্তু যখন অপরকে বিচার করি তখন তাকে মহামানবের পর্যায়ে ফেলে বিচার করি এবং তার নূন্যতম দোষ-ত্রুটিও আমাদের কাছে বিশাল হয়ে দেখা দেয়।আপনার বয়স নিযে আমার উপরের অভিযোগটি এই দোষে প্রবলভাবে দুষ্ট।আপনি যদি আবেগতাড়িত হয়েও কোথাও ৭৩ কে ৭০ লেখেন বা ভুলেও লেখেন অথবা ভোট না দিয়েও যদি বলেন ৭৩ এ ভোট দিয়েছেন, তাতেও আপনার এই লেখার মূল্যমান ও সততা বিন্দু মাত্র কমবেনা।কারন এ লেখা পড়লেই বোঝা যায় কি রকম অমলিন দগদগে স্মৃতি এর উৎস।নিজের উপর আরও মেজাজ খারাপ হচ্ছে যখন দেখছি আমারই করে দেয়া সুযোগটি নিয়ে কেউ পানি ঘোলা করে মাছ শিকার করতে চাইছে।আন্তরিকভাবে দু:খিত এবং আমি বিব্রত।

দু:সহ আপনার স্মৃতির ভার।কী করে বইছেন, জানিনা।ভালো থাকবেন।পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০১

লেখক বলেছেন: না না নাএকদম ঠিক আছে। আপনি অবশ্যই জিজ্ঞেস করবেন। যে অসংগতি আপনি ধরেছেন সেটা মোটা দাগের। এর চেয়ে অনেক ছোট কোন বৈশদৃশ্যও যদি ধরা পরে আপনার চোখে আপনি অবশ্যই তা খোলাসা করবেন। আমার অবতরনিকাতে তা আমি উল্লেখ করেছি।

৩১. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৩৯
অলস ছেলে বলেছেন: পরের পর্ব কখন? সামুতে ঢুকেছিলাম একটা লেখাই পড়তে পারি কি না দেখতে। :)
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০৭

লেখক বলেছেন: এ পর্বের দু নম্বর মন্তব্যে কালই উল্লেখ করেছি যে আজ লিখতে পারবোনা।

আমি ঢাকার বাইরে। আপনাদের জবাব দেয়ার জন্যেই লিখছি।

৩২. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:০০
মৌ-মাছি বলেছেন: @স্তব্দ্ধতা,
নিজের উপর আরও মেজাজ খারাপ হচ্ছে যখন দেখছি আমারই করে দেয়া সুযোগটি নিয়ে কেউ পানি ঘোলা করে মাছ শিকার করতে চাইছে।

প্রথমে বলে নেই, আমার শেষ কথাটি ছিল -- "এই বিভ্রান্তিটা এখনও দুর হয় নাই। আশা করছি দুর হবে।" এখানে আশাবাদ রাখা হয়েছে। ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের কোন চেষ্টা কিভাবে আপনার চোখে পড়ল, আমি বুঝলাম না। আপনার চশমা / গোগলসের রং কি লাল না কাল। আপনার মেজাজ আমার মেজাজের চেয়ে একটু অধিকতর গরম -- সেটা দেখতে পাচ্ছি। নিজেই মেজাজের কথা লিখেছেন। আবার এই ৭০/৭৩ নিয়ে আপনার ভিতরের প্রতিক্রিয়াটি কি ছিল তাও লিখেছেন "আমার কি উপকার হলো এটা শুধু আমিই জানি।আপনাকে আর বিব্রত করতে চাচ্ছিনা সেটার কথা বলে।আমি অধীর এবং অস্থির হয়ে ছিলাম ব্যাখ্যাটার জন্যে।সে জন্যই কয়েকবার দেয়া।" আমি বুঝতে পারছিলাম লেখক হয়ত অন্যের ভোট দিয়েছেন, কিন্তু সেটি আমার মুখ দিয়ে বলে তাকে বিব্রত করার দরকার দেখিনাই।

তারিখ নিয়ে যে রাজনীতি চলছে বাংলাদেশে, স্বাধীনতার ঘোষনা পাঠ/দেয়া, জন্মদিন পালন ইত্যাদি। কাজেই তারিখ সংক্রান্ত বিভ্রান্তি যেহেতু কারো না কারো নজরে এসেছে (কেউ কেউ সেটা নিয়ে অস্থিরও হয়ে যাচ্ছে) তাতে এটি পরিস্কার করাই ভাল। লেখক তার স্বভাবজাত হাস্যরস দিয়ে বিষয়টি পরিস্কার করেছেন।
৩৩. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:০৫
মৌ-মাছি বলেছেন: তবে যে ভাবে জাল ভোট দেয়ার নমুনা আমরা দেখছি, তাতে বাংলাদেশে নির্ভেজাল ভোট হওয়ার সম্ভাবনা সূদুরপরাহত। ছোটবেলা থেকে আমাদের ভিতরে অজান্তেই রয়েগেছে এই সব অসততা।
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১১

লেখক বলেছেন: এব্যাপারে আপনার সাথে একমত না হয়ে পারছিনা। ১৯৭০এ আমাদের এলাকার ভোট কেন্দ্রের পোলিং অফিসারটা যদি অতি কড়া না হতেন তা'লে এই আলোচনাটা উঠতোই না।

০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৩৫

লেখক বলেছেন: সনটা ঠিক করে দিতে পেরেছি, ক্রোম ব্রাউজারে আপলোড করে।

৩৪. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:০৬
হোসাইন১৯৫০ বলেছেন:

আপনার সৃত্মিচারণের এই পোস্টগুলোর সবগুলোতে অনেকের অনেক মন্তব্য এসেছে । নানাজানের নানা মন্তব্য হতে একটা বিষয় আবার মনে পড়ে গেল ।
আর সেটা হল :
মুক্তিযুদ্ধকে প্রচলিত পলিটিক্যাল ইস্যু ( বি.এন.পি. , আওয়ামীলীগ , জামাত , ডানপন্থী , বামপন্থী ) দিয়ে বিচার করার মনমানসিকতা থেকে আমরা বের হতে পারিনি । আমরা বাঙালী অকৃতজ্ঞের জাতি । সব কিছু খুব দ্রুত ভুলে যায় সবকিছু । ভুল বললাম । আমরা অকৃতজ্ঞ নয় , কৃতঘ্নের জাতি ।

৭১’ কোন দলীয় সংগ্রাম ছিল না , ৭১’ ছিল গণমানুষের সংগ্রাম ।

আর কি পরিমাণ , কত বড় ত্যাগ দিয়ে আমরা এই স্বাধীনতা পেয়েছি , তা আমরা আসলে বুঝি না ; আসলে বুঝতে চায় না ।

আমাদের দেশের প্রচলিত রাজনীতির বাইরে এসেও দেশের সেবা করা যায় । এই বিষয়টা আমরা বুঝতে চায় না ।

প্রার্থনা করি , ইশ্বর যেন আমাদের প্রচলিত রাজনীতির বাইরে এসে মুক্তিযুদ্ধসহ সকল বিষয় চিন্তা করার সামর্থ ও মন-মানসিকতা দেন ।

একাত্তরে গণ মানুষের নিপীড়নের একটি ঘটনা বলি :

(সাক্ষাৎকারটি গ্রহণ করি ২০০৮ সালের ১৭ জুলাই)

চট্টগ্রামের বর্তমান নয়া বাজার এরিয়ায় তখন থাকতেন বাঙালী মুদি দোকান ব্যবসায়ী জয়নাল উদ্দিন । ছোট পরিবার । এক ছেলে , দুই মেয়ে আর স্ত্রী । মেয়ে দু’জন বড় (৭১’-এ বয়স ১৫ বছর আর ১৩ বছর) । ছেলে ১০ বছর । ১৯৭১-এর জুনের ১২ তারিখ রাতে বিহারীরা দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে হানা দেয় । বিহারী দেখেই পিছনের দরজা দিয়ে বর্তমান মৌসুমি আবাসিক এলাকার দিকে পালিয়ে যেতে চেয়েছিল এই পরিবার । কিন্তু বিহারীরা দরজা ভেঙে ভিতরে ঢুকে পিছনের দরজা খোলা দেখে সেদিকে গিয়ে এই পরিবারের পিছনে ধাওয় করে । খুব দ্রুত মা আর দুই মেয়ে ধরা পড়ে । বাবা পরিবারের তিন সদস্যকে ধরা পড়তে দেখে না পালিয়ে ফিরে আসেন । জয়নাল উদ্দিনকে বেঁধে সারা রাত ধরে চলে তিন জনের উপর নির্যাতন । ভোরে চলে যাওয়ার সময় জয়নাল উদ্দিনকে জবাই করে । বিহারীরা দু,বোনকে তুলে নিয়ে গিয়েছিল , যাদের আর কোন খোঁজ পাওয়া যায়নি । ছোট ছেলে পালিয়ে বেঁচে গিয়েছিল । সেদিন সকালে ১০টার দিকে বাসায় ফিরে এসেছিলেন সেদিনের ছোট ছেলে ফিরোজ উদ্দিন । এরপর সেদিনই আহত মাকে নিয়ে গ্রামের বাড়ি রাউজানে চলে যান তাঁরা । জয়নাল উদ্দিনকে তারা কবরও দিতে পারেননি ।
সাক্ষাৎকারটি দিয়েছিলেন জয়নাল উদ্দিনের স্ত্রী আর ফিরোজ উদ্দিন ।

এরকম হাজার হাজার ত্যাগ তিতিক্ষার মধ্য দিয়ে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি কিন্তু এত কষ্টের স্বাধীনতাকে প্রচলিত রাজনীতি দিয়ে বিচার করতে ও আলোচনা করতে দেখে খুবই কষ্ট লাগে ।

আমরা সত্যিই কৃতঘ্ন জাতি ।

২০০৮-এর ২৮ নভেম্বর ইন্তেকাল করেন জয়নাল উদ্দিনের স্ত্রী । নিজ হাতে কবরে মাটি দিয়েছি । খুব কষ্ট লাগে খুউব ।


৭১’-এ এত কষ্টের , এত রক্তের , এত অশ্রুর অর্জনকে কোন দামই দিলাম না । ক্ষমা করো তোমরা আমাদের ।
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫০

লেখক বলেছেন: জয়নাল উদ্দিনের স্ত্রী সৃষ্টিকর্তা অপার শান্তিতে রাখুক।

মানবতার অবমাননা অত্যন্ত কম বয়সে যেমনভাবে কাছ থেকে প্রত্যক্ষ করেছি তাতে মানব জাতির শ্রেষ্ঠত্বে আমি সন্দিহান।

যেহেতু আমি একটি বিশেষ ধর্মে জ্ঞান হবার পর থেকে দীক্ষিত, তাই "মানুষ সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব" একথাটি মেনে নিয়েছি।

৩৫. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৫৮
বাস্তবতা বলেছেন: "নিশ্চয়ই আমি মানুষকে তৈরি করেছি অতি উত্তম গঠনে।
তারপর তাকে নামিয়ে দিয়েছি নিচু থেকে নিচু স্তরে।
কিন্তু তারা ব্যাতিত, যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকর্ম করেছে।"

(সূরা আদ দূহা)
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৪৮

লেখক বলেছেন: আসলে দ্বিতীয় শ্রেনীর একটা বাচ্চাকে যে মন বোঝানোটা বাতুলতা যে কি ভাবে এ আর বি যোগ করা যায় তেমনি আমারও বোঝা অসম্ভব সৃষ্টিকর্তার লীলা। যারা '৭১এ বলী হয়েছেন নিষ্ঠুরতার তাদের কি দোষ ছিল তিনিই জানেন। আর সাকা কিভাবে এখনো বহাল তবিয়তেই আছে সেটাও তাঁরই জানা। যারা ঠান্ডা মাথায় অতি সুপরিকল্পিতভাবে বুদ্ধিজীবিদে হত্যা করেছে তারা তো উন্নত বিশ্বে খুবই সচ্ছন্দে জীবন যাপন করছেন।

আমি শুধু বিশ্বাস করতে চাই অন্ধ ভাবে তাঁকে, শেষ বিচারের দিনে এবং করতে চাই ভাল কাজ (কিন্তু পারিনা, সর্বগ্রাসী লোভের জন্যে আর স্বার্থপরতার জন্যে)।



ধন্যবাদ বাস্তবতা।
--------------------------------------------------------------------------------

আপনার উদ্ধৃত পংতিটি সম্ভবত অন্য কোন সুরার।

তবে এর কাছাকাছি পংক্তিমালায় লেখা সুরা আসরে।

৩৬. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:৫১
স্তব্ধতা' বলেছেন: @মৌমাছি: আপনার সাথে বিতন্ডায় লিপ্ত হবার কোন ইচ্ছে আমার নেই।আপনার চাক আমি জানি।আর জানি বলেই বয়স নিয়ে যে রকম হিসেবের অংক কষেছেন, মাছ শিকারের সুযোগ যে আপনি হাতছাড়া করতেননা এ নিশ্চয়তা আমি নিজেকে দিতে পারিনাই।তিলকে তাল করার বঙ্গীয় নোংরা রাজনীতির সাথে আমার খুব অন্ত:রঙ্গ পরিচয় আছে।আর সে জন্যই বিব্রত বোধ করছিলাম যে মাছ শিকারের হ্যাছাকের আলোটাও বোধ হয় আমিই জ্বালিয়ে দিলাম।আর যদি সত্যিই ব্যাপারটি আমার রঙিন চশমার ইল্যুশন হয় তবে ক্ষমা প্রার্থী এবং দু:খিত।

@হোসেইন ১৯৫০ঃ খুব ভালো বলেছেন।আজ ৩৮ বছর হলো আমাদের রথী মহারথীরাই যে জিনসি পারলেননা সেই জিনিস আপনি আশা করছেন এই ব্লগে।স্বয়ং সৃষ্টিকর্তাও মনে হয়না আপনার বাঞ্চনা পূরণ করার ক্ষমতা রাখেন।তবু কামনা করি আপনার মনোবাঞ্চনা পূর্ণ হোক, আমরা নিরপেক্ষ একটি অবস্থান থেকে আমাদের স্বাধীনতার ইতহাসের এই মহান গৌরবটিকে দেখতে শিখি।গতকাল শুধু আপনার ব্লগের ছবি গুলোই দেখছিলাম।আগেই দেখা কিন্তু অসাধারন লাগছিলো ত্রিশোনকুর এই সিরিজের সঙ্গে মিলিয়ে দেখতে।খুব মিলে যায় বর্ণনাগুলো।ভালোকথা, আপনার কাছে কি ওই ছবিটা আছে? ছবিটা ইত্তেফাকে ছাপ হয়েছিলো।এক মহিলা জাল দিযে লজ্জা নিবারণের চেষ্টা করছে।খুব আলোড়ন তোলা ছবি, আমি নিশ্চিত নই রশীদ তালুকদারের কিনা।তবে মহিলাটি সম্ভবত উত্তর বঙ্গের (গাইবান্ধা জেলা সম্ভবত)।নাম খেয়াল নেই (বাসন্তী কি?)।ছবিটি যদি থাকে আপলোড করলে বাধিত হবো, অথবা যদি কোন তথ্য থাকে ছবিটি সন্ক্রান্ত দিলে উপকৃত হবো।ধন্যবাদ।

@লেখক: আপনার অনুমতি ছাড়াই লেখাটি কপি করে রেখেছি, আপনার যেহেতু কিছুই করার নেই, তাই ক্ষমা চাচ্ছিনা :`> :`> :`> :`> কিন্তু এখন মনে হচ্ছে শুধু লেখা নয় অন্তত বিশেষ কয়েকজনের মন্তব্য গুলোও কপি করে রাখা দরকার।তাদের সংযুক্তি লেখাটার আবহটার অলঙ্করণ আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। অপেক্ষায় থাকলাম পরের পর্বের জন্য।
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৫০

লেখক বলেছেন: "এক মহিলা জাল দিযে লজ্জা নিবারণের চেষ্টা করছে।খুব আলোড়ন তোলা ছবি।"

-আমার কাছে ছবিটি নেই তবে আমি পত্রিকায় ছবিটি দেখেছি। আমার ভুল যদি না হয় তা'লে সেটা '৭৪এর ছবি। ছবিটা পাওয়ার চেষ্টায় আছি। পাবো কিনা জানিনা।

সনটা ঠিক করে দিতে পেরেছি, ক্রোম ব্রাউজারে আপলোড করে।

৩৭. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:২৯
রাগিব বলেছেন: অফ টপিক - সিডিএ কত নম্বর রোডে ছিলো আপনাদের বাড়িটা?

আমি হাতে খড়ি স্কুলে পড়েছি, ব্যাংক কলোনী স্কুলেও। আর আমি বড় হয়েছি দশতলার ঠিক পেছনের হোস্টেল কলোনীতে।
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:০৯

লেখক বলেছেন: আমাদের সময়ে কোন রোড নম্বর ছিলনা। ২২৭ সিডি এ আবাসিক এলাকা, আগ্রাবাদ চট্টগ্রাম ছিল পোষ্টাল এড্রেস। আমি বাড়িটি এ দশকের প্রথম দিকেও লোকেট করতে পেরেছিলাম। এখন ঢাকার মত চিটাগাংএও ডেভেলাপারদের কালো থাবা প্রসারিত। না থাকারই কথা। আপনি যদি জাম্বুরী মাঠ থেকে ঢোকেন তা'লে বাঁয়ে হাতে খড়ি স্কুলটা ছাড়িয়ে বাঁয়ে মোড় নেবেন। দ্বিতীয় শেষ ডানে ঢুকলে হাতের ডানের তৃতীয় বাড়িটি।

হাতে খড়ি স্কুলটা স্বাধীনতার পরের। প্রয়াত লতিফ চাচার উদ্যোগ ও নেতৃত্বে স্থাপিত হয়। যে কস্ট, ত্যাগ স্বীকার ও পরিশ্রম স্কুলটি স্থাপনের জন্যে তিনি করেছেন তা অনুকরনীয় এবং অভাবনীয়। তাঁর এক ছেলে ছিল আমার খুবই কাছের বন্ধু-ফটিক। ও এখন জেনিভায় স্থায়ী। বাংলাদেশে ফিরে আসবার পাগলামীতে তাকে একবার পেয়েছিল। আমি চেষ্টা করেছি যাতে তার পাগলামীটা সেরে যায়।

০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪৩

লেখক বলেছেন: স্টেট ব্যাংক কলোনী স্কুল ডাকতাম আমরা। আমার ছোট দু ভাই ও তিন বোন পড়েছে ও স্কুলে।

দশ তলাটা তখন ছিলনা।

৩৮. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৫৬
রোহান বলেছেন: পোষ্টটা পড়ে শিউরে উঠলাম... বিপর্যস্তও বটে... আমাকে পাষন্ড বলতে পারেন কিংবা মানবাধিকারের ধুয়া তুলতে পারেন, তবে আমার যদি সাত বছরের কোনো বোন কিংবা মেয়েকে পাশবিক নির্যাতন করতো কেউ তবে তার শ খানেক টুকরো করে কাটলেও আমার আক্রোশ মিটতো না.... আমার নিজের বোন ও না আর আমার দেখা ঘটনাও না, স্রেফ আপনার বর্ণনা পড়ে আমার নিজের যে ক্রোধ জাগছে, সেই সময়টাতে সেই অসহায় লোকগুলোর কি নির্মম অনুভূতি হতে পারে ভেবে আবারও শিউরে উঠছি.... আর সেই ক্রোধ যদি এই এতোটা বছর ধরে কেউ চেপে রাখে, প্রকাশ করার উপায় থাকে না তাহলে কেমনটা লাগে....

বিহারী আর রাজাকারদের নির্মম নৃশংসতার অনেক বড় কিছু চিহ্ন রয়ে গেছে আমাদের পরিবারে... মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচে যাওয়াটা কখনো কখনো মৃত্যুর থেকেও বেশী করুন হয়ে উঠতে পারে সেটা না দেখলে বোঝা যায় না.... খুনী - ধর্ষক রাজাকার আলবদর আলশামস আর তাদের নীতি নির্ধারক ও সমর্থক এদের জন্য স্রেফ ঘৃণার থুতু বরাদ্দ করলে অনেক কম হয়ে যায়...
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৪২

লেখক বলেছেন: হঠাৎ হরে আবেগ তাড়িত হয়ে এই লেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। লিখতে গিয়ে অসহনীয়, ভয়াবহ স্মৃতি খুঁড়ে বের করে আনছি। মনে হচ্ছে এ সিদ্ধান্তটি হটকারী ছিল। ঘুম কমে গিয়েছে একেবারে। দুঃসপ্ন গুলো ফিরে এসেছে অনেক দিন পরে।

৩৯. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২৭
সব্যসাচী প্রসূন বলেছেন: কিছু কিছু মানুষকে পশু বলে গালি দিলে পশুরই অবমাননা করা হয়.... পড়ে যাচ্ছি...
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩১

লেখক বলেছেন: আমি একথাটাই বলতে চাইছি।

আপনাকে ধন্যবাদ।

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:২৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪১. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:০৪
তুষারকনা বলেছেন: "আমার জানা আমার শোনা তখনকার অত্যাচারের কাহিনী যদি আমি বলে যেতে চাই তা'লে আমি শুধু নারী নির্যাতনের ওপরই হয়তো পঁচিশটা পর্ব লিখতে পারবো"

আপনাকে অনুরোধ এ নিয়ে পর্ব লিখবেননা।এতো ভয়াবহ গা শিউরে ওঠা সত্যি ঘটনা শোনার শক্তি নেই আমার।
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৯

লেখক বলেছেন: যেটুকু না লিখলে আপনি ধারনায় আনতে পারবেন না যে কি নির্যাতন তখন হয়েছিল, সেটুকুই লিখেছি। এসব স্মৃতি আমি বের করিনা কখনোই, সাধারনত।

৪২. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৩৮
জুল ভার্ন বলেছেন: পড়ে যাচ্ছি। নির্যাতনের ইতিহাস পড়ে শিউরে উঠছি।


অঃটঃ আমিও এক্স ক্যাডেট। '৭৫ এ এইচ এস সি, ঝিনেদাহ ক্যাডেট কলেজ। কর্ণেল গুলজার আমার অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বন্ধুছিলেন। আমার শাশুরীর বন্ধু লেখিকা ফাহমিদা আমিনের ছেলে কর্ণেল ইনশাদ পারিবারিক ভাবে আমাদের ঘনিষ্ঠজন ছিলেন। এক্স ফৌজিয়ান ডঃ হাবীব সিদ্দিকী(বর্তমানে আমেরিকা প্রবাসী)কি আপনার পরিচিত?
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫০

লেখক বলেছেন: একজনকে মনে পড়ে। হাবীব ভাই। কিন্তু কলেজ ছাড়ার পর আর দেখিনি তাঁকে। আপনি আমার এক বছরের জেষ্ঠ। এনশাদের স্ত্রীকে দেখেছি গত মাসে আমার এক ক্লাস মেট এনশাদের কোর্স মেট (ও আমার পরে আর্মিতে ঢোকে)এর কুলখানিতে।

র‌্যাবের কর্নেল গুলজার তো আপনার অনেক কনিষ্ঠ হবে।

৪৩. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:৪৩
জুল ভার্ন বলেছেন: @ লেখক সরি, আমার টাইপো হয়েগিয়েছে-আমার প্রথম মন্তব্যে '৭৫ এর যায়গায় ৭৬ হবে। অর্থাৎ আমি এইস এস সি পাশ করি '৭৬ সনে।

গুলজার আমার থেকে ২ বছরের জুনিয়র। কিন্তু ঘটনা চক্রে আমরা ঢাকা সেনানিবাসে একসাথে শিশু-কৈশোর কাটিয়েছি।
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:০২

লেখক বলেছেন: বাহ একটা ক্লাসমেট পাওয়া গেল।

২ বছরের গ্যাপ কোন ব্যাপারই না। ভাল বন্ধুত্ব হতেই পারে।

৪৪. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৫৫
সুবিদ্ বলেছেন: অনেক বিভৎস নির্যাতনের কথা পড়েছি.......আপনার লেখাটা পড়ে আবারো শিউরে উঠলাম.......

আমি বিশ্বাস করি ভাইয়া, পাকিদের আজকে যে অবস্থা, তার জন্য ঐ নির্যাতিতা মেয়েদের অভিশাপ কাজ করে.......
১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০৮

লেখক বলেছেন: আপনি বিষয়টা আমাকে নতুন করে ভাবালেন।

১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৩৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৭৯৩ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
না প্রেমিক না বিপ্লবী
trishonku@hotmail.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই