আমার প্রিয় পোস্ট

C:\Documents and Settings\raad\My Documents\Lighting cig..jpg

ঊনসত্তুর থেকে পচাঁত্তুর-'৭১এ যাদের বয়স তিনের কম ছিল তাদের থেকে সামুর কনিষ্ঠতম ব্লগারটিকে উৎসর্গীকৃত-পর্ব৭

০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:০৫

শেয়ারঃ
0 23 0

[si]অবতরনিকা: বংগবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নির্বংশকারীদের (আমি নির্বংশই বলবো কারন প্রচলিত ধারায় বংশগতি পুরুষ উত্তরাধিকারীর ওপরেই বর্তায়) শাস্তি প্রদানের পর থেকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটার পর একটা পোষ্ট আসছে। যার প্রায় সবগুলোই (গুটি কয়েক ব্যতিক্রম ছাড়া) পক্ষপাত দুষ্ট। অনেক ভাবনা চিন্তা করে আমার নিজস্ব ক্ষতির কথা ভুলে/ এড়িয়ে আমি আমার একান্ত ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতা তুলে ধরছি, শিরোনামে উৎসর্গীকৃত ব্লগারদের জন্যে। ৩ বছরটা উল্লেখ করার কারন হ'ল যে মানুষের কোন স্মৃতি ৩ বছর বয়সের আগে থাকেনা, সাধারনত। এ পোস্টে আমার ব্যাক্তিগত ক্ষতি গুলোঃ

১। এটা প্রকাশিত হবার পর আমার পরিচয় গোপন থাকবেনা, যা আমি এতদিন সযতনে রক্ষা করেছি।

২। ব্যাক্তিগত ঘটনা বয়ান পাঠকদের কাছে মাঝে মধ্যে আত্মপ্রচার ও পারিবারিক প্রচারের মত লাগবে যা আসলেই অশোভন, অরুচিকর এবং বিরক্তিকর। এগুলোও আমি লুকিয়ে রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করে এসেছি আজীবন।

৩। কোন পক্ষাবলম্বন না করে লেখাটা অত্যন্ত দুঃসাধ্য। আমার জন্যে আরো কঠিন। কারন যৌবন যখন সদ্য দেহ-মনে ভর করে আমার সমগ্র সত্তাকে ভীষনভাবে নাড়িয়ে দিচ্ছে, যা কিছুই সুন্দর তারই প্রেমে পড়ছি, ঠিক সে সময়ই বংগবন্ধুর সাথে আমার পরিচয়। নিরপেক্ষভাবে তাঁর ব্যাপারে লিখতে আমার খুবই কষ্ট হবে এবং আমাকে অসাধ্য সাধন করতে হবে।

৪। শুধুমাত্র স্মৃতি নির্ভর লেখার মূল সমস্যাটা হ'ল ভুল স্মৃতি মনের মধ্যে থাকা। যে কেউ যদি নিজের অভিজ্ঞতা থেকে আমার কোন বক্তব্যে দ্বিমত প্রকাশ করেন, তা'লে তাকে আমি অনুরোধ করবো মন্তব্যে তা তুলে ধরতে। আমার স্মৃতি ঘাটতে সাহায্য করার নেই কেউ আমার হাতের কাছে।

আমি আপ্রাণ চেষ্টা করবো-আমার যে একটা দায় আছে আমার পরের প্রজন্মগুলোর কাছে।

আমার এই দায় শোধ যদি এই প্রজন্মকে আমাদের গৌরবময় আর কলংকলেপিত অতীতকে নিরপেক্ষ ভাবে দেখতে শেখার পথে একপাও এগিয়ে নিয়ে যায়, তা'লেই আমি মনে করবো সেটা আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ অর্জন।

অনুগ্রহ করে মনে রাখবেন এটা আমার একান্তই ব্যাক্তিগত সৃতিচারন। পারিবারিক ঘটনাবলীর চর্বণ। সমগ্র দেশের ব্যাপারটা কখনোই প্রধান্য বিস্তার করবেনা, সে সাধ্য বা যোগ্যতা আমার নেই।

পুরো সময়টার কিছু অনুল্লেখ যোগ্য অংশ বিষদ ভাবে আসবে আবার অতি গুরুত্বপূর্ণ অংশ বাদ পরবে, ব্যাক্তগত স্মৃতিচারনের এটা একটা বিরাট সমসয়া। অনুরোধ করি বিষয়টা মনে রেখে আমার এ লেখাটা পড়বেন ।

পুরোটা পড়ার পর অনেকের কাছেই এটাকে "পর্বতের মূষিক প্রসব" বলে মনে হ'তে পারে। তাদের কাছে আমি ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।

>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>

পর্ব-১
পর্ব-২
পর্ব-৩
পর্ব-৪
পর্ব৫
পর্ব-৬
_____________________________________________
সহী রাজাকারনামা
ওপরে ও নীচে দাগ দেয়া এই জায়গাটুকুতে আমি যা বর্ণনা করবো তার বেশীর ভাগই শোনা। নিজের অভিজ্ঞতা বা প্রত্যক্ষদর্শীর সাক্ষ্য নয়। এ পরিচ্ছদটি আমি বাদই দিতে চেয়েছিলাম। কারন আমার লেখার পরিসরের বাইরে এটা। কিন্তু একেবারে না উল্লেখ করলে আমার লেখাটি অপুর্ণ থেকে যায় বলেই লিখছি।তাছাড়াও অল্প কিছু ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতাও আছে।

ফকা চৌধুরী

রাজাকার আল বদর আল শমসের যত না কাহিনী শুনেছি তার চেয়ে ফকার কথাই একাত্তরে অনেক বেশী শোনা যেত।

ফকা ছিল নিজেই একটা প্রতিষ্ঠান। তার বাড়ি গহিরায় তার তান্ডবের কথা আমরা শুনেছি। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার অল্প কিছুদিন আগ পর্যন্ত বেশ কয়েকবার বাবার শিকারের সংগী হিসেবে রাউজান (গহিরা) এলাকায় গিয়েছিলাম। ওখানে হিন্দু প্রধান গ্রামগুলোতে পাখি বেশী পাওয়া যেত। তখন গহিরা শান্তির দ্বীপ বলে একটা জায়গা ছিল। বলা হত চিটাগাংএর আরেক গহিরার উন্নয়নের জন্যে বিদেশী অনুদান এসেছিল। উন্নয়ন শুরুর আগে বিদেশীরা এসেছিল সরেজমিনে এলাকাটা দেখতে।ফকা তাদেরকে নিজে অভ্যর্থনা করে নিয়ে যান আরেক গহিরায়- তার নিজের বাড়িতে। তো অনুদানের টাকা ফকার গহিরাতেই ব্যয় করা হয়েছিল।

কুন্ডেশ্বরী ঔষধালয়ের আসে পাশের এলাক ছিল ছায়া সুনিবিড়। ঘুঘু আর হরিয়ালে অল্প সময়ের মধ্যেই ব্যাগ ভর্তি হয়ে যেত । আমি একবার একটা কানা কুড়কা (মন্জুরুল হকের ভাষায় কানা কুহক) মারলাম। গ্রামের ছেলেমেয়েরা আমাকে ক্ষ্যাপাতে লাগলো-কানা কুড়কা খায়না কেউই (মন্জুর খেয়েছিলেন)। একাধিকবারের এই সফরে যতটুকু বুঝেছিলাম তা হ'ল এলাকার হিন্দুরা তাকে সাক্ষাৎ অবতার মনে করতো। মুসলমানদের মধ্যে যারা হত দরিদ্র ছিল তারাও তাঁকে খুব শ্রদ্ধা করতো। তবে অবস্থাপন্ন লোকদের অনেকেরই তাঁর প্রতি ছিল প্রচ্ছন্ন হিংসা-তাঁর সম্পদ আর সুনামের জন্যে। ফকা চৌধুরীর বাড়ির প্রতিটি সদস্যকে সবাই ভয় করতো। নতুন সিংহকে একবার দেখেছি। কুন্ডেশ্বরীর মুল ভবনে ছাদের কোনায় ছিল কয়েকটি জালালী কবুতর । ঐ কবুতর মারতে আমরা ওখান পর্যন্ত যাই। খুব বুড়ো মতন একজন বাবার সাথে বেশ কিছুক্ষন কথা বলেন। বাবা কিছুক্ষন পর ফিরে আসেন-কবুতর না মেরে।

স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হবার অল্প কিছুদিন পরই শুনতে পাই (এপ্রিল মাস হবে বোধ হয়) ফকা চৌধুরীর নেতৃত্বে এক দল পাকি নতুন বাবুর প্রতিষ্ঠানে একাধিকবার হামলা চালায় এবং নতুন বাবুকে হত্যা করে (সাকার কথা পুরো '৭১ এ শুনিনি)। হিন্দু গ্রামগুলো (আমাদের পাখী শিকারের আড়ত) থেকে হিন্দুদের তাড়িয়ে দেয় এবং তাদের সম্পত্তি দখল করে।

ফকার (ফজলুল কাদের আংকেল) গুড হিলের বাড়িতে আমি '৭০এ গেছি। গিয়াস ভাই (গিকা, গিয়াস উদ্দন কাদের চৌধুরী) তখন আমাদের কলেজে ক্লাস ইলেভেনে পড়েন। তিনি সম্ভবত ৩০০ কেডেটের মধ্যে সবচেয়ে মোটা ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধ কালীন সময়ে শুনতাম ফকার গুড হিলের বাসাটি একটি নির্যাতন কেন্দ্র। তার নিজস্ব কিছু লোক ছিল (নাম শুনতাম প্রায়ই, এখন একটাও মনে করতে পারছিনা) যারা নিরীহ লোকজন, ছাত্রদের ধরে আনতো এবং নির্যাতন শেষে চট্টগ্রাম কারাগারে পাঠিয়ে দিত। বাবা এই জেলে পাঠানোর কথাটা বিশ্বাস করতেন না। বলতেন জেলে ঢোকাতে হ'লে অনেক নিয়ম কানুনের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। ফকা যেহেতু প্রশাসন বা বিচারের সাথে যুক্ত নয় তাই তার পক্ষে কাউকে জেলে পাঠানো সম্ভব নয়।
তার বিরুদ্ধে সবচেয়ে ঘৃন্য যে অভিযোগ শুনতাম তা হল সে পাকি সেনাদের বাংগালী মেয়ে সরবরাহ করতো। আমি তাঁর বাড়ীর সামনের (পাহাড়ের ওপর বাড়ি ছিল) ফটকের রাস্তার মাথায় (aproach road) পাকিদেরকে পাহারা দিতে দেখেছি সেপ্টেম্বর/অক্টোবরে। তারা খাকী পাকী ছিল। মুজাহিদ, রেন্জার বা অন্য কোন মিলিশিয়া নয়।

রাজাকার

রাজাকার গঠিত হয়েছিল গোয়া জমের তত্ত্বাবধানে। রাজাকারে সাধারন পাকি পা চাটা বাংগালী আর বিহারীরা ছিল। এই রাজাকারদের স্থানীয় শান্তি কমিটিগুলোর অধীনে কাজ করতে শুনেছি। পরে (সম্ভবত: জুলাই'৭১) তারা সরাসরি পাকিদের অধীনে চলে যায়। তারা প্রধানত বাংলাদেশ পন্থিদের খবর যোগাড়, বাংগালীদের ধরে বন্দী করা ও পাকিদের পাশাপাশি যুদ্ধ করার জন্য সজ্জিত ছিল। আমি মুকুল মামার (চিটাগাং শহরে অপারেশনরত মুক্তি যোদ্ধা) কাছে শুনেছি যে তাদেরকে খাকী-পাকীদের কায়দায় সংগঠিত করা হচ্ছিল।

আল বদর

গোয়ার নাম যত না শুনেছি তখন তার চেয়ে বেশী শুনেছি নিজামী, মুজাহিদ আর সবচেয়ে বেশী মীর কাশেমের। নিজামী-মুজাহিদের নাম পত্রিকায় আসতো (তারা তখন ইসলামী ছাত্র সংঘ করতো)। সম্ভবতঃ নভেম্বরের প্রথম দিকে তারা কি একটা দিবসও পালন করেছিল।মীর কাশেম ছিল ইসলামী ছাত্র সংঘ (বর্তমানে শিবির) চিটাগাংএর সবচেয়ে বড় ছাত্র নেতা। স্বাধীনতার পর পরই শুনেছি ঢাকায় যেমন বুদ্ধিজীবি হত্যা করা হয় তেমনি চিটাগাংএও একটা তালিকা প্রস্তত হয়েছিল। যা কার্যকর শুরু করার কথা ছিল ১৭ই ডিসেম্বরে।এই তালিকার সাথে মীর কাশেমের নাম উচ্চারিত হ'ত।

আল বদর ছিল পাকি ঔরসে জামতে ইসলামীর গর্ভে জন্ম নেয়া জারজ। আল বদরের নামে আমাদের অন্তরাত্মা কেঁপে উঠতো।পাকিদের চেয়ে ওদের ঘৃনা করতাম বেশী। পাকিদের কাছ থেকে অনেককেই ফিরে আসতে শুনেছি, কিন্তু আল বদরেরা যাদেরকে ধরে নিয়ে যেত, তাদের কেউই ফিরে আসতোনা। রাজাকারদের চেয়ে তারা শিক্ষিতও ছিল।আল বদরের নেট ওয়ার্ক ছিল কলে কারখানায়, গ্রামে গন্জে, হাট বাজারে এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে। মীর কাশেম চিটাগাংএর আল বদর বাহিনীর প্রধান ছিল বলে শুনতাম।

আল শামস

আমার অতিশয় সীমিত আরবী জ্ঞানে (আল আদাবুল জাদিদ আর আল আদাবুল আসরী, আমাদের অবশ্য পাঠ্য ছিল। আরবীর খুবই অল্প কিছু মনে আছে, তবে মৌলবী স্যারের সীমাহীন দৈহিক ও মানসিক অত্যাচার স্মৃতিতে জ্বলজ্বল করে) নেজামে ইসলাম আর মুসলিম লীগের আরবী জ্ঞান আমার চেয়েও কম ছিল। ব্যাকরণগত ভাবে আল শামস নামটি ভুল হবার কথা। হওয়া উচিৎ ছিল আশ শামস (শুধরে দিয়েন ভুল হ'লে)। নেজামে ইসলামী আর মুসলিম লীগও বসে ছিলনা। জামাতের দেখাদেখি তারা আল শামস তৈরি করলো। যদিও আমি কোন আল শামস দেখিনি বা কেউ দেখেছে বলেও শুনিনি সে সময়। তাদের কোন কার্যকলাপও সে সময়ে কর্ণগোচর হয়নি।
_____________________________________________
কর্ণফুলীতে নৌ মুক্তিযোদ্ধার বিজয়

তারিখটা মনে আছে, কারন তার আগের দিন ছিল পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবস। পনেরোই আগস্ট যথারীতি আমরা ঘুমিয়ে যাই। খুব সকালে ঘুম ভেংগে যায় "ওছ ছুদানী......" সুলতান চাচার গলা। বাসার কেউ ওঠেনি।

সিঁড়ি দিয়ে নামতে নামতেই দেখি উনি ড্রইং রুমে। এক হাতে কোমরের বেল্টটা (চিটাগাংএর ধনী ব্যাবসায়ীরা তখন খুবই চওড়া এক ধরনের বেল্ট পরতেন লুংগীর গিঁটের ওপর, বেল্টের খোপে থাকতো তাদের ব্যাংক) ধরে রেখে আরেক হাতে লুংগীর কোনা ধরে এতই উঁচূ করে ধরে লাফাচ্ছেন যে আমি তার অন্তর্বাস দেখতে পাচ্ছিলাম। আমাকে দেখেই লাফানো থামিয়ে জিজ্ঞেস করলেন; "গেঁয়া র...... নঁ উডে (র.....ওঠে নি?)?" তার অবস্থা দেখে প্রথমেই ভেবেছিলাম নিশ্চয়ই খুব সাংঘাতিক কোন খারাপ খবর। কিন্তু তার চোখে মুখে অত্যন্ত আনন্দের ছটায় ভরসা পেলাম। বাবা সুলতান চাচার হাঁক ডাকে ততক্ষনে উঠে পড়েছেন। তাড়াতাড়ি নেমে এলেন। সুলতান চাচার বক্তব্যের সার হ'ল গত রাতে (১৫ই আগস্ট'৭১) নৌমু্ক্তি সেনারা কর্ণফুলী নদীতে নোংগর করা প্রায় সবক'টি নৌযান ঢুবিয়ে দিয়েছে তার মধ্যে পাকি নেভীর নৌযানও ছিল। সেদিন রোববার ছিল কিনা মনে নেই। তবে বাবা অফিস গেলেন না। মাকে বল্লেন ডিমের হালুয়া রাঁধতে। নিজে বসে গেলেন কাঁচা গরুর মাংস নিয়ে। বুড়ো বাবুর্চী ভাই ছুটলেন ইয়াসিন মোরগ আর পোলাউয়ের চাল আনতে। ২৬ শে মার্চের পর মাঝে মধ্যে মুক্তি বাহিনীর দু'য়েকটা সফল অপারেশন ছাড়া কোন ভাল খবরই পাইনি আমরা। সারাদিন উৎসবের মধ্যে আর খাওয়া দাওয়ার মধ্যে কেটে গেল। পাঁচ মাসের মধ্যে একমাত্র ভাল খাওয়া। পাঁচ মাসের মধ্যে প্রথম আশার আলো।

আল বদরের অভিযান

নভেম্বরের ঢাকায় আল বদরদের অনুষ্ঠানটির ৪/৫দিনের ভেতরই
চাকতাই এলাকায় আল বদরেরা একটি অভিযান চালায়। সে অভিযানে প্রায় অর্ধশত নিরিহ মানুষকে ধরে এবং অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। যথারীতি হতভাগ্যদের কেউই আর ফিরে আসেনি। খবরটি আমি পত্রিকায়ও পড়েছিলাম পরদিন।

ফয়েজ (ফঅ'স) লেক হত্যাকান্ড

যেদিন আল বদরেরা চাকতাইয়ে অভিযান চালায়, সেদিনই সকালে বুড়ো বাবুর্চী ভাই সকাল দশটার দিকে খালি হাতে বাজার থকে ফিরে আসেন-চোখে মুখে প্রচন্ড আতংকের ছাপ। কয়েক গ্লাস পানি খেয়ে একটু শান্ত হয়ে তিনি বলেন যে সেদিন বাজার করার জন্যে তিনি পাহাড়তলী বাজারে যাচ্ছিলেন ( বিভিন্ন দিন বিভিন্ন বাজার থেকে বাজার করা তাঁর নেশা ছিল, তার এ স্বভাবটি আমিও রপ্ত করেছি)। বাজারে পৌছুবার আগেই রাস্তাতে বিহারীরা তাকে ধরে এবং আরও দশ বারোজন বাংগালীর সাথে রাস্তা দিয়ে হাঁটিয়ে নিয়ে যেতে থাকে। বাবুর্চীভাই চোস্ত উর্দু বলতে পারতেন। তাঁর সেই উর্দু দিয়ে বিহারীদের তিনি বোঝাতে সমর্থ হন যে তাঁর আদি নিবাস কোলকাতা এবং তিনি অবাংগালী। তাকে ছেড়ে দেয়া হয় তখন।

সন্ধ্যা হ'তে না হ'তে চাকতাই এবং ফয়েজ লেকের ঘটনাআগুনের মত ছড়িয়ে পড়লো।

-চলবে।





 

সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:১২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:২৪
ও.জামান বলেছেন: আপেক্ষার পালা শেষ হলো। আপনার ৭ম বর্ব এলো। ফকার সম্পর্কে অনেক কিছুই শুনেছি। সত্যিই তিনি নিজেই একটি প্রতিষ্ঠান ছিলেন।

আচ্ছা, ফকার সাথে শেখ মুজিবের সু-সম্পর্কের কথাটা কি সত্যি?

আর কাশেম আলীর সাথে আমাদের আশরাফ সাহেবের ফটোসেশনের একটা ছবি না দেয়ার লোভ সামলাতে পারলাম না।
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৩

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। মীর কাশেমের চেহারা দেখার খুব শখ ছিল। এরা সব ভাল তবিয়ৎএই আছে। মাঝখান থকে আমাদের মুক্তি যোদ্ধাদের তর সইছেনা একের পর এক ফাঁসীর দড়িতে ঝুলে পড়তে

০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪৫

লেখক বলেছেন: দয়া করে লিংকটা দেবেন। খুব কাছ থেকে দেখার ইচ্ছে অনেক দিনের।

০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৪৩

লেখক বলেছেন: "আচ্ছা, ফকার সাথে শেখ মুজিবের সু-সম্পর্কের কথাটা কি সত্যি?"

-আমার জানা নেই।

২. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৫২
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: এই প্রথম এসে একটু অগোছালো মনে হলো লেখাটাকে। আরেকটু গুছিয়ে আগের পর্বগুলোর মত মূল ঘটনাগুলো তুলে ধরলে ভাল হোত।
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২৩

লেখক বলেছেন: আপনি যে এত মন দিয়ে আমার লেখাটা পড়েন তা আজই প্রথম বুঝলাম। আপনি ঠিকই ধরেছেন।

"সহী ফকা চৌধুরী, রাজাকার, আল বদর, আল শামস নামাটা" স্মৃতিতে প্রতিলেপন করাতে পুরো লেখাটাই অগোছালো হয়ে গেছে।

আগের সব পর্বগুলো ছিল স্বতর্স্ফুত। এটা সিজারিয়ান করে বের করা।

ভাল্লাগলো আপনার মন্তব্য।

অনেক ধন্যবাদ।

ভাল থাকুন।

৩. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৫৫
জীবলু বলেছেন: সরাসরি প্রিয়তে।

ধন্যবাদ ।
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২৭

লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

৪. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২৯
বাস্তবতা বলেছেন: সাকা এবং গিকা ১৯৭১ এ কি করেছিল? আপনার ব্যাক্তিগত কোন অভিজ্ঞতা কি নেই এদেরকে নিয়ে?

পরের পর্বের অপেক্ষায়।
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৬

লেখক বলেছেন: নেই।

সাকার নামই শুনিনি।

গিকার যে এক বড় ভাই আছে সাকা তাই জানতাম না স্বাধীনতারও অনেক পর পর্যন্ত।

গিকার সাথে কথা হয়েছে আমার বছর ছয়েক আগে। আমার পৈত্রিক বড়িটি ভাড়া নেয়ার জন্যে উনি আমার সবচেয়ে ছোট বোনের সাথে যোগাযোগ করেন। ভয় পেয়ে বোন আমাকে ফোন করে। তখন আমাদের ঐ বাড়িটি ভাড়ার ব্যাপারে কথা হচ্ছিল একটি সংস্থার সাথে। সংস্থাটি খুবই অল্প ভাড়া সাধছিল। তো গিকার সাথে টেলিফোনে কথা বলে আমি ২৪ ঘন্টা সময় নেই এই বলে যে অন্যদের সাথে কথায় না বনলে তাকে জানাবো। গিকা আমাকে দ্বিগুণ ভাড়া অফার করে পরে যোগাযোগ করতে বলে। আমি সংগে সংগে ঐ সংস্থার দ্বারস্থ হই এবং নাম মাত্র ভাড়ায় ৬ বছরের জন্যে বাড়িটি তাদেরকে সেদিনই দিয়ে দেই।

৫. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০০
হোসাইন১৯৫০ বলেছেন:
আমার কাছে অগোছালো মনে হচ্ছে না ।
কারণ , সাজানো সৃত্মিচারণগুলোতে মেকি কিছু বিষয় থাকে ।
আপনার সৃত্মিচারণে কোন মেকি কিছু দেখছি না ।
সুখ পাঠ্য ।
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ হোসেন।

সাথে থাকুন।

ঢাকায় এলে ফোন দিয়েন।

আগামী শুক্রবার পিকনিক। চলে আসুন না।

আমি আজ বা আগে সাজাইনি। আজ শুধু দেশী যুদ্ধাপরাধীদের প্রসংগটা আরোপ করেছি। রোজ যা মনে আসে তাই লিখি। আজ আগে থেকেই ঠিক করে রেখেছিলাম রাজাকারনামাটা লিখবো।

৬. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১৫
ও.জামান বলেছেন: এই ছবির লিঙ্কটা দিয়েছি আরেকজন ব্লগারের পোস্ট থেকে। আপনার অনুরোধ রাখতে গিয়ে নয়া দিগন্তের ওয়েবসাইট খুঁজে নীচের লিঙ্কটা পেলাম।
Click This Link

গুগলে সার্চ দিয়ে ইউ টিউবের দুটো লিঙ্ক পেলাম।

০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:০৯

লেখক বলেছেন: আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। ১৯৭১এ এই লোকের নামে সারা চিটাগাং ভয়ে শিউরে উঠতো।

BUTCHER OF CHITTAGONG

৭. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২১
ও.জামান বলেছেন: ইউ টিউবের লিঙ্ক দুটো লোড হলোনা কেন বুঝলাম না। আবার চেষ্টা করছি।


০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:১৫

লেখক বলেছেন: বেজন্মা, সারমেয় , পাকি শুক্র হ'তে উৎপাদিত।

আমার শুধু মনে হয় একটি কথা। এই পাকিজাত যখন বাংগালী নিধনে মত্ত, তখন যারা জীবন বাজী রেখে যুদ্ধ করছিল তাদের আমরা একের পর এক ফাঁসীতে ঝুলিয়েছি।

এই বেজন্মারা আজ সমাজের সকল স্তরে অনুপ্রবেশ করেছে। সরকারী সব সংস্থায় আবার বলছি সকল সংস্থায় এরা আজ প্রটিষ্ঠিত। এখন দেখলাম মিডিয়াও দখল করেছে তারা। আমার জানা ছিলনা এই মীর কাশেম সেই মীর কাশেম।

দ্য পাট্রিয়টে তো শুধু বীরের পতনের দৃশ্যাবলী। দুর্জনের উত্থান তো সেখানে নেই।

বলতে লজ্জা নেই এর নাম শুনে ভয়ে হিস্যু করে দিতাম প্যান্টে।

আমি এদ্দিন সন্দেহে ছিলাম এ সরকারের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করার না আছে সদিচ্ছা না সৎসাহস। এখন আমি নিশ্চিত যে এ সরকার বিচার করবেনা। করলেও তা হবে প্রহসন।

যদিওঃ

আমাদের জন্য এটা আদর্শের লড়াই। আপনাদের জন্যে এটা অস্তিত্বের।

০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:১৯

লেখক বলেছেন: শুনলে ভাল্লাগে।

ধন্যবাদ।

৯. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৩২
অলস ছেলে বলেছেন: এত ছোট? :)
পড়ছি। ভালো লেগেছে।
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৫১

লেখক বলেছেন: গতটার চেয়ে বড়।শব্দ গুনে দেখুন

১০. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:১২
তারার হাসি বলেছেন:
গতবছর এমন দিনে গিয়েছিলাম ফকা চৌয়ের এলাকায় একটি চা বাগানে, মালিক টি.কে.গ্রুপ। তারা আমাদের সামনে পিছনে গার্ড দিয়ে এমন ভাবে পাহারা দিয়ে নিয়ে গিয়েছিল ... বুঝতে পেরেছিলাম কিছু এলাকায় এখনো স্বাধীনতা পূর্ববতী অবস্থা বিরাজ করছে। সেখানে কখনো সুষ্ট নির্বাচন হবে না। তারা যেমন চাইবে তেমনই হবে। দেশের ভিতর আরেকটি দেশ!
এই ফকা চৌ পরিবারের সবগুলিই পশু, এখনো। এখন তারা মনের সুখে বৌয়ের গায়ে হাত তুলেন।

ফয়েজলেকের বধ্যভূমি কি ট্রেনের হত্যাকান্ড বিষয়ক?

০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৫৭

লেখক বলেছেন: না তারা হাসি , ঝাউতলা স্টেশন থেকে একটা ট্রেন চিটাগাং আসছিল। শের শাহ/ফিরোজ শাহ কলোনীতে থামানো হ্য়। কোন কলোনী ঠিক মনে করতে পারছিনা তবে দেখেছিলাম লাশ আর লাশ । পরে আসবে।

১১. ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৩৬
সাজিদ বলেছেন: এই পোস্টে যাদের নাম এসেছে আজকে তাদের অনেকের নাম এমন কিছু মানুষের মাধ্যমে চিনি যখন ৭১ এ এসব বিভতস ঘটনায় তাদের নাম আসে তখন মিলাতে পারি না।
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:১৯

লেখক বলেছেন: ভাই আপনি কেন শুধু, আমি হতভম্ব ও জামানের কাটিং আর ক্লিপ পেয়ে।

প্রায় তিন ঘন্টা থম মেরে বসে ছিলাম। শুধু তার আগে বাসার সবাইকে ডেকে বলেছি দিগন্ত টিভি নিষিদ্ধ, যেমন অনেক আগে থেকেই নিষিদ্ধ প্রান ও সেজান।

এর চেয়ে বেশী আর কি করার আছে আমার-ঢাল নেই তলোয়ার নেই, নিধিরাম সর্দার।

১২. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৩৩
তারার হাসি বলেছেন:
আমি দুঃখিত ভাল করে না জেনেই প্রশ্ন করার জন্য।
অপেক্ষায় থাকছি ধারাবাহিকতায় সব ঘটনাগুলি আপনার লেখার চোখে দেখার জন্য।
ধন্যবাদ।
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:২৯

লেখক বলেছেন: আপনার দুঃখিত হবার কোন কারন নেই। বধ্যভুমি দেখার সময় আমিও জানতাম না যে দুটি আলাদা হত্যা কান্ড।

১৩. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০৪
লুৎফুল কাদের বলেছেন: পড়ে যাচ্ছি, অনুগ্রহ করে মাঝ পথে থামবেননা.
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৪৪

লেখক বলেছেন: থামছিনা। শুধু একদিন সপ্তাহে বিরতি দিচ্ছি তাও জানান দিয়ে। গতকাল দুনম্বর মন্তব্যেবলেছিলাম যে ঢাকার বাইরে যাচ্ছি।

ভাল থাকুন।

ধন্যবাদ।

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:৩১

লেখক বলেছেন: "তখন
ভাঙা স্যুটকেস স্যান্ডোগেঞ্জীর প্রশংসাতে বুঁদ ছিলাম
আর
খালটি কেটে কুমির আনার উৎসাহে খুব হাসছিলাম"

"আমরা আবার ছাগল মায়ের তিন নম্বর ছানা
লাফাই ঝাঁপাই তিড়িং বিড়িং অষ্টপ্রহর কানা।"

"দুই এক্কে দুই
তোমরা থাকো সোনালী ব্যাংকে, সুইস ব্যাংকে মুই।

তিন এক্কে তিন
ঘুসে শুষে টেন্ডার নিয়ে নাচরে ধিন তা ধিন।"

চার এক্কে চার
নিজের ভেবে সব খাওরে দেশটা মোর বাবার।


কবিতাটি সুপাঠ্য। ওপরের ছত্রগুলো সর্বোত্তম।

তবে মনে হয় নতুন করে আর লিখতে হবেনা। পরবর্তী ইতিহাসের জন্য শুধু পুনঃপঠন করে নিলেই চলবে কিংবা চলতে থাকবে...

-History Repeats Itself ( as we never take any lesson from history, unfortunate).

ছন্দবদ্ধতার দায়ে প্রকাশের মারাত্বক সীমাবদ্ধতা থাকে কবিতায়। আপনি তারই মধ্যে বিশাল একটা সময় সুনিপুণ ভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন, অভিনন্দন।

১৫. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:০৩
ফারযানা বলেছেন: পরের পর্বের অপেক্ষায়।
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:৩২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ফারযানা।

১৬. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:০৯
শাহেরীন বলেছেন: খুব ভাল লাগল। যেমনটা লেগেছে গত ৬ পর্ব যাবৎ।।
কিছুটা অগোছালো, তবে তাতেও লেখায় কোন প্রভাব পরেনি। মনে হচ্ছে যেন নিজ চোখে দেখছি!!!
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:৩৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শাহেরীন।

১৭. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৩১
স্তব্ধতা' বলেছেন: অধীর আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করে ছিলাম, এবং যখন পোষ্টটি এলো তার ঠিক আগ মুহুর্তে ব্যস্ততার কারনে আর পড়া হয়ে ওঠেনি।এক নি:শ্বাসে (দু:খিত হাফ নি:শ্বাসে) শেষ।খুব ভালো লাগছে পড়তে, মনে হচ্ছে চোখের সামনে একাত্তরের দিনগুলি ক্যানভাসের মতো ভাসছে। রাজকার/আলবদর/আশ শামস্ বিভাজনটা জানতামনা।আজ নানান জাতের কুকুরের শেকড় জানলাম। আচ্ছা, পাহাড়তলীতো সিডিএ থেকে অনেক দূরে।এতো দূর বাবুর্চি ভাই কি ভাবে যেতো বাজার করতে? পায়ে হেটেঁ? বোকার মতো প্রশ্ন করছি।চালিয়ে যান।আমার কাছে একবারও মনে হয়নি সিজারিয়ান আউটপুট।যা মনে আসে লিখে যান।এতো বড় একটা সিরিজে ধারাবাহিকতা বজায় রাখা খুবই কঠিন এবং এই কঠিন কাজটি আপনি সুচারুরূপে করছেন।

@ অলস ছেলে: কেমন আছেন? জিহবার শানটা কেমন হয়েছিলো? ও ভালো কথা, আপনার জ্ঞাতার্থে, এই পোষ্টের শব্দ সংখ্যা ১১৮৪।পর্ব ছয় এ ছিলো:৯৪৩।ভালো থাকুন।

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:০৪

লেখক বলেছেন: বদ্দার হাট আরও দুর। রেয়াজুদ্দিন বাজারও। বিবির হাট, মছেন আউলিয়া থেকেও বাজার করতেন। পাহাড় তলীতে হেঁটেই যেতেন। বাজার বেশী থাকলে রিকসায় আসতেন। আমি আমার বাসার কাছের বাজারটা থেকে শুরু করে ঠাটারী বাজার পর্যন্ত যাই গরূর মাংস খুঁজতে। মাছের জন্যে একদিকে মেঘনা অন্যদিকে নয়ার হাট পর্যন্ত । এই দুটো বাজারের বিকিকিনি সকাল সাড়ে ছ'টার মধ্যে শেষ হয়ে যায়।

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:২৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৩৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৩৬

লেখক বলেছেন: এ্যাত্তোগুলো প্লাসের জন্যে অনেক ধন্যবাদ।

২১. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:০৯
শ।মসীর বলেছেন: আমাদের অবস্হা হচ্ছে যা জেনে এসেছি বা শুনে ......।তার বিপরীত হইলেই মনে খটকা লাগে..............আমরা তখন বলি যে এটাতে কিছু আরোপিত আছে !!!!!

আপনার উপর আমি আস্হা রেখেছি .........চলুক !!! পড়ছি........।

অনেক গুলি যোগ অংকেরই ফলাফল একটা জীবন !!!!!
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৩৮

লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ শ । মসীর।

২২. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:১৬
প্রতিবিপ্লবী বলেছেন: কইলেন না তো, আপনে কি ইসহাক বেগ? জিয়ার মার্ডারারগো একজন?
০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:২৯

লেখক বলেছেন: ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৫৭

লেখক বলেছেন: এটা যদি প্রাসংগিক না হয় তা হলে জবাব দেয়াটা আমার সৌজন্যের মধ্যে পড়েনা। আমি অন্য পোস্টে ইংগিত দিয়েছি যে আমাকে ইমেইল করতে পারেন। আপনার বুঝতে কষ্ট হবে বলে মনে হয় নি।

ভবিষত্যে চ্যালেন্জ করার আগে আরো ভালো ভাবে খোঁজ নিয়ে করবেন।

আপনার প্রশ্নের আংশিক জবাব দিচ্ছি।

জেনারেল জিয়াকে যখন হত্যা করা হচ্ছে তখন আমি সে স্থান থেকে ১৬৫ মাইল দুরে ঘুমুচ্ছি। আর আমার সে সময়কার ভুমিকা সরকারী নথি পত্রে সংরক্ষিত। আমার দৃষ্টিকোন থেকে জিয়া হত্যার ও পরবর্তী সময়টাকে লেখনী বন্দী করার ইচ্ছেও আমার আছে।

আপনি অমনোযোগী পাঠকঃ

"১। এটা প্রকাশিত হবার পর আমার পরিচয় গোপন থাকবেনা, যা আমি এতদিন সযতনে রক্ষা করেছি।"
আমার ডিসক্লেইমারের প্রথম বাক্যটিই পড়েন নি। এপর্যন্ত ৮ বার পুনরাবৃত্তি করার পরও।

আপনি তো শিশু না যে আপনার দেখা ছবিটি আপনাকে নিয়ে আমি যখন দেখছি তখন আপনি আগে আগে পরের দৃশ্য বর্ণনা করতে থাকবেন।

আমি কে তা জানার যথেষ্ঠ উপকরন আমার পোষ্টগুলোতে ছড়িয়ে আছে। মন্তব্যগুলো পড়লে (আপনি ডিসক্লেইমারই পড়েন না ......) বুঝবেন আরো কেউ আমার পরিচয় আরো আগের পর্বেই জেনেছেন কিন্তু শিশু সুলভ প্রগলভতা করেনি।

আমার একাধিক ফোন নম্বর ও আপনি আমার ব্লগ ঘেঁটে পাবেন। আমি কে জানতে যদি আপনার এতই ইচ্ছে হয়, আমাকে ফোন করেন না কেন? আমাকে ই মেইল পাঠান না কেন?

আমি আসলে আপনার উদ্দেশ্যটা ধরতে পারছিনা। আমার এই সিরিজে দেয়া আরেক জন ব্লগারের মন্তব্য তুলে ধরছি, দেখুন তো এটাই আপনার উদ্দেশ্য কিনা?

"comment by: হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: @রোহান ভাই, একটা মুভি দেখছেন? Enemy of the state. সেখানে একটা খুনের সাক্ষীকে সরাতে না পেরে গোয়েন্দারা শুরু করে তার নামে কলংক ছড়ানো। সেখানে খুব সুন্দর করে কথাটা বলেছিল যে, তাকে সরাতে না পারলে তার বদনাম কর, ক্রেডিবিলিটি িনিয়ে নাও, যেন সে যখন কথা বলবে, কেউ জেন তা বিশ্বাস না করে।

এদের সামর্থ নাই তথ্য দিয়ে কথা বলার, প্রমান দিয়ে যুক্তি দেবার। এদের দৌড় তেনা পেচানো পর্যন্তই।"

০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৫৩

লেখক বলেছেন: মানুষ বিরক্ত হতে সবচেয়ে অপছন্দ করে। আপনার অসময়ে, অযাচিত, অশোভন কৌতুহল আমাকে অত্যন্ত বিরক্ত করছে।

আপনার ব্লগ ঘুরে এসে আপনার কোন সাকিন পেলাম না। আমার ইচ্ছে ছিল অন্তত আপনার ইমেইল এড্রেসটা যদি পাই তা'লে আমার রিজিউমিটা আপনাকে পাঠাই আমার ছবি সহ। কিন্তু আবিস্কার করলাম যিনি অন্যের পরিচয় জানতে যার পর নাই আগ্রহী তিনি নিজের ইমেইল এড্রেসটা পর্যন্ত গোপন রাখেন।

আপনার পরিচয় দিয়ে আমাকে একটা ইমেইল করুন আমি আমার চোদ্দ গুষ্টির হদিস আপনাকে পাঠাবো।


সৃস্টিকর্তা আপনাকে আপনার অসাস্থ্যকর কৌতুহল (UNHEALTHY CURIOSITY) থেকে টেনে তুলুক।

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৪০

লেখক বলেছেন: "জিয়ার মার্ডারারগো একজন?"

-আপনি অমি রহমান পিয়ালকে ফরাৎ মঝারের সাথে গুলিয়ে ফেলছেন কেন?

আপনি আমাকে চেনেন না সেটা বুঝতে পারছি আপনার এই মন্তব্যে, যার প্ররোচনায় আপনি অপ্রাসংগিক বিষয়গুলো টেনে এনেছেন সেও অন্য কারো কাছ থেকে শুনে থাকবে।

সদ্যজাত রাজার শ্যামলা বাচ্চাটি আপনার কাছ পর্যন্ত এসে বায়স শিশু হয়ে গেছে!

প্রার্থনা করি আপানার বোধ ও পরিমিতি শক্তি একটা গ্রহনযোগ্য পর্যায়ে উন্নিত হোক।

২৩. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৫১
তারার হাসি বলেছেন:
অল্প একটু হাসি পেল...
জিয়া হত্যা মামলায় জড়িত একজন মেজর পরে অবশ্য মামলা থেকে অব্যহতি পান। উনি আমাদের এত কাছের মানুষ অথচ কখনো কিছুই শুনিনি উনার মুখ থেকে... এ বিষয়ে তিনি একেবারে চুপ !
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৪১

লেখক বলেছেন: জিয়া হত্যার কোন বিচার আজও হয়নি, হয়েছিল ফিল্ড জেনারেল কোর্ট মার্শাল, সেনা বিদ্রোহের মাধ্যমে সাংবিধানিক সরকারকে উৎখাত করার জন্যে সংগঠিত বিদ্রোহের বিচার।
এক দশক ক্ষমতায় থাকার পরও সে বিচার বিএনপি কেন করেনি আমার তা বোধগম্য নয়। বিএনপি তো দুরে থাক, তার সাক্ষাৎ ওয়ারিশ, স্ত্রী ও দুই পু্ত্রকেও সে ব্যাপারে কোন উদ্যোগ নিতে দেখিনি।

মুজিব হত্যার প্রত্যক্ষ বেনিফিসিয়ারি যেমন জিয়া আর গোয়া, ঠিক তেমনি জিয়া হত্যারও প্রত্যক্ষ বেনিফিসিয়ারি হোমো এরশাদ ও খালেদা জিয়া। সেটা একটা কারন হলেও হতে পারে।

জিয়াকে যে নিজ হাতে খুন করেছে সেই লে. কর্নেল মতি ছাড়া জিয়াকে মারার ব্যাপারটা সেদিন সার্কিট হাউজে সমবেত আর কোন অফিসার জানতো কিনা সে ব্যাপারটাও তদন্ত করে দেখার বিষয়।জেনারেল জিয়াকে যার সামনে হত্যা করা হয় সেই লেফট্যান্যান্ট এখনও জীবিত (১৪ বছর কারাদন্ড ভোগের পর এখন মুক্ত) । সে-ই একমাত্র ঐ হত্যার প্রত্যক্ষ সাক্ষী।

ঐ ফিল্ড জেনারেল কোর্ট মার্শালে অব্যহতি পাওয়া বেশ ক'জন অফিসার সেনা বাহিনীতে চাকুরী করে গেছেন অবসর পাওয়া পর্যন্ত। একজন ব্রিগেডিয়ারও হয়েছিলেন। এখন স্বনামধন্য একটি কোম্পানীতে উচ্চপদে চাকুরীরত।



২৪. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪৩
আরিফ থেকে আনা বলেছেন: "comment by: হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: @রোহান ভাই, একটা মুভি দেখছেন? Enemy of the state. সেখানে একটা খুনের সাক্ষীকে সরাতে না পেরে গোয়েন্দারা শুরু করে তার নামে কলংক ছড়ানো। সেখানে খুব সুন্দর করে কথাটা বলেছিল যে, তাকে সরাতে না পারলে তার বদনাম কর, ক্রেডিবিলিটি িনিয়ে নাও, যেন সে যখন কথা বলবে, কেউ জেন তা বিশ্বাস না করে।

এদের সামর্থ নাই তথ্য দিয়ে কথা বলার, প্রমান দিয়ে যুক্তি দেবার। এদের দৌড় তেনা পেচানো পর্যন্তই।"

---------

আমার যদি ভুল না হয় হাসান শহীদ ফেরদৌস উপরের কথা গুলো আপনাকে বলেনি, রোহান যাকে নিয়ে কথা বলেছে তাকে নিয়ে বলেছে। আপনি হাসান ফেরদৌসের কমেন্টের আগে রোহানের কমেন্ট দেখেন, ঐখানে রোহান আরেকজনকে বলেছে, এবং ঐ আরেকজনকেই হাসান ফেরদৌস উপরের কথা গুলো বলেছে। আপনাকে নয়।
ভুল বোঝাবুঝি মনে হচ্ছে। আশা করি বুঝবেন।
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:০৩

লেখক বলেছেন: আমাকে বলেছে বলেতো বলিনি কোথাও। বলেছি "আমার এই সিরিজে দেয়া আরেক জন ব্লগারের মন্তব্য তুলে ধরছি, দেখুন তো এটাই আপনার উদ্দেশ্য কিনা?"

@ রোহান মানেই রোহানকে উদ্দেশ্য করে।

আমি ঐ বক্তব্যের মর্মটা বুঝিয়ে জানতে চেয়েছি যে আমার ক্রেডিবিলিটি নষ্ট করাই তার উদ্দেশ্য কিনা।

অরপিকে নিয়ে একজন বাজে মন্তব্য করেছিল। এ নিয়ে একটা সময় হাসান শহীদ ফেরদৌস রোহানকে এ মন্তব্যটা করে। মন্তব্যটা আমার মনে খুব ধরেছিল।

Enemy of the State আমার প্রিয় মুভি, সম্ভবত: ১৯৯৮এর।



০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:১৬

লেখক বলেছেন: মুভিটার আরেক চরিত্র:



২৫. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৩১
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: @আরিফ থেকে আনা-আমার ধারনা লেখক বুঝতে পেরেছিলেন আমি কেন ও কাকে কথাটা বলেছি।

@লেখকঃ আমার কমেন্টটা মনে রেখেছেন, অসংখ্য ধন্যবাদ।
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:২৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, ফেরদৌস। জূৎসই জবাব সাধারনত মনে পড়ে উত্তর দেবার সময় পেরুবার অনেক পরে। এজন্যেই মনে রেখেছি বোধ হয়।

২৬. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৮
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: হুমম, চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে।

ব্লগে এই দলাদলি, গালাগালী দেখতে দেখতে ক্লান্ত কিছুটা। তারপরেও প্রিয় কাউকে নিয়ে বাজে কথা বললে জবাব দিতেই হয়। এতে নিজের গায়েও কালি লাগে, কিন্তু সেটা সইতেই হয়। এসব নিয়ে মাঝে মাঝে কত বাদানুবাদ হয় তা নিচের পোস্টে একটু উকি মেরে দেখতে পারেন, যদি সময় হয়।

Click This Link

----------

শেখ মুজিবের স্বাধীনতার ঘোষনা নিয়েও অনেক বাদানুবাদ হয়েছিল একসময়। যার সাক্ষ্যই দেই, পছন্দ হয় না। বেলাল মোহাম্মদের সাক্ষ্য ঠিক না, ইন্ডিয়ানদের কথারতো কোন দামই নাই, আমেরিকান পত্রিকার খবরের কি কোন বিশ্বাসযোগ্যতা আছে, পাকিস্তানী সামরিক অফিসারদের লেখা বইয়ের রেফারেন্সের তো প্রশ্নই আসে না। তখন আপনার লেখাটা থাকলে খুব ভাল হত। লিংক দিয়ে বলতাম, যান তর্ক করেন গিয়ে, বলেন যে আপনি শুনেন নাই সেই ঘোষনা।

রাজনৈতিক মতাদর্শ আসলেই খুব শক্তিশালী আফিম।
১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪১

লেখক বলেছেন: ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:২৭

লেখক বলেছেন: ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৩৮

লেখক বলেছেন: "মুক্তিযুদ্ধের প্রথম পর্বে (জুন পর্যন্ত) মাত্র ২৫-৩০জন বাঙালী অফিসার সক্রিয় যোগদান করেন যদিও কর্মরত প্রায় ১৫০ জন বাঙালী অফিসারের যুদ্ধে যোগ দেয়ার সুযোগ ছিল ।"

-এর ওপর আমি মেজর জেনারেল আইনুদ্দিন বীর প্রতীকের সাক্ষাৎকার নিয়েছি। কিছু বই পত্রও সংগ্রহে আছি। এর ওপরে ব্লগে লিখবো কিছু শর্ত সাপেক্ষে।

এক্ষনে শুধু এইটুকু বলছি যে প্রাণ সামগ্রীর মালিক, বাংলাদেশে শত কোটিপতি মেজর জেনারেল আমজাদ হোসেন '৭১এর মার্চ থেকে যুদ্ধের মাঝামাঝি পর্যন্ত ছিলেন উত্তর বংগের এক পাকি ব্রিগেডের ব্রিগেড মেজর (বিএম)। যে কোন অপারেশনে বিএমের দায়ীত্ব এবং কার্যক্রম সবচেয়ে বেশী। তাই বুঝতেই পারছেন বাংগালী নিধনে তার অবদান কতটুকু থাকতে পারে।

মেজর জেনারেল আমজাদকে জেনারেল জিয়া দুর্নীতির অপরাধে চাকুরী চ্যুত করেন।

আমার বাসায় প্রাণ, সেজান ও আর এফ এল এর সামগ্রী নিষিদ্ধ অনেক কাল ধরেই।

- "আমার যতটুকু মনে পড়ে লক্ষ প্রানের বিনিময়ে বইটিতে মে মাসে যে শীর্ষ পর্যায়ের সামরিক বৈঠকে ১১ টি সেক্টর ও তাদের সীমারেখা চিহ্নিত করা হয়, সে বৈঠকেই প্রথম সেক্টর কমান্ডার হিসেবে রফিকুল ইসলামকে দ্বায়িত্ব দেয়া হয়।"

মে নয় , সে সম্মেলন হয়েছিল জুলাই ১০-১৬ তারিখে ।শুরুতে সেক্টর ছিল চারটি যার প্রথমটির অধিনায়ক ছিলেন জিয়া ।"

তাড়াতাড়ি লিখতে ইংরেজীতে:

On 4th April at Teliapara, Bagladesh was divided into 4 regions, Chittagong, Comilla, Sylhet and the rest of the country, meaning a region extending from Tetulia to last tip of Satkhira. Zia was in command of one of these regions.

On 7th July, Z Force was created and named as 1 Artillery Brigade to hide its identity. Zia was made the Brigade Commander of the brigade.

On July 12-17th, in a very high level conference, the country was divided into Sectors with well marked geographic features like rivers gorges etc. Zia was not any of the sector commanders as, by then, he was commanding a Brigade.

So, Zia was never a Sector Commander during the War of Liberation

Reference; Bangladesh Documents Volume 1
(Paraphrased).

২৭. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৪৭
ও.জামান বলেছেন: মিথ্যাকে সত্য দিয়ে মোকাবেলা করা কঠিন। তবে সেটাই সঠিক পথ। আর যারা মিথ্যাকে মিথ্যা দিয়ে মোকাবেলা করে তারা ঐ মিথ্যার মতই অপরাধী - চার্চিল (গোয়েবলসের মোকাবেলায় তথ্য যুদ্ধের প্রস্তাব নাকচ করার যুক্তি)

ছোট সময়ে পড়েছি "দুর্জন বিদ্যান হইলেও পরিত্যাজ্য"

নীচের পোস্টটি পড়ুন এবং প্রিয় কারো স্বরূপ দেখুন।
Click This Link

এখন বলুন, যারা বাংগালী মেয়েদের নগ্ন ছবি নেটে ছেড়ে ব্যবসা করে, অসতর্ক যুগলের একান্ত মূহূর্তের ভিডিও নেটে ছেড়ে ব্যবসা করে তারা কোন জাতের মানুষ। জবাব দিন। নয়তো এদের ধিক্কার দিন। এরা আলবদরের চেয়ে কোন দিক দিয়ে ভালো। প্লিজ জবাব দিন।
১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:১৬

লেখক বলেছেন: পড়েছি আগেই, আজ আবার পড়লাম।

আসলে আমি মানুষের জ্ঞানের সাথে আর কিছু মিলিয়ে ফেলার পক্ষপাতি নই।

পিয়ালের সাথে যারা লাগতে আসে কাউকেই তার বক্তব্যের বিপরীতে তেমন কোন জোড়ালো যুক্তি বা সাক্ষ্য প্রমান দিতে দেখিনা।

ভাল থাকুন। খাদ্য টিপসের জন্যে ই মেইল করুন। বেশী খেয়েও ভাল থাকা যায়।

২৮. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৫০
ও.জামান বলেছেন: কাশেমের চ্যানেলে অনেক যুক্তি দিয়ে কথা বলে। গোলাম আযমের ও অনেক কেতাব আছে, আছে মউদুদীরও। সাঈদী সাহেবের ওয়াজে তো শুনেছি লক্ষাধিক মানুষ হয়। হিটলারও খু-উ-ব বড় মাপের আঁকিয়ে ছিলেন। এরা সবাই কোন না কোন মহলের কাছে পুজ্য বা পুজ্য ছিলেন। তবে আমার কাছে কখনো নয়।
১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:২০

লেখক বলেছেন: মানলাম। কিন্তু তার জ্ঞান আমি অস্বীকার করি কিভাবে?

সাঈদীর ধর্মান্তরিত করার ক্ষমতা আমি অস্বীকার করি কিভাবে?

২৯. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৪৯
ও.জামান বলেছেন: এইবার আমি...


কপিরাইট শ্রদ্ধেয় ত্রিশোনকু ভাই।
৩০. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৩
বাস্তবতা বলেছেন: @লেখক; 'সাঈদীর ধর্মান্তরিত করার ক্ষমতা আমি অস্বীকার করি কিভাবে'

এ নিয়ে খুব ভাল একটা পোষ্ট পড়েছিলাম আগে, এখন লিংক খুঁজে পাচ্ছি না। বিষয়টা কি সত্যি? সেই পোষ্টে লেখক যুক্তি দিয়েছিলেন যে তথাকথিত ধর্মান্তরিত মানুষ আসলে সাইদীর অনুসারী, মানে পুরোটাই শো।
১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৩৭

লেখক বলেছেন: সাঈদী অনেককেই ধর্মান্তরিত করেছে বলে শুনেছি অনেকের কাছে।

৩১. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৪৯
ও.জামান বলেছেন: @বাস্তবতা, আপনার জানা তথ্য ১০০% সত্যি। কৌতুহল বশত একবার ওনার ওয়াজ শুনতে গিয়েছিলাম। একটা ধর্মীয় ফ্রড। যে জ্ঞান মানুষকে বিপথে চালায় সে জ্ঞান দিয়ে কি করবো ভাই?
৩২. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:২২
বাস্তবতা বলেছেন: @ও জামানঃ আপনি কি আপনার ব্লগে আমাকে ব্লক করেছেন?

যদি করে থাকেন, তবে তার কারন কি? কখনো অশোভন কোন কিছু করেছি বলেতো মনে পড়ে না!!

---

যাই হোক না কেন, আমার ব্লগে সবসময়ই স্বাগতম। ভাল থাকবেন। :)
৩৩. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:০৯
ও.জামান বলেছেন: স্যরি বাস্তবতা ভাই, একদম স্যরি। আমার ৭ম শ্রেণী পড়ুয়া মেয়েও আমার এই ব্লগ/ফেইসবুক সব ব্যবহার করে (কমেণ্ট করে না।)। কাউকে খারাপ ভাষা ব্যবহার করতে দেখলেই ব্লক করে। আমি জানি না কি ঘটেছিলো। এক্ষুনি দেখছি। স্যরি, সকালেই ঠিক করে দেব।
৩৪. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৫:২২
বাস্তবতা বলেছেন: নো প্রব্লেমো।

আপ্নারে একটা মাইনাস দিতে যেয়ে খেয়াল করলাম। তবে কোনদিন খারাপ ভাষা ব্যাবহার করেছি বলেতো মনে পরে না!! ভাইঝিকে জিজ্ঞেস করবেনতো!!
১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সুবিদ্।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০১৬৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
না প্রেমিক না বিপ্লবী
trishonku@hotmail.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই