আমার প্রিয় পোস্ট

C:\Documents and Settings\raad\My Documents\Lighting cig..jpg

ঊনসত্তুর থেকে পচাঁত্তুর-'৭১এ যাদের বয়স তিনের কম ছিল তাদের থেকে সামুর কনিষ্ঠতম ব্লগারটিকে উৎসর্গীকৃত-পর্ব১৪

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৩২

শেয়ারঃ
0 2 0

[si]অবতরনিকা: বংগবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নির্বংশকারীদের (আমি নির্বংশই বলবো কারন প্রচলিত ধারায় বংশগতি পুরুষ উত্তরাধিকারীর ওপরেই বর্তায়) শাস্তি প্রদানের পর থেকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটার পর একটা পোষ্ট আসছে। যার প্রায় সবগুলোই (গুটি কয়েক ব্যতিক্রম ছাড়া) পক্ষপাত দুষ্ট। অনেক ভাবনা চিন্তা করে আমার নিজস্ব ক্ষতির কথা ভুলে/ এড়িয়ে আমি আমার একান্ত ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতা তুলে ধরছি, শিরোনামে উৎসর্গীকৃত ব্লগারদের জন্যে। ৩ বছরটা উল্লেখ করার কারন হ'ল যে মানুষের কোন স্মৃতি ৩ বছর বয়সের আগে থাকেনা, সাধারনত। এ পোস্টে আমার ব্যাক্তিগত ক্ষতি গুলোঃ

১। এটা প্রকাশিত হবার পর আমার পরিচয় গোপন থাকবেনা, যা আমি এতদিন সযতনে রক্ষা করেছি।

২। ব্যাক্তিগত ঘটনা বয়ান পাঠকদের কাছে মাঝে মধ্যে আত্মপ্রচার ও পারিবারিক প্রচারের মত লাগবে যা আসলেই অশোভন, অরুচিকর এবং বিরক্তিকর। এগুলোও আমি লুকিয়ে রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করে এসেছি আজীবন।

৩। কোন পক্ষাবলম্বন না করে লেখাটা অত্যন্ত দুঃসাধ্য। আমার জন্যে আরো কঠিন। কারন যৌবন যখন সদ্য দেহ-মনে ভর করে আমার সমগ্র সত্তাকে ভীষনভাবে নাড়িয়ে দিচ্ছে, যা কিছুই সুন্দর তারই প্রেমে পড়ছি, ঠিক সে সময়ই বংগবন্ধুর সাথে আমার পরিচয়। নিরপেক্ষভাবে তাঁর ব্যাপারে লিখতে আমার খুবই কষ্ট হবে এবং আমাকে অসাধ্য সাধন করতে হবে।

৪। শুধুমাত্র স্মৃতি নির্ভর লেখার মূল সমস্যাটা হ'ল ভুল স্মৃতি মনের মধ্যে থাকা। যে কেউ যদি নিজের অভিজ্ঞতা থেকে আমার কোন বক্তব্যে দ্বিমত প্রকাশ করেন, তা'লে তাকে আমি অনুরোধ করবো মন্তব্যে তা তুলে ধরতে। আমার স্মৃতি ঘাটতে সাহায্য করার নেই কেউ আমার হাতের কাছে।

আমি আপ্রাণ চেষ্টা করবো-আমার যে একটা দায় আছে আমার পরের প্রজন্মগুলোর কাছে।

আমার এই দায় শোধ যদি এই প্রজন্মকে আমাদের গৌরবময় আর কলংকলেপিত অতীতকে নিরপেক্ষ ভাবে দেখতে শেখার পথে একপাও এগিয়ে নিয়ে যায়, তা'লেই আমি মনে করবো সেটা আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ অর্জন।

অনুগ্রহ করে মনে রাখবেন এটা আমার একান্তই ব্যাক্তিগত সৃতিচারন। পারিবারিক ঘটনাবলীর চর্বণ। সমগ্র দেশের ব্যাপারটা কখনোই প্রধান্য বিস্তার করবেনা, সে সাধ্য বা যোগ্যতা আমার নেই।

পুরো সময়টার কিছু অনুল্লেখ যোগ্য অংশ বিষদ ভাবে আসবে আবার অতি গুরুত্বপূর্ণ অংশ বাদ পরবে, ব্যাক্তগত স্মৃতিচারনের এটা একটা বিরাট সমসয়া। অনুরোধ করি বিষয়টা মনে রেখে আমার এ লেখাটা পড়বেন ।

পুরোটা পড়ার পর অনেকের কাছেই এটাকে "পর্বতের মূষিক প্রসব" বলে মনে হ'তে পারে। তাদের কাছে আমি ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।

>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>

পর্ব-১পর্ব-২পর্ব-৩ পর্ব-৪
পর্ব৫পর্ব-৬পর্ব-৭ পর্ব-৮ পর্ব-৯ পর্ব-১০ পর্ব-১১ পর্ব-১২ পর্ব-১৩


Your Greatest Enemy is your Own Bloody Mouth

উক্তিটি জেনারেল প্যাটনকে(GENERAL GEORGE S. PATTON, JR.) করেছিলেন সম্ভবত: জেনারেল আইজেন হাওয়ার, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষে, লন্ডনে দেয়া একটি সমাবেশে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে বিষোদগারের অপরাধে তিরস্কারের সময়। কিছুদিন পরই প্যাটনের মৃত্যু হয়, সড়ক দূর্ঘটনায় আহত হওয়ার ফলশ্রুতিতে। সত্তরের দেখা ছবি (Patton), ভাল মনে নেই।

বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি (অস্থায়ী) এবং তদানিন্তন শিল্প মন্ত্রী সৈয়দ নজরুল ইসলাম, বর্তমান এল জি আর ডি মন্ত্রীর (আম গাছেও আমড়া হয়, যেমন আমি) বাবা আর আমার বাবা গাড়ির পেছনের আসনে, আমি সোফারের পাশে। বাবা হঠাৎ জিজ্ঞেস করলেন "স্যার, আমাদের সংবিধানের চার স্তম্ভের দুটির ব্যাপারে আমি খুবই কনফিউজড। গণতন্ত্র হচ্ছে জনগনের নির্বাচিত সরকার, যেখানে জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস। আর সমাজতন্ত্র হল গিয়ে সর্বহারাদের একনায়কতন্ত্র। এ দুটিকে মিলিয়ে জগাখিচুরী বানিয়ে দেশ চালাতে আপনাদের অসুবিধে হবেনা?"

বেশ কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে উত্তর করলেন শিল্প মন্ত্রী "র.. আপনার সবচেয়ে বড় শত্রু হচ্ছে আপনার বেফাঁস কথা বার্তা।"

ততদিনে আমলাদের পেছনে লাগার জন্যে বাবা প্রচুর দুর্নাম কুড়িয়েছেন এবং শত্রু তৈরি করেছেন।

বংগবন্ধু আমলাতন্ত্রের ঘোর বিরোধী ছিলেন। তাজুদ্দিন তখন ছিলেন বংগবন্ধু বিরাট শক্তি। খন্দকার মুস্তাক আর শেখ মণি যদি তাজুদ্দিনের বিরুদ্ধে বংগবন্ধুর কান ভারী না করতে পারতেন এদেশের ইতিহাস অবশ্যই অনেক অন্য রকম করে লিপিবদ্ধ করা হ'ত (বাবার আক্ষেপ অনেক পরে)।

বংগবন্ধু, বংগবন্ধু, ফুল নাও, ফুল নাও!

৭২এর শেষ দিকে বা '৭৩ এর প্রথমে। বাসায় এক আপদ মোকাবেলা করতে হিমসিম খাচ্ছি। আমার সবচেয়ে ছোট বোন (তখন ৪/৫ বছরের) নাওয়া খাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। ও বংগবন্ধুকে ফুল দেবে। বাড়ির সকলে মিলে যতই সাধ্য সাধনা করি না কেন, সে ফুল না দিয়ে কিচ্ছু মুখে দেবেনা। সারাদিন কেটে গেল। বাবা ফিরলেন গভীর রাতে। শ্রমিক নেতাদের দাবী দাওয়া নিয়ে সমঝোতায় অনেক সময় পার করে। বাবার সাথে বাড়ির শুধু আমিই তখন যোগাযোগ করতে পারি। তার মেজাজ সে সময়ে সর্বক্ষণ তিরিক্ষি থাকতো। বাড়ির কাজের লোকগুলো ছাড়া আর কারো সাথেই মোলায়েম সুরে কথা বলতেন না। আমরা সবাই জেগে। আমিই কথাটা বল্লাম যে ছোট বোন বংগবন্ধুকে ফুল দেবার জন্যে অনশন করেছে। বাবা হেসে বল্লেন "এটা কোন একটা ব্যাপার? কাল ওকে নিয়ে ৩২ নম্বরে চলে যাও। বিকেলের দিকে যাবে।"

পরদিন বিকেলে একটা রিক্সা নিয়ে বংগবন্ধুর বাসায় গেলাম। বোনের হাতে একটা ফুল। অতি উত্তেজিত। আমার ভয়ে বুক দুরুদুরু করছে, কি জানি কি হয়। এমনিতে দূর্নাম আছে পাগল পরিবারের সদস্য হিসেবে। সবচে' ধেড়ে পাগল বাবা। তার পাগলামী প্রসুত নির্দেশে আমার এ পর্যন্ত আসা ঠিক হচ্ছে কিনা সে ব্যাপারে ততক্ষণে আমি যথেষ্ঠ সন্দিহান। গেটের কাছে এসে উল্টো হাঁটা দিলাম। বোন বসলো বেঁকে। ৩২এর গেটের ঠিক সামনে, রাস্তার ওপর পা ছড়িয়ে বসে সে দিল ভ্যা করে কেঁদে। গেটের প্রহরীরা কৌতুকের চোখে তাকাতে লাগলো। উপায়ান্তর না দেখে আমি ঢুকে পড়লাম বাসার ভেতর। কেউই আমাকে আটকালোনা, কেউই কিছু জিজ্ঞেসও করলোনা। ঢুকেই হাতের ডানে লন। আমি অতি ভীত, সন্ত্রস্ত ও আতংকিত হয়ে পাথরের মত দাড়িঁয়ে থাকলাম। সম্বিৎ ফিরে এল একটা ডাক শুনে "কি ভাইয়া?" অত্যন্ত নরোম স্বরের সেই ডাক। বাঁ দিকে ঘাড় ফিরিয়ে দেখি কৃশ, দীর্ঘাংগ, গোঁফ ওয়ালা একজন তরুন তাকিয়ে আছেন আমার দিকে স্নেহ ভরা দৃষ্টি দিয়ে। চিনে ফেল্লাম-শেখ কামাল। কোন মতে বল্লাম বোনের জেদের কথা, অনশনের কথা। মিষ্টি হেসে উনি বোনটাকে কোলে নিতে চাইলেন। বোনের সোজা উত্তর "তুমি তো বংগবন্ধু না। তোমার কোলে যাব না"। শেখ কামাল তখন বল্লেন তোমরা একটু অপেক্ষা কর, ভেতরে এসে বস। আব্বা একটু পরই নীচে নামবেন। বলে চলে গেলেন তিনি। আমর সাহসে কুলালোনা ভেতরে ঢোকার।

সেটা আমার শেখ কামলের সাথে প্রথম ও শেষ দেখা। পরে ভুলে যাব বলে এখ্নই বলছি। লোকমুখে শুনি এবং বইতেও পড়েছি যে শেখ কামাল নাকি সুলতানাকে জোর করে তুলে এনে বিয়ে করেছিল যখন সুলতানার অন্যখানে বিয়ে ঠিক হয়ে গিয়েছিল। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে এটা সর্বৈব মিথ্যাচার। সুলতানার সাথে শেখ কামালের সখ্যতা হয়। সুলতানার বাড়ির গুরুজনেরা কেউ সেটা মেনে নিতে পারেননি। তারা অন্যত্র তাঁর বিয়ে ঠিক করেন। সুলতানা কামাল ধনুক ভাংগা পণ করে বসে থাকেন-শেখ কামাল ছাড়া আর কাউকেই তিনি বিয়ে করবেন না। বাধ্য হয়ে তাঁর অভিভাবকদের শেখ কামালের কাছে তাঁকে বিয়ে দিতে হয়। সুলতানা কামালের আপন বড় ভাই রফিক মামা এখনো জীবিত এবং একজন নাম করা শিকারী(পরিবেশবাদীরা আমাকে মাফ করবেন)। ক'দিন আগেই তাঁর স্ত্রী বিয়োগ হয়েছে। এ ব্যাপারে যদি কারো যদি কোন সন্ধেহ থাকে তাহ'লে তাকে আমর সাথে যোগাযোগ করতে অনুরোধ করছি।। ওঁর সেল নম্বর অনুমতি সাপেক্ষে দিয়ে দেব। ওঁ একটু নিভৃতচারী, সম্ভবত: এখনো শাহজাহান পুরে থাকেন।

একটু পরই নেমে এলেন বংগ বন্ধু। লিখতে গিয়ে আমার সর্ব শরীর এখনই কাঁটা দিচ্ছে। আমি শিহরিত, আবেগে বাকরুদ্ধ । তাঁকে আমি কি বলেছিলাম তা এখন কেন ৩২ নম্বরের বাড়ি থেকে বেরুবার পর পরও মনে করতে পারিনি। একটু পরই দেখি আমার বোন তাঁর কোলে। গাল টিপে, গালে গাল ঘষে, আকাশে লোফালুফি করে একশেষ। এরই মধ্যে আমার বোন তার হাতের ফুলটি বংগবন্ধুর হাতে গুঁজে দেবার চেষ্টা করতে লাগলো আর বলতে লাগলও "বংগবন্ধু, বংগবন্ধু, ফুল নাও, ফুল নাও।"

ছেলেদের চোখের জল অপ্রস্তুতের কিন্তু তা সামলাতে না পেরে অনেক্ষণ বিরতি দিয়ে আবার লেখা শুরু করলাম।

বংগবন্ধুর দুটো হাতই তখন ব্যাস্ত। একটু পর লোফালুফি, চুমো আর ঘষাঘষি শেষ হলে তিনি ফুলটি নিলেন। তারপর হাঁটা দিলেন। এখন যারা ঐ ৩২ নম্বরে যান , তারা যত বড় ৩২ নম্বর দেখেন তখন ছিল তার অর্ধেক। ৯৬এর পর পাশের বাসাটিকে এর সাথে মেলানো হয়েছে। সেই পাশের বাসা আর তাঁর বাসার মাঝখানের দেয়ালটায় ছোট্ট একটা খোলা ফোঁকড় ছিল। ওটা দিয়ে গলে, পাশের বাড়ির মধ্য দিয়ে আমার বোনকে কোলে করে হাঁটতে শুরু করলেন তিনি। দু'জনের মধ্যে কত কথাই না হ'ল।

আমি পেছন পেছন নিশিতে পাওয়া লোকের মত অনুসরন করতে লাগলাম-১৫-২০ মিনিট।

পরের মাস খানেক আমি স্বাভাবিকভাবে জীবন-যাপন করতে পারিনি।

অনেক দিন ঘুরে প্রথম প্রেমিকার প্রেমে সম্মতি পাবার পরও এর শতভাগের একভাগও প্রতিক্রিয়া হয়নি আমার। পরিচিত মেয়েরা আমাকে ভীষন আনরোমান্টিক বলেই জানে।

শেখ মণি ও শ্রমিকেরা

অযৌক্তক দাবী দাওয়া আর লাগাতার ধর্মঘটে শ্রমিক লীগ বাবার অধীনস্থ কিছু কল কারখানাকে স্থবির করে দেয়। বাবা অতি দ্রুত ব্যাবস্থা নেন। তেজগাঁও শিল্প এলাকায় বেশ কিছু শ্রমিক নেতাকে আইনানুগভাবে বরখাস্ত করেন। দুটো কারখানার নাম মনে পড়ে-বাংলাদেশ সাইকেল ইন্ডাসট্রিজ আর ন্যাশনাল টিউবস।

পরদিন শিল্প ভবনে বাবা অফিস করছেন। পি এস হন্তদন্ত হয়ে বাবার অফিসে ঢুকলেন- শেখ মণি এসেছে এক্ষুনি বাবাকে দেখা করতে হবে।
বাব অতি নিরিহভাবে জিজ্ঞেস করলেন ' পি এস সাহেব, উনার সাথে যে আমার আজ এ্যাপয়েন্টমেন্ট আছে বলেনি তো! উত্তরে পিএস বল্লেন "স্যার কোন এ্যাপয়েন্টমেন্ট নেই"। বাবার সংক্ষিপ্ত উত্তর:"এ্যাপয়েন্টমেন্ট করে আসতে বলেন"। পিএ সোজা দৌড়ে গেলেন কর্পোরেশনের সব ডাইরেকটরদের কাছে। চার জন পরিচালক বাবার অফিসে ঢুকে অনেক্ষণ বোঝানোর চেষ্টা করলেন বাবাকে যাতে করে বংশগত এই পাগলামো সাময়িক ভাবে বাদ দিয়ে শেখ মণির সাথে দেখা করেন তিনি। বাবার পাগলামো ছিল স্থায়ী ধরনের। আধ ঘন্টায়ও বাবাকে কেউ রাজী করাতে পারলেন না।

অগত্যা শেখ মণিকে জানিয়ে দেয়া হ'ল বাবার পরামর্শ।শেখ মণি রাগে আর অপমানে চিৎকার করে উঠলেন। চিৎকারের বিষয় ছিল যে বাবা কি জানেন না বা বোঝেন না যে কার দাক্ষ্যিন্যে তিনি এ ধরায় নিঃশ্বাস নিচ্ছেন?

আমরা ক্ষমতার দম্ভে সব কিছু ভুলে যাই, এমন কি সর্ব শক্তিমানকেও। তাঁর এখতিয়ারকেও।

শেখ মণি তো চলে গেলেন। বাবাও কাজ করে যাচ্ছেন। কিন্তু পুরো অফিস অজানা আতংকে আতংকিত। পরিচালকেরা, কর্পোরেশনের সচীব (ওয়াসেক আল আজাদ, পরে ইস্পাত ও জাহাজ নির্মান সংস্থার চেয়ারম্যান হয়েছিলেন), সিনিয়ার এক্সিউটিভেরা মিলে অনেকক্ষণ ধরে মিটিং করলেন। পরিচালক কারিগরী (সম্ভবত) ডঃ তোফায়েলের স্ত্রী ছিলেন ঘাদাদের দ্বারা নিহত আইভী রহমানের আপন বোন। তিনি স্বতঃপ্রনোদিত হয়ে আইভী রহমানের সাথে যোগাযোগ করেন। আইভী রহমান অনেক চেষ্টা তদবীর করার পর এ ব্যাপারে কোন কিছু করতে অপরাগতা প্রকাশ করেন।

বাবার পরিচালকদের মধ্যে প্রয়াত সাইফুল ইসলাম( প্রখ্যাত মডেল মৌয়ের বাবা, নাট্য শিল্পী জাহেদের শশুর), পরিচালক জাহাজ নির্মানের উপদেশ বাবা মাঝে মাঝে শুনতেন। সন্ধ্যার সময় সাইফুল ইসলাম চাচা বাবার অফিসে ঢুকে বল্লেন বাবা যাতে ব্যাপারটা অন্ততঃ শিল্প মন্ত্রীকে জানান। বাবা শিল্প মন্ত্রীকে সেদিনের ঘটনাবলী অবহত করালেন। শিল্প মন্ত্রী বাবাকে সংগে সংগে অভয় দিয়ে বলেন বাবা যা করেছেন একদম ঠিক করেছেন, বাকিটা উনি সামলাবেন।

এবং তিনি তা সামলালেন। {সাইফুল ইসলাম চাচা, ডঃ তোফায়েল চাচা,গিয়াস উদ্দিন চাচা (সম্ভবত: পরিচালক পরিকল্পনা)ও পিএস চাচার মুখ থেকে শোনা}।


-চলবে।

 

সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:১৯

লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

২. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:০২
বাস্তবতা বলেছেন: একটা দেশকে ডুবানোর জন্য যে আসলে খুব অল্প কিছু মানুষই যথেষ্ট - এটা আপনার লেখা পড়ে নিশ্চিত হওয়া গেল।
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:১৯

লেখক বলেছেন: সহমত।

৩. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:২৩
শাহেরীন বলেছেন: বাস্তবতা বলেছেন: একটা দেশকে ডুবানোর জন্য যে আসলে খুব অল্প কিছু মানুষই যথেষ্ট - এটা আপনার লেখা পড়ে নিশ্চিত হওয়া গেল।
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:২০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:০২
তালহা তিতুমির বলেছেন: লিখে যান । অনেক অজানা বিষয় সামনে আসছে। সুলতানা কামালের মতো আরেকটা ভুয়া তথ্য সবাই সত্য বলে মানে সেটা হলো- মেজর ডালিমের স্ত্রীকে অপহরণ ও নির্যাতন করেছিলো শেখ কামাল। আসলে এ কুকর্মের নায়ক হলো আওয়ামিলীগ নেতা গাজী। আশা করি আপনি এ ধোয়াশাগুলো পরিষ্কার করবেন।
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:২২

লেখক বলেছেন: আপনি ভবিষ্যত বক্তা।

গাজী গোলাম মোসতফায়
রাস্তা দিয়া হাইট্টা যায়,
কম্বল..................................,
............................................।

৫. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:১২
সেতূ বলেছেন:
আপনার বাবা তো দারুন ব্যাক্তিত্ব বান.....
+++
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৫০

লেখক বলেছেন: আপনি এখন বলছেন ব্যাক্তিত্ববান। সে সময়ে বলতেন উন্মাদ।

তিনি ব্যাক্তিত্ববান ছিলেন না। অনিরামেয়, বদ্ধ উন্মাদ ছিলেন।

বংগবন্ধু, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, এ এইচ এম কামরুজ্জান এবং এদের মত কিছু নিঃস্বার্থ, দেশ প্রেমিক, অবিশ্বাস্য সহজ সরল জীবন যাপনকারী, অকুতভয় জননেতা না থাকলে বাবা কেন আমরাও কেউ বেঁচে থাকতাম না এসব বলার জন্যে।

তাঁরা ছিলেন আসল জননেতা। বংগবন্ধুর মত এত বিরাট ব্যাক্তিত্ব তাঁদের ব্যাক্তিত্বকে এতটুকুও ম্লান করতে পারেনি এক মূহুর্তের জন্যেও কোনদিন।

৬. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:২৯
অলস ছেলে বলেছেন: পড়ছি। ভালো লেগেছে। শেখ কামাল আর সুলতানার বিয়ে নিয়ে আপনি যা বললেন একই কথা আমার আম্মাও বলতেন, আম্মা তখন ঢাবির ছাত্রী।

শেখ মণির অন্যায় দাপট, দেশের চার মূলনীতি অসামঞ্জস্যতা এ প্রসঙ্গগুলোতে ভাবনার উপাদান পেলাম। বিনয় হোক আর সত্যি হোক, আপনি আমড়া হলে বেশি মানুষের ক্ষতি নেই আপনার পরিবার পরিচিত গন্ডিতে সীমাবদ্ধ :) কিন্তু নেতা আমড়া হলে জনগণের তো সমস্যা।
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৪৬

লেখক বলেছেন: "আপনি আমড়া হলে বেশি মানুষের ক্ষতি নেই আপনার পরিবার পরিচিত গন্ডিতে সীমাবদ্ধ :) কিন্তু নেতা আমড়া হলে জনগণের তো সমস্যা।"

- বাবা প্রায়ই বলতেন "দশ টাকার ঘুষখোরদের পিছে দৌড়াস ক্যান? পলিসি মেকারদের রং পলিসি মেকিংএর জন্যে যে দেশ ফকির হয়ে গেল তাদেরকে তো একশোবার ফাঁসীতে লটকালেও সুবিচার করা হবেনা।"

৭. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৩১
চন্দন বলেছেন: পড়ে যাচ্ছি, যতই পড়ছি ততই মুগ্ধ হচ্ছি,

অসাধারন লিখেছেন।
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৪৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ চন্দন।

৮. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২৬
হোসাইন১৯৫০ বলেছেন:

খৃব ভাল লাগল ।
চলুক ।



George Smith Patton, Jr. (also George Smith Patton III) (November 11, 1885 – December 21, 1945)
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:০৬

লেখক বলেছেন: হোসাইন১৯৫০,

অনেক ধন্যবাদ ছবিটির জন্যে। জেনারেল প্যাটনকে পৃথিবীর সেরা ১০০ জন জেনারেলের মধ্যে একজন ধরে থাকেন সমরবিদরা।

ফিরে আসাতে স্বাগতম। যে রাতে ছুরিকাহত হলেন, খুবই চিন্তায় রেখেছিলেন।

৯. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩৮
মেঘের পরে মেঘ বলেছেন: প্রতিটি পর্ব আগ্রহ নিয়ে পড়ছি। পড়ার সময় মনে হয় দৃশ্যগুলো নিজের চোখে দেখতে পাচ্ছি। আমি এত সহজ-সরল সাবলিল ভাষায় মুক্তিযুদ্ধের কথা আর পড়িনি। আমরা, যুদ্ধ পরবর্তী প্রজন্ম, আপনাদের কাছ থেকে সব ইতিহাস জানতে চাই, নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে। আওয়ামীলিগ, বিএনপি এবং ইদানিংকালে জামাত নিজেদের মত করে বলে বেড়ায়। সব শুনে পাজল্ড হয়ে যেতে হয়। আপনার সিরিজ এবং সবার কমেন্ট পড়ে অনেক কিছু নতুন জানলাম।

একটা রিকুয়েস্ট থাকলো, রক্ষীবাহিনীর হাতে দেশের মানুষ কতটুকু নির্যাতিন হয়েছিল, সিরাজ শিকদার হত্যা, এসম্পর্কে জানলে দয়াকরে যদি লিখতেন, খুব ভাল লাগত। আপনার সুস্বাস্হ্য কামনা করছি।
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫৭

লেখক বলেছেন: শুধু যা নিজে দেখেছি বা প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছে শুনেছি সে টুকুই।

১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:৫০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১১. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩৪
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: তুলনামূলক বড় পোষ্ট দিলেন আজ। বঙ্গবন্ধুর সাথে সাক্ষাতের বর্ণনা ভাল লেগেছে; একেবারে যেন চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছিলাম।

আপনার বাবার প্রতি শ্রদ্ধাবোধ বেড়ে যাচ্ছে।
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:৫৪

লেখক বলেছেন: আমার কৃতজ্ঞতা স্মৃতিচারনে এখনও চোখ ঝাপসা হয়।

বর্তমান অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে বাড়ছে হয়তো বা কিন্তু সেদিনগুলোর বিচারে আসলেই তিনি ছিলেন একটা বদ্ধ উন্মাদ।

১২. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৪৫
স্তব্ধতা' বলেছেন: খুব ভালো লাগছে।বিশেষ করে বঙ্গবন্ধুর আপনার বোনকে আদর করার জায়গাটা।আমি যেনো ওদের দেখতে পাচ্ছিলাম।আর আপনি এই মুহুর্তে একটা খুব কলঙ্কময় অধ্যায় পাড়ি দিচ্ছেন।১৯৫ জন যুদ্ধাপরাধী নিয়াজী, ফরমান আলীরা যারা জেনেভা কনভেনশনেও প্রটেক্টেড ছিলোনা তাদেরকে আমরা প্রটেক্ট করে দিলাম।দেশের মানুষতো বিচার চাইতো।৭২' এ কূলদীপ নায়ারের সাক্ষাতকারেও বঙ্গবন্ধু এ ব্যাপারে তার অবিচলতার কথা জানিয়েছেন।কি এমন ঘটলো যে, ৭৪-এ নায়ারের সাথে আরেক সাক্ষাতকারে তিনি বললেন, 'আমি পুরোনো সব কিছু ভুলে যেতে চাই, চাই আমার দেশের মানুষও সব ভুলে যাক'....বিচারটা কেনো হলোনা? কি প্রভাব পড়েছিলো এর তখনকার সাধারণ মানুষগুলোর উপর, জানতে চাই।
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:১০

লেখক বলেছেন: ৭২' এ কূলদীপ নায়ারের সাক্ষাতকারেও বঙ্গবন্ধু এ ব্যাপারে তার অবিচলতার কথা জানিয়েছেন।কি এমন ঘটলো যে, ৭৪-এ নায়ারের সাথে আরেক সাক্ষাতকারে তিনি বললেন, 'আমি পুরোনো সব কিছু ভুলে যেতে চাই, চাই আমার দেশের মানুষও সব ভুলে যাক'....বিচারটা কেনো হলোনা?

-আন্তর্জাতিক চাপ বলবোনা। আসলে নিসংগ সারথী যদি দেখে থাকেন বুঝবেন, স্বাধীনতা সংগ্রাম চলাকালীন সময়ে বংগবন্ধু অনুপস্থিত ছিলেন বলে সংগ্রমের প্রতি তাঁর ততটুকু মনযোগ ছিলনা। পাকিস্তানী কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়াটাও পাকিস্তানীদের বদান্যতা ছিল সম্ভবতঃ, তার ওপড় তাঁর উদারতা, সব মিলিয়ে যা হবার তাই হয়েছে।

কি প্রভাব পড়েছিলো এর তখনকার সাধারণ মানুষগুলোর উপর, জানতে চাই।

-বাংগালী অত্যন্ত বিস্মৃতি পরায়ন জাতি। খুব বেশী প্রভাব পড়তে দেখিনি। দিনে একবেলা পেট পুরে খাবারের চিন্তায়ই বাংগালীরা বোধ হয় তখন দিশেহারা ছিল।

১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৩৬

লেখক বলেছেন: "The second failure was external: the US had withheld 2.2 million tonnes of food aid to 'ensure that it abandoned plans to try Pakistani war criminals'. "

-Bangladesh famine of 1974 From Wikipedia, the free encyclopedia

-এটা কারন হতে পারে।

১৩. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:০০
নাজনীন১ বলেছেন: একজন প্রধানমন্ত্রীর বাড়িতে যেতে অনুমতি লাগে না, এ যুগে কি আর কখনো সম্ভব হবে? মানুষ সে রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে। জনগণ যেমন হয়, নেতারাও তেমনি হয়, হতে হয়।
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:১২

লেখক বলেছেন: বংগবন্ধুর বাড়িতে যে কেউ যে কোন সময় ঢুকতে পারতো।

১৪. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:১০
পারভেজ বলেছেন: শেখ কামালের গল্পটা কিছুটা এরকমই শুনেছিলাম। তখন বুয়েট মাঠে প্র্যাকটিস করতো সুলতানা। শেখ কামাল প্রায়ই এসে সেখানে দাড়াতেন। এটা নিয়ে একদিন সুলতানা তার সহপাঠিদের কিছুটা অনুযোগ করেছিল। তাদের ভেতর ছিল আমার পরিচিত জনৈক স্থপতি। তিনি ছিলেন ধানমন্ডির একই পাড়ার ছেলে। তারা কজনে মিলে নাকি শেখ কামাল কে বলেওছিল যে, কামাল ভাই, এভাবে বিব্রত না করলেই ভালো। পরের ঘটনাটুকু কি একতরফা না দুই তরফা সেটা ঠিক বলতে পারবো না। তবে শেখ কামাল কিছুটা জেদ যে খাটিয়েছিলেন সেটা বোধকরি ঠিক। আর ব্যাংক ডাকাতির ঘটনাটা ছিল মুলত, জাসদের ছেলেদের ধাওয়া করতে যেয়ে পুলিশের মুখমুখি হওয়া। সেটার গল্পও সেই স্থপতির মুখে শুনেছিলাম।
১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৪৩

লেখক বলেছেন: আর ব্যাংক ডাকাতির ঘটনাটা ছিল মুলত, জাসদের ছেলেদের ধাওয়া করতে যেয়ে পুলিশের মুখমুখি হওয়া। সেটার গল্পও সেই স্থপতির মুখে শুনেছিলাম।


-আমিও ঠিক একই কথা শুনেছি সে সময়।

১৫. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:২২
তারার হাসি বলেছেন:
বঙ্গবন্ধু, বঙ্গবন্ধু, ফুল নাও, ফুল নাও!
১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৪৬

লেখক বলেছেন: অতি অল্পে অনেক কিছু বলে দিলেন।

ধন্যবাদ।

১৬. ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:২৬
রাগ ইমন বলেছেন: একটা দীর্ঘশ্বাস ।

মানুষটা কেমন করে তাজউদ্দিনের প্রতি বিরুপ হয়ে উঠলেন বলতে পারেন?

স্রেফ মণী আর মোস্তাক মিলেই তাকে বিভ্রান্ত করতে পারলো ?

কেমন করে পারলো ।

আশে পাশের অন্যান্য মানুষের ভূমিকা কি ছিলো?
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:০১

লেখক বলেছেন: মানুষের সব চেয়ে বড় শত্রু তিনটি:

১।ক্রোধ।

২। আত্ম তুষ্টি

৩। কান কথা শোনা।

আশে পাশের অন্যান্য মানুষের ভূমিকা কি ছিলো?

আপনি আম জনতা সম্পর্কে আমার এই সিরিজে যা মন্তব্য করেছিলেন তাই..

Que sera, sera............

১৭. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০৬
সুবিদ্ বলেছেন: অনন্য ইতিহাস........

আমার মনে হয় শেখ মুজিব আর তাজউদ্দিনের বিরোধটাই সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডি এদেশের.......

আমার কেন যেন মনে হয় '৭১-এ বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে তাজউদ্দিন সফল নেতৃত্ব দেয়ায় অনেকে কুমন্ত্রণা দিয়েছিল যে তাজ কোন একসময় তাঁকে চ্যালেঞ্জ করে বসতে পারে.....এইটা উনি বিশ্বাস করে ফেলেছিলেন......
০১ লা মার্চ, ২০১০ ভোর ৪:৫০

লেখক বলেছেন: আপনার অভিমতের মত একটা কথার তখন জোর প্রচলন ছিল।

০১ লা মার্চ, ২০১০ বিকাল ৪:৪৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৯. ০১ লা জুলাই, ২০১০ দুপুর ১:১০
কঠিনলজিক বলেছেন: এত বড় লেখা এক টানে পড়লাম, লেখা শেষ পর্যন্ত পড়লাম মনে হলো লেখা টা অনেক ছোট হয়ে গেছে, আবার উপরের দিকে স্ক্রল করলাম নাহ লেখা ছোট না, তবে এরকম জিবন্ত লেখনী আর বিষয়বস্তুর লেখা ছোটই মনে হয় ।
আপনার বাবার প্রতি রইল শ্রদ্ধা আর এরকম ভাগ্যবান সন্তানের প্রতি ইর্ষামিশ্রিত শুভকামনা ।
০১ লা জুলাই, ২০১০ রাত ৮:০১

লেখক বলেছেন: আপনাকে অন্তরের অন্তস্থলের কৃতজ্ঞতা।

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৩০৬ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
না প্রেমিক না বিপ্লবী
trishonku@hotmail.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই