আমার প্রিয় পোস্ট
- ভারতীয় যে সকল পণ্য আমাদের পরিহার করা উচিত……(বাংলাদেশের স্বার্থে রিপোষ্ট) - তাইয়িব
- ইতা কিতা কইলায় রবো ঠাকু ভাই - নাজমুল ইসলাম মকবুল
- কক্সবাজার ভ্রমণের সময় সংগ্রহে রাখার মতো গুরুত্বপূর্ণ কিছু ফোন নম্বর - পয়গম্বর
- বিভিন্ন পিকনিক স্পট ও রিসোর্টের ঠিকানা - ***হাফিজ***
- কেন Samsung এর LCD TV কিনবেন?সস্তা,মান ভাল,Warrenty আছে দীর্ঘ সময়…. - তুহিণ
- ঢাকা শহর এবং এর আশেপাশে সুবিধাজনক ডেটিংপ্লেস* সমূহ - পয়গম্বর
- ট্রানজিটের পয়লা মাশুল: তিতাস একটি খুন হয়ে যাওয়া নদীর নাম! - দিনমজুর
- সামু'র বাছাই করা ছাগু পোস্ট - আমি সুফিয়ান
- আমার সংগ্রহের প্রথম (কার্টুন) ছবি ব্লগ:১ - জহির উদদীন
- "৭১-এর জ্বালাময়ী সকল গানের লিরিক্স"-(বিজয় দিবসের বিশেষ পোস্ট) - ইউসুফ খান
- বিদ্রোহী গ্রুপ ‘সেভ শিবির’-এর চাঞ্চল্যকর তথ্য- জামাত নেতাদের ছেলেমেয়েরা যেভাবে চলে - রাজদরবার
- নভেম্বর মাসের অবশ্যপাঠ্য পোস্টের সংকলন - দূর্যোধন
- বাংলা ভিশনে প্রায় এক ঘন্টা ব্যাপী অধ্যাপক গোলাম আযমের একটি এক্সক্লসিভ সাক্ষাতকার প্রচারিত হয়। সাক্ষাৎকারের পূর্ণাঙ্গ বিবরণ - স্মৃতির ছেঁড়াপাতা
- পাকি বীর্যে জন্মগ্রহনকারী বাংলাদেশী যে সব কুত্তার বাচ্চা বাংলাদেশ পাকিস্তান ম্যাচে ফাকিস্তানের পতাকা নিয়া লাফাইলো তাদের কিছু ইতিহাস জানাতে চাই। পড়ে দেখ কি অন্যায় তোরা করেছিস? - শরীফ মহিউদ্দীন
- খনা : এক ক্ষণজন্মা কিংবদন্তীর দুঃখগাথা - ইশতিয়াক আহমেদ চয়ন
- মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র এবং বইয়ের নাম - মুশফিকুর রহমান সুমিত
- প্রাচীন সভ্যতার নিরব সাক্ষী ফুলবাড়ীয়ার লাল চিনি - মোত্তালিব দরবারি
- ·٠•●♥♫♫♫ "লালন" - পোস্ট সংকলন ♫♫♫·•●♥ ·٠ - কবির চৌধুরী
- মাংসের আইটেম (কিঞ্চিৎ খাওয়াদাওয়া মূলক লোভনীয় টপিক)
- একজন ছেলে
- ESET NOD 32 ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড। মাত্র ২০১৬ সাল পর্যন্ত মেয়াদ!!! - তালহা ইবনে জাফর
- মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার মেজর জলিল : যে যুদ্ধ তিনি শেষ করে যেতে পারেননি - দস্যু রত্নাকর
- Call Block না করেও শিক্ষাদিন বিরক্তিকর কলারকে (বিনা খরচে বিনা সফটওয়্যার এ) - দৈনিক কপি-পেষ্ট
- জেনে নিন নিম্ন ক্যালোরীর খাবার কোন গুলো....ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করবে.... - ডোরা রহমান
- নাফাখুম যাবার বর্তমান খরচা পাতি - শিবলী
- আমরা কি খাচ্ছি?ঃ

মুরগিতে বিষক্রিয়ার উপাদান থাকার প্রমাণ পেয়েছে বুয়েটের শিক্ষার্থীরা - কাজিম কামাল
- ইহা বাংলাদেশের কিছু ফাইট্টা যায় টাইপের বিজ্ঞাপন । হাসতে হাসতে পেটে খিল ধরলে আমি দায়ি নই - যত্নহীন রবি
- চাকরি খোজার লিঙ্ক এবং আমার প্রিয় কিছু ওয়েবসাইট!! - অ্যাঙ্গেল বয়
- কাপড়ের দাগ দূর করতে !!! - অ্যাঙ্গেল বয়
- জাতীয় পরিচয়পত্র হারালে ও সংশোধন করতে - অতি দরকারি ও শিক্ষামুলক পোস্ট!!! - অ্যাঙ্গেল বয়
- নীলুমনি'র জন্য কিছু মিস্টির রেসিপি.....
- নাআমি
- ডেসটিনি এবং আমার খুদ্র অভিজ্ঞতা ভুল কিছু লিখলে আগেই বিনীতভাবে ক্ষমা প্রার্থী - গাজী খায়রুল হাসান
- কোন software ছাড়াই folder lock করুন - মোহাম্মদ আরিফ
- বব মার্লের জীবনের শেষ কিছু সময় - (সাথে সবকটি গান ডাউনলোড লিংক) - কবির চৌধুরী
- " বাংলাদেশের অনেক মজাদার খাবারের নাম ও লোকেশন (বাংলার ফুল ফুড ডিকশনারী) " - নাফিজ মুনতাসির
- লিবিয়া জীবন: ৫ ... - সাঈফ ইবনে রফিকের কবিতা
- কেন আপনি মজিলা ফায়ার ফক্স ব্যবহার করবেন? এড-অনস স্ক্রিপ,নিরাপত্তা সোজা কথায় পালটে যাবে আপনার ব্রাউজিং অভিজ্ঞতা!!

- হাসান জোবায়ের
- হিটলার বনাম স্ট্যালিনঃ খুনী কে ? (পর্ব ১) - আমি অমানুষ
- একাত্তরে হত্যার অভিযোগ মাওলানা আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে মামলা - এস্কিমো
- মহান আল্লাহ্ তা আলার সুন্দুরতম নাম সমুহ ! - সাইদুর রহমান মুন্না
- নিশ্চিত করুন আপনার পাঠানো ইমেইলটি প্রাপক পড়েছেন নাকি পড়েননি
- অংকন কুরী
- সেকাল এবং একালের সেরা কিছু হিন্দি গান - পাগলমন২০১১
- জামাতে মওদুদীর ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম আজহারুল ইসলাম এবং আমাদের ইসলামী আন্দোলন - পঙ্খিরাজ
- দ্রুত স্ক্যানের 8টি সেরা অনলাইন এন্টি ভাইরাস স্ক্যানার - আবুসু িফয়ান
ইন্টারনেটে ফ্রি বাংলা TV চ্যানেল সহ আরও অন্যান্য চ্যানেল দেখতে চান, তা হলে পোষ্ট টি আপনার জন্য।
- বোরহান উদদীন
- ৬৪ টি জেলার ওয়েবপোর্টাল - জেনে নিন বিভিন্ন জেলার তথ্যাদি - সািকল খান
- সামুতে ব্লগার/পাঠকদের সর্বাধিক পছন্দের কিছু পোষ্ট - জহিরুল ইসলাম তাহা
- মোবাইল থেকে বাংলা লিখুন। - ১৪
- এবার সামুর যে কোনো পোস্ট কে এমনকি অন্যের কমেন্ট সহ এডিট করুন নিজের ইচ্ছা মতো - অণুজীব
- হিরক রাজার দেশের স্পেশাল আপডেটঃ বিশেষ দিনের বিশেষ কৌতুক তবে বাস্তব। - বেঙ্গল মাসুদ
- সামু জাফর ইকবাল রে নিয়া আমার লেখাটা সরিয়ে দিল কেন??? আমার অপরাধ টা জানতে চাই - দিদুমিয়া
- চলুন শুনে নেই সর্বকালের সর্বসেরা ১০টি ইংরেজী গান। - কল্পবিলাসী স্বপ্ন
- সিলটী নাগরী ঠুমরীঃ খান্দাত আইতে দেও - সজল শর্মা
- বাংলা ব্লগের লিংক - ব্লগ রাতুল
- বাচ্চাদের ছড়া কোথায় পাব? - জাকিরুল হক তালুকদার
- কনসার্ট ফর বাংলাদেশ ও এর কয়েকটি পোস্টার - গাব্রিয়েল সুমন
- সুন্দরী পূবাইল - নাআমি
- ইহুদি সম্প্রদায় : অত্যাচারিত থেকে অত্যাচারী : বর্তমান পৃথিবীর শাসক ও সুপারপাওয়ার : (৪র্থ পর্ব) - আশরাফ মাহমুদ মুন্না
- windows7 এ্যক্টটিভ করে নিন... - bangal manus
- আমার ছাদে বাগানের ছবি পোষ্ট - ২০১১ - এহ্তেশাম
- আর নয় বাংলা বানান ভুল। ভুল হলে শব্দের নিচে লাল দাগ চলে আসবে, আপনাকে শুধু কষ্ট করে ডান বাটন ক্লিক করে শুদ্ধটি বেছে নিতে হবে।
- বালক বন্ধু
- নির্মলেন্দু গুণের "হুলিয়া" লেখার পূর্বমুহুর্ত যেমন ছিল.......................... - ময়ুখ
- আশরাফ; এই ছবিগুলো দেখে আপনি কি বলবেন প্লিজ.... (ফটো ইনসাইক্লোপিডিয়া অব ছাত্রলীগ) - কানন শাহ
- কলকাতা বেড়াতে গেলে এই হোটেল গুলোতে অবশ্যই খেয়ে আসবেন। - সাহাদাত
- $$ ঘরে বসে ইন্টারনেট এ আয় করতে চান? - বেবি
- কি-বোর্ডের ফাংশন কি সমূহের কাজ (F1 থেকে F12 পর্যন্ত) - সফটওয়্যার
- ছোট্ট আয়েশার চিঠি : লন্ডনে মুজিব ও ভুট্টো - অমি রহমান পিয়াল
- এক ক্লিকেই জেনোইন করে ফেলুন আপনার windows 7, vista, xp, ms office 2007,ms office 2010 না দেখলে মিস - কালো চিতা
- কম্পিউটার ও ইন্টারনেট চালানোর সাধারণ জ্ঞান থাকলে ঘরে বসে আপনিও ইনকাম করতে পারেন মাসে ২০০০০ টাকা - সামি আহমাদ
- অর্ণব-বাক্সে বাক্সে - মন ভাল না
- মচমচে জিলাপীর প্যাচসম্বৃদ্ধ পোষ্ট

- মুনলাইট
- যার জন্য ব্লগ লিখি - সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
- DSLR ক্যামেরা কিনব , ফটোগ্রাফার ভাইদের পরামর্শ চাই - শাহনেওয়াজ কাইসার
- বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে মঞ্চের সঙ্গে পরিচিত হতে হবে - রিজভী
- ইচ্ছে অবসর - আরিয়ানা
- দ্য আদার কনসার্ট ফর বাংলাদেশ : যেটার কথা কেউ বলে না! - অমি রহমান পিয়াল
- শিবিরের মিছিলে বেপরোয়া লাঠিচার্জের প্রতিবাদে প্রাণী অধিকার সংগঠন পেটার নিন্দা জ্ঞাপন। - ওয়াহিদ০০১
- কিভাবে আপনার উইন্ডোজের গতি বাড়াবেন? - কমপিউটার জগৎ
- কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সমগ্র রচনাবলী অনলাইনে - বংশী নদীর পাড়ে
- ‘মেহেরজান’ ছবির প্রদর্শনী অব্যাহত থাকুক ও সেইসঙ্গে ‘মেহেরজান’ ছবির পরিচালক রুবাইয়াৎ হোসেনকে কিছু বেদনাবিদ্ধ জিজ্ঞাসা : - বাকী বিল্লাহ
- নিলুফার ইয়াসমিনের কয়েকটি গান... - গানচিল
- সূরা আল-ফাতিহা...মক্কায় অবতীর্ণ: ।আয়াত-৭ - রোমি খান
- টেকনিক্যাল ক্যাতা পোস্ট- মোবাইলে বাংলা ফন্ট (নোকিয়া-সিম্বিয়ান)
- চোরকাঁটা
- হাড়িয়া কাবাব - আমার নাম আশিক.........
- হুমায়ুন আহমেদের ১৪৮ টি বইয়ের বিশাল সমগ্র [রিপোস্ট] লিংকসহ ঠিক করে দিলাম - বখতিয়ার হোসেন
- জ্ঞানী-নির্বোধ কিংবা নির্বোধ-জ্ঞানীর গল্প - ম্যাভেরিক
- গীতবিতান এবং একটি গান - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- কথাচ্ছলে মহাভারত - ১৫ - দীপান্বিতা
- রাজাকার সাঈদীর পিরোজপুরের ২ মামলা যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালে - মানুষ
- একে ধরতে রাষ্ট্র যদি ব্যর্থ হয়, তাহলে একে জুতা মারার জন্য প্রস্তুত হউন - শেখ রফিক
- ছহিহ্ রাজাকার নামা!!!!!!!! - তাইয়িব
- কুরআনের সবগুলো সূরার নামের বাংলা অর্থ জানতে ইচ্ছা হয় না ? আসুন..জেনে নিই...(২)
- রংধনুর সাত রঙ
- বিভিন্ন "গণতান্ত্রিক !" দেশে সাংসদদের সংসদে আচরন - ফেরদাউস আল আমিন
- চৌধুরী মঈনূদ্দীন সহ তিন পলাতক যুদ্ধাপরাধী নিয়ে চ্যানেল ফোরের সেই বিখ্যাত ডকুমেন্টারিটি! - জিন্দা লাশ
- গরীব দেশের রাজধানীতে দৈনিক নামছে ৯৮টি প্রাইভেট কার! - বাংলাপ্রতিদিন
- যেসব সহজ-বানান আমরা খুব সহজে ভুল করি-- ৪র্থ পর্ব - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- জ্ঞান-বিজ্ঞানের রাজ্যে মুসলমানঃ উত্থান ও পতন পর্ব-১৪ - তায়েফ আহমাদ
- থেমে আছে সময় - ডাইনী বুড়ী
- যে বই গুলো পড়া দরকার (সবগুলোর লিস্ট) - সপ্নীল
- ঈমান জোরদার করার জন্য বিভিন্ন ব্লগ হইতে সংগৃহিত ক্লাসিক লেখা - দ্বিতীয়নাম
- পাঁচ মিনিটে উইন্ডোজ ইনষ্টল- টিউটোরিয়াল - নাজিরুল হক
- গ্রামীনফোন মোডেম দিয়ে অন্য অপারেটরের(একটেল, বাংলালিংক,ওয়ারিদ) ইন্টারনেট ব্যাবহার - ফরহাদুল কবির
- মুছে যাওয়া ফাইল, ফোল্ডার পুনরুদ্ধার করুন নিমেষে। - কপোত
- যদি ফেসবুক সহ আরো সাইট ব্যান হয়, তাহলে কী করবেন? - ত্রিভুজ
- ইন্টারনেটের যে সাইটগুলোতে সারাদিন কাটাই

- অরণ্যচারী
- যারা অনুবাদকৃত কোরআন এবং অন্যান্য ধর্মগ্রন্থের ভালো WebSite Link চান, তাদের জন্য

- কঠিন চিজ
- আসুন ব্যাচেলরের রান্না ঘরে - ২ - রাগ ইমন
- কষ্ট পেলাম মাননীয় প্রধানমন্ত্রী - উন মানুষ
- শেয়ার করার মত চমৎকার কিছু ছবি - ৪৩ | দেখেন তো জায়গাগুলো চিনতে পারেন কিনা | - কুঁড়ের বাদশা
- অল্প সময়ে ফেসবুক, ফ্লিকার, ইমেজসহ্যাক সহ ওয়ার্ডপ্রেস, ব্লগার, সামহোয়্যারইন ব্লগ, টেকটিউনস ইত্যাদিতে একসাথে অনেকগুলো ছবি আপলোড করুন কোন ঝামেলা ছাড়াই - আরিফ বল্গ
- অফেন্ডিং জিয়া ১ : স্বাধীনতার ঘোষণা পর্ব - নুরুজ্জামান মানিক
- ক্যামেরা কিনবেন কে কে ? - নক্ষত্রের কান্না
- যে কোন সাইটে বাংলা অক্ষর ভাল ভাবে দেখার জন্য ইনস্টল করুন Font Fixer - মেঘবালক অর্ভনীড়
- ২৪ বছর ধরে আমি যা ভুল জানতাম..শেখ কামাল কি কারনে মেজর ডালিমের বউকে হাইজ্যাক করেছিল !!!???? - সিষ্টেম ইন্জিনিয়ার
- গন্ধটা বড় জ্বালাচ্ছে.... - দুরণ্ত সাহস
- ব্লগার বন্ধুদের জন্মদিনঃ ডাটা ব্যাংক - মিলটন
- মজাসে উবুন্টুতে বাংলা ইউনিজয় লিখুন। - শরীফ উদ্দীন
- DATA ENTRY কাজের জন্য লোক খুজছি। - আতাতুর্ক
- যে কারনে পাকিস্তানী যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে ব্যর্থ হলাম (মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ও নির্যাতিত সকল সূর্য-সন্তানদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা সহ) - মিরাজ
- কালুরঘাটের শুক্কুর মিয়া ভাই- বেলাল মোহাম্মদ - সেলটিক সাগর
- প্রাণভিক্ষার আবেদন নিয়ে ধূম্রজাল: দাবী প্রাণ ভিক্ষা চাননি কেউই: পরাজিতেরও কিছু ইতিহাস থাক - মগ্নতা
- অন্যতম প্রমাণ এক ভিডিও টেপ - অজানা আমি
- ১৫ই আগষ্টের পট পরিবর্তনের ইতিহাস-১ - চিন্তিত দার্শনিক
- গুগলে সার্চ কৌশল। জেনে নিন কয়েকটি দরকারি টিপস - নুর মোহাম
- ডায়াবেটিক রোগিদের নতুন ঔষধ - ইউ,এন,এন
- ঝটিকা সফর: হ্যানয় - সব্যসাচী প্রসূন
- পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট। সেদিন যা ঘটেছিল - াহো
- পিসি হেলথ কেয়ার টুল Iobit Advanced SystemCare PRO জেনুইন লাইসেন্স - আরিফ বল্গ
- নেট/ voip ফোন এর ব্যবসায় যারা অাগ্রহী , তারা যোগাযোগ করূন । - সাগর - ডুবাই হতে
- ব্লগনামচা ৩ :কুলদীপ নায়ারের কলাম ও প্রস্নের একুল অকুল - আশফাকুর র
- আসেন আবার পড়ি : ইসলামী ছাত্র শিবির সম্পর্কে জ্ঞান বৃদ্ধি করি - অমি রহমান পিয়াল
- বাংলাদেশের ৬৪ জেলার ওয়েবসাইট - মহসিন০৮
- যারা স্মাইল (বিডিকম) ব্রডব্যান্ড লাইন ব্যবহার করেন তাদের জন্য ► ফাটাফাটি ডাউনলোড
- অক্টোপাস
- যুদ্ধাপরাধ বিষয়টি রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী ঘায়েল করা - শাহ নজরুল আলম
- সামুতেও জামায়াত-শিবিরের কালো থাবা! কর্তৃপক্ষ দৃষ্টি দেবে আশা করি। - ইরোর
- টিপাই বাঁধ হলে বাংলাদেশের লাভ হবে : রাজ্জাক - এহসানুল হক জসীম (১)
- শেয়ার করার মত কিছু চমৎকার ছবি :: সব পর্ব একসাথে , পোষ্টটি নিয়মিত আপডেট হবে :: - কুঁড়ের বাদশা
- একটি বিজয় দিবসের গল্প। (দ্বিতীয় পর্ব) - হাসান শহীদ ফেরদৌস
- মুভি ডাউনলোড... - আহাসান
- কম্পিউটারের স্পিড বাড়ানোর কয়েকটা ছোটখাট Utility - অমেদুল
- বর্তমান ঢাকা : সংগৃহীত সেরা ১০ - অন্যআনন
- উপমহাদেশের উলামায়ে কেরামের দৃষ্টিতে জামায়াতে ইসলামী ও মাওলানা মওদূদী। - দুর্ধর্ষ বেদুইন
- টেকি কিছু পোষ্ট - নতুন রাজা
- বিজয়ের মাসে বিজয়ের স্মারক কিছু ভিডিও - ধ্রুবমেঘ
- আমি এভাবেই বাংলাদেশকে আপন করেছি আত্মায় মিলিয়ে.......... - সজল শর্মা
- চারটা rapidshare প্রিমিয়াম লিংক জেনারেটর দিয়ে pie-7 - অদ্ভুত
- মোবাইলে বাংলা ফন্ট কিভাবে ইনেষ্টল করব? - mamun
- একজন বীরশ্রেষ্ঠের মা এবং তাঁর পায়ের ছেঁড়া স্যান্ডেল - অতন্দ্র তওসিফ
- ওস্তাদ আলাউদ্দীন খান - সজল শর্মা
- আওয়ামী লীগ কি পারবে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডে মদদদাতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ? - সুধাসদন
- "MUJIB SHOULD BE FATHER OF THE NATION" -- Killer Khandaker Abdur Rashid - সেক
- Diversity Visa (DV) Lottery 2011 শুরু হয়েছে - মাছুম পলাশ
- সেদিন যা ঘটেছিল - গল্পসল্প
- “অনলাইনে আয় করুন বেকারত্ব দুর করুন” - েমা ঃজামাল উিদ্দন
- ছবি ব্লগ - লুভর মিউজিয়াম (১৮+) - সীমন্ত ইসলাম
- রূপসী বাংলা : জীবনানন্দ দাশ - একরামুল হক শামীম
- ফরমালিন টেস্ট করার নিয়মঃ - জুল ভার্ন
- থাইল্যান্ডের ভিসা তথ্যঃ - জুল ভার্ন
- মনপুরা সিনেমা নয়ঃ- - জুল ভার্ন
- কিছু প্রতিবেশী
- হাসজারু
- সামহোয়ারইন-প্রোফাইলস! সামহোয়্যারইনের ব্লগারদের মজার এবং অন্যান্য যত ব্যানার আর প্রোফাইল লেখা...
- সত্যাশ্রয়ী
- Sleeping Beauty..... - রানা
- আয়কর সর্ম্পকে প্রথম বেসরকারীভাবে গণসচেতনা বৃদ্ধি এবং Online free consultancy - ২৬ - গোল্ডেন বাংলাদেশ
- ছবি ব্লগ : ঈদ বেড়ানো সুন্দরবনে, পর্ব ২: কটকা - যীশূ
- পৃথিবীর গভীর গভীরতর অসুখ ও জীবনানন্দের ভূতে পাওয়া একজন। - পল্লী বাউল
- ব্যাবিলন - ইমন জুবায়ের
- উইন্ডোজ ৭ ব্যবহার শুরু করলাম--চমৎকার! - বিডি আইডল
- মোরগ পোলাও - আমার মত করে - ভূলু
- ২ তারিখের আড্ডা - আরিয়ানা
- ওই ছোটোলোকের পোলাটা কিন্তু বীরপ্রতীক ছিল - অমি রহমান পিয়াল
- E-mail থেকে পা্ওয়া - এম আর আলম
- চলেন বিল গেটস রে ব্যাম্বু দেই - অমিত হাসান
- ভূমিকম্প - রাড্ডা
- ফ্রান্সে'র লুভ মিউজিয়াম ๑۩۩.۩۩๑ - হাশেম
- ফ্রি মুভি ডাউনলোড!!! (১০০% ঝামেলাবিহীন এবং ওয়ান ক্লিক ডাউনলোড) - মুভি পাগল
- জাতীয় রক্ষীবাহিনীর অত্যাচার সীমাহীন হয়ে পড়ে - অন্তু
- কিডনি সমস্যা বোঝার উপায় - তানভীর চৌধুরী পিয়েল
- একটি অপমৃত্যু ও আমার শোক - স্বপ্নকথক
- কড়াই মাটন - ডাক্তার কদম আলী (ডিগ্রী নাই)
- ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম নারী মুক্তিযোদ্ধা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার - সৈয়দ আমিরুজ্জামান্
- Grave Humour - রানা
- এই সব 'আন্দোলনউৎসবের'চোরাগলিতে আমাদের হারানো ভবিষ্যৎ - মনজুরুল হক
- ঈদের ঘাঁয়ে রোজাদার পাগল - লেখাজোকা শামীম
- ইবনে হিশাম এবং ইবনে ইসহাক তুলনামূলক আলোচনা- - রাসেল ( ........)
- কাব্বালাহ: সংক্ষিপ্ত পর্যালোচনা - ইমন জুবায়ের
- মহান কবি "আল্-সাতগুরু কবির"- হিন্দু, মুসলিম এবং শিখ সম্প্রদায়ের একটি মিলনবিন্দু - ভাবারূ
- এক্সপি জেনুইন করার একটি সহজ উপায়। - অমিত০৯৭
- পানির নীচে অন্য এক জগত - শেষ পর্ব (শুধুই ছবি ব্লগ) - রাব্বি !
- আমার ঈদ শপিং - শওকত হোসেন মাসুম
- ভাটিবন্দনা - ফকির ইলিয়াস
- ঢাকা থেকে আকিয়াব : পূর্ব পাকিস্তানের শেষ উড়ান - অমি রহমান পিয়াল
- ইবনে সিনা: একজন কাফের? - উম্মু আবদুল্লাহ
- দ্বিচারিনী একজন......[চতুর্থ] - ত্রেয়া
- জামাতের নেতারা বলে কি আর করে কি !? (শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে জামাতি ভন্ডামির চালচিত্র
) - সেলটিক সাগর
- রেসকোর্স, ৭ মার্চ ও একটি ইসলামী জলসার গল্প - অমি রহমান পিয়াল
- বয়স্কদের সরিয়ে দিয়ে যুবতী এবং সুন্দরীদের সবার সামনে ধর্ষন করে । আমার আপন চাচীকেও ওরা ধর্ষন করে ............ - ব্লগেস্ট তৌহিদ
- বাংলা সাহিত্যে ননসেন্স্-এর প্রবর্তক শিশু সাহিত্যিক সুকুমার রায় - সৈয়দ আমিরুজ্জামান্
- সহীহ মুসলিম মতে গোলাম আজম, নিজামি, মুজাহিদ, সাইদী এবং অন্যান্য জামাতিদের ইমানের স্তর। - হ্যারি সেলডন
- সকল জামাত বিরোধী, রাজাকার বিরোধী পোস্টের সংকলন। - হ্যারি সেলডন
- জীবনানন্দ দাশ : 'বনলতা সেন' কাব্যগ্রন্থ - একরামুল হক শামীম
- বাংলাদেশের প্রায় সকল পর্যটন স্হানের ছবি ব্লগের সংকলন (শত তম পোষ্ট ) - শ।মসীর
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গনহত্যার একটি ভিডিও - আতিকুল হক
- """মিলিয়ে নিতে পারেন কোন বইটি আপনার পড়া হয়নি"""(হুমায়ূন আহমেদ) - আসাদুজ্জামান সোহাগ
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়: কেউ কথা রাখে নি - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- কর্নেল তাহেরঃ ভয়শূন্য এক বিপ্লবীর নাম - ভিন্ন চিন্তা
- অল্প কষ্টে দারুণ আয়+জনসেবা - এম রাসেল
- ল্যাপটপ বিষয়ক কিছু পোস্ট - মহসিন০৮
- ধন্যবাদ টেড কেনেডি, একটি ভয়াবহ ষড়যন্ত্র থেকে বাঙালীকে রক্ষা করেছিলেন আপনি - অমি রহমান পিয়াল
- পোষ্টটাকে ষ্টিকি করুন: জাগো বাহে কোনঠে সবাই............... - বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত
- নিউজিল্যান্ডের শিশুদের চড়-থাপ্পড় মেরে শাষনের পক্ষে গনভোট - কানা-বাবা
- নিঃসঙ্গ যোদ্ধা : তাজউদ্দীন - মেঘ
- সার্চ ইঞ্জিন রেংক, SEO ও গুগল এডসেন্স বিষয়ক কিছু লিংক - সুইট
- রুম্মাকে দেয়া আমার অমূল্য সাজেশনসমূহ ~ ব্লগিংয়ের মাধ্যমে ইন্টারনেটে আয়ের কৌশল - হাসান
- মোল্লা নাসিরুদ্দিনের গল্প - ০৩ (নাম ভাঙ্গিয়ে খাওয়া) - লেখাজোকা শামীম
- বাংলার তাজ- তাজউদ্দীন আহমদ - ইফতেখার.আমিন
- শোনোগো দখিনো হাওয়া প্রেম করেছি আমি, লেগেছে চোখেতে নেশা দিক ভুলেছি আমি || - আনোয়ারুল আলম
- আজ ১৫ই অগষ্ট, ভারতের ৬২তম স্বাধীনতা দিবস……সেই উপলক্ষে কিছু পছন্দের VDO… - দীপান্বিতা
- বাকশাল - ওবায়েদ
- সরকারকে এর জবাব দিতে হবে - জলপাই দেশি
- মেঘের দেশে পাহাড়ের দেশে (দার্জিলিং) - যেতে চান? - মুহিব
- চলুন সেন্টমার্টিন্স ঘুরে আসি... (এবার যাওয়ার আগে অনেক খুঁজেও কোন তথ্য পাইনি নেটে। সেই হতাশা থেকেই লেখা।) - ক-খ-গ
- আগামীবার যখন উইন্ডোজ নতুন করে সেটআপ দেবেন....... - নাফিস ইফতেখার
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার রোধে আন্তর্জাতিক চাপ - রেজওয়ান
- মীরজাফরের সাথে আরেক নাম তোরাব আলী - কমজান্তা
- [ছবি ব্লগ]: ঘুড়ি উৎসব-২০ মার্চ - বোকা ছেলে
- উদ্বাস্তু || বাংলাদেশ-১৯৭১ || বহিঃবিশ্ব - নির্বিকার
- বিএনপি জামাতের জন্যই আর সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারছে না - হমপগ্র
- ভাষা দিবস ও শহীদ মিনার নিয়ে কিছু ঐতিহাসিক উপাত্ত - অমি রহমান পিয়াল
- Realistic Paintings - রানা
- সেক্টর কমান্ডারস কর্তৃক ৫০ যুদ্ধাপরাধীদের প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ - মো. আবুল হোসেন, শিবচর, মাদারিপুর
- বাংলাদেশে একাত্তরের যুদ্ধপরাধীদের বিচার না হওয়ার অন্যতম কারণ: ওয়াহাবী কানেকশন। - ইমন জুবায়ের
- বাংলাদেশ দালাল (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আইন ১৯৭২ (রাষ্ট্রপতি আদেশ নং-৮) - এর অধীনে অভিযুক্তদের তালিকা ( পর্ব ৩)) - এস্কিমো
- মুক্তিযুদ্ধের কথ্য ইতিহাস তুলে আনতে চাই ব্লগে। সবাই লিখুন, আসুন ব্লগকে কাজে লাগাই ভিন্ন মাত্রায় - শওকত হোসেন মাসুম
- বাবার ডায়েরীতে ১৯৭১ ( ৪র্থ পর্ব) - লীনা দিলরূবা
- আমার ধর্মবিশ্বাস ...আমার বিশ্বাস...(শেষ পর্ব) - সাঁঝবাতি'র রুপকথা
- চট্টগ্রাম - War Cemetery (1939 - 1945 ) - তারার হাসি
- সিয়াম রিপ অ্যাংকর ওয়াট - আরিয়ানা
ঊনসত্তুর থেকে পচাঁত্তুর-'৭১এ যাদের বয়স তিনের কম ছিল তাদের থেকে সামুর কনিষ্ঠতম ব্লগারটিকে উৎসর্গীকৃত-পর্ব১৭
১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:২১
[si]অবতরনিকা: বংগবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নির্বংশকারীদের (আমি নির্বংশই বলবো কারন প্রচলিত ধারায় বংশগতি পুরুষ উত্তরাধিকারীর ওপরেই বর্তায়) শাস্তি প্রদানের পর থেকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটার পর একটা পোষ্ট আসছে। যার প্রায় সবগুলোই (গুটি কয়েক ব্যতিক্রম ছাড়া) পক্ষপাত দুষ্ট। অনেক ভাবনা চিন্তা করে আমার নিজস্ব ক্ষতির কথা ভুলে/ এড়িয়ে আমি আমার একান্ত ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতা তুলে ধরছি, শিরোনামে উৎসর্গীকৃত ব্লগারদের জন্যে। ৩ বছরটা উল্লেখ করার কারন হ'ল যে মানুষের কোন স্মৃতি ৩ বছর বয়সের আগে থাকেনা, সাধারনত। এ পোস্টে আমার ব্যাক্তিগত ক্ষতি গুলোঃ
১। এটা প্রকাশিত হবার পর আমার পরিচয় গোপন থাকবেনা, যা আমি এতদিন সযতনে রক্ষা করেছি।
২। ব্যাক্তিগত ঘটনা বয়ান পাঠকদের কাছে মাঝে মধ্যে আত্মপ্রচার ও পারিবারিক প্রচারের মত লাগবে যা আসলেই অশোভন, অরুচিকর এবং বিরক্তিকর। এগুলোও আমি লুকিয়ে রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করে এসেছি আজীবন।
৩। কোন পক্ষাবলম্বন না করে লেখাটা অত্যন্ত দুঃসাধ্য। আমার জন্যে আরো কঠিন। কারন যৌবন যখন সদ্য দেহ-মনে ভর করে আমার সমগ্র সত্তাকে ভীষনভাবে নাড়িয়ে দিচ্ছে, যা কিছুই সুন্দর তারই প্রেমে পড়ছি, ঠিক সে সময়ই বংগবন্ধুর সাথে আমার পরিচয়। নিরপেক্ষভাবে তাঁর ব্যাপারে লিখতে আমার খুবই কষ্ট হবে এবং আমাকে অসাধ্য সাধন করতে হবে।
৪। শুধুমাত্র স্মৃতি নির্ভর লেখার মূল সমস্যাটা হ'ল ভুল স্মৃতি মনের মধ্যে থাকা। যে কেউ যদি নিজের অভিজ্ঞতা থেকে আমার কোন বক্তব্যে দ্বিমত প্রকাশ করেন, তা'লে তাকে আমি অনুরোধ করবো মন্তব্যে তা তুলে ধরতে। আমার স্মৃতি ঘাটতে সাহায্য করার নেই কেউ আমার হাতের কাছে।
আমি আপ্রাণ চেষ্টা করবো-আমার যে একটা দায় আছে আমার পরের প্রজন্মগুলোর কাছে।
আমার এই দায় শোধ যদি এই প্রজন্মকে আমাদের গৌরবময় আর কলংকলেপিত অতীতকে নিরপেক্ষ ভাবে দেখতে শেখার পথে একপাও এগিয়ে নিয়ে যায়, তা'লেই আমি মনে করবো সেটা আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ অর্জন।
অনুগ্রহ করে মনে রাখবেন এটা আমার একান্তই ব্যাক্তিগত সৃতিচারন। পারিবারিক ঘটনাবলীর চর্বণ। সমগ্র দেশের ব্যাপারটা কখনোই প্রধান্য বিস্তার করবেনা, সে সাধ্য বা যোগ্যতা আমার নেই।
পুরো সময়টার কিছু অনুল্লেখ যোগ্য অংশ বিষদ ভাবে আসবে আবার অতি গুরুত্বপূর্ণ অংশ বাদ পরবে, ব্যাক্তগত স্মৃতিচারনের এটা একটা বিরাট সমসয়া। অনুরোধ করি বিষয়টা মনে রেখে আমার এ লেখাটা পড়বেন ।
পুরোটা পড়ার পর অনেকের কাছেই এটাকে "পর্বতের মূষিক প্রসব" বলে মনে হ'তে পারে। তাদের কাছে আমি ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
পর্ব-১পর্ব-২পর্ব-৩ পর্ব-৪
পর্ব৫পর্ব-৬পর্ব-৭ পর্ব-৮ পর্ব-৯ পর্ব-১০ পর্ব-১১ পর্ব-১২ পর্ব-১৩ পর্ব-১৪ পর্ব-১৫ পর্ব-১৬
জাতীয় রক্ষী বাহিনী ও বাংলাদেশ সেনা বাহিনী
১৯৭২ সালে আমরা থাকতাম ১/৭ আসাদ এভিনিউ। আসাদ গেট দিয়ে ঢুকে মোহাম্মদপুর বাজারের দিকে যেতে হাতের ডানের প্রথম বাসাটি। বাসাটি এখনো রিয়েল এস্টেট ওয়ালাদের খপ্পরে পড়েনি। তবে বাইরে থেকে দেখে মনে হয় বাড়িটিতে অনেক পরিবর্তন ও পরিবর্ধন করা হয়েছে যা স্বভাবতই বাড়ির সৌন্দর্য্যহানি ঘটিয়েছে। রক্ষী বাহিনী সে বছরই প্রতিষ্ঠিত হয়। আমাদের বাসা থেকে হাঁটা দুরত্বে, এখনকার সংসদ ভবন চত্ত্বরে তাদের একটা ছাউনি (সদর দপ্তর?) ছিল। আমাদের খুব কৌতুহল ছিল তাদের ব্যাপারে। আমরা প্রায় বিকেলেই হাঁটতে হাটঁতে চলে যেতাম সেখানে। চকচকে নতুন গাড়ী (আমার মনে আছে মিৎসুবিসি ট্রাক ছিল তাদের) ওয়্যারলেস সেট, অস্ত্র-সস্ত্র সব কিছু সব সময় ঝকঝক করতো। তাদের ইউনিফর্ম, জুতো, বেল্ট টুপী, টুপী চুড়োতে পাখির পালক (plume), আমার সেখানে গেলেই মনে হত নতুন বিয়ে করা কোন দম্পতির বাড়ির আংগিনায় ঢুকে পড়েছি।
অন্যদিকে সেনা বাহিনীর অবস্থা তখন করুণ। আমার এক ছোট ভাই পড়তো আদমজী কেন্টনমেন্ট স্কুলে। তার সাথে ঢাকা সেনানিবাসে গেলেই চোখে পড়তো তাদের করুণ অবস্থা। অত্যন্ত পুরোনো খাকি
পোশাক, এমনই রং জ্বলা যে দুর থেকে মনে হত নৌ বাহিনীর সদস্য। কাছে গেলে তাদের অতি দৃষ্টি কটু জুতো ও টুপি চোখে পড়তো। টুপি গুলো মনে হত আল আমিনের যুদ্ধ খ্যাত জেনারেল মন্টোগোমারীর
টুপি, ১৯৪১এ সেলাই করা।
জুতো আর বেল্ট ছিল ছেঁড়া। আমি জুতোর ভেতর থেকে আংগুল বের হওয়া সেনা সদস্যও দেখেছি। কোরিয়ার যুদ্ধ ফেরৎ লক্কর ঝক্কর এম ৩৮ জীপ আর গজ পিক আপ ছাড়া তখন সেনানিবাসে অন্য কোন যান বাহন তেমন চোখে পড়তো না। বাবার আহসানুল্লাহ ইনজিনিয়ারিং কলেজের সহপাঠি ব্রিগেডিয়ার তৌহিদের কাছে একবার গিয়েছিলাম ছবি সত্যায়িত করাতে। তার ইউনিটের (সেনাদল) সৈনিক বা অফিসারদের দেখে আমার মনে হয়েছে যে ২য় বিশ্বযুদ্ধের চলচিত্রে অভিনয় করা জার্মানদের হাতে মার খাওয়া পলায়নপর সৈনিকের ভুমিকায় অভিনয় করছে তারা।
তাদের মনোবলও ছিল লক্ষ্য করার মতো নীচু। তাদের চলাফেরা, ওঠা বসা দাঁড়িয়ে থাকার ধরনের মধ্যে কেমন যেন পুলিশিয় ভাব চলে এসেছিল। গাল, ঘাড়, মাথা চুলকানো, চোদ্দ ব্যাকা হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা, যেখানে সেখানে শব্দ করে থুতু ফেলা এসবও তাদের মধ্যে লক্ষ্য করেছি। জে সি ওদের (সুবেদার, নায়েব সুবেদার ইত্যাদি) ও অফিসারদের কারো কারো ছিল নোয়াপাতি থেকে মাঝারী আকারের ভূঁড়ি।
অন্যদিকে জে আর বি (জাতীয় রক্ষী বাহিনী)র প্রতিটি সদস্য ছিল যেন খাপ খোলা তলোয়ার। ঋজু, বলিষ্ঠ, ভর পেট খাওয়া ( well fed), পেশী বহুল এবং অকল্পনীয় ভাবে সুশৃংখল। বংগবন্ধুর হত্যার পর পরই রক্ষী বাহিনীর সব লিডারদের {অফিসার, একই পরীক্ষা দিয়ে যারা সবচে' ভাল করতো তাদের লিডার, তারপরের কিছু ডেপুটি লিডার (সুবেদার সমপর্যারের), তার পরের কিছু এ্যাসিসট্যান্ট লিডার (হাবিলদার সমপর্যারের) এবং ফেল্টুগুলো হ'ত সাধারন সদস্য (সৈনিক), জে আর বি র লিডারদের রাতারাতি সেনাবাহিনীর অফিসার বানানোয় নিয়মিত সেনা অফিসারদের চাপা ক্ষোভ আমি '৭৮ থকে '৯৪ পর্যন্ত লক্ষ্য করেছি } ঢাকায় তলব করা হয়। তখন সুন্দরবনে সর্বহারা সংহারে নিয়োজিত জেআরবির একটি দল (unit), গহীন বনে আড়াই মাস বিনা রসদে ডিউটি করেছে, শুধু লিডারের নতুন আদেশ না পাওয়াতে।
যদিও আমি কেডেট কলেজে পড়ার সুবাদে সেনা বাহিনীর সাথে সম্পর্কিত ছিলাম , তবুও সেনা বাহিনী ও পুলিশের মধ্যে খুব একটা পার্থক্য করতে পারতাম না। জেআরবি ছিল শৃংখলা, তারুন্য আর আতংকের প্রতীক। অনেকটা র্যাবের মত। এখন যেভাবে আমরা র্যাবকে দিয়ে বিচার বহির্ভুত, রাষ্ট্র সমর্থিত হত্যা ও সন্ত্রাস (state sponsored terrorism) চালাই ঠিক সে ভাবেই জেআরবি দিয়ে জাসদ (শ্রেনীহীন, সৃষ্টিকর্তাহীন সমাজ কায়েমে বদ্ধ পরিকর) ও সর্বহারাদের নিশ্চিহ্ন করাতেই মূলত নিয়োজিত ছিল জেআরবি। জাসদ তুল্য কোন উদাহরন না দিতে পারলেও সর্বহারাদেরটা পারবো। পূর্ব বাংলার কমিউনিষ্ট পার্টি ও এ জাতীয় বেশ কিছু মাটির নীচে থাকা দল অধ্যুষিত এলাকায় যারা থাকেন তারা বিনা চেষ্টাতেই সর্বহারা পার্টির সেকালের রূপ সম্পর্কে সম্যক ধারণা করতে পারবেন।
১৯৭৪ আসতে আসতে রক্ষী বাহিনী ভীতি চরমে ওঠে। এমনকি তখন যারা ত্যাদোড় শিশু তাদেরকেও মারা "ঘুমাও নয় তো রক্ষী আসবে" বলে ঘুম পাড়াতো বলে শুনেছি। এর মধ্যেই জারিকৃত "জাতীয় রক্ষী বাহিনী এ্যাক্ট, ১৯৭২" তে সংশোধন করে রক্ষী বাহিনীকে আরো সুসংহত করা করা হয়।
আমদের যাদের বাড়ি ছিল চিটাগাংএর উত্তরে তারা কলেজ থেকে বাড়ি যেতাম কলেজ কর্তৃপক্ষের সংরক্ষিত রেলগাড়ীর রিজার্ভ করা বগীতে। স্বাধীনতার পর সবাই স্বাধীন হয়ে গেল। সংরক্ষিত বগীতে যে কেউ যে কোন স্টেশনে ঢুকে পড়তো। আমাদের সাইজগুলো সবাইকে অনুপ্রাণিত করতো আমাদের আসনগুলো দখল করতে। কুমিল্লা পার হতে না হতে আমরা সব দাঁড়িয়ে থাকা আসনহীন যাত্রী হয়ে যেতাম। আমাদের বন্ধু নারায়নগন্জের উঠতি মাস্তান (এবং আমাদের চেয়ে এক মাথা উঁচু) ইসমাত একটা বুদ্ধি বের করলো। সে ফেনী থেকে দু'জন সেনাবাহিনীর সৈনিক উঠালো আমাদের কমপার্টমেন্টে। বসালো দু' দরজার ধারে। লাকসাম রেল স্টেশনে গাড়ি থামতে না থামতেই জনগণ আমাদের কামরায় উঠে পড়লো। সেনা সদস্যের নিষেধ অবজ্ঞা করে। কিছুক্ষণ পর দেখি সৈনিকদ্বয় আমাদের মতই দাড়িয়ে আছে। ইসমাত হাল ছাড়বার পাত্র নয়। দুজন রক্ষী রেলগাড়ির এমাথা থেকে ওমাথা পর্যন্ত দৌড়াচ্ছিল, ট্রেনে ওঠার জন্যে । আমাদের কমপার্টমেন্টে "সংরক্ষিত" লেবেল ঝোলানো দেখে ঢুকছিল না।
ইসমাত ওদেরকে অনেক সাধ্য সাধনা করে ভেতরে নিয়ে এল।
পানির ওপর ভাসমান কর্পূরের মাঝখানে যদি একটুকরো সাবান আলতো করে ছোঁয়ান তা'লে যা হয় তাই হ'ল। মূহুর্তের মধ্যে আমাদের কামরা খালি হয়ে গেল।
কিছু কিছু জনগন, জরূরী নির্গমনের পথ হিসেবে কামরার জানালাগুলোও ব্যাবহার করলো।
ওদিকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবস্থা করুণ থেকে করুণতরো হতে থাকে। সবচেয়ে ভয়াবহ ব্যাপার ছিল সেনা বাহিনীর (এবং নৌ ও বিমান বাহিনীর ) টি ও ই (Table of Organization & Equipment) আইন আকারে পাশ করা হচ্ছিল না, বছর বছর সরকারী (রাষ্ট্রপতির) আদেশে অস্থায়ীভাবে বাহিনীটির কিছুদিনের জন্যে আয়ু বৃদ্ধি করা হচ্ছিল। এই টি ও ই র মাধ্যমেই একটা বাহিনী তার বেতন, ভাতা, রসদ, অস্ত্র , গোলাবারুদ ও সরন্জামের বৈধতা পেয়ে থাকে। একট আহত বাঘকে না মেরে যদি ফেলে রাখা হয় তা'লে যা হবার কথা ঠিক তাই ঘটে কিছুদিন পরে।
ওপরের পরিচ্ছদের বর্ণনার বিষয়গুলো ছিল সেনাবাহিনীতে সবচেয়ে আলোচিত বিষয়, ১৯৭৫ থেকে ১৯৮১ পর্যন্ত।
আজও যেমন র্যাবের সমর্থকের অভাব হয়না, সে সময়ও রক্ষী বাহিনীর সমর্থকের অভাব হয়নি। তবে বিচার বহির্ভুত হত্যা যে ঠান্ডা খুন ছাড়া আর কিছুই না, তাকে যে কোনভাবেই মহিমাময় করা যায়না, আজ ইতিহাসের আস্তাকুড়ে স্থান নেয়া রক্ষী বাহিনীর দিকে তাকালেই বুঝতে পারবেন।
তাদের গৌরবের কিছুই নেই।
ম্যান সেরু মিয়া
![]()
ওপরের মানুষটির মন্ত্রীত্ব যখনও (সম্ভবতঃ) শেষ হয়নি তখন বাজারে একটি গুজব ছড়ানো হয়। চিটাগাংএ ধরা পড়ে চোরাচালানের বিশাল এক সম্ভার। শোনা যেতে থাকে ম্যান সেরু মিয়া বলে এক চোরাচালানীর মাল সে সব। তার ক'দিন পরই ছড়িয়ে পড়ে গুজব - তাজুদ্দিন আহমদই হচ্ছেন ম্যান সেরু মিয়া। তবে যারা এই গুজবটা ছড়িয়েছিল তারা খুব একটা সুবিধে করতে পারেনি। তাজুদ্দিন আহমদের স্পার্টিয় (Spartan) জীবন যাপন, হিন্দু বিধবাদের মত খাওয়া দাওয়া তখন ঢাকার রসালো আলোচ্য বিষয় ছিল। কেউই ব্যাপারটা আমলে নেয় নি।
DROPPING OFF THE SKIPPER
একদিন সন্ধ্যায় বাবাকে তলব করেন বংগ বন্ধু। আমি অনেক অনুনয় বিনয় করে তাঁর সংগী হই। বংগবন্ধু নীচের বৈঠকখানায় বসে আছেন। তার ডানে বসা খোন্দকার মোস্তাক আহমেদ, বাঁয়ে শেখ ফজলুল হক মণি। ঠিক উল্টো দিয়ে দেয়াল ঘেঁষে দাড়িয়ে আছেন নিঃসংগ সারথী। যিনি কোন এক ভুলে যাওয়া সুদূর অতীতে সফল নেতৃত্ব দিয়েছিলেন আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের। ততদিনে মুক্তিযুদ্ধের কথাও ভুলে গ্যাছি আমরা।
বত্রিশ নম্বরের গেট দিয়ে বেরুতে বেরুতে বাবা স্বগোতোক্তি করলেন "We are dropping off the skipper, we are heading for a big trouble" (আমরা জাহাজের কান্ডারীকে জাহাজ থেকে নামিয়ে দিতে যাচ্ছি, আমরা ধাবিত হচ্ছি বিরাট বিপদের দিকে)।
সেদিন বাবাকে বংগবন্ধু নির্দেশ দিলেন দেড় মাস সময়ের মধ্যে BMTF (Bangladesh Machine Tools Factory) থকে ৭,০০০ সেচ পাম্প তৈরি করে BADC (Bangladesh Agricultural Development Corporation) সরবরাহ করতে।
আদেশটা পালন করা ছিল পুরোপুরি অসম্ভব এক ব্যাপার।
বাবা কাঁথা বালিশ নিয়ে জয়দেবপুর গমন করলেন।
-চলবে
আগামীকাল, পরশু এবং ২১ ফেব্রুয়ারীতে কোন পর্ব বেরুবেনা বলে দুঃখিত।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:০১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
রাজসোহান বলেছেন:
প্লাস লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
মিটুলঅনুসন্ধানি বলেছেন:
++++++++++
লেখক বলেছেন: দরাজ হাতে প্লাসানোর জন্যে অনেক ধন্যবাদ।
ডেস্পারেট বলেছেন:
অপেক্ষায়...
লেখক বলেছেন: এবার একটু বেশী অপেক্ষা....
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন:
......কিছু কিছু জনগন, জরূরী নির্গমনের পথ হিসেবে কামরার জানালাগুলোও ব্যাবহার করল..........।------------>>>>> হাসতে হাসতে পেটে খিল ধরে গেল....
লেখক বলেছেন: রক্ষীকে ভয় পেতনা এমন কেউ সে সময়কার বাংলাদেশে ছিল না বলেই জানি।
অলস ছেলে বলেছেন:
পড়লাম। ভালো লেগেছে পড়তে পুরনো দিনের কথা।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
Those were the days my friend
I thought would never end,
We smiled and danced……..
সেসময়ে আপনার বাবার মত বোধবুদ্ধি সম্পন্ন অনেকেই বোধ হয় বিপদের ঘন্টাধ্বনি শুনতে পাচ্ছিলেন।
লেখক বলেছেন: ছেঁড়া বুটজুতা আর টুপির গল্প অনেক শুনেছি। আর রক্ষীবাহিনীর অত্যাচারের কাহিনী তো বর্গীদের মতোই কিংবদন্তী হয়ে আছে।
-র্যাবেরটাও হবে, শুধু সময়ের ব্যাপার।
সেসময়ে আপনার বাবার মত বোধবুদ্ধি সম্পন্ন অনেকেই বোধ হয় বিপদের ঘন্টাধ্বনি শুনতে পাচ্ছিলেন।
-কম বেশী সবাই পাচ্ছিলেন। বাবার আক্ষেপ ছিল তাজুদ্দিনের মত দক্ষ, সৎ (আমি অর্থনৈতিক, চারিত্রিক, আদর্শগত সততা এবং দক্ষতার দিক থেকে ওঁর চেয়ে উন্নততরো কাউকে আমার জীবনে দেখিনি)। মহাপুরুষরা যে অত্যন্ত সরল জীবন যাপন করতেন বলে পড়েছি প্রাথমিক ক্লাসগুলোতে ও শুনেছি গুরুজনদের মউখে তার ব্যাক্তিগত জীবনটা ছিল ঠিক সেই রকম। আমার বিচারে বংগবন্ধুর সবচে' বড় ভুল (BLUNDER) ছিল তাজুদ্দিন আহমদকে দূরে ঠেলে দেয়া।
লুৎফুল কাদের বলেছেন:
জনগনের পিঠ দেআলে ঠেকে গিয়েছিল. রক্ষী বাহিনীর অত্যচার জুলুমের জন্য মুজিবের মৃত্যু পরবর্তী বিচার হওয়া প্রয়োজন.
লেখক বলেছেন: ব্গংবন্ধুর কার্যাবলী বিচারে স্থান, কাল, পাত্র এবং দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি আমলে আনতে সনির্বন্ধ অনুরোধ জানাবো।
শাহেরীন বলেছেন:
এতোক্ষণ আপুর এম বি এ-র এক এসাইনমেন্ট তৈরী করলাম। চোখে ঘুম, তাও কি মনে করে যেন ঢুঁ মারতে আসলাম এখানে(আমি সারাদিন আপনার লেখার অপেক্ষায় ছিলাম, পরে ভেবেছি আপনি আজ হয়ত পোস্ট দিবেন না), এসে দেখি পোস্ট এসে গেছে, ঘুম পালালো চোখ ছেড়ে।।আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও।
বাস্তবতা বলেছেন:
শেখ মুজীবের মৃত্যুর পর রক্ষীবাহিনী এমন অসহায় আত্মসমর্পন করলো কেন বলতে পারেন?
লেখক বলেছেন: পারি।
১।শৃংখলা এমন একটা সুকঠিন পর্যায়ে গিয়েছিল রক্ষী বাহিনীতে যে মহা পরিচালকের আদেশ ছাড়া তাদের নিশ্বাস নেয়াও অসম্ভব ছিল।
২।সেনাবাহিনী দু' দুটো যুদ্ধ (৬৫ ও '৭১)অনেক সাহসিকতার সাথে মোকাবেলা করেছিল, যেখানে রক্ষী বাহিনী নিরীহ জনগণের ওপর অত্যাচার, বিচার বহির্ভূত হত্যা, রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় সন্ত্রাস আর মৃদু মাত্রার যুদ্ধ (Low Intensity Warfare)ছাড়া কিছুই করেনি। সেনাবাহিনীর মুখামুখী হবার মানসিক শক্তি বা অভিজ্ঞতা তাদের ছিলনা।
৩। অত্যাচারীরা সাধারনত সাহসী হয়না।
সাজিদ বলেছেন:
তোফায়েল আহমেদের সাথে রক্ষিবাহীনির সম্পর্ক কি ছিল? ঢাকা বিশ্ববিদতালয়ে সেভেন মার্ডার নিয়ে কিছু লিখলে খুব প্রাসংগিক হতো। ৭৩ এ বিসিএস । তখন কেন দলীয়করনের দরকার হয়েছিল? দলীয়করনের জন্ম দিয়ে ততকালীন সরকার কি বাংলাদেশের ভবিষ্যত প্রশানকে মেধাহীন আর চামচা ট্রেনিং সেন্টারে পরিনত করার সূচনা করেছিল?
লেখক বলেছেন: তোফায়েল আহমেদের সাথে রক্ষিবাহীনির সম্পর্ক কি ছিল?
-বংগবন্ধু থেকে, জিয়া হত্যা হয়ে বর্তমান সরকার পর্যন্ত দেশের পররাষ্টর নীতির আমূল পরিবর্তন হয়ে এসেছে, বার বার।
ঢাকা বিশ্ববিদতালয়ে সেভেন মার্ডার নিয়ে কিছু লিখলে খুব প্রাসংগিক হতো
-প্রাসংগিক তো বটেই, সে সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই হত্যাকান্ডটি অত্যন্ত সাড়া জাগানো ঘটনা ছিল। মুশকিল হ'ল নিজের বা প্রত্যক্ষ্য সাক্ষীর অভাবে এ সিরিজে স্থান দিতে পারিনি।তাছাড়া, সফিউল আলম প্রধান বা তার সাংগপাংগেরা তো আশেপাশেই আছে।
৭৩ এ বিসিএস । তখন কেন দলীয়করনের দরকার হয়েছিল? দলীয়করনের জন্ম দিয়ে ততকালীন সরকার কি বাংলাদেশের ভবিষ্যত প্রশানকে মেধাহীন আর চামচা ট্রেনিং সেন্টারে পরিনত করার সূচনা করেছিল?
- বিএনপির যেমন জামাতের সাথে বিবাহ বন্ধনের কোন প্রয়োজনই ছিলনা ২০০১তে ক্ষমতায় আসার জন্যে তেমনি '৭৩এ দলীয়করনেরও দরকার ছিলনা কোন। নেতৃত্ব যখন জন বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় তখন সে নেতৃত্ব তীব্র একটা হীনমন্যতায় ভুগতে শুরু করে। সে হীনমন্যতা থেকেই এসবের সৃস্টি হয়। তবে আমি '৭৩এর দেশের সামগ্রিক অবস্থার ওপরও এর দায়ভার চাপাতে আগ্রহী। আমার আলোচনায় আনতে পারছিনা, কারন আলোচনা করার মত যথেষ্ঠ উপাত্ত আমার হাতে নেই। শুধু দূর্ভিক্ষ'৭৪ লিখতেই জান বেরিয়ে গেছে।
লেখক বলেছেন: রক্ষী বাহিনী সম্পর্কে লেখার ভান্ডার যে আমার ফুরিয়ে গেছে!
ও, একটি কথাই মনে পড়ে আর। আমি সেনাবাহিনীতে অফিসার হবার পর আমার প্রথম উপদল অধিনায়ক ছিলেন রক্ষী বাহিনী থেকে আত্মীকৃত একজন অফিসার। তাঁকে দেখেছি খুনের মামলার আসামী হিসেবে কোর্টের সমন পেয়ে অনেকবার ছুটি নিতে, দু বছরের মধ্যে।
রাজর্ষী বলেছেন:
তাজউদ্দীন ওয়াজ রিয়েল হিরো।
লেখক বলেছেন: He was, but an unsung one. In my eyes , he was the greatest among all the leaders East Pakistanis or Bangladeshis have ever got. I tried (but failed) to bring up my children in his model.
I’m still trying though.
গডফাদার০২ বলেছেন:
গাজি গোলাম মোস্তফার শেষ পর্যন্ত কি হয়েছিলো, বলবেন?
লেখক বলেছেন: স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছিল।
গডফাদার০২ বলেছেন:
গাজি গোলাম মোস্তফার শেষ পর্যন্ত কি হয়েছিলো, বলবেন?
লেখক বলেছেন: স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছিল।
ফালতু মিয়া বলেছেন:
আমার বড় ভাই সে সময় সেনাবাহিনীর একজন সাধারণ মানের সৈনিক ছিলেন, তার কাছ থেকে শোনা গল্পের সাথে মিলে যাচ্ছে হুবহু। ধন্যবাদ শেষ পর্যন্ত টিকে থাকুন এই কামনা করি।
লেখক বলেছেন: আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ, আপনাদের এ ধরনের মন্তব্য আমার এই লেখার গ্রহনযোগ্যতা বাড়াবে।
আতিকুল হক বলেছেন:
আপনার পোস্টের এই জায়গাটায় কিছু কথা প্রাসঙ্গিক মনে করি। আমাদের মুক্তিযুদ্ধের একটা ইউনিক ব্যপার ছিল এই যে, যদিও দেশ স্বাধীন হয়নি, আমাদের একটা সরকার কাঠামো গড়ে উঠেছিল। একটা স্বাধীন দেশে রাজনৈতিক সরকার এবং সামরিক বাহিনীর যেমন সম্পর্ক থাকে, আমাদের কিন্তু ঠিক তাই ছিল।স্বাধীনতার পর এই বিজয়ী সেনাবাহিনী আর রাজনৈতিক সরকার প্রতিপক্ষ হয়ে উঠলো। এই দোষটা সেনাবাহিনীর নয়, রাজনৈতিক সরকারই তাকে বৈরী অবস্হানে ঠেলে দিয়েছিল। আমার কেবলি একটা ধারনা হলো এই যে, বঙ্গবন্ধু যদি পাকিস্তানে বন্দী না থেকে মুক্তিযুদ্ধের সময় সরাসরি সরকারের নেতৃত্বে থাকতেন, তাহলে বাংলাদেশের ইতিহাসটা অন্যরকম হতে পারত। তাজউদ্দিনের যেমন একটা কথা শোনা যায় - মুজিব ভাই একবার জানতেও চাইলেন না, দেশ কিভাবে স্বাধীন করলাম। এই মহান নেতা তেমনি আরো অনেকের কথাই জানতে চাননি।
এখানে বাংলাদেশের ইতিহাসের আরেকটা ক্ষতিকর ঘটনাও ঘটে যায়। রক্ষীবাহিনীর দাপটে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়া জাসদ সেনাবাহিনীর নিপীড়িত সৈনিক, অফিসারদের মধ্যে স্হান করে নেওয়ার চেষ্টা করে। আমার মনে হয়, বাংলাদেশের সেনাবাহিনীকে রাজনীতিতে নিয়ে আসার সেটাই প্রথম চেষ্টা। আর ৭ই নভেম্বরের ফলাফল যখন বাম দলগুলোর পক্ষে গেল না, তখন সেনাবাহিনীর আরেকটা বড় শত্রু তৈরী হয়। সবকিছুর ইতিহাসই হয়তো অন্যরকম হতে পারতো, আমাদের স্বাধীনতা পরবর্তি সরকার যদি একটু অন্যরকম করে ভাবতো।
লেখক বলেছেন: স্বাধীনতার পর এই বিজয়ী সেনাবাহিনী আর রাজনৈতিক সরকার প্রতিপক্ষ হয়ে উঠলো। এই দোষটা সেনাবাহিনীর নয়, রাজনৈতিক সরকারই তাকে বৈরী অবস্হানে ঠেলে দিয়েছিল।আমার কেবলি একটা ধারনা হলো এই যে, বঙ্গবন্ধু যদি পাকিস্তানে বন্দী না থেকে মুক্তিযুদ্ধের সময় সরাসরি সরকারের নেতৃত্বে থাকতেন, তাহলে বাংলাদেশের ইতিহাসটা অন্যরকম হতে পারত। তাজউদ্দিনের যেমন একটা কথা শোনা যায় - মুজিব ভাই একবার জানতেও চাইলেন না, দেশ কিভাবে স্বাধীন করলাম। এই মহান নেতা তেমনি আরো অনেকের কথাই জানতে চাননি
রক্ষীবাহিনীর দাপটে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়া জাসদ সেনাবাহিনীর নিপীড়িত সৈনিক, অফিসারদের মধ্যে স্হান করে নেওয়ার চেষ্টা করে। আমার মনে হয়, বাংলাদেশের সেনাবাহিনীকে রাজনীতিতে নিয়ে আসার সেটাই প্রথম চেষ্টা। আর ৭ই নভেম্বরের ফলাফল যখন বাম দলগুলোর পক্ষে গেল না, তখন সেনাবাহিনীর আরেকটা বড় শত্রু তৈরী হয়। সবকিছুর ইতিহাসই হয়তো অন্যরকম হতে পারতো, আমাদের স্বাধীনতা পরবর্তি সরকার যদি একটু অন্যরকম করে ভাবতো।
-আপনার প্রতিটি অক্ষরের সাথে আমি একমত।
ইব্রাহীম আহমেদ বলেছেন:
আপনার কি মনে হ্য় , ২৫শে মার্চ , পাকিস্তানের বর্বরোচিত হামলা না হলে আমাদের স্বাধীনতা আরো বিলম্বিত হত ?
লেখক বলেছেন: আমার ধারনা স্বাধীনতার প্রশ্নই আসতো না, স্বাধিকারের আসত
বংগবন্ধু প্রধান মন্ত্রী হতেন পাকিস্তানের।
৬ দফা ও ১১ দফা বাস্তবায়িত হ'ত।
এসব হতে পারেনি পাকি আর্মির মাথা মোটা সেনানায়ক আর বেজন্মা ভুট্টোর জন্যে।
তবে এটা আমার একান্তই ব্যাক্তিগত মতামত, আমলে নেবার প্রয়োজন নেই।
ইব্রাহীম আহমেদ বলেছেন:
আমার ধারনা , প্লাশ-মাইনাসের কথা ভেবে এই লেখা লিখতে বসেন নি আপনি। কিন্তু তবুও , রীতি সরূপ ভাল লাগাকে প্লাশ দিলাম [ আপ্নার প্রতিটা পোস্ট-ই তাই ]এত দিনের অপেক্ষা !
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ । প্লাস পেতে কার না ভাল্লাগে?
এত দিনের অপেক্ষা !
সংসার ধর্ম পালন করতে হচ্ছে। স্ত্রী যে কোন সময় বলতে পারেন: "বহিষ্কার হও"। কোথায় যেয়ে থাকবো? কি খাবো?
THIS IS MY HOUSE AND I HAVE THE PERMISSION OF MY WIFE TO SAY SO.
পারভেজ বলেছেন:
ভিন্ন পারসপেক্টিভ থেকে দেখা বলে প্রতোটা ঘটনাই অন্যরকম লাগছে।
লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্যে আমি চমৎকৃত।
অনেক ধন্যবাদ।
আমি সরি। আমি মনে করি এছাড়া অন্য কিছু হবার কোন কারণ আমি দেখি না। বাংলাদেশের দুর্ভিক্ষ আর তাজউদ্দিন - দুটোকে আলাদা করতে পারেন? বৈদেশিক মুদ্রার শুন্যতা, বাংলাদেশের এলসি কোন বিদেশী ব্যঙ্ক গ্রাহ্য করে না - এগুলোর দায় কাকে দিবেন? শেখ মুজিব কে?
আপনার মাথায় অনেক ভারি ভারি দামী তত্ত্ব থাকতে পারে, আপনি সীমাহীন সৎ, সততার আদর্শ - কিন্তু আপনি দেশের অর্থনীতি যে গভীর সমস্যায় পড়তে যাচ্ছে এটা আপনি আগেই বুঝতে পারবেন না কেন? ব্যব হারিক বুদ্ধিসুদ্ধি আপনার লোপ পাবে কেন? ব্যব হারিক সংকট মোকাবিলায় আপনি একশভাগ তত্ত্বের উল্টো পথেও যদি হাটেন, এতে যদি আপনার "সমাজতান্ত্রিক" চিন্তার গায়ে কাদা লেগে যায় তো কার কী আসে যাই। মানুষ ঐসব তথাকথিত আদর্শবাদী চিন্তার কাথা পুরাবে।
যে বাস্বববাদী নয়, তাঁর হাতে যে কোন চিন্তার, তত্ত্বের বাস্তবায়ন ভয়ঙ্কর বিপদজনক, বানরের হাতে খন্তার চেয়েও।
অর্থনীতির তত্ত্বের প্রয়োগ ফলাফল ইন্ডিকেট করে এমন ইন্ডিকেটর - তাজউদ্দিন কী এগুলোর নিজে ব্যবহার জানতেন না? সবই রেহমান সোবহান, গাধাগরুরা ভরসা। এককথায় বললে বাংলাদেশের অর্থনীতি দেউলিয়া হয়ে গিয়েছিল। অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রি তাজউদ্দিন, পরিকল্পনা কমিশনের মহামান্য সদস্যরা, রেহমান সোবহানের বিআইডিএস এর মাতব্বরেরা, আনিসুর রহমান, নুরুল ইসলাম যাদের সমাজতন্ত্রের জ্ঞানের উপর অগাধ ভর করেছিলেন সবাই - এদেরকে কীভাবে এই সীমাহীন ব্যর্থতার দায় থেকে বাইরে রাখবেন। এখনও জীবিত এসব মহান ব্যক্তিবর্গ আজ পর্যন্ত কখনও কী তাদের দায় স্বীকার করেছেন। রেহমান সোবহান আজ বিশ্বব্যাঙ্কের এবং ইদানিং ভারতকে করিডর দিবার দালালির জন্য সিপিডি নামে যে দোকান খুলেছেন - তার সেই দুর্ভিক্ষ, অর্থনীতিকে দেউলিয়া বানানোর সমাজতন্ত্র আজ কোথায়? তিনি ভোল বদলাইয়াছেন ভাল কথা। কিন্তু কেন, কী বুঝে? সে ব্যাখ্যা কৈ, সেই তওবানামাটাও তো দেখি না, চুপচাপ কেটে পড়লেন? কোন দায় ছাড়া?
তাজউদ্দিনের সরকার পরিচালনা প্রসঙ্গে আপনার মতে বিশেষত্ত্বগুলোর একটা সংক্ষিপ্ত তালিকা দিতে পারেন? আমি সরকার পরিচালনার দক্ষতার কথা বলছি যুদ্ধের নয় মাস নয়।
সরকার পরিচালনায় তাজউদ্দিনের বিশেষত্ত্ব গুলো কী কী আপনার চোখে এর একটা তালিকা দিতে পারেন?
লেখক বলেছেন: "আমি সরি। আমি মনে করি এছাড়া অন্য কিছু হবার কোন কারণ আমি দেখি না। বাংলাদেশের.......................তাজউদ্দিন কী এগুলোর নিজে ব্যবহার জানতেন না?"
আপনার কথা শিরোধার্য।
কারন,
খোন্দকার দেল ওয়ার হোসেন যখন চিফ হুইপ, ঈদের ভরা মৌসুমে তার ছেলেরা তখন সোবহানবাগ সংলগ্ন ওজি, কে ক্র্যাফট ও অন্জন থেকে চাঁদা তুলছে। সে চাঁদা তোলার দায় ভার কিন্তু দেলোয়ারের ছেলেরা নেয়নি। পরবর্তী ভোটের সময় সে এলাকার মানুষ চোখ বুজে নৌকায় ভোট দিয়েছে। সন্ত্রাসী বা কালোবাজারী বিচার করেনি। যার অর্থ হ'ল সে দায়ভার প্রাথমিক ভাবে দেলোয়ার এবং শেষ পর্যন্ত বি এন পির ঘাড়ে পড়ে। "যে লোক নিজের পরিধেয় জনসমক্ষে সালাতে পারেনা সে কিভাবে তার জোয়ান ছেলেদের সামলাবে?"-এই বিচারে কিন্তু আমরা বি এন পি কে ছাড় দেই নি।
বংগবন্ধু তেঁজগাও বিমান বন্দরে নামার সাথে সাথেই তাজুদ্দিন যখন কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়লেন, তখনই তাঁর পদত্যাগ করা উচিৎ ছিল। তবে তিনি একটি অনন্য অবস্থানে ছিলেন তখন।
যিনি অনুসরনীয় শীর্ষ নেতৃত্ব দিয়ে একটা দেশকে স্বাধীন করলেন সেই স্বাধীন দেশে তারঁ কোন স্থান নেই! নিজভুমে পরবাসী!
তাঁর সে সময়ের অবস্থান আমার আত্মজদ্বয় লায়েক হওয়ার আগ পর্যন্ত আমি তা বুঝতে পারিনি। সন্তানের হাতে মানসিকভাবে পুরোপুরি জিম্মি হওয়াতে কি আমি আমার ঘর ছেড়ে চলে গেছি? আমার কর্তৃত্ব তাদের বেড়ে ওঠার সাথে সাথে যতই খর্ব হতে থাক না কেন গৃহে, আমি বিবাগী হইনা। গৃহটা যে নিজের আপন মনের মাধুরী মিশিয়ে রূপ, রস, গন্ধ দিয়ে তিলে তিলে গত সাতাশটা বছর ধরে আমি গড়ে তুলেছি।
সমাজতন্ত্রের বিশাল সব অজর্ন আছে। ১৯২৩ থেকে (১৯১৭ থেকে '২২ আমি ধরছি না কারন সেটা রাষ্ট্রীয়ভাবে সমাজতন্ত্রের বিকাশমান সময়) ১৯৮৯ পর্যন্ত তাদের রাষ্ট্র পরিচালনায় এমন সব সাফল্য আছে যা ইর্ষনীয়, বাজার অর্থনীতিতে যার বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। শুধু যদি কার্ল মার্কস আর ফ্রেডরিক এংগেলস সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রীয় ব্যাবস্থায় জবাবদিহীতার বাস্তববাদী একটা দিক নির্দেশনা দিয়ে যেতে পারতেন সমাজতান্ত্রিক দেশগুলোর এ করুণ পরিনতি হত না।
আপনাকে একটা স্কুপ দেই সমাজতান্তিক রাষ্টগুলোর অকল্পনীয় সাফল্য নিয়ে কিছু গবেষনামূলক নিবন্ধ লিখতে পারেন যেমন জন সাস্থ্য।
অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রি তাজউদ্দিন, পরিকল্পনা কমিশনের মহামান্য সদস্যরা, রেহমান সোবহানের বিআইডিএস এর মাতব্বরেরা, আনিসুর রহমান, নুরুল ইসলাম যাদের সমাজতন্ত্রের জ্ঞানের উপর অগাধ ভর করেছিলেন সবাই - এদেরকে কীভাবে এই সীমাহীন ব্যর্থতার দায় থেকে বাইরে রাখবেন। এখনও জীবিত এসব মহান ব্যক্তিবর্গ আজ পর্যন্ত কখনও কী তাদের দায় স্বীকার করেছেন। রেহমান সোবহান আজ বিশ্বব্যাঙ্কের এবং ইদানিং ভারতকে করিডর দিবার দালালির জন্য সিপিডি নামে যে দোকান খুলেছেন - তার সেই দুর্ভিক্ষ, অর্থনীতিকে দেউলিয়া বানানোর সমাজতন্ত্র আজ কোথায়?
১। তাজুদ্দিন ও উপর উল্লেখিত ব্যাক্তিবর্গের সাথে একটা মৌলিক পার্থক্য আছে। তাজুদ্দিনের প্রনোদন ছিল দেশ প্রেম আর ওপরের বেজন্মাদের আত্মতুষ্টি।
২। আজ ভাষা দিবস বলে বলছি, যে লোকটি আশি বছরেরও বেশী সময় এ ধরাতে কাটিয়েও পাকিদের উচ্চারণে বাংলা বলেন, নিজে বাংগালী হয়েও, তার দেশ প্রীতি আমি আমার শৈশব থেকেই সন্দেহের চোখে দেখি। মোহাম্মদপুর কাঁচা বাজারে যখন মাংস বিক্রেতার সাথে আপনি ভাব বিনিময় করেন, কখনো কি সন্দেহ করতে পারেন কথোপকথনে সে বাংলাভাষী নয়? এক বিহারী যখন পেটের দায়ে এত ভাল বাংলা বলতে পরে তখন প্রাণের টানেও কি তাঁর মাতৃ (?) ভাষাটা শেখা প্রয়োজন ছিল না?
৩। ডঃ নুরুল ইসলাম যখন আর পরিক্ল্পনা কমিশনের আর চেয়ারম্যান নেই, বাবা তখন অতি স্বল্প সময়ের জন্যে সে কমিশনের শিল্প বিভাগের অধিকর্তা ছিলেন। নুরুল ইসলামের কিছু আই ও এন (Inter Office Note) ... বাদ দেন । আমাদের দূর্ভাগ্য হ'ল এই অভাগা মাটির দেশ প্রেমিকদের প্রায় শতভাগ হয় প্রান্তিক চাষী নয় দৈহিক শ্রমিক কিম্বা যে কোন কারনে আর্থিকভাবে পুরোপুরি পংগু। দেশের ভাগ্য নিয়ন্ত্রণে একক ভাবে তাদের কোন ভুমিকা নেই।
৪। তাজুদ্দিন যদি '৭৪ এর মন্বন্তরের জন্যে দায়ী হয়ে থাকেন তা'লে পৃথিবীর জঘন্যতম হত্যা কান্ডে তার নিহত হবার কথা নয়, তিনি তো সে ক্ষেত্রে তাঁর শত্রূদেরকে সবচে' বেশী সাহায্যই করেছেন। তাকে বিরাট একটা সম্মান দেয়া হন্তারকদের দেয়া উচিৎ ছিল। সে সময়ে জনমত নির্ধারনে সেই দুর্ভিক্ষই একক ভুমিকা রেখেছিল। বাকশাল, দূর্নীতি ( এখনকার তুলনায় যা এক অযুতাংশও নয়), রাষ্টীয় ও দলীয় সন্ত্রসের শিকার আপনি আমি মধ্যবিত্ত ও শ্রেনীহীন, ইশ্বরহীন আদর্শের জন্য সংগ্রামে রতদের ছাড়া অন্য কাউকেই তেমন প্রভাবিত করেনি সে সময়। ঐ হত্যাকারীরা তাঁকে কেন এতই ভয় করতো যে জেলের ভেতর ঢুকে মেরে ফেলতে হ'ল, নিজেদের প্রাণের ঝুকি নিয়ে (খালেদ মোশাররফ তখন তাদের পাগলা কুকুরের মত খুঁজছিল) হেলিকপ্টরে চড়ে পালানোর আগ মূহুর্তে?
৫। আমার জানা মতে (তখন-সর্বোচ্চ বলয়ের অতি কাছাকাছি অবস্থানের জন্যে এবং '৭৮ পরবর্তিতে পেশাগত কারনে), সে সময়ে অর্থ, পরিকল্পনা, খাদ্য, সেচ, কৃষি, স্থানীয় সরকার ও সংস্থাপন কোন মন্ত্রীর হাতে ছিল না। যে দেশের সাথে আমাদের বানিজ্য ঘাটতি আজ সবচেয়ে বেশী, সে দেশে রহিম আফরোজ যখন বৈদ্যুতিক ব্যাটারি রপ্তানী করে বাজার তিন মাসের মধ্যে কব্জা করে তখন সেই বৈদ্যুতিক ব্যাটারির ওপর নেমে আসে এন্টি ডাম্পিং ট্যাক্সের খাড়া। আর সেই দেশকেই যদি বন্ধু প্রতীম দেশ বলে আমি বুকে টেনে নেই তা'লে হয় আমি বুদ্ধি প্রতিবন্ধি নয় আমার উদ্দেশের মধ্যে কোন ভেজাল আছে।
___________________________________________
আপনি চলেন শীতল যুক্তি দিয়ে, সেখানে আবেগের কোন স্থান নেই, কারো কোন ছাড় নেই, আমি চলি শত ভাগ উষ্ণ আবেগ দিয়ে, আমার কাছে বিশাল ছাড় আছে। যদিও সে কারনেই আমার ভুল করার সম্ভাবনা আপনার চেয়ে অন্তত ৫০ গুণ বেশী। আমি যেখানে বিশ্বাস করি যে রনাংগনের সন্মুখ সারিতে যুদ্ধ করা এক মুক্তি যোদ্ধার কাছে আমার ব্যাক্তিগত ঋণ আমি আমার গায়ের চামড়া দিয়ে জুতো বানিয়ে দিলেও শোধ করতে পারবোনা সেখানে তাজুদ্দিন আহমদকে কতখানি ছাড় দিতে আমি রাজি তা নিশ্চয়ই আপনি অনুধাবন করেন।
___________________________________________
কোন পদাতিক বাহিনীর সাধারন সৈনিকরা যদি চতুর্থ শ্রেনীর অংক করতে শিখে যায় তা'লে আক্রমনের সময় কাউকেই আপনি সাথে পাবেন না। কারন হিসাবটা হ'ল এইঃ
১। অতি সফল আক্রমনে আক্রমনকারীর মৃত্যুর হার: ৩৫ শতাংশ।
২। আক্রমনে অংশ না নিয়ে পালিয়ে গেলে পরে ধরা পরার সম্ভাবনা:
৩০ শতাংশ।
৩। ধরা পড়ার পর সামরিক আদালতে বিচার হয়ে মৃত্যুদন্ড পাবার
সম্ভাবনা, ক্রমিক ২ এর ২৫ শতাংশ।
যার একটু বুদ্ধি আছে, বিচার বিশ্লেষনের ক্ষমতা আছে কিন্তু আবেগ দিয়ে পরিচালিত হয়না সে কিভাবে যুদ্ধে যাবে?
ভারতে যে সংখ্যক লোক গিয়েছিল একাত্তরে তার মাত্র শূণ্য দশমিক সাত চার শতাংশ (বাকিরা দেশের ভেতর থকেই যুদ্ধ করেছে-যেমন কাদেরিয়া বাহিনী) কেন পাকিদের বিরুদ্ধে অস্ত্র তুলে নিয়েছিল? বাকি ৯৯.২৬ ভাগের সবাই কি বৃদ্ধ/ নাবালক/প্রতিবন্ধী ও নারী ছিল? কেন শরনার্থী শিবিরে কলেরায় ইদুরের মৃত্যু রনাংগনে বুলেটে সম্মান জনক মৃত্যুর চেয়ে তাদের বেশী কাম্য ছিল? কেমন করে রাইটার্স বিল্ডিংএর করণিকের ভার বহন-দেশ প্রেম, রনাংগণের উন্মাদনার চেয়ে বেশী আকর্ষনীয় ছিল?
-এর একটাই কারন-জাতিগত ভাবে বাংগালীরা অন্যদের চেয়ে উন্নততরো বুদ্ধিবৃত্তির অধিকারী।
ইব্রাহীম আহমেদ বলেছেন:
আমিও তাই ভাবি । স্বাধীনতার চাইতে মনে হয় সার্বভৌমত্ব বেশি দামী , কিন্তু সেটাই এখনো আমরা পাই নি পুরোপুরি ।’৫২, ’৭১ নিয়ে আমার মাথায় অনেক –অনেক দিন ধরে কিছু ব্যপার ঘুরপাক খাচ্ছে । স্বাধীনতার ১৮ বছর পরে জন্মে ব্যপারগুলোকে বুঝে ওঠা বেশ কঠিন । সেগুলোকে কখনো যদি একসাথে করতে পারি , আপনি কি আমার চিন্তাধারার অসংগতিগুলো ধরিয়ে দিতে পারবেন ?
লেখক বলেছেন: আমিও তাই ভাবি । স্বাধীনতার চাইতে মনে হয় সার্বভৌমত্ব বেশি দামী , কিন্তু সেটাই এখনো আমরা পাই নি পুরোপুরি ।
-রাস্ট্রের একটি সংগা, যা মিস্টার ওয়াহাবুজ্জামান (Civics Lecturer)এর প্রচন্ড মানসিক অত্যাচারের ভয়ে মুখস্ত করতে হয়েছিল, ফৌজদারহাটে, আমাদেরকে ১৯৭০ সালেঃ
State is a community of persons, more or less numerous, permanently occupying a definite portion of territory, independent of external control, and possessing a government to which a great body of inhabitants render habitual obedience.
এখন দেখুন তো আমাদের ওপরের কোন্ কোন্ শর্তগুলো আমরা পূরন করিনা? আমরা কত টুকু সার্বভৌমত্ব ভোগ করি? স্বাধীনতা আর সার্বভৌমত্ব একে অপরের পরিপূরক। একটা ছাড়া অন্যটার স্বাভাবিক মৃত্য ঘটে।
আপনি ঠিকই বলেছেন আর অর্জন করার চেয়ে রক্ষা করা কঠিন।
স্বাধীনতার ১৮ বছর পরে জন্মে ব্যপারগুলোকে বুঝে ওঠা বেশ কঠিন । সেগুলোকে কখনো যদি একসাথে করতে পারি , আপনি কি আমার চিন্তাধারার অসংগতিগুলো ধরিয়ে দিতে পারবেন ?
-পারবোনা। আমি জীবনেও যুক্তি দিয়ে চলতে পারিনি। আমার আবেগের প্রাবল্য আমার যুক্তি ও আমার বুদ্ধিমত্তাকে সব সময় আচ্ছন্ন করে রাখে। তবে আমি এ সিরিজটায় যা করতে চেয়েছি তা হ'ল মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে ফিরে দেখতে। আর আমার সময়-যন্ত্রের ( time machine) সাথী হয়ে আপনি যদি সে সময়টায় ঘুরে আসতে পারেন তা'লে আপনি নিজেই নিজের বেশ কিছু অসংগতি ধরতে পারবেন।
আমি যখন সিরিয়াস কিছু পড়ি- তখন তা একাধিকবার পড়ি। আমার এ লেখাটা সিরিয়াস নয়, তবে বষ্ত্ত নিষ্ঠ রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করেছি।
শিরোনামটা আরো ছোট করলে সুন্দর হ'ত দেখতে কিন্তু সে ক্ষেত্রে আমার এ লেখার উদ্দেশ্যটা পরিষ্কার হত না।
তবে আমি আপনাকে আমার সকল সীমাবদ্ধতার মধ্যেও আপনার সাথে থাকার চেষ্টা করবো।
লেখক বলেছেন: আমি বলেছি, বর্ণনায়, রপকের মত করে।
শেষটুকু আরেকবার পড়ার জন্য সনির্বন্ধ অনুরোধ করছি।
সামিউর বলেছেন:
খুব ভালো লাগলো পড়ে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সামিউর।
বাস্তবতা বলেছেন:
@পি মুন্সীঃ ১৯৭১ পরবর্তি তাজউদ্দিনের ভূমিকা, তার কার্যকলাপ এসব নিয়ে আপনি আলোকপাত করলে খুশী হব। এ নিয়ে জানার ইচ্ছা আছে আমার।তবে আমার বিশ্বাস ভুল ত্রুটি থাকতে পারে, মানুষের থাকেই, তবে ইচ্ছা এবং দেশপ্রেম, এদুটোর কোন ঘাটতি তাজউদ্দিন এবং শেখ মুজীব, কারো ছিল বলে মনে হয়না। দুজনের মধ্যে শেখ মুজীবের অবস্থান ছিল উপরে, দ্বায়িত্ব ছিল বেশী, তার ভুলের সংখ্যাও বেশী, ভুলের ফলাফলও একই কারনে বেশী খারাপ ছিল।
এ বিষয়ে আমার জ্ঞান তথ্যসমৃদ্ধ নয়, বরং বেশীরভাগ আবেগপ্রসূত, একথা স্বীকার করে নিয়েই আপনাকে অনুরোধ করছি বিষয়টা তুলে ধরার জন্য।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, যোগ করে দিয়েছি।
কিন্তু এখনকার এডিটেড জবাবে ৪ নম্বর যা যোগ করে লিখলেন এটা তুষ্টকর জবাব নয়। তাই ফিরলাম।
আপনি খেয়াল করেছেন নিশ্চয় আমি সুনির্দিষ্ট করে সরকার বা মন্ত্রণালয় চালানোর দিক থেকে ৭২-৭৫ সালের তাজউদ্দিনের মূল্যায়নে যেতে চেয়েছি, নয় মাসের যুদ্ধের তাজউদ্দিন নয়।
আপনি বলছেন,
- "তাজুদ্দিন যদি '৭৪ এর মন্বন্তরের জন্যে দায়ী হয়ে থাকেন তা'লে পৃথিবীর জঘন্যতম হত্যা কান্ডে তার নিহত হবার কথা নয়, তিনি তো সে ক্ষেত্রে তাঁর শত্রূদেরকে সবচে' বেশী সাহায্যই করেছেন"-
আমার মনে হয়না এটা আমার প্রশ্নের জবাব হয়েছে। মনে হয়েছে, আমরা তাঁর কাজের মূল্যায়ন পাশ কাটিয়ে তাঁর নির্মম মৃত্যুকে নিয়ে আবেগের উপর ভর করে একটা ন্যায্যতা খুজার অক্ষম চেষ্টা করছি। ফলে যুক্তিবুদ্ধিতে উত্তরে না গিয়ে আবেগ দিয়ে সেটাকে ঢাকার চেষ্টা করেছি।
আপনাকে একটা কথা জানাই। তাজউদ্দিনের গোয়ার্তুমি ও ব্যর্থতার পর, তাঁর পদত্যাগের পর, সবকিছু নিজের হাতে নিয়ে শেখ মুজিবের বাকশাল ঘোষণার এবং তাঁর বাকশাল সরকারই আইএমএফের শর্ত মেনে ষ্ট্রাকচারাল এডজাষ্টমেন্ট প্রোগ্রামে (SAP) চুক্তিতে সুবোধ বালকের মত সই করেছিলেন। কিন্তু এই সুবোধ কাজ তাঁকে মৃত্যু থেকে ফেরাতে পারেনি। চার মাসের মধ্যে তাঁকে হত্যা করা হয়। পর্বত প্রমাণ জনপ্রিয়তার হাতি যখন মশা হয়ে নীচে গড়াগড়ি যায়, জনগণ থেকে যখন সে সীমাহীন বিচ্ছিন্ন, মারা গেল কেউ যখন কাঁদবে না বড় জোড় হতবিহ্বল হবে হয়ত - তাকে হত্যা করার এই সুবর্ণ সুযোগ কেন শত্রুরা হেলায় হারাবে? সুবোধ আজ্ঞাবহ বালক হলেই কী তাঁর নিহত হবার পারফেক্ট সময় শত্রু অবহেলা করতে পারে?
ভোরবেলা শেখ মুজিবকে হত্যা করার পর একজন বরখাস্তকৃত লেঃ কর্ণেল ডালিম সেনাসদরে এসে আর্মি চীফ শফিউল্লাহকে হুমকি দিচ্ছেন, যেখানে সমস্ত সিনিয়ার অফিসারেরা উপস্হিত। এবার শফিউল্লাহর প্রতিক্রিয়া দেখেন। (কোন কান কথা বলছি না, দেখুন,শফিউল্লাহ নিজে গত মাসে ডেইলিষ্টারে সাক্ষ্যাৎকার দিয়েছেন।) তিনি ডালিমের পিছু পিছু তাঁর সাথে বঙ্গভবনে মোশতাকের কাছে চলে গিয়ে টিভিতে আনুগত্য প্রকাশ করলেন।
এখন সব বাদ দিলাম, আপনার কী মনে হয় এটা শফিউল্লাহর সৈনিকোচিত কাজ? এরপর উনার উর্দির মর্যাদা থাকে?
গায়ে পোষাক থাকলেও উনি তো তখন আসলে ন্যাংটা। অন্ততপক্ষে সৈনিকতার মর্যাদার খাতিরে তিনি উর্দি, ব্যাজ খুলে পাসে সরিয়ে রাখতে পারতেন। তিনি পদত্যাগের ঘোষণা দিতে পারতেন; কমপক্ষে উর্দির মর্যাদা রক্ষা পেত তাতে। তিনি তো উর্দির মর্মই বুঝেন না, অথচ সেনাপ্রধানের পদ, ব্যাজ দখল করে বসে ছিলেন। উনার কিসের ভয় ছিল? মারা যাবার? চাকরিহীন হয়ে না খেয়ে মরার? উর্দির মর্যাদার চেয়ে মৃত্যু ভয়, না খেয়ে মরার ভয় যার বেশি তিনি তো বহু আগেই মৃত - জিন্দা লাশ একটা।
আমার একথাগুলো আবেগী মনে হবে হয়ত, কিন্তু এটাই কঠিন ফ্যাক্টস। কিন্তু কেন এই কঠিন সত্যির মুখোমুখি হতে হচ্ছে আজ? - কারণ ওর নুন্যতম মরাল, মনের জোড় ছিল না ঐ সংগঠন, সেনাবাহিনীর। মরাল হারালে সেনাবাহিনী বলে আসলে আর কিছু থাকে না। সারা সংগঠনই একটা জিন্দা লাশ বড় জোড়।
এরকম মরাল শুন্য সেনাবাহিনী হয়ে যাবার পিছনে আরও অনেকের মত তাজউদ্দিনেরও কোন দায় ছিল না, পরোক্ষে? অবশ্যই ছিল। এর মানে হলো রাষ্ট্রক্ষমতা কী জিনিষ তাদের কোন ধারণাই ছিল না। তাঁদের কোন সিদ্ধান্তের কী প্রতিক্রিয়া, চেন রিয়াকসন কোথায় গিয়ে প্রতিক্রিয়া হয় - জানা নাই। রাষ্ট্রক্ষমতাকে তাঁরা বাচ্চাদের খেলাপাতিল খেলার খেলার মত মনে করেছিলেন। তাই নিজেদের রক্ষা করার জন্য কী করতেই হয় তা তাদের জানা ছিল না; আপনি ভাবতে পারেন, সেনাবাহিনী মরাল লুজ করেছে আর তাঁরা বেখবর! আশির দশক থেকে শুনে আসছি "কাঁন্দো বাঙালি কাঁন্দো"। কেন কাঁদব, কী করে কাঁদব? আমরা এখন চাইলেই কী ঐ আত্মঘাতি ধ্বংসস্তুপ থেকে তাজউদ্দিন বা কাউকে টেনেহেঁচড়ে বের করতে পারব?
তাজউদ্দিন নিজ কর্ম দোষে সেই পরিস্হিতি তৈরিতে ভুমিকা রেখেছেন, শেখ মুজিবকে জীবন দিয়ে এর কাফফারা দিতে হয়েছে; কে না জানে যে শেখ মুজিবের অনুপস্হিতিতে তাঁর খরম সিংহাসনে রেখে যে দেশ স্বাধীন করে ফেলতে পারে, শেখ মুজিবের মৃত্যুর পর সেই লোক তো শত্রুর চোখে সবচেয়ে বিপদজনক। কারণ, সুযোগ পেলেই জনগণের কাছে মাফ চেয়ে হলেও আবার জনগণকে সংগঠিত করে ফেলার ক্ষমতা তাঁর তখনও ছিল। তিনি তো দুর্ণীতিবাজ বা চোর নন, সে সময়ের আওয়ামী লীগের জাঁদরেল নেতাদের মত তাঁর গায়ে এসবের কোনই দাগ নাই, ব্যক্তিগতভাবে আজও কেউ তাঁর বিরুদ্ধে আঙুল তুলতে পারেনি; যুদ্ধের একজন পরীক্ষিত নেতা পরে সরকার চালাতে ব্যর্থ হয়েছেন মাত্র। কাজেই মোশতাকের চোখে তিনি ছাড়া সবচেয়ে বড় বিপদজনক লোক আর কে ছিল? ফলে জেলখানা কেন কবরে গিয়ে হলেও তাঁর মৃত্যু নিশ্চিত করা মোশতাক-রশিদদের দরকার ছিল।
এখানে তাজউদ্দিনের দুর্ভিক্ষের দায়, অর্থনীতিতে দেউলিয়া আনা, সীমাহীন ব্যর্থতা, সবচেয়ে অজনপ্রিয় হয়ে শেখ মুজিবের মৃত্যু - এগুলো যেমন সত্য; শেখ মুজিবের মৃত্যুর পর আবার জনগণকে সংগঠিত করে ফেলার ক্ষমতা তাজউদ্দিনের তখনও ছিল - এটাও তেমনি সত্য এবং এই পোটেনশিয়াল ক্ষমতা তিনি তখনও ধারণ করেন বলে মোশতাকের চোখে তিনি হয়ে গিয়েছিলেন তখনকার সবচেয়ে বড় বিপদজনক শত্রু ও জেল খানায় নির্মম ভাবে তাঁকে প্রাণ দিতে হয়েছে - এটাও আর এক নির্মম সত্য।
আপনি আমি চাইলেও তাজউদ্দিনকে আর উদ্ধার করতে পারব না। আপনার মনের মনিকোঠায় ভাল যা কিছু স্মৃতি আছে, তা যত্ন করুন। ওগুলো সত্যি বাকী সবকিছু মিথ্যা, ধুলায় লুটিয়ে গেছে।
লেখক বলেছেন: গায়ে পোষাক থাকলেও উনি তো তখন আসলে ন্যাংটা। অন্ততপক্ষে সৈনিকতার মর্যাদার খাতিরে তিনি উর্দি, ব্যাজ খুলে পাসে সরিয়ে রাখতে পারতেন। তিনি পদত্যাগের ঘোষণা দিতে পারতেন; কমপক্ষে উর্দির মর্যাদা রক্ষা পেত তাতে। তিনি তো উর্দির মর্মই বুঝেন না, অথচ সেনাপ্রধানের পদ, ব্যাজ দখল করে বসে ছিলেন। উনার কিসের ভয় ছিল? মারা যাবার? চাকরিহীন হয়ে না খেয়ে মরার? উর্দির মর্যাদার চেয়ে মৃত্যু ভয়, না খেয়ে মরার ভয় যার বেশি তিনি তো বহু আগেই মৃত - জিন্দা লাশ একটা।
-ঠিক এটাই আসছিল অন্য রকম বাক্য গঠনে শেষ পরবে একটা ফুটেজ যা আমি আমার সমস্ত প্রভাব খাটিয়েও পাইনি কোথাও, অথচ বিটিভিতে সেটা থাকার কথা। গত পনেরো বছরে খুঁজে পাইনি, যদিও জিয়ার '৭১এর যুদ্ধ ক্ষেত্রের দেয়া সাক্ষাৎকারের ফুটেজ পাওয়া যায়। অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক সেই ঘটনাগুলো আসছে। আর যিনি/যারা সারা জীবনের চর্চিত গণতন্ত্রকে হত্যা করেন তখন তাদের গায়েও কিন্তু পোষাক থাকে না। এটাও আমার ড্রাফ্টে আছে, দেব কিনা সিদ্ধান্ত নেই নি এখনো।
এখানে তাজউদ্দিনের দুর্ভিক্ষের দায়, অর্থনীতিতে দেউলিয়া আনা, সীমাহীন ব্যর্থতা, সবচেয়ে অজনপ্রিয় হয়ে শেখ মুজিবের মৃত্যু - এগুলো যেমন সত্য; শেখ মুজিবের মৃত্যুর পর আবার জনগণকে সংগঠিত করে ফেলার ক্ষমতা তাজউদ্দিনের তখনও ছিল - এটাও তেমনি সত্য এবং এই পোটেনশিয়াল ক্ষমতা তিনি তখনও ধারণ করেন বলে মোশতাকের চোখে তিনি হয়ে গিয়েছিলেন তখনকার সবচেয়ে বড় বিপদজনক শত্রু ও জেল খানায় নির্মম ভাবে তাঁকে প্রাণ দিতে হয়েছে - এটাও আর এক নির্মম সত্য।
-আপনি এটার সাথে এটুকু যোগ করলেই আমার সিদ্ধান্তে উপনিত হবেন
১।বংগবন্ধু তেঁজগাও বিমান বন্দরে নামার সাথে সাথেই তাজুদ্দিন যখন কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়লেন।
২।সে সময়ে অর্থ, পরিকল্পনা, খাদ্য, সেচ, কৃষি, স্থানীয় সরকার ও সংস্থাপন কোন মন্ত্রীর হাতে ছিল না।পরিকল্পনা কমিশনের চেরয়াম্যান ডঃ নুরুল ইসলাম সরাসরি রিপোর্ট করতেন বংগ বন্ধুর কাছে। রেহমান সোবহানও এমন কি ডঃ মোজাফফর আহমেদ {টিআই (অব)} ও যেতেন বংগব্নধুর কাছে সরাসরি। ওঁদের মতামত নিয়ে বংগ বন্ধু ডিকটেট করতেন তাজুদ্দিনকে। তাজুদ্দিনের নিজের কোন ক্ষমতাই ছিল না।
৩। খুনিরা জানতো যে এখন যেহেতু বংগবন্ধু নেই তাই তিনি ঠিক সেই নেতৃত্ব দিতে পারবেন যেমনটি দিয়েছিলেন '৭১এ।
কিন্তু এখনকার এডিটেড জবাবে ৪ নম্বর যা যোগ করে লিখলেন এটা তুষ্টকর জবাব নয়। তাই ফিরলাম।
আপনি খেয়াল করেছেন নিশ্চয় আমি সুনির্দিষ্ট করে সরকার বা মন্ত্রণালয় চালানোর দিক থেকে ৭২-৭৫ সালের তাজউদ্দিনের মূল্যায়নে যেতে চেয়েছি, নয় মাসের যুদ্ধের তাজউদ্দিন নয়।
জবাবটা এডিটেড নয় সংযোজিত বলে আমি মনে করি। আমি ন্য মাসের মূল্যায়ন করিনি, তাঁর পদত্যাগ না করার কারন হিসেবে ন্য মাসের অবদান তুলে ধরেছি।
এখানে তাজউদ্দিনের দুর্ভিক্ষের দায়, অর্থনীতিতে দেউলিয়া আনা, সীমাহীন ব্যর্থতা, সবচেয়ে অজনপ্রিয় হয়ে শেখ মুজিবের মৃত্যু - এগুলো যেমন সত্য; শেখ মুজিবের মৃত্যুর পর আবার জনগণকে সংগঠিত করে ফেলার ক্ষমতা তাজউদ্দিনের তখনও ছিল - এটাও তেমনি সত্য এবং এই পোটেনশিয়াল ক্ষমতা তিনি তখনও ধারণ করেন বলে মোশতাকের চোখে তিনি হয়ে গিয়েছিলেন তখনকার সবচেয়ে বড় বিপদজনক শত্রু ও জেল খানায় নির্মম ভাবে তাঁকে প্রাণ দিতে হয়েছে - এটাও আর এক নির্মম সত্য।
আমি ভুল করলে মাফ করে দেবেন। এটা আমার কাছে স্ববিরোধীতা লাগছে। যাকে আপনি দায়ী করছেন দুর্ভিক্ষের জন্যে তাকেই আবার বলছেন যে সে ভবিষ্যত নেতৃত্ব দেবার যোগ্য।
আপনি আমি চাইলেও তাজউদ্দিনকে আর উদ্ধার করতে পারব না। আপনার মনের মনিকোঠায় ভাল যা কিছু স্মৃতি আছে, তা যত্ন করুন। ওগুলো সত্যি বাকী সবকিছু মিথ্যা, ধুলায় লুটিয়ে গেছে।
-ভাল স্মৃতি গুলোই তাকে তার ব্যার্থতার দায়ভার থকে মুক্তি দেবার জন্যে আমাকে উদ্বুদ্ধ করে।
মতমতের জন্যে অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনার কথা ঠিক অগ্রাহ্যও করা যায়না।
"২। সে সময়ে অর্থ, পরিকল্পনা, খাদ্য, সেচ, কৃষি, স্থানীয় সরকার ও সংস্থাপন কোন মন্ত্রীর হাতে ছিল না" - এই কথাটা আমি বুঝি নাই। আপনি আমি কী একই "সে সময়ের" কথা বলছি?
আপনি কী বলতে চাচ্ছেন, ১৯৭৩ সালে তাজউদ্দিন অর্থ, পরিকল্পনা মন্ত্রী ছিলেন না?
"পরিকল্পনা কমিশনের চেরয়াম্যান ডঃ নুরুল ইসলাম সরাসরি রিপোর্ট করতেন বংগ বন্ধুর কাছে। রেহমান সোবহানও এমন কি ডঃ মোজাফফর আহমেদ {টিআই (অব)} ও যেতেন বংগব্নধুর কাছে সরাসরি। ওঁদের মতামত নিয়ে বংগ বন্ধু ডিকটেট করতেন তাজুদ্দিনকে। তাজুদ্দিনের নিজের কোন ক্ষমতাই ছিল না" - এটা আমি কোথাও পড়িনি বা শুনিনি। আমি আরও একটু আলোকপাত করলে যেমন, যদি ধরে নেই, "তাজুদ্দিনের নিজের কোন ক্ষমতাই ছিল না" তাহলে কেন শেখ মুজিব কেন তাকে এমন রেখেছিলেন, তাঁকে মন্ত্রী রেখেছিলেনই বা কেন - এসব আরও অন্যান্য কিছু যার কোন ফ্যাক্টস, ধারণা বা অভিজ্ঞতা যদি আপনার থাকে।
--------------------
বাস্তবতাকে বলছি, আপনি মন্তব্যে আমাকে মিন করেছেন আমি খেয়াল করিনি। "তাজউদ্দিনের ভূমিকা, তার কার্যকলাপ" নিয়ে কিছু লেখার খাতা খোলা যায় কি না চেষ্টা করব তবে এক্ষণই পারবো না, যদিও আমার পরিকল্পনাতে আছে।
এখন একটা কথা বলব, মস্কো কমিউনিষ্ট বা ন্যাপেরা যদি তাজউদ্দিনের সাথে না থাকত তবে ১৯৭১ সালে আমরা স্বাধীন হতাম না। আবার এই সাথে থাকাটাই যুদ্ধ পরবর্তিকালে আমাদের জন্য লায়াবিলিটি হয়ে যায়।
শেষ বিচারে আমি মনে করি, গ্লোবাল পরিস্হিতির বিচারে এবং অবজেকটিভলি দেখলে আমাদের কপালে যা ঘটেছে, যে অভিজ্ঞতার ভিতর দিয়ে আমরা পুরা সত্তর দশক পার করেছি - এটা কোন অংশই এড়ানো আমাদের পক্ষে সম্ভব ছিল না। আমাদের বিভিন্ন শ্রেণী, মানুষের যে স্বার্থ, চিন্তাগুলোর জোট আমরা গড়তে পেরেছিলাম, আর যা পারিনি তাতে সবমিলিয়ে আমরা অন্যকিছু হতে পারতাম বলে আমার মনে হয় না।
ঐ প্রদত্ত পরিস্হিতিতে একমাত্র আমাদের হাতে ছিল ঐ সাধ্যের মধ্যেই ৭২-৭৫ সরকার পরিচালনায় দক্ষতা, আর কিছু ব্যবহারিক কান্ডজ্ঞান - এখানেও আমরা সীমাহীন ব্যর্থতাই পেয়েছি।
আপনি "মুলধারা ৭১" বইটা দেখতে পারেন।
লেখক বলেছেন: সে সময়ে অর্থ, পরিকল্পনা, খাদ্য, সেচ, কৃষি, স্থানীয় সরকার ও সংস্থাপন কোন মন্ত্রীর হাতে ছিল না" - এই কথাটা আমি বুঝি নাই। আপনি আমি কী একই "সে সময়ের" কথা বলছি?
আপনি কী বলতে চাচ্ছেন, ১৯৭৩ সালে তাজউদ্দিন অর্থ, পরিকল্পনা মন্ত্রী ছিলেন ন.
-ও দপ্তরগুলো/মন্ত্রকগুলো বংগ বন্ধু নিজে দেখতেন, যে-ই দ্বায়িত্বে থাকুক না কেন।
"পরিকল্পনা কমিশনের চেরয়াম্যান ডঃ নুরুল ইসলাম সরাসরি রিপোর্ট করতেন বংগ বন্ধুর কাছে। রেহমান সোবহানও এমন কি ডঃ মোজাফফর আহমেদ {টিআই (অব)} ও যেতেন বংগব্নধুর কাছে সরাসরি। ওঁদের মতামত নিয়ে বংগ বন্ধু ডিকটেট করতেন তাজুদ্দিনকে। তাজুদ্দিনের নিজের কোন ক্ষমতাই ছিল না" - এটা আমি কোথাও পড়িনি বা শুনিনি। আমি আরও একটু আলোকপাত করলে যেমন, যদি ধরে নেই, "তাজুদ্দিনের নিজের কোন ক্ষমতাই ছিল না" তাহলে কেন শেখ মুজিব কেন তাকে এমন রেখেছিলেন, তাঁকে মন্ত্রী রেখেছিলেনই বা কেন - এসব আরও অন্যান্য কিছু যার কোন ফ্যাক্টস, ধারণা বা অভিজ্ঞতা যদি আপনার থাকে।
-ডঃ মোজাফফর আহমেদ আর ডঃ রেহমান সোবহানকে খুব কাছ থেকে দেখেছি। তাঁদের পেশাগত গতায়ত ছিল বংগ বন্ধুর সাথে। আপনি যদি এটাকে ঘোড়া ডিংগিয়ে ঘাস খাওয়া বলেন তা'লে তাই। তবে বংগবন্ধু নিজেও তাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ রাখতেন বলে আমি মনে করি। আপনি নিশ্চয়ই লক্ষ্য করে থাকবেন যে ৭ হাজার পাম্প বানাতে
বংগ বন্ধু শিল্প মন্ত্রীকে বলেন নি। সরাসরি চেয়ারম্যানকে তলব করেছিলেন।
"তাহলে কেন শেখ মুজিব কেন তাকে এমন রেখেছিলেন, তাঁকে মন্ত্রী রেখেছিলেনই বা কেন -"
- এটা হীনমন্যতা প্রসূত হতে পারে। শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ঘোষনা দিয়ে বাড়িতে বসে থাকলেন গ্রেফতার হতে। মুক্তি যুদ্ধে নেতৃত্ব দিলেন অতি সফলভাবে তাজুদ্দিন আহমদ। সেই মুক্তি যুদ্ধ কিভাবে সংগঠিত হয়েছিল, পরিচালিত হয়েছিল, কার্যকর করা হয়েছিল, সে ব্যাপারে বংগ বন্ধুর কোন আগ্রহই দেখাননি কোনদিন।
এটা স্বাভাবিক আচরনের মধ্যে পড়েনা।
চিন্তার খোরাক (food for thought) যোগাতে আপনি অতি উচ্চ মার্গের ওস্তাদ। সে জন্যে কৃতজ্ঞতা। মানব আর মানবেতরোর মধ্যে একটা পার্থক্য হল একজন চিন্তা করতে পারে অন্য জন পারে না।
ফাগুল বলেছেন:
পি মুন্সীর অধিকাংশ কমেন্টের সাথেই একমত। পি মুন্সী ভাই আপনি এটা নিয়ে আলাদা একটা পোষ্ট দিতে পারেন। চমৎকার হতো তাহলে।
রাগ ইমন বলেছেন:
আমার ধারনা স্বাধীনতার প্রশ্নই আসতো না, স্বাধিকারের আসত । বংগবন্ধু প্রধান মন্ত্রী হতেন পাকিস্তানের।৬ দফা ও ১১ দফা বাস্তবায়িত হ'ত।এসব হতে পারেনি পাকি আর্মির মাথা মোটা সেনানায়ক আর বেজন্মা ভুট্টোর জন্যে।তবে এটা আমার একান্তই ব্যাক্তিগত মতামত, আমলে নেবার প্রয়োজন নেই।------
একমত হতে পারলাম না । ১৯৬৬ সালেই বঙ্গবন্ধু নিজের মুখে বলেছিলেন , ঐসব ৬ দফা টফা কিছু না , সব এক দফা ।
আগের পোস্টে লিংক দিয়েছি সেই স্মৃতিচারণের ।
Click This Link
|http://www.somewhereinblog.net/blog/valobashablog/28691466
Click This Link
Click This Link
Click This Link
শেষ দুটো লিংকে সরাসরি উল্লেখ পাবেন ।
---------------------
মুজিব প্রশাসনের ব্যাপারে আমার নিজের মূল্যায়নে একটা কথা বলতে পারি । স্বাধীনতার পরে নতুন রাষ্ট্রে মুজিব সাধারণ মানুষ হাতে ক্ষমতা ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার সিস্টেম করেন নাই ।
ঘুরে ফিরে ক্ষমতা পুরোটাই রয়ে গেলো পাকি দলের বদলে বাঙ্গালী দলে । এলিটদের হাতে ।
বটম আপ এপ্রোচ তাতে নেই। সেই চিরাচরিত টপ ডাউন , ব্যুরোক্রেসিই দেখলাম আমরা আর দেখলাম কিভাবে জনবিচ্ছিন্ন হয়ে গেলো কিছু নেতা ।
আচ্ছা , এই আজকের বাংলাদেশেও কিংবা ৭২ এও চাষী কি সিদ্ধান্ত নিতে পারত কৃষিনীতির ব্যাপারে?
ছাত্র শিক্ষানীতির ব্যাপারে?
জেলে , মৎস নীতির ব্যাপারে?
রাম ছাগল জনগণ এখনো মনে করে স্বাধীনতা মানে পতাকা , সংবিধান হইলো কুরান আর জনগণের ক্ষমতা মানে হইলো ৫ বছর পর পর ভোট দেওয়া ।
বাড়িতে মেয়ে যদি বলে বাবা ডাক্তারি পড়বো না তাইলে এইসা থাপ্পড়ে বসিয়ে দেই আর মুখে বলি আম্ম ঘণথন্ত্র শিক্কালাইসি!
লেখক বলেছেন: একমত হতে পারলাম না । ১৯৬৬ সালেই বঙ্গবন্ধু নিজের মুখে বলেছিলেন , ঐসব ৬ দফা টফা কিছু না , সব এক দফা ।
-তবে এটা আমার একান্তই ব্যাক্তিগত মতামত, আমলে নেবার প্রয়োজন নেই।
আচ্ছা , এই আজকের বাংলাদেশেও কিংবা ৭২ এও চাষী কি সিদ্ধান্ত নিতে পারত কৃষিনীতির ব্যাপারে?
ছাত্র শিক্ষানীতির ব্যাপারে?
জেলে , মৎস নীতির ব্যাপারে?
-কখনো কোথাও ঘটেনি। সর্বহারাদের একনায়কতন্ত্রেও নয়। তবে কাছাকাছি একটা উদাহরন দিতে পারি।আমার চাচাতো ভাইকে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর জন্যে ১৯৮২ সালে আমরা ভাই বোনেরা সবাই মিলে একটা বানিজ্যিক ভিত্তিতে মুরগীর খামার করে দেই। যখনকার কথা বলছি তখন ফার্মের ডিম বাংলাদেশীরা খেতে শেখেনি।
এক সময় (৯০এর পর) সেটা মুখ থুবড়ে পরে। আমি অবসর নেই এবং হাতে অনেক সময় থাকার জন্যে কারন অনুসন্ধান শুরু করি। কারন উদ্ঘাটন করতে করতে আমি পশ্চিম বংগের বাকুড়া, বীরভুম, মেদিনীপুর, বর্ধমান আর বোলপুর ঘুরে আসি।
মোদ্দা কথা, বাংলাদেশে যখন ৯.৫ % সুদে কৃষি ঋন দেওয়া হচ্ছিল তখন কৃষি ক্ষেত্রে জ্যোতি বসু সর্বোচ্চ ৩.৫ %এ ঋণ দিচ্ছিলেন৯সর্বনিম্ন সম্ভবতঃ ১.৫ %)। শুধু মাত্র একটি শর্তে। উৎপাদিত পন্যের ৫০% সরকারের বেঁধে দেয়া দামে বাজারে বিক্রি করতে হবে। স্বভাবতই আমাদের দেশে ডিমের উৎপাদন খরচ বেশী পড়ছিল।
সীমান্ত পথে চোরা কারবারীরা ভারত থেকে ডিম এনে বাজার সয়লাব করে দিয়েছিল।
আমি যে ব্যাবসা করি তাতে তেমন কোন প্রতিযোগিতা নেই। তারপরও ১৪% লভ্যাংশ ব্যাংককে দিতে আমার জান বের হয়ে যায়।
২৯% সুদে গ্রামীন ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে কৃষকেরা কিভাবে উপকৃত হচ্ছে তা বোঝার ক্ষমতা আমার নেই।
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন:
@রাগ ইমন আপু, আপনার ডাক্তারী পড়া নিয়ে এমন কিছু হয়েছিল নাকি?? ---
আমার বেলায় যথেষ্টই পীড়াপীড়ি হয়েছিল, বাট আমি এক কথার মানুষ ছিলাম, ডাক্তারী পড়ব না!!
রাজর্ষী বলেছেন:
বংগবন্ধু গ্রেফতার হয়ে পশ্চিম পাকিস্টানে বন্ধি না হলে এবং তাজউদ্দীন নেতৃত্ব না দিলে বাংলাদেশ স্বাধীন হত না। এটা আমার দৃঢ় বিশ্বাস।
লেখক বলেছেন: ভাববার মত কথা বলেছেন।
এক্ষণে আজকে বইমেলা থেকে কেনা বইগুলো নাড়াচড়া করছি, একটি বইয়ের নাম বংগবন্ধু ও তাজউদ্দিন, আমির হোসেন,এ্যাডর্ন পাবলিকেসনস। তো আমির হোসেন পাকিস্তান আমলে ইত্তেফাকের সিনিয়র রিপোর্টার ছিলেন, পরে বাংলার বাণী হয়ে এখন বাংলাদেশ টুডের বার্তা সম্পাদক। মনে হচ্ছে বংগবন্ধুকে দায় থেকে বাঁচানোর জন্যেই লেখা, শেখ মণির প্রতি অনুগাত্য যদি থকে থাকে।
আমরা তখন শুনতাম যে ম্যান সেরু মিয়ার পুরো ব্যাপারটাই শেখ মনির মস্তিষ্ক প্রসুত। তবে এটা একান্তই লোক মুখে শোনা।
লেখক বলেছেন: আরেকটা মজার বই আমার হাতে এইমাত্র আসলো। আত্মজ বই মেলা থেকে নিয়ে এসেছে। তাজউদ্দিন আহমদের ডায়েরী, ১৯৪৭-১৯৪৮প্রথম খন্ড, সিমিন হোসেন রিমি (আমার বাবা তাজউদ্দিন), প্রতিভাস, ৭৫১ সাত মসজিদ রোড, ধানমন্ডি, আমার পড়ে দিতে হবে। আমি বলেছি বুড়ো খোকাকে পড়ে দিতে পারবোনা,তবে নিজে পড়ে সারাংশ বলব।
আজ যাই, দেখি সকালের মধ্যে শেষ করতে পারি কিনা।
সুবিদ্ বলেছেন:
ধন্যবাদ পর্বটির জন্য........জে. জিয়া রক্ষীবাহিনীকে সেনাবাহিনীতে আত্মীকরন করেছিলেন....... সেইদিনে তাঁর দেয়া ভাষনটা পড়েছিলাম আমি, সেখানে উনি বলেছিলেন......."রক্ষীবাহিনীকে সেনাবাহিনীর চেয়ে অনেক বেশি সুযোগ দেয়ার যে কথা প্রচলিত আছে, তা সর্বাংশে সত্য নয়".......এটা কি আর্মিকে প্রবোধ দেয়ার কোন চেষ্টা ছিল, যাতে তাদের পারস্পরিক সমঝোতাটা দ্রুত হয়???
এই কাজটা নাকি শেখ মুজিব ভারতের বুদ্ধিতে করেছিলেন!!!! এটা কি সত্যি??? আমার মনে হয় ভারতের অন্য অনেক বুদ্ধির মতো এটাকেও তাঁর পাত্তা না দিলে ভালো হতো........
আর অর্থমন্ত্রি হিসেবে তাজউদ্দিনের সমালোচনা করাই যায়.......তবে মাথায় রাখতে হবে যে ঐসময় অর্থনীতি নিয়ে আমাদের দুইমাথা, অর্থাৎ বঙ্গবন্ধু আর তাজউদ্দিনের মতপার্থক্য ছিল.......
বিদ্ধস্ত একটা দেশের জন্মের সময়টা এত জটিল ছিল কেন, ভাইয়া???
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















