আমার নুতন ছবি ব্লগ
এক বৃষ্টিস্নাত বিকালে আমি আমার বাবাকে ঘৃণা করে বসলাম। কি জঘণ্য ছিল দিনটা! একটানা একঘেঁয়ে বৃষ্টির মধ্যে আত্মগ্লানিতে ম্রিয়মাণ আমি ক্ষুদ্র থেকে ক্ষুদ্রতর হতে হতে রাজপথের ধুলিকণায় পর্যবসিত। বেঁচে থাকার ইচ্ছাপ্রদীপ নিমেষেই অন্ধ হয়ে গেল। আমার সকল অনুভব, অনুভূতি; যা কিছু আনন্দ, যতটুকু আশা- সব পঁচে গলে অবশিষ্ট ছিলএকটি ঘৃণার... বাকিটুকু পড়ুন
প্রকৌশল জীবনের যান্ত্রিক আর্তনাদ যখন অসহ্য হয়ে উঠে..........আমার অন্তরাত্মা যখন নদীর বুকে মধ্যরাতে পূর্ণিমার চাঁদ আর মাতাল ঢেউ এর ছলাকলা দেখতে হাহাকার করে উঠে..........আমি ছুটে চলি। ......সেই সব চন্দ্রালোকিত মধ্যরাতে এক অতিন্দ্রীয় কাব্যময়তা আমাতে পেয়ে বসে...........আমি হয়ে উঠি অন্য কেউ।.........আর তখন চাঁদের দিকে তাকিয়ে আমি হাহাকার করে মরি........"কতগুলো মানুষ এই... বাকিটুকু পড়ুন
জ্ঞান ফিরেছিল অনেক দেরিতে। তখন তার হাতে ব্যান্ডেজ, বাঁ পায়ে প্লাস্টার, পেটে ক্ষিধে, গলায় তৃষ্ণা আর কানের সামনে অবিরাম অস্ফুট এক কাতরানো স্বর, ‘-পানি। -পানি।’ -ওর বুবু; লাল হয়ে আসা নীল জামার বুবু পানি চাইছে। কে আছ; ওকে পানি দাও- কাতর কন্ঠে সে গোঙানির মত শব্দ করে, ‘পানি।’ সাদা পোষাকের... বাকিটুকু পড়ুন
ভালই চলে বাতেনের- সময়ে সময়ে ছোটখাট ভিড় লেগেই থাকে ওকে ঘিরে। এ কয়দিনে অনেক উন্নতি হয়েছে ওর গল্পের; তলোয়ারগুলো প্রতিবার একহাত করে লম্বা হতে হতে দশে ঠেকেছে প্রায়- অবিশ্বাস হয়না কারো; প্রশ্নও তুলে না কেউ। এখন একটাই সমস্যা- বলতে বলতে কোথায় যেন হারিয়ে যায় সে; চোখের সামনের পরিচিত দৃশ্যপট নিমেষেই... বাকিটুকু পড়ুন
কি কমলাপুর; কি এয়ারপোর্ট রেলস্টেশন- ইদানিং বাতেনের জয়-জয়কার। বছরখানেক আগেও সবার লাথি-গুঁতো ছাড়া কিছুই ছিল না বাম পা কিছুটা খোঁড়া ছেলেটির অনুসঙ্গে। কি কুলিগিরি, কি ভিক্ষা- সবখানেই অপাচ্য ( পুরানো ভিখারি ভাত পায়না; তায় আবার নূতন আমদানি)। দিনে দু-দিনে একবেলা খাবার হয়তো- তখনো কিছুই চিনেনি ছেলেটি। যখন চিনল- ততদিনে বাংলা... বাকিটুকু পড়ুন
কবিতা জীবনের প্রতিচ্ছবি।
আর জীবন-
মৃতু্্র জাগ্রত রূপ। বাকিটুকু পড়ুন





তুমি এসে আর কভু দাঁড়াবেনা এই জনপদে,
আর কভু দেখবেনা-
গাছের পাতায় তোলা উদাস কাঁপন।
সকালের সোনা রোদে, আর কভু হাসবেনা
আমাদের রঙীন স্বপন।
প্রতিকূল ঢেঊ ভেঙে- ... বাকিটুকু পড়ুন
মাসখানেকের মধ্যে ফান্ডের টাকা চলে এল; সাথে ইসমাইল চাচা। অমনি কি এক আশ্চর্য শক্তিতে প্রচণ্ড দৃঢ় আমার হাড় জিরজিরে মা- আমার মেয়ে আমি যেখানে খুশি বিয়ে দিব; কার কি তাতে!
মেঘলার বিয়েতে ধুমধাম হয়েছিল খুব। ও চলে যাওয়ার পর ওর হিসেবের অঙ্কটিও সোজা হয়ে উঠেছিল। অঙ্কটি আরো সোজা করে দিয়েছিল আমার... বাকিটুকু পড়ুন
সে দেখবে না। বড় একরোখা মেয়েটি- অনেক বড় কিছু হতে পারত হয়তো। অথচ এখানে - বিষন্নতাবিলাসী দীর্ঘশ্বাসকন্যা। -কে দায়ী! -আমি? -আমার পরিবার? -না কি অন্য কিছু! শেষের দিনগুলোর কথা আমার মনে পড়ে যায়। অযাচিতভাবে মেট্রিকে ফেল করে বসে আমার বোনটি। সেই থেকে শুরু- একটি মাত্র ঘটনা অসম্ভব রকমের উচ্ছল... বাকিটুকু পড়ুন