আমার প্রিয় পোস্ট
- বহুল প্রচলিত কিছু জাল হাদিস ও প্রচলিত কথা যার কোন শরিয়তি ভিত্তি নাই - তারাকী হাসান
- একজন অশিক্ষিত (অক্ষরজ্ঞান হীন) মানুষ এত জ্ঞান কিভাবে পেলেন? নাস্তিক বনাম আস্তিক দ্বন্দ - জিয়া চৌধুরী
- নরওয়ের সেই ঘাতক ব্রেইভিককে 'পাগল' বলেই রায় দিল পর্যালোচনা কমিটি - অর্নিল
- বিবর্তনবাদ ও বৃটিশ কলনিজমের কলঙ্কজনক ইতিহাস - আমি লিখতে চাই না
- কন্যাশিশু হত্যা এবং মানবতাবাদ: একটি গবেষণাধর্মী বিশ্লেষণ - সরোয়ার হোসেন
- হাইপেশিয়া—আলেকজান্ড্রিয়ার বাতিঘর - ম্যাভেরিক
- কিভাবে আমি আস্তিক হলাম। - মেহেদী পরাগ
- বিবর্তনবাদ নিয়ে বিজ্ঞানীদের ধারণা কী??????এ থিউরী কতটুকু সঠিক?? - আলো-ছায়া
- নাস্তিকতা: স্বল্প জ্ঞানের ভয়ঙ্কর পরিনতি। - কাঙ্গাল মুরশিদ
- যারা শিম্পাঞ্জী- সমগোত্রিয়দেরকে তাদের পূর্বপুরুষ ভাবেন তারা হয় এখনও জেগে জেগে স্বপ্ন দেখছেন, নয়ত বোকার রাজ্যে বাস করছেন- - মাহফুজশান্ত
- বিজ্ঞানীরা নাকি কৃত্রিমভাবে প্রাণ সৃষ্টি করেছেন!! আসলেই কি তাই?? - মাহফুজশান্ত
- ঈশ্বর-ভাবনা, গোল্ডফিশের বাস্তবতা ও হকিংয়ের ‘গ্র্যান্ড ডিজাইন’ - নীলপদ্দ
- বিজ্ঞানের নমস্য নবী হকিং এবং বিশ্বাসীদের দুশ্চিন্তা - সাঈফ শেরিফ
- মহাবিশ্বের সৃষ্টি এবং ঈশ্বর নিয়ে স্টিফেন হকিং এর সর্বশেষ বই “দি গ্র্যান্ড ডিজাইন” এর সার-সংক্ষেপ/রিভিউ - বিলাশ বিডি
- স্টিফেন হকিং, নাস্তিকতা ও ইসলাম : নাস্তিক/আস্তিক সব ব্লগারদের জন্যে - হিমু রুদ্র
- একটি কমেন্ট এর সূত্র ধরে একটি পোষ্ট হয়ে গেল। - হা...হা...হা...
- ইবনে রুশদ - ২ - উম্মু আবদুল্লাহ
- আমাদের বিজ্ঞানী জগদীশ চন্দ্র বসু - ভাবসাধক
- বিবর্তনবাদ : কতটা বিবর্তিত - মাসুদুল হক
- ‘জীবন রহস্য’ উন্মোচনের রাজনীতি - ফুয়াদ মু. খালিদ হোসেন
- জ্ঞান-বিজ্ঞানের রাজ্যে মুসলমানঃউত্থান ও পতন পর্ব-১ - তায়েফ আহমাদ
- ই-বুকঃ ইসলাম ও নাস্তিকতা ২০১০ - ফুয়াদ০দিনহীন
- 'বিগ ব্যাং' পরীক্ষা আবার শুরু - জতরকুল
- প্রাচীন রসায়নের জনক জাবির হাইয়ান ও তার অবদান এবং ইসলাম বিদ্বেষী ফেইথ ফ্রিডম - উম্মু আবদুল্লাহ
- আমার পিঠটা খুবই চুলকাচ্ছে, আমি রানা ফারুক হতে চাই
- এস্কিমো
- ইবনে সিনা: একজন কাফের? - উম্মু আবদুল্লাহ
বিবর্তনবাদ তত্ত্ব নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা – ১
১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:১৪
চার্লস ডারউইনের প্রস্তাবিত বিবর্তনবাদ তত্ত্ব প্রকৃতপক্ষেই সত্য কিনা – এই বিষয়টাকে এক পাশে রেখে ডারউইনবাদীদের বিশ্বাস ও তথাকথিত যুক্তি-প্রমাণ নিয়েই মূলতঃ আলোচনা-সমালোচনা করা হবে। ডারউইনবাদীদের মিলিয়ন মিলিয়ন বছর আগের “কাল্পনিক জগৎ” থেকে বাস্তব জগতে এসে যৌক্তিক দৃষ্টিকোণ থেকে একটু গভীরভাবে চিন্তা করলেই তাদের বিজ্ঞানের নামে অপবিজ্ঞান, কল্পকাহিনী, মিথ্যাচার, আর প্রতারণার গোমর ধরা পড়ে। এটি বোঝার জন্য যেমন আইনস্টাইন হওয়ার দরকার নাই তেমনি আবার পদার্থবিদ্যা কিংবা জীববিদ্যার উপর ডক্টরেট উপাধি থাকারও কোন প্রয়োজন নাই। সামান্য বুদ্ধিমত্তা আর সাধারণ বোধ-ই যথেষ্ট।
ডারউইনবাদী নাস্তিকদের দাবি অনুযায়ী ব্যাকটেরিয়া-সদৃশ সরল একটি জীব থেকে উদ্দেশ্যহীন পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক নির্বাচনের মাধ্যমে মিলিয়ন মিলিয়ন বছর ধরে মিলিয়ন মিলিয়ন প্রজাতি যেমন মাছ, পশু-পাখি, সরীসৃপ, কীট-পতঙ্গ, উদ্ভিদ, ও মানুষ সহ সকল প্রকার প্রজাতি প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে ধাপে ধাপে বিবর্তিত হয়েছে। প্রজাতিগুলোর মধ্যে যেমন জলচর, স্থলচর, উভচর, ও উড়ন্ত প্রজাতি আছে তেমনি আবার স্তন্যপায়ী ও অস্তন্যপায়ী প্রাজাতিও আছে। এই বিবর্তনে স্রষ্টার যেমন কোন ভূমিকা নেই তেমনি আবার এটি পৃথিবীর ঘূর্ণন কিংবা গাছ থেকে মাটিতে অ্যাপেল পড়ার মতই সত্য ঘটনা! তার মানে বৈজ্ঞানিক মহলে বিবর্তনবাদ তত্ত্ব নিয়ে সংশয়-সন্দেহ করা ইতোমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা যাওয়া উচিত। আর তা-ই যদি হয় তাহলে পৃথিবীর ঘূর্ণন কিংবা গাছ থেকে মাটিতে অ্যাপেল পড়া নিয়ে কেউ সংশয় প্রকাশ করলে যেমন একই সাথে অযৌক্তিক ও হাস্যকর শুনাবে তেমনি বিবর্তনবাদ তত্ত্ব নিয়ে কেউ সংশয় প্রকাশ করলেও কিন্তু একই সাথে অযৌক্তিক ও হাস্যকর মনে হওয়ার কথা। অথচ মজার ব্যাপার হচ্ছে বিবর্তনবাদ তত্ত্বকে গাছ থেকে মাটিতে অ্যাপেল পড়ার মতো সত্য বলে দাবি করার পরও এবং বৈজ্ঞানিক মহলে ইতোমধ্যে স্বীকৃতও হয়েছে বলার পরও দেখা যায় যে ডারউনবাদীরা প্রচুর পরিশ্রম করে মাটির নীচে থেকে প্রাপ্ত হাড়-হাড্ডি’র ক্ষুদ্র অংশবিশেষ দিয়ে নিজেদের মতো করে ড্রয়িং করে কিছু একটা প্রমাণ করার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন! বিভিন্ন মিডিয়া জুড়ে মিশনারী পন্থায় রীতিমতো ক্যাম্পেন করা হচ্ছে! পাশাপাশি আবার বিজ্ঞানের নামে জুদায়ো-খ্রীষ্টান-ইসলাম এর সৃষ্টিতত্ত্বের বিরুদ্ধে নিয়মিত অপপ্রচারও চালানো হচ্ছে। তাহলে ঘটনা কী! অন্য কোন বৈজ্ঞানিক তত্ত্বের ক্ষেত্রে এরকম কিছু তো কখনো শোনা যায়নি। বড় কোন ঘাপলা আছে নিশ্চয়!
যাহোক, ব্যাকটেরিয়া-সদৃশ সরল একটি জীব যে কোথা থেকে এলো সেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নে না যেয়েও যে কোন যুক্তিবাদী মানুষ ডারউইনবাদীদের এই দাবিকে স্রেফ অপবিজ্ঞান ও কল্পকাহিনী বলে উড়িয়ে দেয়ার কথা। তাহলে স্বাভাবিকভাবেই অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, সেটাই যদি স্বাভাবিক হয় তাহলে পশ্চিমা বিশ্বের বড় বড় বিজ্ঞানী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকরা এই ধরণের অপবিজ্ঞান ও কল্পকাহিনীকে বিজ্ঞানের নামে গাছ থেকে মাটিতে অ্যাপেল পড়ার মতো প্রতিষ্ঠিত সত্য হিসেবে বিশ্বাস করছেন কেন? বিষয়টি নিয়ে যারা বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে চিন্তা-ভাবনা করেছেন তাদের কাছে মোটেও অস্বাভাবিক মনে হওয়ার কথা নয়। যেমন বিভিন্ন ধর্মীয় ও আইডিওলজিক্যাল গ্রুপ যে কারণে বিবর্তনবাদ তত্ত্বে বিশ্বাস করে, কিংবা নিদেনপক্ষে ডারউইনবাদীদের সাথে বাহাসে যেতে চায় না, তার কারণ জানাটা কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। খুব সংক্ষেপে ব্যাখ্যা করা যাক।
নাস্তিক গ্রুপ: নাস্তিকতার যেহেতু ভিত্তি বলে কিছু নেই সেহেতু নাস্তিকদের কাছে বিবর্তনবাদ তত্ত্ব হচ্ছে ঘোর অমাবস্যার রাতে পূর্ণিমার চাঁদের মতো কিছু একটা – যেখানে সত্য-মিথ্যা'র কোন বালাই নেই। অতএব, তারা যে কোন প্রকারে এই মতবাদকে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করবে।
কম্যুনিস্ট গ্রুপ: তাদের নাস্তিক্য ও বস্তুবাদী দর্শনের সাথে যেহেতু বিবর্তনবাদ তত্ত্ব খাপ খেয়ে গেছে সেহেতু তাদের পক্ষ থেকে কোন রকম প্রতিবাদ-প্রতিরোধের প্রশ্নই ওঠে না – হোক না সেটা সত্য বা মিথ্যা। অতএব, তারাও এই মতবাদকে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করবে। প্রকৃতপক্ষে নাস্তিক বা কম্যুনিস্টদের মধ্যে কেউ বিবর্তনবাদ তত্ত্বের সত্যতা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করতে পারে না। কেননা তাদের কাছে বিবর্তনবাদ তত্ত্ব একটি ধর্মের মতো হয়ে গেছে।
ইহুদী গ্রুপ: এরা মূলতঃ নাস্তিক বা সেক্যুলারিস্ট। খুব কম ইহুদীই হয়ত পাওয়া যাবে যারা একই সাথে এই মহাবিশ্বের স্রষ্টা ও তাদের ধর্মগ্রন্থকে স্রষ্টার বাণী হিসেবে বিশ্বাস করে। অধিকন্তু, একদিকে তাদের ধর্মগ্রন্থের অসারতা অন্যদিকে আবার ভূ-রাজনৈতিক কারণে তারা ডারউইনবাদীদের সাথে সহজে বিতর্কে যায় না।
চাইনিজ-জাপানিজ-কোরিয়ান গ্রুপ: এরা মূলতঃ বস্তুবাদী ও প্রকৃতি উপাসক। অনেক ধরণের কুসংস্কারে বিশ্বাস করলেও তারা এই মহাবিশ্বের স্রষ্টায় বিশ্বাস করে না বললেই চলে। ফলে তাদের পক্ষ থেকেও তেমন কোন প্রতিবাদ আশা করা যায় না।
বৌদ্ধ-জৈন গ্রুপ: যদিও বৌদ্ধ-জৈন ধর্মাবলম্বীরা এই মহাবিশ্বের স্রষ্টায় বিশ্বাস করে না তথাপি তারা মৃত্যুপরবর্তী জীবন ও জন্মান্তরবাদে বিশ্বাস করে। কিন্তু স্রষ্টা ছাড়া মৃত্যুপরবর্তী জীবন ও পাপ-পূণ্যের উপর ভিত্তি করে জন্মান্তরবাদ যে কীভাবে সম্ভব কে জানে! যাহোক, তারা যেহেতু স্রষ্টার অস্তিত্বেই বিশ্বাস করে না সেহেতু জন্মান্তরবাদকে ব্যাখ্যার জন্য তাদের কাছে নাস্তিক্য দর্শন “উদ্দেশ্যহীন পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক নির্বাচন” এর গুরুত্ব অপরিসীম। ফলে কোন রকম সংশয়-সন্দেহ কিংবা বাক-বিতণ্ডাতে না যেয়েই তারা ডারউইনবাদীদের দাবিকে লুফে নিয়েছেন। কিন্তু দুঃখের বিষয় হচ্ছে বিবর্তনবাদের সাথে জন্মান্তরবাদের যৌক্তিক কোন সম্পর্ক নেই। যেমন ডারউইনবাদীদের দাবি অনুযায়ী বিবর্তনবাদ হচ্ছে বিভিন্ন প্রজাতির মধ্যে শারীরিক বিবর্তন – যার সাথে আত্মার কোন সম্পর্ক নেই – এবং এই বিবর্তন আসলে অগ্রগামী তথা উন্নতিশীল। অন্যদিকে জন্মান্তরবাদ হচ্ছে পাপ-পূণ্যের উপর ভিত্তি করে আত্মার বিবর্তন – উন্নতি কিংবা অবনতি যে কোনটি হতে পারে – অধিকাংশ ক্ষেত্রে অবনতিই হওয়ার কথা – এবং সর্বোপরি জন্মান্তরবাদ হচ্ছে জন্ম-মৃত্যুর একটি চক্র। অতএব, দেখা যাচ্ছে বিবর্তনবাদ ও জন্মান্তরবাদ দুটি সাংঘর্ষিক মতবাদ হওয়া সত্ত্বেও বৌদ্ধ-জৈন ধর্মাবলম্বীরা বিবর্তনবাদকে জন্মান্তরবাদের ব্যাখ্যা হিসেবে বিশ্বাস করেন!
হিন্দু গ্রুপ: হিন্দুরাও জন্মান্তরবাদে বিশ্বাসী। তবে ধর্মীয় বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে তাদের মধ্যে মূলতঃ দুটি গ্রুপ আছে: স্রষ্টার অস্তিত্বে বিশ্বাসী গ্রুপ এবং সর্বেশ্বরবাদ তথা প্যান্থিইজমে বিশ্বাসী গ্রুপ যাদের বিশ্বাস অনুযায়ী পুরো মহাবিশ্বটাই হচ্ছে গড বা ঈশ্বর। দ্বিতীয় গ্রুপ আসলে প্রকৃতিকেই ঈশ্বর হিসেবে উপাসনা করে থাকে। ফলে দ্বিতীয় গ্রুপের পক্ষ থেকে বিবর্তনবাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ না আসাটাই স্বাভাবিক। যৎসামান্য যে প্রতিবাদ আসে সেটা মূলতঃ সৃষ্টিতত্ত্বে বিশ্বাসী গ্রুপ থেকে যাদের সংখ্যা খুবই নগন্য। তাদের মধ্যে কিছু কট্টর সমালোচকও আছেন যারা স্বয়ং চার্লস ডারউইনকেই মূর্খ ও অবিজ্ঞানী বলেন। বিবর্তনবাদ তত্ত্ব আসলে হিন্দুইজমের সৃষ্টিতত্ত্বের সাথে সরাসরি ও পুরোপুরি সাংঘর্ষিক (Like fundamentalist Christians and Jews, they dismiss evolution. Unlike the latter, who believe the world has existed only six to ten thousand years, fundamentalist Hindus believe it has been going for billions and billions of years - far more than geology allows, in fact. And human beings, and indeed all living creatures, have been here all along. Source Michael Cremo is a member of ISKCON who wrote Human Devolution: A Vedic alternative to Darwin's theory, published by ISKCON's Bhaktivedanta Book Publishing, which holds the view that man has existed on the earth in modern form far longer than that offered by the currently accepted fossil evidence and genetic evidence. Cremo suggests that Darwinian evolution should be replaced with "devolution" from the original unity with Brahman. Source)। তবে কিছু কিছু কারণে হিন্দুরা অনেকটাই চেপে যাওয়া নীতি অনুসরণ করে। যেমন: তাদের ধর্ম অনুযায়ী মানুষকে অতিপ্রাকৃতিকভাবে সৃষ্টি করা হয়েছে, যেমন ব্রহ্মার শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ থেকে চার প্রকার মানুষ সৃষ্টি করা হয়েছে যেটিকে বিজ্ঞান বা বিবর্তনবাদ তত্ত্ব দিয়ে কোন ভাবেই ব্যাখ্যা করা সম্ভব নয়; তাদের ধর্ম যেহেতু অসংখ্য ধর্মগ্রন্থ ও সাংঘর্ষিক বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে দাঁড়িয়ে আছে সেহেতু তাদের ধর্মীয় বিশ্বাস তেমন জোরালো নয়; তারা অনেক ক্ষেত্রেই পশ্চিমা বিশ্বের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে; বিবর্তনবাদকে যেহেতু খ্রীষ্টানিটি ও ইসলামের বিরুদ্ধেই দেখানো হয় সেহেতু তারা তেমন একটা প্রতিক্রিয়া দেখায় না। অতএব, সার্বিকভাবে তাদের পক্ষ থেকে তেমন কোন প্রতিরোধ না আসাটাই স্বাভাবিক।
খ্রীষ্টান গ্রুপ: বিবর্তনবাদ তত্ত্বকে প্রাথমিকভাবে বাইবেলের সৃষ্টি তত্ত্বের বিপরীতেই দাঁড় করানো হয়েছিল। কিন্তু ডারউইনের মৃত্যুর অনেক পর সেটিকে ইসলামের বিরুদ্ধেও দাঁড় করানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। বিবর্তনবাদ তত্ত্বের সাথে মূল দ্বন্দ্ব হচ্ছে খ্রীষ্টানদের। কিন্তু বাইবেল ও খ্রীষ্টানদের বিশ্বাসের মধ্যে গুরুতর কিছু অসারতার কারণে তারা যথাসাধ্য চেষ্টা করেও ডারউইনবাদীদের সাথে সেভাবে পেরে উঠছে না। কারণ খ্রীষ্টান স্কলাররা বিবর্তনবাদের অসারতার দিকে ইঙ্গিত করার সাথে সাথে ডারউইনবাদীরাও বাইবেল ও খ্রীষ্টানদের বিশ্বাসের অসারতার দিকে অঙ্গুলি নির্দেশ করে। যেমন: ট্রিনিটি, যীশুর ডিভিনিটি, অরিজিনাল সিন, যীশুর ক্রুসিফিকসন ও রেজারেকশন, ছয় হাজার বছরের পৃথিবী, ভূ-কেন্দ্রিক মহাবিশ্ব, ও নূহার ইউনিভার্সাল প্লাবন সহ আরো অনেক। ফলে খ্রীষ্টান স্কলারদেরকে অনেকটাই চাপের মধ্যে থাকতে হয়। যদিও এখন পর্যন্তও তাদের পক্ষ থেকে যথেষ্ট প্রতিরোধ আছে তথাপি তাদের বিশ্বাসের অসারতার কারণে সেটি খুব বেশীদিন টিকে থাকতে পারবে বলে মনে হয় না। এমনকি তাদের মধ্যে কেউ কেউ বিবর্তনবাদ তত্ত্বের বিপরীতে আইডি (Intelligent Design) প্রস্তাব করেও তেমন একটা সুবিধা করতে পারছেন না।
মুসলিম গ্রুপ: মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণকারীদের মধ্যে যারা বিবর্তনবাদের দিকে ঝুঁকছে তাদেরকে মূলতঃ দুটি গ্রুপে ভাগ করা যায়-
স্বঘোষিত নাস্তিক গ্রুপ: ব্যতিক্রম দু-এক জন ছাড়া এদের প্রায় সবার মন-মগজ কোন-না-কোন মহল দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। এদের নিজস্বতা ও ব্যক্তিত্ববোধ বলে কিছু থাকে না। ইসলাম ও মুসলিমদের বিরুদ্ধে যায় অথবা নিদেনপক্ষে যেতে পারে বলে মনে হয় – এই ধরণের যে কোন ময়লা-আবর্জনাকে এরা খুব সহজেই বিশ্বাস করে। ফলে এরা যে অন্ধভাবে বিবর্তনবাদ তত্ত্বে বিশ্বাস করবে তাতে সামান্যতমও কোন সংশয়-সন্দেহ থাকতে পারে না। সারা পৃথিবী জুড়ে দু-এক জন এক্স-মুসলিম দাবিদারকেও হয়ত খুঁজে পাওয়া যাবে না, যে কিনা বিবর্তনবাদ তত্ত্বের সত্যতা নিয়ে সংশয়-সন্দেহ করে।
পশ্চিমা বিশ্বে প্রবাসী গ্রুপ: এদের মধ্যে কেউ কেউ পশ্চিমা বিশ্বে যেয়ে ‘নতুন জীবন’ পাওয়ার পর ইসলামের প্রতি অনীহা প্রকাশ করা শুরু করে এবং সেই সাথে পশ্চিমা বিশ্বের আপাতদৃষ্টিতে ‘জৌলুস’ দেখে কিছুটা হীনমন্যতায়ও ভোগে। অন্যদিকে আবার ইসলাম সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান না থাকায় এদেরকে কুপোক্যাত করতে তেমন একটা বেগ পেতে হয় না। ‘বিজ্ঞান ও আধুনিকতা’র নামে চালিয়ে দিলেই হলো! ব্যাস! এদের মধ্যে বেশীরভাগই আবার কোরান-অনলি ও আহমেদিয়া গ্রুপের সদস্য। অপরদিকে মুসলিমরা সার্বিকভাবে অর্থনৈতিক ও জ্ঞান-বিজ্ঞানে পিছিয়ে থাকার কারণে তাদের পক্ষ থেকেও উল্লেখ করার মতো জোরালো কোন প্রতিরোধ নেই।
পাঠক! এতক্ষণে নিশ্চয় বুঝতে পারছেন সঙ্গত কারণেই নাস্তিক গ্রুপ, মার্ক্সবাদী-কম্যুনিস্ট গ্রুপ, বৌদ্ধ-জৈন গ্রুপ, ও চাইনিজ-জাপানিজ-কোরিয়ান গ্রুপ থেকে বিবর্তনবাদ তত্ত্বের বিরুদ্ধে কোন রকম প্রতিবাদ-প্রতিরোধ আসবে না। না আসাটাই স্বাভাবিক। সঙ্গত কারণে উচ্চ শিক্ষিত ও যুক্তিবাদী ইহুদী-খ্রীষ্টান গ্রুপ থেকে যৎসামান্যই প্রতিবাদ-প্রতিরোধ আসতে পারে। হিন্দু গ্রুপ থেকেও তেমন একটা প্রতিবাদ-প্রতিরোধ আশা করা যায় না। অথচ “পশ্চিমা বিশ্বের বিজ্ঞানী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক” বলতে মূলতঃ তারাই! ডারউইনবাদীদের প্রচারিত অপবিজ্ঞান আর কল্পকাহিনীকে তারা কেন বিশ্বাস করেন – তার যৌক্তিক একটি কারণ এতক্ষণে নিশ্চয় পরিষ্কার। আরো কিছু যৌক্তিক কারণও আছে। যেমন:
- মুসলিম অধ্যুষিত কোন দেশে প্রকাশ্যে কেউ নিজেকে 'ইসলাম-বিরোধী' ঘোষণা দিলে যেমন অবস্থা হতে পারে, পশ্চিমা বিশ্বের বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয় ও বৈজ্ঞানিক গবেষণা-ভিত্তিক প্রতিষ্ঠানগুলোতেও এরকম একটি পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছে যেখানে কেউ নিজেকে 'বিবর্তনবাদ-বিরোধী' ঘোষণা দেয়ার সাথে সাথে তার গায়ে সৃষ্টিতত্ত্ববাদী, মৌলবাদী, পাদ্রী, পুরোহিত, মোল্লা, অপবিজ্ঞানী ইত্যাদি তকমা লাগিয়ে বিভিন্নভাবে উপহাস-বিদ্রুপ ও হেয় করা হয়। এমনকি বাংলা কিছু ব্লগেও একই ধরণের উগ্র প্রভাব পরিলক্ষিত হয়।
- বিবর্তনবাদকে বিজ্ঞানের নামে ধর্মের বিরুদ্ধে ‘আধুনিকতা ও প্রগতিশীলতা’ হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে।
- রিচার্ড ডকিন্স, ড্যান ডেনেট, স্যাম হ্যারিস, ও ক্রিস্টোফার হিচেন্সের মতো পশ্চিমা বিশ্বের বড় বড় নাস্তিক ও তাদের ভক্তরা অনেকদিন ধরেই ধর্মকে সাধারণভাবে এবং জুদায়ো-খ্রীষ্টান-ইসলামকে বিশেষভাবে সকল প্রকার ইভিল এর জন্য দায়ি করে আসছেন। ফলে তাদের অপপ্রচারে বিভ্রান্ত হয়ে ধর্মের প্রতি অনীহা প্রকাশ করেও কেউ কেউ বিবর্তনবাদের দিকে ঝুঁকছেন।
অন্যান্য পর্ব: [পর্ব-২|পর্ব-৩|পর্ব-৪|পর্ব-৫|পর্ব-৬|পর্ব-৭|পর্ব-৮|পর্ব-৯]
"প্রকৃতির বৈচিত্র্য: ডারউইনবাদীদের নাইটমেয়ার" - দশ পর্বের সীরিজ পড়ুন
নোট: বিবর্তনবাদ তত্ত্বের সাথে কোন একটি ধর্মকে যদি সামান্য পুনর্ব্যাখ্যার মাধ্যমে সমন্বয় করানো সম্ভব হয় তাহলে সেটি হবে ইসলাম। অন্যান্য ধর্মের সাথে বিবর্তনবাদ তত্ত্ব সরাসরি ও পুরোপুরি সাংঘর্ষিক বিধায় কোন ভাবেই সমন্বয় করানো সম্ভব নয়। কিন্তু তাই বলে ইসলামে বিশ্বাসীরা ডারউইনবাদীদের কল্পকাহিনীকে বিজ্ঞানের নামে বিশ্বাস করবে কিনা। উত্তর হচ্ছে, মোটেও না। তার যৌক্তিক ব্যাখ্যা পরবর্তী পর্বগুলোতে দেওয়া হয়েছে।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): বিবর্তন, বিবর্তনবাদ ;
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সকাল ১১:০৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: চেষ্টা করা হবে।
লেখক বলেছেন: তাড়াতাড়ি? হাহ-হা। দেখা যাক।
বাগসবানি বলেছেন:
বিবর্তনবাদ তত্ত্ব অনুযায়ী আমরা বাঙালীরা কি আবার পক্ষী হয়ে যাব ?
লেখক বলেছেন: হাহ-হা! ডারউনবাদীদের অন্ধ-বিশ্বাস অনুযায়ী হতেও পারি!
রিয়াজুল ইস্লাম বলেছেন:
বিজ্ঞানের জগতে বিবর্তনবাদ তত্ত্ব প্রতিষ্ঠিত কোন কিছু না, এটা শুধুমাত্র একটি মতবাদ মাত্র। এইটার উপর বেইজ করে যারা লম্ফ-ঝম্ফ করে, তারা আসলেই বোকার স্বর্গে আছে।লেখা বেশ ভালো লাগলো। প্লাস আগেই দিয়ে গেছি।
লেখক বলেছেন: ব্যাপারটা আপনি-আমি বুঝতে পারলেও নাস্তিক ডারউইনবাদীদের কিছু অজ্ঞ অনুসারী এই ভ্রান্ত মতবাদ নিয়েই বিজ্ঞানের নামে লম্ফ-ঝম্ফ মারছে। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আচ্ছা ঠিক আছে।
বিলাশ বিডি বলেছেন:
বিবর্তনবাদ এর বিরুদ্ধে কখনো নেচার, নিউ সায়েন্টিস্ট বা এ জাতীয় কোনো জার্নালে কোনো লেখা ছাপানো হয়েছে আমি দেখিনি। আমাকে একজন স্বনামধন্য বিজ্ঞানী দেখান যিনি বিবর্তনবাদ এর বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ দেখিয়েছেন। আজ পর্যন্ত বিবর্তনবাদ এর বিরুদ্ধে কোনো শক্ত প্রমাণ দেখানো যায়নি।ধর্মকে ধর্মের জায়গায় রেখে বিজ্ঞানকে বিজ্ঞানের জায়গায় রাখুন। সবকিছু ভাবাবেগমুক্ত হয়ে যৌক্তিকভাবে দেখতে পারবেন।
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনি তো মনে হচ্ছে লেখাটা পড়েননি। অথবা পড়লেও বোঝার চেষ্টা করেননি।
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
পুরানো দিনের কথা মনে পইড়া গেল। এইসব পোস্টে ঝাপায়া পড়তাম। আজাইরা টাইমের অভাবে এখন আর সেই আনন্দ পাওয়া হয় না।
কঠিন চিজ বলেছেন:
For a very long time, the evolutionist choir has been propagating the unsubstantiated thesis that there is very little genetic difference between humans and chimps. In every piece of evolutionist literature, you could read sentences like "we are 99 percent equal to chimps" or "there is only 1 percent of DNA that makes us human". Although no conclusive comparison between human and chimp genomes has been done, the Darwinist ideology led them to assume that there is very little difference between the two species।A recent study shows that the evolutionist propaganda
on this issue-like many others-is completely false.
Humans and chimps are not "99% similar" as the evolutionist fairy tale went on. Genetic similarity turns out
to be less than 95 %.
লেখক বলেছেন: "Humans and chimps are not "99% similar" as the evolutionist fairy tale went on. Genetic similarity turns out to be less than 95%."
If possible please cite the reference.
কঠিন চিজ বলেছেন:
আইচ্ছা আমার একটা কুশ্চেন লেখক বলেছেন: হাহ-হা! আমরা নতুন প্রজাতির বান্দর হইয়া যামু মনে হয়। ![]()
শুভ রহমান বলেছেন:
মার থাবা। মার থাবা। ভাই, আমি যে বিষয়ে পড়ালেখা করি তাতে বিবর্তন ছাড়া আগানো সম্ভব না। সুতরাং মাইনাস।লেখক বলেছেন: আপনি কোন্ বিষয়ে পড়ালেখা করেন যেখানে বিবর্তন ছাড়া আগানো সম্ভব না? তাছাড়া বিবর্তন আর বিবর্তনবাদ তত্ত্ব কিন্তু এক জিনিস নয়। আর মাইনাস কোন ব্যাপার না। তবে কোন যুক্তি দিতে পারেন নাই কিন্তু!
মদনঠাকুর বলেছেন:
পোস্ট দুইবার পড়ছি হেব্বী একটা টেরাই দিছেন,
বিস্তারিত তাড়াতাড়ি ছাড়েন ,
তারপর আলুচনা হইপো
সবাক বলেছেন:
No great scientist including Galileo, Newton, Einstein, or even Darwin ever spoke even a single word against Islam.
তাইলে বিবর্তনবাদের বিরুদ্ধে কথা কন ক্যান? আর আপনারে উপ্রের কথা কে কইছে? অথবা আপনার কথা হৈলে সেটার ভিত্তি কি?
লেখক বলেছেন: "তাইলে বিবর্তনবাদের বিরুদ্ধে কথা কন ক্যান?"
Darwin never said anything against Islam doesn't mean that I can't doubt about his theory.
"আর আপনারে উপ্রের কথা কে কইছে? অথবা আপনার কথা হৈলে সেটার ভিত্তি কি?"
It can be falsified with evidence.
সততা বলেছেন:
সত্যই জানতে চান? খোলা মন না থাকলে বেশী পড়ার বা ভিডিও দেখার আগ্রহ থাকবে না। তবুও দিলাম আপনার জানার আগ্রহ থাকলে এই ভিডিওগুলো দেখুন।আরো পড়ুন
Click This Link
http://www.cadetcollegeblog.com/raihanabir
http://www.cadetcollegeblog.com/arnob/15174
লেখক বলেছেন: ভিডিওটা আপনি নিজেই দেখেছেন কি-না সন্দেহ। আর দেখলেও বুঝেছেন কি-না সেটাও একটা কথা। আমি এই ভিডিও আগেই দেখেছি। সেখানে আসলে কী প্রমাণ করা হয়েছে বলতে পারেন কি?
মনির হাসান বলেছেন:
হেহ হেহ ... আলোচনা করবেন ... অপেক্ষায় থাকলাম ।আরঃ No great scientist including Galileo, Newton, Einstein, or even Darwin ever spoke even a single word against Islam.
তাইলে আমরা কি পাইলাম ? ? ?
I fairly doubt they even heard the name of Islam.
লেখক বলেছেন: If they never heard the name of Islam, which is followed by more than a billion people all over the world, then they must be much more ignorant than Mr. Monir Hasan. ![]()
কঠিন চিজ বলেছেন:
খেক খেক the genetic analyses published in New
Scientist have revealed a 75% similarity between the
DNA of nematode worms and man. This definitely
does not mean that there is only a 25% difference between
man and these worms!
খেক খেক আমরা মানুষ দেখতে ৭৫% গোবরে পোকার মতো।
in another finding which also appeared
in the media, it was stated that the comparisons carried out between
the genes of fruit flies belonging to the Drosophila
genus and human genes yielded a similarity of 60%.
খেক খেক আমরা মানুষরা ৬০% মাছির মতো।
তাইলে বেপারটা কি দারাইলো, মানুষ ৯৫% সিম্পাঞ্জির মতো, ৭৫% গোবরে পোকার মত, ৬০% মাছির মতো। আর কিছু লাগব না। যেই প্রানির ডিএনএ র সাথে যত মিলব আমরা সি প্রানির মতো। খেক খেক
লেখক বলেছেন: হাহ-হা! বেশ মজার কথা কইছেন। ডারুইনবাদীরা এগুলোকেই প্রতিষ্ঠিত বিজ্ঞানের নামে বিশ্বাস করে নিজেদেরকে সিম্পাঞ্জি, গোবরে পোকা, ইঁদুর, ও মাছির নিকট আত্মীয় হিসেবে বিশ্বাস করে! এদের সাথে বিজ্ঞান ও দর্শনের মতো উচ্চমার্গীয় বিষয় নিয়ে বিতর্ক বা আলোচনা করা কি সম্ভব!
কঠিন চিজ বলেছেন:
@সততা >> ভিডিও টায় আরো অনেক কিছু আছে। একটা মানুষের বাচ্চা আর একটা সিপমাঞ্জির বাচ্চা রে নিয়া এক্সপেরিমেন্ট হইছিল। দেখা গেল মানুষের বাচ্চাটরে যা শেখানো হয় তাই করতে পারে এবং বুদ্ধিমত্তা অনেক উন্নত। কিন্তু সিপ্পাঞ্জিটার বুদ্ধি একটা পয়েন্টে আইসা থাইমা যায়। অথচ দুইজনকেই শেখানো হয়। ৯৫% ডিএনএ মিল থাইকাও কেন শিপ্পাঞ্জি শিখতে পারে নাই??তাও আমরা জোর কইরা শিপ্পাঞ্জি হইতে চাই। খেক খেক খেক
কঠিন চিজ বলেছেন:
"A little knowledge of science makes man an atheist, but an in-depth study of science makes him a believer in God." - Francis Bacon।আগে আমি ভাবতাম নাস্তিকরা অনেক জ্ঞানী হয়, বিদ্যান হয়। কারন একজন নাস্তিক হইতে হলে অনেক জ্ঞান থাকা দরকার। সব ধর্ম, ধর্মগ্রন্থ, বিজ্ঞান এগুলার উপর লেখা পরা করতে হয়। তারপর বাবা জান আপ্নে ঠিক করেন আস্তিক হইবেন নাকি নাস্তিক হইবেন।
কিন্তু এই সামুতে আইসা দেখি এইখানকার নাস্তিকরা সব বেক্কল, মফিজ। তাদের কথায় কোন যুক্তি নাই, কোন সত্যতা নাই, প্রমান নাই। হওয়ায় ভাসা কথা কয়। এখন দেখি Francis Bacon ভাইয়ের কথাই ঠিক.....
সততা বলেছেন:
তো আপনি বলতে চাচ্ছেন এথিস্ট/এগনোস্টিক রা "অন্ধবিশ্বাসী" আর ধার্মিকরা "যুক্তিবাদী"? এরকম সরলিকরন করতে চাইলে কোন ধরনের তর্ক করে লাভ নাই। আপনার জানার আগ্রহ থাকলে আপনি জানতে/ শিখতে পারবেন। এ বিষয়ে সৌমিত্র এর একটি মন্তব্য কোট করছি
"ব্যক্তিগতভাবে আমার কাছে ধর্মের গুরুত্ব কেবল ঐতিহাসিক এবং সাংস্কৃতিক। তারপরেও আমি এজন্যেই কথাটা বললাম যে, মানুষের মনের একটা অংশ যুক্তি মেনে চলে না। সেখানেই ধর্মের বাস। সেই অংশ যখন হুমকির সম্মুখীন হয় তখন সে যুক্তিবাদী অংশের দরজাটিও বন্ধ করে দেয়। এই সমস্যা থেকে উত্তরণের জন্য আগে যুক্তি গ্রহণের দ্বার উন্মুক্ত করতে হবে। নতুবা বিবর্তন সংক্রান্ত আলোচনা সাধারণ মানুষ মেনে নেওয়া তো দূরে থাক, সহ্যই করবে না। এধরণের আলোচনার উদ্দ্যেশ্যও সফল হবে না। অনেক বামপন্থী, মার্কসের একটা কথা কোট করেন – ধর্ম হলো গরীব মানুষের আফিম। কিন্তু যেটা কোট করতে তাঁরা প্রায়শ ভুলে যান সেটা হলো – Religion is common man’s philosophy. ধর্মই সাধারণ মানুষের কাছে অস্ত্বিত্বের শামিল। তাই আলোচনা এমন হওয়া উচিত যাতে সে তার অস্ত্বিত্বকে বিপন্ন মনে না করে সেটা গ্রহণ করতে পারে। তবেই সে যৌক্তিক চিন্তা করে একসময় কুসংস্কারের বেড়াজাল ভেঙে বেরিয়ে আসতে পারবে। ব্যাপারটা বেশ ধীরগতির প্রক্রিয়া, সন্দেহ নেই। তবে এছাড়া অন্য উপায়ও নেই। দ্বান্দিক বস্তুবাদ (Dialectical Materialism) -এ এই পদ্ধতির নাম – The negation of negation. এটা সমাজ পরিবর্তনের তিনটি মার্কসীয় মূলনীতির একটি।"
সূত্র: Click This Link
লেখক বলেছেন: "তো আপনি বলতে চাচ্ছেন এথিস্ট/এগনোস্টিক রা "অন্ধবিশ্বাসী" আর ধার্মিকরা "যুক্তিবাদী"?"
- বিবর্তনবাদ তত্ত্বের ক্ষেত্রে ঠিক তাই।
অ্যামাটার বলেছেন:
কমিক পোস্ট।
ধীবর বলেছেন:
লেখকের প্রত্যুত্তরে তো যুক্তি খন্ডন করতে কেউকে দেখলাম না। এর মানে হলো তাল গাছটা আমার। ++
পৃথিবীর আমি বলেছেন:
শুভ রহমান বলেছেন: মার থাবা। মার থাবা। ভাই, আমি যে বিষয়ে পড়ালেখা করি তাতে বিবর্তন ছাড়া আগানো সম্ভব না। সুতরাং মাইনাস।
লেখক বলেছেন: আপনাকে বিজ্ঞানের নামে ভ্রান্ত ধারণা দেয়া হয়েছে। 'বিবর্তন' আর 'বিবর্তনবাদ তত্ত্ব' এক নয়। 'বিবর্তন' মানে হচ্ছে পরিবর্তন বা ক্রমবিকাশ - যা প্রতি মুহুর্তে ঘটছে। অন্যদিকে বিবর্তনবাদ তত্ত্ব হচ্ছে একটি কুসংস্কার ও ফেয়ারি-টেল। সিরিজটি ভাল করে পড়লেই বুঝতে পারবেন।
ডাইনোসর বলেছেন:
ডারউইনবাদ ও বিশ্বাস ব্যাপারটা কি বুঝতে পারেন।
ডারউইনবাদ হল বিজ্ঞান যা বহুত প্রমানের ফলে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে।
আর বিশ্বাস হল যুক্তি হিনতা।
ডারউইনবাদে বিশ্বাসি বলে কিছুনাই।
বিজ্ঞান এটাকে সমর্থন করে, প্রনির উতস সম্পর্কে এরচেয়ে ভাল
ব্যাখ্যা কোথাও নাই। থাকলে বলেন । কথা হবে।
তা হলো স্রষ্টাকে অস্বীকার করা সহজ ।
লেখক বলেছেন: খাঁটি কথা বলেছেন, যদিও বিবর্তনবাদ তত্ত্বের সাথে স্রষ্টার না থাকার কোন সম্পর্ক নেই।
েতজস্বিনী বলেছেন:
বিবর্তনবাদ বিষয় আগ্রহী,সময় নিয়ে পড়ব। ধন্যবাদ,প্রিয়তে।
লেখক বলেছেন: মনোযোগ দিয়ে প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পড়বেন। ধন্যবাদ।
সাইমুম বলেছেন:
ডারুয়িনের বিবর্তনবাদকে হালের বিজ্ঞান ওভাবে স্বীকার করে না, যেভাবে মোদের দেশের গুটি কয়েক বিবর্তনবাদী স্বীকার বা উপস্থাপন করতে চাইছেন। যেমন করে লেনিন অহন ক্রেনে চড়লেও কেউ কেউ দুনিয়ার তাবৎ কিছুকে মাক্সইজম দিয়ে ব্যাখ্যা করতে চান।
এটা খুব একট দোষের নয়, মনোগত বিশ্বাস ও অভ্যাসের ব্যাপার। মনোগত বিশ্বাসকে পারমাণবিক বোমা মেরেও তাড়ানো যায় না।
ত্রিশোনকু বলেছেন:
দেখুন নাস্তিক্রা যা বলবে সৃষ্টিকর্তা তার উল্টোটাই বলবেন।নাস্তিক্রা বলছে বানর বিবর্তিত হয়ে মানুষ হয়েছে আর সৃষ্টি কর্তা তাঁর একটি ধর্মগ্রন্থে বলছেন শাস্তি স্বরূপ তিনি কিছু মানুষকে বানর বানিয়ে দিয়েছিলেন (যে বানরগুলো কদ্দিন পরই মারা যায়)।
সৃষ্টিকর্তা আর নাস্তিকেরা পরষ্পর সাংঘর্ষিক।
আপনি যেহেতু আস্তিক তা'লে অহেতুক এ সংঘর্ষে জড়াচ্ছেন কেন নিজেকে?
কলম.বিডি বলেছেন:
বাগসবানি বলেছেন: বিবর্তনবাদ তত্ত্ব অনুযায়ী আমরা বাঙালীরা কি আবার পক্ষী হয়ে যাব ?হা হা হা
ডিজিটাল ব্লগীয়ষণা বলেছেন:
আমি একটা প্রশ্ন বহুত দিন থেইক্যা কইরাও নাস্তিকদের কোনো উত্তর পাইতেছি না বিবর্তন অনুসারে শূয়োর ও তেনাদের আত্মীয়ের সম্পর্কটা কি হইবে??
তেনারা কি একই আদি মাতা থেকে আগত ছিলেন? মানে সহোদর??
নাকি দূরবর্তী আত্মীয়??
লেখক বলেছেন: ওরা গালিগালাজ আর ব্যক্তি আক্রমণ ছাড়া যৌক্তিক প্রশ্নের উত্তর দিতে অপারগ!
+++
লেখক বলেছেন: ডারউইনের বিবর্তনবাদ তত্ত্ব হচ্ছে মানব জাতির ইতিহাসে নিকৃষ্টতম কুসংস্কার ও কল্প-কাহিনী। ওরা বিজ্ঞানের নামে অজ্ঞ লোকজনকে বিভ্রান্ত করছে। ধন্যবাদ।
সাগ৪২০ বলেছেন:
অথচ মজার বিষয় হচ্ছে বিবর্তনবাদ তত্ত্বকে পৃথিবীর ঘূর্ণন এর মতো বৈজ্ঞানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত সত্য বলে দাবি করার পরও এবং বৈজ্ঞানিক মহলে ইতোমধ্যে স্বীকৃতও হয়েছে বলার পরও দেখা যায় যে ডারউনবাদীরা প্রচুর পরিশ্রম করে মাটির নীচে থেকে প্রাপ্ত হাড়-হাড্ডি’র অংশবিশেষ দিয়ে নিজেদের মতো করে ড্রয়িং করে কিছু একটা প্রমাণ করার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন! বিভিন্ন মিডিয়া জুড়ে রীতিমতো ক্যাম্পেন করা হচ্ছে! পাশাপাশি আবার জুদায়ো-ক্রিস্টিয়ান-ইসলাম এর সৃষ্টিতত্ত্বের বিরুদ্ধে নিয়মিত অপপ্রচারও চালানো হচ্ছে। ঘটনা তাহলে কী! অন্য কোন বৈজ্ঞানিক তত্ত্বের ক্ষেত্রে এরকম কিছু তো কখনো শোনা যায়নি! বড় কোন ঘাপলা আছে নিশ্চয়!-------------------------------------------------------
ইসলাম এর ক্ষেত্রে এটা খাটে............
আপনাদের মত কেহ লাফাইয় না......
চয়নিকা বলেছেন:
ঁসাইমুম..........................লেনিন'রে ক্রেনে চড়াইয়া মনে অয় মজা লইতেছেন...কনতো দুনিয়ায় কয়টা দেশে বামপন্থীরা ক্ষমতায়? আপনার অবস্থা হইছে 'যেদিন হইব সেদিন আমিই ফাস্ট মুরিদ হমু' টাইপ................হা হা হা .......ডিজিটাল ব্লগীয়ষণা বলেছেন: আমি একটা প্রশ্ন বহুত দিন থেইক্যা কইরাও নাস্তিকদের কোনো উত্তর পাইতেছি না বিবর্তন অনুসারে শূয়োর ও তেনাদের আত্মীয়ের সম্পর্কটা কি হইবে?? তেনারা কি একই আদি মাতা থেকে আগত ছিলেন? মানে সহোদর?? নাকি দূরবর্তী আত্মীয়??
এইটার উত্তরে লেখক কি বলেছেন?....বিবর্তনবাদে অবিশ্বাসীদের গালি দিলে নিশ্চয়ই আপনি বাকবাকুম করেন?
এইবার বলেন তো মুসলমানদের/খ্রিষ্টান/ইহুদীদের সং্গে বান্দরের কেন মিল আছে? আপনার তত্ত্ব অনুযায়ী তো নাস্তিকরা গালাগালি করে, তাহলে ডিজি টাল ভাই নিশ্চয়ই হাদিস বয়ান করছেন....
অনেকেই উত্তর খুজছেন....কিন্তু আমি তো এ পোস্টে বিবর্তনবাদ নিয়ে কোনো আলোচনাই দেখলাম না...দেখলাম কারা কারা কেন বিবর্তনবাদে বিশ্বাস করে তার বর্ণনা
আপনাকে জানানোর জন্য বলছি বিবর্তণবাদে বিশ্বাসী মুসলিমদের সংখ্যাও একদম কম না.....আপনার তত্ত্ব অনুযায়ী তারা শিয়া বা আহমদিয়া হবে....এরপর আপনি আবার ভাগ করবেন আমেরিকার পদলেহী মুসলিম কিংবা ভারতের পদলেহী মুসলিম....তারপর কেউ হবে চরমোনাইয়ের অনুসারী কেউ আবার দেওয়ানবাগী...এভাবে মুসলিমরা খণ্ডে খণ্ডে শুন্যে নিক্ষিপ্ত হবে...আর জাকির নায়েকরা টিভি মিডিয়ায় নাটক করে সম্মানী নেবে.............বাটপারী চলছে, চলবে
লেখক বলেছেন: ব্যক্তি আক্রমণাত্মক বা অপ্রাসঙ্গিক মন্তব্য না করে লেখা পড়ুন। লেখার শেষে আরো আট পর্বের লিঙ্ক দেয়া আছে। এক জাকির নায়েকের পাঁচ মিনিটের লেকচার আপনাদের রাতের ঘুম হারাম করে দিয়েছে মনে হচ্ছে!
বিবেক বিবাগী বলেছেন:
বিবর্তনবাদের ব্যাপারটা আমাদের পাঠ্য বইয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ। প্রাত্যাহিক জীবনে আমরা অনেকগুলো প্রাণীর বৈশিষ্ট্য কে বদলে যেতে দেখি, ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস এসবের ডিএনএ চেঞ্জ হয়ে এন্টোবায়োটিক রেসিস্টেন্ট হওয়ার ব্যাপারটা অনেক কমন। ছত্রাক-এর অরিজিন পাওয়া না গেলেও ফসিল দিয়ে মোটামুটি বোঝা যায় যে ব্যাকটেরিয়ার বেশ পরে এদের অস্তিত্ব ছিল। আসলে আমাদের সমস্যা কি, আমরা নিজেদের নিয়ে খুব গর্বিত। যদি সত্যি একজন সৃষ্টিকর্তা থেকেই থাকেন, তবে আমাদের এই ছোট্ট পৃথিবী নিয়েই পড়ে থাকার কোন মানে নেই। অসীম সংখ্যক মহাবিশ্ব হয়তো উনি চালাচ্ছেন, আর আমাদের মহাবিশ্ব চলার জন্য কিছু প্রাকৃতিক নিয়ম ফিক্স করে দিসেন। হাতে ধরে যেমন গ্রহ নক্ষত্র গুলো ঘুরাচ্ছেন না, তেমনি সব প্রাণী আস্তে আস্তে ইভল্ব হওয়ার ব্যাপারটাও একটা নিয়মেরই অংশ। মানুষকে তিনি স্পেশালি সৃষ্টি করেছেন ঐ নিয়মগুলো মেনেই, আর স্পেশালিটির জন্য বলা হয় মানুষ বিবর্তনের শেষ পর্যায়। এছাড়া আমরা বিবর্তিত হব না, কারণ আমরা এতটাই শক্তিশালী যে যেকোন প্রাকৃতিক দুর্যোগে মোটামুটি নিজেদের রক্ষা করতে পারি, অন্যদের বাঁচানোর চেষ্টা করি। এখন আর সারভাইবাল ফর দা ফিটেস্ট নাই। মানুষ একটা বিশেষ সৃষ্টি, যারা কিছু ত্রুটি নিয়ে কথা বলে, তাদের স্যার জাফর ইকবাল-এর "অক্টোপাসের চোখ" গল্পটা পড়া উচিত।কথা হল মহাকর্ষের একটা প্রাকৃতিক নিয়মে যেমন গ্রহগুলো ঘুরছে, তেমনি একটা প্রাকৃতিক নিয়মে হয়তো বিভিন্ন জীবের ক্রম উদ্ভবের বিভিন্ন দৃষ্টান্ত পেয়ে আমরা সেই প্রাকৃতিক নিয়ম-এর স্বরূপকে খুব ভালোমত চেনার চেষ্টা করে যাচ্ছি এখনো। ডারউইন তো স্রেফ বাহ্যিক ব্যাপারের বিবর্তনের বিভিন্ন দৃষ্টান্ত দিসেন, কিন্ত আমরা জানি, আশ্চর্যজনক ভাবে সঠিক মিউটিশন একটা নতুন প্রাণী বা উদ্ভিদের হয়তো উদ্ভব ঘটাইছে। বাহ্যিক বৈশিষ্ট্যতে কোন একটা জিনিস প্রাধান্য পেলে কিন্ত প্রজাতি পরিবর্তন হয় না, জিনগত গবেষনায় ডারউইনের ভাবনা অসাড় হয়ে যায়। যাহোক, মুসলিম বিজ্ঞানীরা তো ইমাম গাযালী (রহঃ) এর পর থেকে বৈজ্ঞানিক গবেষণা থেকে আস্তে আস্তে দূরে সরে গেছে, আর খ্রিস্টান ধর্ম টার বেস উইক, যে বিজ্ঞানের সাথে ঠিক পেরে উঠে না। আর বিবর্তনবাদের চেয়ে ভালো কোন প্রাকৃতিক নিয়ম ব্যাখ্যাকারী তত্ত্ব আপাতত পাওয়া যাচ্ছে না। সব মিলিয়ে তাই এটা এত প্রসিদ্ধি পেয়েছে। ল্যামার্ক-এর মত এখনো কিছু কিছু ক্ষেত্রে কাজ করে, যদিও সার্বিকভাবে এটা ভুল বলা হয়।
যাহোক, বিজ্ঞান এক জিনিস, আর ধর্ম তো বলেই স্রষ্টার নিদর্শন নিয়ে যেন জ্ঞানীরা চিন্তা ভাবনা করে, গবেষণা করে। একটা একটা করে সব জীব আসমান থেকে পাঠাইছেন, এর চেয়ে এত সুন্দর একটা স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রাকৃতিক নিয়মে আল্লাহ্ পৃথিবী জীব দিয়ে পরিপূর্ণ করেছেন, কোন কথাটা আল্লাহ্র মহত্ত্ব বেশি প্রমাণ করে।
আপনার পোস্ট টা সুন্দর। তবে বিবর্তনবাদের পুরা এন্টি হওয়ার দরকার নেই। একটু মুক্ত মন নিয়ে বিজ্ঞানকে ভালোবাসতে শিখুন। আমি নিজেকে মু'মিন ভাবতে পছন্দ করি, আর আমি খুব অসুখী হইনি।
বন্ধনহীন বলেছেন:
রায়হান ভাইয়া, নিয়ানডার্থালরা কারা? ওরা কি মানুষ না, নাকি উন্নত কোন বানর শ্রেনীর প্রানী?Click This Link
অজানার পথে বলেছেন:
আজকের প্রথম আলো তে নিয়ানডার্থাল নিয়ে একটা লেখা আছে।রান্না করা খাবার আর সবজিও খেত নিয়ানডার্থালরা
প্রথম আলো ডেস্ক | তারিখ: ২৯-১২-২০১০
প্রাচীন মানুষ নিয়ানডার্থালদের সম্পর্কে সম্পূর্ণ নতুন তথ্য মিলেছে এক গবেষণায়। অসভ্য, জানোয়ারসুলভ মাংসাশী প্রাণীর গোত্রেই প্রায় ফেলা হতো আধুনিক মানব প্রজাতির এ উপ-প্রজাতিকে। গত সোমবার প্রকাশিত এক গবেষণার ফল থেকে জানা গেছে, নিয়ানডার্থালরা রান্না করা খাবার ও শাকসবজি খেত। মার্কিন গবেষকেরা জানিয়েছেন, এ প্রজাতির মানুষের ফসিলে পরিণত কঙ্কাল পরীক্ষা করে তাদের দাঁতে রান্না করা শস্যকণার সন্ধান পাওয়া গেছে। ‘হোমো’ গণভুক্ত এই প্রজাতি ইউরোপ এবং পশ্চিম ও মধ্য এশিয়ার কয়েকটি অংশে সাড়ে তিন থেকে ছয় লাখ বছর আগে বাস করত। এর আগে নিয়ানডার্থালদের হাড়ের রাসায়নিক পরীক্ষা থেকে বিজ্ঞানীরা সিদ্ধান্তে উপনীত হন, তারা শাকসবজি খেতই না বা অতি সামান্য খেত। তবে মার্কিন সাময়িকী প্রসিডিংস অব দ্য ন্যাশনাল একাডেমি অব সায়েন্সেস-এ প্রকাশিত ওই গবেষণা রাসায়নিক পরীক্ষার ফলের বিপরীত চিত্র তুলে এনেছে। এর সম্ভাব্য কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে জর্জ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক অ্যালিসন ব্রুকস বলেন, আগের পরীক্ষায় হাড়ে প্রোটিনের মাত্রা পরীক্ষা করা হয়েছে। ধরে নেওয়া হতো বেশি প্রোটিন মানেই তার উৎস মাংস। কিন্তু এর কিছুটা যে সবজি থেকেও আসতে পারে, তা ভাবা হয়নি। এর আগেও নিয়ানডার্থালদের আবাসস্থলের কাছে শস্য বা ঘাসপাতার চিহ্ন পাওয়া গেছে। কিন্তু তারা তা খেত, নাকি বিছানা বা অন্য কোনো কাজে ব্যবহার করত, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিবিসি।
বিজ্ঞানীরা আজ এক কথা বলেন তো কাল আরেক কথা।
অজানার পথে বলেছেন:
বন্ধনহীন ভাই, আপনার লিন্ক কেন জানি ওপেন হচ্ছিল না (আমার ব্রাউজার এর সমস্যা)। পরে দেখলাম একই জিনিস।
ভাইস্তা বলেছেন:
ধন্যবাদ রায়হান চাচ্চু। সেই সাথে ++++
বীরেনদ্র বলেছেন:
What is right and what is wrong who knows? However it is true that we should believe in logic and evidences. More we read more we gain knowledge and more uncertain we become. There are points both in favour and against everything. Atheist and believer claim their own supremacy.My arguement is even fragmentary evidnces is better than no evidence.
আবিরে রাঙ্গানো বলেছেন:
কোরআন অনুযায়ী মানুষের সৃষ্টিই তো গাজাখুরী। মানুষের জীবনটাই তো গাজাখুরী। আর কবর তো আরো গাজাখুরী হওয়ারই কথা। জড় বস্তু থেকে জীবন/এককোষী জীব সৃষ্টি হইলো, তারপর বহুকোষী প্রানী, তারপর সিম্পান্জি, তারপর মানুষ সৃষ্টি হইলো। এর কোন এক পর্যায়ে হোমো সেক্স করতে ভাল লাগতো না বলে বহুকোষী প্রানী কিম্বা মনুষ তাদের বিশেষ জায়গায় একটি ছিদ্র করে নিল। তারপর ২ লিঙ্গের মানুষ প্রাকৃতিকভাবেই নিজেদের মাঝে আকর্ষণ অনুভব করলো। এমনকি মিলনের ফলে ২ জনই আরাম অনুভব করলো এটিও প্রাকৃতিক। সবচেয়ে মজার ব্যপার হলো ২ সুখের মিলনের ফলে আবার নতুন প্রান সৃষ্টি হলো, সবই প্রাকৃতিকভাবে। আল্লাহর এখানে কোন হাত নেই। কারণ আল্লাহ বা সৃষ্টিকর্তা বলে তো কিছুই নেই।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...




















ব্যাখ্যার অপেক্ষায় রইলাম।