
২০০৩ বা ২০০৪ সালের কথা। সেই সময়ে আমাদের এলাকার ইয়াং জেনারেশনের প্রেরণা দিতেন আজকের নামকরা আইনজীবী, অ্যাডভোকেট রাকিব হাসান ভাই। আমাদের এলাকার পূর্ব পাশা পাঠাগার ক্লাবের সাথে জড়িয়ে আছে আমাদের অনেক ঐতিহ্য, আর সেই ক্লাবের তরুণদের উৎসাহ দিতে রাকিব ভাইয়ের ভূমিকা ছিল অতুলনীয়।
সে সময় ওনার বাবার এনজিওর হোন্ডা ৮০ সিসি মোটরসাইকেলটি ছিল আমাদের স্বপ্নের মতো। সেলফ-স্টার্টহীন সেই বাইকটি কিক দিয়ে চালু করা ছিল এক বিশাল লড়াই। একদিন রূপাতলীর বটতলার ভেতরের ফাঁকা রাস্তায় রাকিব ভাইয়ের কাছে বাইক চালানোর হাতেখড়ি। প্রথম দিন পিকআপ আর ক্লাসের সমন্বয় করতে গিয়ে যে উড়াল দিয়েছিলাম, তা আজও মনে পড়লে হাসি পায়! আল্লাহর রহমতে বড় কোনো চোট পাইনি, তবে হাতের স্লাইড আর সেই রোমাঞ্চ আজও মনে পড়ে।
এর কিছুদিন পর, আমার মামাতো ভাই জহিরুল ইসলাম সুজীবকে (বর্তমানে শাওমি বরিশাল ডিভিশনের প্রধান) সাথে নিয়ে বাকেরগঞ্জে এক বিয়ে বাড়িতে গিয়েছিলাম। সাথে ছিল আমার অত্যন্ত প্রিয় চাচাতো চাচতো ভাই মাসুদ মোল্লার মোটরসাইকেল । ফেরার পথে ওকে বাইক চালানো শেখাতে গিয়ে সেই একই ভুল—পিকআপ বাড়িয়ে ক্লাস ছেড়ে দেওয়া! ফলস্বরূপ, ও-ও আমার মতো সেই একই ‘অভিযান’ চালালো। পরে আম পাড়তে গিয়ে পড়ে যাওয়ার অযুহাত দিয়ে ওনার সেই বেঁচে ফেরার ঘটনাটি আজও আমাদের পারিবারিক আড্ডার সেরা জোকস।
এই ছোটবেলার দুষ্টুমি আর স্মৃতিগুলোই আজ বড় হয়ে অমূল্য সম্পদে পরিণত হয়েছে। সেই হোন্ডা ৮০ সিসির শব্দ আর আড্ডার সেই দিনগুলো আজও কানে বাজে।
আপনারাও কি জীবনে এমন কোনো বাইক চালানোর ‘দুঃসাহসিক’ অভিযান চালিয়েছেন? শেয়ার করতে পারেন কমেন্টে!
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ৯:৫২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



