আরেকজনের নাম কান। লুইস কান। বিচিত্র এক জীবন তার। অল্প বয়সে নিজ দেশ রাশিয়া থেকে চলে যান আমেরিকায়। আধুনিকতাবাদী আর্কিটেকচারের স্টিল ও কাচ ফেলে দিয়ে দালান বানান প্রাচীন সামগ্রি দিয়ে। পাথর, কংক্রিট। পাশাপাশি তিন নারীকে ভালবাসতেন, তিনটি আলাদা পরিবার। Parallel lives.
জীবনের শেষ ভাগে এসে চলে যান সাউথ এশিয়ার দুর এক শহরে। আমেরিকা থেকে যোজন দুরে। নির্মান করবেন কিংবদন্তির এক প্রাসাদ। একটি জাতির স্বকীয়তার প্রতীক হিসেবে যা পরিচিত হবে। আমাদের সংসদ ভবন। যা কিনা এখন বিংশ শতাব্দীর আর্কিটেকচারের সবেেচয়ে বিস্ময়কর অবদানের অন্যতম হিসেবে গণ্য।
কান মারা যান নিউ ইয়র্কের এক রেল স্টেশনের বাথরুমে। তিন দিন লেগেছিল তার দেহ সনাক্ত করতে।
তার ছেলে ন্যাথানিয়েল একটি ডকুমেন্টারি বানিয়েছেন লুইস কান-কে নিয়ে। নাম - মাই আর্কিটেক্ট। ন্যাথানিয়েল-এর সেই কাহিনী শুনুন এখানে। মার্কিন রেডিও চ্যানেল NPR -এর সাথে ইন্টারভিউ।
Click This Link
Click This Link
Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


