তনু হত্যার বিচারের ফলে কি এমন অগ্রগতি হবে। এ বিচারের মাধ্যমে এধরনের অপরাধ আর কতটুকু কমানো যাবে?? অপরাধীরা কি তাদের অপরাধ ছেড়ে দেবে?? আসলে বিচার-টাই বড় নয়, দেশের অনুশাষনটাই বড়। এখন যদি এ ধরনের সংরক্ষিত এলাকাতেও মেয়েদের কোন নিরাপত্তা না থাকে তাহলে দেশের অন্য সকল স্থানের অপরাধ-প্রবণ ব্যক্তিদেরকে অপরাধ করার জন্য এক প্রকার উৎসাহিত করা হবে। শুধু মাত্র একটি সামরিক বাহিনীর সম্মান রক্ষা করতে গিয়ে আমাদের দেশের সকল মেয়েদের সম্মানে আঘাত আশার পথ আমরা তৈরি করতে পারি না। আর তনুর সম্মন-হানী হয়েছে কি হয় নি এনিয়ে তদন্ত-কারীদের এতো মাথা ব্যাথা কিন্তু তনুর মত একটি সধারণ মেয়ে কোন কারণ ছাড়াই একটি সংরক্ষিত এলাকাতে হত্যা হয়েছে এ নিয়ে তদন্ত-কারীদের যেন কোন মাথা ব্যাথাই নাই। তার উপর শুধু শুধু কাল-ক্ষেপন করে ঘটনাটি ধামা-চাপা দেওয়া হচ্ছে । এখানে যেন তনু হত্যার বিচারের চেয়ে বাংলাদেশ সামরিক বাহিনীর সম্মন অনেক বেশি হয়ে থাকে তাহলে সে দেশের জনগন হয়ে আমরা বলতেই পারি পাকিস্থানী-হানাদার বাহীনিও আমাদের মা-বোন-দের উপর হামলা করে কোন অপরাধ কারে নি। কারণ সেই ১৯৭১-সালেও ততকালীন পাকিস্থানী-হানাদার বাহীনি সে সময়-কার সামরিক বাহিনী হিসেবে প্রতিষ্ঠত ছিল , তারাও তাদের যা খুশি করেছে । আর এখন আমাদের বাংলাদেশ সামরিক বাহিনী নিজের মান-সম্মান বাচাতে যা খুশি করতেছে । তাহলে আর এদেশের স্বধীনতার কি দরকার ছিল। এ অবস্থায় এসে আমাদের বলতেই হয়, ত্রিশ-লক্ষ শহীদের রক্ত আর দুই-লক্ষ মা-বোনের ইজ্জত সম্পূর্নই বৃথা । স্বাধীন দেশে বসবাস করেও আমরা আজ বড্ড পরাধীন। আমরা যেন এক নির্নজ্জিত জাতীতে রুপান্তরীত হতে যাচ্ছি।

সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ৮:৪৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



