
আমাদের এলাকার মোতালেব শিকদার
কাটা ধরে পাঁচ মণ ভুড়িখানা শুধু তার।
প্রায় লোকে দেখে তারে হাতি ভেবে করে ভুল,
দেখে নাই কেউ কভু তার মতো এতো স্থূল।
এলাকার ছেলেপেলে, বদমাইশ, গুন্ডা,
দেখে তারে দেয় মেলে শান্তির ঝান্ডা।
হাতাহাতি মারামারি সব হয় বন্ধ,
শান্তির ধারা বহে পেলে তার গন্ধ।
কন্ঠতো নয় যেন সিংহের হুংকার,
বিরোধিতা করে তার সাধ্যটি বলো কার!
একাধিক মাথা বলো আছে কার ধড়েতে?
কোন জনা এ ধরাতে চায় বলো মরিতে?
কার বলো নাই জানা সলিমের দাঙ্গা?
পাজরের হাড় তার আজো আছে ভাঙ্গা।
সে যে ছিল এলাকার নামীদামী পালোয়ান,
তাইতো সে করতো ধরাকে সরা জ্ঞান।
বুড়া মিয়া পান বেচে ভবের-ই হাটেতে,
দেরি বলে চড় খেল সলিমের হাতেতে।
তাই দেখে মোতালেব মনে বড় ব্যাথা পায়,
চিৎ করে ফেলে তারে উপরেতে বসে যায়।
পাজরের হাড় ভাঙ্গে মড়মড় শুনে সব,
হায় হায় একি হলো! চারিদিকে উঠে রব।
সেই থেকে এলাকায় গোলযোগ নেই আর,
শান্তির দূত হলো মোতালেব শিকদার।
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে আগস্ট, ২০১৮ বিকাল ৪:০৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




