গতকাল "ভারতে ব্যন্ডউইথ রপ্তানি" শীর্ষক একটি পোস্ট দেখে খুবই আশ্চর্য হলাম, যেখানে আমরা ৩০০ টাকা খরচ করে এক জিবি নেট ব্যবহার করি, সেখানে এমন একটি কাজ কীভাবে সম্ভব!
গত ১২ই মে ২০১৪ তারিখে সাক্ষরিত একটি চুক্তির ভিক্তিতে ভারতের দুটি কোম্পানি বাংলাদেশ থেকে ১০জিবিপিএস ব্যন্ডউইথ সুবিধা পাবে। সবচেয়ে অবাক করার বিষয় হলো চুক্তি সাক্ষর হলেও কোন দাম ঠিক হয়নি! তবে চুক্তিতে মেয়াদ বাড়ানোর সুবিধা রাখা হয়েছে।
জানলে অবাক হবেন আমাদের ২০০ জিবিপিএস ব্যন্ডউইথের মাজে ব্যবহার হয় মাত্র ৩০ জিবিপিএস ব্যন্ডউইথ। বাকী ১৭০ জিবিপিএস ব্যন্ডউইথই পড়ে থাকে। আর আমরা ৩০০ টাকার বেশী খরচ করে ১ জিবি নেট কিনি?
অন্যান্ন অপারেটরের কথা বাদই দিন আমাদের তো নিজস্ব অপারেটর আছে টেলিটক। সরকার কেন তাতে কম টাকায় নেট ব্যবহারের সুযোগ দিচ্ছে না তাও বোধগম্য নয়। সকল অপারেটর বাদ দিয়ে যদি টেলিটকে কম দামে নেট ব্যবহারের সুযোগ দেয়া হয় তাহলে টেলিটকের গ্রাহক অতি কম সময়েই বেড়ে যাবে। আমাদের টাকা আমাদেরই থেকে যাবে। শুধু তাই নয় ডিজিটাল এই যুগে দেশের অনেক বেকার ও শিক্ষিত যুবকই ফ্রিনান্সকে নিজেদের আয়ের মাধ্যম করে তুলেছে। নতুনদের অনেকেই শুধু বেশী দামে নেট কিনতে হয় বলে এই পেশায় আসতে পারছে না।
আমার মনে হয় বল্গার স,মাজের প্রায় সবাই আর আর ফাউণ্ডেশনের নাম জানেন। ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা রাসেল ভাই (রাসেল আহমেদ) আজ দেশের ফ্রিন্যান্সারদের পথিকৃত বলতে পারেন। তিনি নিজেই বারবার নেটের দাম কমানোর কথা বলে আসছেন। প্রতিষ্ঠানটি শুধু নেটের অভাবেই তাদের শিক্ষার্থী বাড়াতে পারছে না।
গ্রামের অনেক ছেলেই এখন নেট ব্যবহার করে। তারা চাইলেও শুধু টাকার অভাবে পারছে নিজেদের মেধাকে বিস্তার করতে।
জানিনা কী বলবেন, তবে নেটের দাম কমিয়ে তা ব্যবহারের সুযোগ দিলেই দেশের শিক্ষার্থীরা যেমন লাভবান হবে, তেমনি করে ফ্রিন্যান্সকে পেশা করে কমবে বেকারত্বের হার। এতে দেশের আয় যেমন বাড়বে তেমনি দেশ স্বাবলম্বী হবার সম্ভাবনাও অনেকটা বেড়ে যাবে।
তাই চুক্তিটি চুড়ান্ত হবার আগেই এর বিরোধ করি, ফ্রিন্যান্সারদের সাথে নিয়ে নিজেকে ও দেশকে সমৃদ্ধ করে তুলি।
আপনাদের মুল্যবান মন্তব্যের অপেক্ষায় রইলাম।
আল্লাহ হাফেজ।,

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



