আসছে রমাযান নিয়ে এরই মাঝে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা কল্পনা। মধ্যবিত্ত ও তার নিম্ন যে সব মানুষ বসবাস করে তাদের মনে এরই মাঝে ভয় চলে এসেছে। অবাক করার মতো হলেও এই দূই ক্লাসের লোকই দেশের মোট জনসংখার ৭৯%।
আমার মনে আছে বিগত এক রমযানে বাজারে মরিচের মূল্য ছিল আকাশ ছোয়ারও বেশী, যেখানে গ্রামের মানুষ পেকেটজাত মসলার নামই শুনতে চায় না সেখানে সেসময় তারাও সব রান্নায় গুড়ো মরিচ ব্যব হার করেছেন।
আমি দেখেছি অনেক রিক্সাচালকই রোযা থাকেন না, আসলেই দিনভর গাধার খটুনি খাটলে কেউই পারবে না। যারা কষ্ট করে থেকেছেও তারা রাস্তায় শুধু মুড়ি খেয়েছে, কেননা মরিচ কেনার মতো অতো বড় সাহস তাদের হয়নি।
আসুন এবার সামনের রমযান নিয়ে কথা বলি।
প্রথম রমযান থেকেই স্কুল ও কলেজ ছুটি তাই অন্য সব বারের চেয়ে রাস্তায় জ্যাম কম থাকবেই। সরকারের এই চিন্তাকে আমি স্বাগত্ব জানাই, সেই সাথে আবেদন থাকবে যেন ভর্তি কোচিং ছাড়া আর কোন কোচিং খোলা না থাকে সেদিকে নজর রাখতে। না হলে সব কষ্টই বৃথা হবার একটি বয় থেকেই যাবে।
রমযানে বেশ কিছু পন্যের রপ্তানিও বন্ধ থাকছে, ভাল কথা। তবু কেন জানি মনে হচ্ছে দেশের পরিস্থিতি আবারও উপ্তত্ব হয়ে উঠবে। এবার কেন এমন মনে হচ্ছে তা একটু বলি
০১
নিজামীর রায় স্থগিত থাকলেও আগামী সপ্তাহেই হয়ে যাবে আর এটা খুবই সাধারণ যে জামায়াত হরতাল ডাকবে। তারা আবার দেশ অচল করার চেষ্টা করবে, হয়তো দেশের মাঝে আবার কোন বিচ্ছিন্ন জনপদ তৈরী হতে পারে।
০২
অনলাইনে বেশকিছু পত্রিকায় দেখলাম আগামী ১৬ জুলাই ঋণখেলাপির মামলায় তারেকের বিচার্য বিষয়ে আদেশের দিন ধার্য হয়েছে। এ রায়ে যদি তারেক দোষী করে রায় দেওয়া হয় তবে বিএনপি হরতাল ডাকবে। আবারও ঢাকায় কোন পণ্যবাহী গাড়ী ঢুকবে না, বাড়বে সকল কাচা মাল ও নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম।
উভয় পরিস্থিতিতে নানা কারণে জেলে আটক হতে পারে দুই দলেরই নামী নেতারা, তাদের মুক্তিতেও চলবে হরতাল। সরকার আংগুল তুলবে বিএনপি ও ১৯ দলের দিকে। কথা সত্য, দায়ী তারাই। কিন্তু ভেবে দেখুন সব কিছুর পিছনেই কলকাঠি নাড়ছে কে?
আশা রাখি প্রশ্নের জবাব দেবেন?
যদি এমনই হয়, রমযানে টানা দুই দইনের হরতাল হলেই আমাদের সুনামধন্য সিন্ডিকেটার রা ঝমিয়ে ফেলবে তাদের ব্যবস্যা। তারা হবে মালামাল, দেশ বেসামাল ও আমরা মাতাল।
আমাদের মতো মনুষের শুধুই ভুক্তভোগী।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




