যারা শিরোনাম দেখে গালি দেবার জন্য ঢুকেছেন তাদের সবাইকে পোষ্টটি ভালভাবে পড়ার অনুরোধ রইল।
আগামীকাল মাওলানা সাঈদীর রায়, এই রায় ঘিরে এরই মাঝে জামায়াত তার মুক্তির রায়ের আবেদন করেছে আর শাহবাগে সন্ধ্যা থেকেই জড়ো হয়েছেন গণজাগরণ মঞ্চের নেতা-কর্মীরা। রায় যাই হোক এক পক্ষের বিপরীতে হবে এটাই স্বাভাবিক।
মানবতাবিরোধী ও যুগ্ধঅপরাধীদের রায় হবে আর তা অবশ্যই ফাসীঁ, এটাই সকল মানুষের চাওয়া। মাওলানা সাঈদী ভাল না খারাপ সে বিষয়ে আমার কিছুই বলার নেই। কিন্তু যা বলার জন্য এই পোষ্ট তা হলো, আগামীকালের সকল পত্রিকার প্রধান শিরোনাম থাকবে সাঈদীর রায়কে নিয়ে, আর দিনভর মিডিয়ার নজরও থাকবে রায়ের ফলাফল নিয়ে। এরপর?
ঘটনা:১
গণজাগরণ মঞ্চের মিষ্টি বিতরণ অপরদিকে জামায়াতের বিছিন্ন হামলা। সবাই না হলেও অনেকেই একমত হবেন আশা করি সাঈদীর ফাসিঁর রায় হলে জামায়াতের হামলা আটকানো যাবেনা। বড় না পারলেও ছোট হামলার মাধ্যমে তারা প্রতিবাদ করবেই।
সামনে হিন্দু ও মুসলমান দুই ধর্মেরই বড় উৎসব, এমন সময় যে কোন গুপ্ত হামলাই অনেক পরিবারের কান্নার কারণ হতে পারে। তারপর পূজাঁর মুর্তি ভাঙ্গার ঘটনাতো এমনিতেই ঘটে, তা বেড়ে গেলে ধর্মীয় দাঙ্গা বেড়ে যাবে। যা স্বাধীনপ্রিয় মানুষদের অনেকটাই ভোগাবে।
ঘটনা:২
জামায়াত কিছুটা খুশি হলেও সাঈদীকে খালাশ দেবার ঘটনা কোখনোই ঘটবে না। আর লঘু শাস্তি দাবী করে আবারও গণজাগরণ মঞ্চ আন্দোলনে নামবে, আর আন্দোলন দীর্ঘ হলে পূজাঁর সুযোগে এই মঞ্চের উপর যে হামলা হবে না তারও কোন নিশ্চয়তা নেই।
-------------------------------------------------------------------------------------
আসুন মেনে নেই বিচার বিভাগ একবারেই স্বাধীন, সরকার তাতে কোন হস্তক্ষেপ করে না। তবুও কী এমন দুই বড় ধর্মীয় উৎসবের আগে রায় দেওয়া নিয়ে সরকারের কোন ভূমিকা নেওয়া উচিত নয়?
জানিনা বিচার বিভাগ স্বাধীন এটা কতোজন ভাবেন, আর আমি এটা ভাবলেই মুচকী হাসিঁ। তবুও সরকারের কাছে আবেদন থাকবে, পরিস্থিতি যাই হোক কারও ধর্মীয় কাজে যেন বেঘাত না ঘটে সে জন্য সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে।
সকল শান্তিপ্রিয় মানুষদের জন্য শুভকামনা রইল। আপনাদের পূজোঁ ও ঈদ আনন্দেই কাটুক সে কামনাই রইল।
*আমি জানি এই লেখা সরকারের কেউ পড়বে না, তবুও.....

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




