somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ঢাবির সেই ঘটনা, সপ্তাহজুড়ে নানা মিথ্যাচারের পর সাজা পেতে যাচ্ছে চার দোষী

১০ ই নভেম্বর, ২০১৪ রাত ১০:৫৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

গত সপ্তাহের ঘটনা নিশ্চয় সবার মনে আছে, "ভাগনিকে নিয়ে বেড়াতে এসে রক্তাক্ত হলেন আলোকচিত্রী"
দেশের সকল মিডিয়ায় ফলাও করে প্রকাশের পরও নানাভাবে বিষ্যটিকে অস্বীকার করেছে ঢাবির ছাত্র সমাজ। বিষয়টি নিয়ে টেলিভিশন, অনলাইন মিডিয়া, প্রিন্ট মিডিয়া বিশেষ করে ফেসবুক নানাভাবে অস্বীকার করেছে ঢাবির বর্তমান শিক্ষার্থীরা।

শুধু তাই নয়, "সাবা,রুবাইয়া ও ইমতিয়াজের প্রহসন থেকে ঢাবিকে রক্ষা করুন" নামে এক ইভেন্ট ও করেছে আজ দুপুরে।

ইভেন্টে গেলে দেখবেন যাদের আগামীর ভবিৎষত ধরা হয় তারা কীভাবে খারাপ ভাষায় গালী-গালাজ করছে। রুবাইয়া এর কুরুরের সাথে তোলা কিছু ছবি পোস্ট করে, তাকে নানাভাবে হেয় করা হয়েছে।

ভাইরা আমি ঢাবির কেউ না, কিন্তু একজন মানুষ। আসুন ধরেই নেই তারা মামা-ভাগ্নি বিবস্ত্র অবস্থায় ছিল, তাও তো আপনারা এই কাজ করতে পারেন না। আপনাদের দাবী তারা খারাপ কিছু করার চেষ্টা করছিল, হতেই পারে কারণ আমাদের মাঝেই সবচেয়ে নিকৃষ্ট মানুষটিও বাস করে, যারা মা কে নিয়ে বাংলা চটি লিখে।

কিন্তু আপনারাতো দেশের মহান প্রতিষ্ঠানের ছাত্র, আপনারা তাদের আটক করে পুলিশকে ডাকতে পারতেন। বলছেন শুধু ধাক্কা দেবার কারণেই মেয়ের জামা ছিড়ে গেছে আর সেই মামার মাথা ফেটে গেছে। তারা মারল আর আপনারা কিছুই করেননি এটা কাকে বিস্বাস করতে বলছেন?

আপনারা তাদের যেভাবে দাবী করছেন, সেভাবে থাকলেতো আর তারা মিডিয়ায় যাবার কথা নয়। আর আসলেই পারিবারিক সম্পর্ক ভালো না হলে তারাই বিষয়টি চেপে যাবার কথা। বলতে পারেন কী স্বার্থে তারা এমন একটি বিষয় সামনে আনবে যা তাদেরই ইজ্জত নষ্ট করবে?

আপনি আমি সবাই মানুষ, মাথা সবারই গরম হয়। আর ঢাবি আপনাদের, নিজের আঙ্গিনায় কেউ অপমানিত হতে চায় না, আমিও হতাম না। কিন্তু নিজের দোষটুকু মেনে নিলেইতো হয়। আসুন মেনে নেই কোন দোষ নেই, তবে এ মিথ্যাচার কেন?

সর্বশেষে জানলাম, দোষী চার ছাত্রকে সাময়িক বহিস্কার করা হচ্ছে। আমার মতে তা কখনোই ঠিক নয়, এতে তাদের একপ্রকার নষ্ট করে দেওয়া হবে। আর ভবিৎষতে এমন ঘটনা যেন না ঘটে, তার জন্য কী করা উচিত তা আমার বলা মানায় না।

****
আমার ব্লগ একান্ত আমার ভাবনা, যাদের পছন্দ হয় না মডারেটরে জানাবেন তবু খারাপ গালি দিয়ে নিজের পরিচয় প্রকাশ করার কোন দরকার নেই।

******
গালি ছাড়া সকল প্রকার মন্তব্যে আমাকে ভালো লিখতে সাহায্য করবে। আমি শিখাতে নয় শিখতে এসেছি।
৬টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাংলাদেশের জন্মগ্রহণ কি আজন্ম পাপ?

লিখেছেন এম ডি মুসা, ২৪ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৬



রাষ্ট্রের নিরাপত্তা আছে, জনগণের নিরাপত্তা কোথায়?

বাংলাদেশের নাগরিক হয়ে কি নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকারটুকুও আমাদের নেই? সরকার ও রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিরাপত্তায় গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর থাকে। কিন্তু সাধারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনেকটা পথ হেঁটে এসেছি

লিখেছেন চারাগাছ, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:০৫




১৯৯৭ সাল।

আমি তখন ক্লাস নাইনে পড়ি।

স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে মামুন ভাইয়ের একটা অডিও ক্যাসেটের দোকান ছিল। পাশেই মির্জা ভাইয়ের কনফেকশনারি। টিফিনের সময় ওখানে প্যাটিস খেতাম।

সেই সময় অডিও ক্যাসেটের... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেশটাতো এখন রাজাকারদের....

লিখেছেন মাথা পাগলা, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:২৮




একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে বাদী ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারী (৮৭)। মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার দেওয়ার প্রস্তুতি চলার সময় জামাতের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাদ্রাসা শিক্ষা একটা কর্মবিমুখ শিক্ষা

লিখেছেন ধূসর সন্ধ্যা, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:১৫

এদেশের মাদ্রাসা শিক্ষারে আপনি একটা স্ক্যাম হিসেবে ধরতে পারেন। মাদ্রাসার বোর্ডের নিয়ন্ত্রণে যে মাদ্রাসাগুলো আছে সেগুলো বাদ দিয়ে অন্য সব মাদ্রাসাই এই স্ক্যামের ভেতরে। এটা একটা ভিক্ষার সাইকেল, দারিদ্র্য'র দুষ্টু... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঝর্ণা জল

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:২১


আমি ব্যস্তবতা দেখি
পানকৌড়ির সাঁতার-
কল্পনায় শুধু স্বপ্ন আঁকি,
মধ্যবিকাল ঢেউ তোলা সাগর
হতাশা ডিঙিয়ে যায়- নিরিবিলি
রাত দুপুরের বাসর।

উড়ে ধোয়া, নিঃশ্বাসে সাদা বক,
খেলা করে যে, প্রণয়ের চক-
নীল মেঘ ভীর জমায়, বর্ষা কাঁদাময়,
ভোরের ক্লান্তি দেখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×