গত সপ্তাহের ঘটনা নিশ্চয় সবার মনে আছে, "ভাগনিকে নিয়ে বেড়াতে এসে রক্তাক্ত হলেন আলোকচিত্রী"
দেশের সকল মিডিয়ায় ফলাও করে প্রকাশের পরও নানাভাবে বিষ্যটিকে অস্বীকার করেছে ঢাবির ছাত্র সমাজ। বিষয়টি নিয়ে টেলিভিশন, অনলাইন মিডিয়া, প্রিন্ট মিডিয়া বিশেষ করে ফেসবুক নানাভাবে অস্বীকার করেছে ঢাবির বর্তমান শিক্ষার্থীরা।
শুধু তাই নয়, "সাবা,রুবাইয়া ও ইমতিয়াজের প্রহসন থেকে ঢাবিকে রক্ষা করুন" নামে এক ইভেন্ট ও করেছে আজ দুপুরে।
ইভেন্টে গেলে দেখবেন যাদের আগামীর ভবিৎষত ধরা হয় তারা কীভাবে খারাপ ভাষায় গালী-গালাজ করছে। রুবাইয়া এর কুরুরের সাথে তোলা কিছু ছবি পোস্ট করে, তাকে নানাভাবে হেয় করা হয়েছে।
ভাইরা আমি ঢাবির কেউ না, কিন্তু একজন মানুষ। আসুন ধরেই নেই তারা মামা-ভাগ্নি বিবস্ত্র অবস্থায় ছিল, তাও তো আপনারা এই কাজ করতে পারেন না। আপনাদের দাবী তারা খারাপ কিছু করার চেষ্টা করছিল, হতেই পারে কারণ আমাদের মাঝেই সবচেয়ে নিকৃষ্ট মানুষটিও বাস করে, যারা মা কে নিয়ে বাংলা চটি লিখে।
কিন্তু আপনারাতো দেশের মহান প্রতিষ্ঠানের ছাত্র, আপনারা তাদের আটক করে পুলিশকে ডাকতে পারতেন। বলছেন শুধু ধাক্কা দেবার কারণেই মেয়ের জামা ছিড়ে গেছে আর সেই মামার মাথা ফেটে গেছে। তারা মারল আর আপনারা কিছুই করেননি এটা কাকে বিস্বাস করতে বলছেন?
আপনারা তাদের যেভাবে দাবী করছেন, সেভাবে থাকলেতো আর তারা মিডিয়ায় যাবার কথা নয়। আর আসলেই পারিবারিক সম্পর্ক ভালো না হলে তারাই বিষয়টি চেপে যাবার কথা। বলতে পারেন কী স্বার্থে তারা এমন একটি বিষয় সামনে আনবে যা তাদেরই ইজ্জত নষ্ট করবে?
আপনি আমি সবাই মানুষ, মাথা সবারই গরম হয়। আর ঢাবি আপনাদের, নিজের আঙ্গিনায় কেউ অপমানিত হতে চায় না, আমিও হতাম না। কিন্তু নিজের দোষটুকু মেনে নিলেইতো হয়। আসুন মেনে নেই কোন দোষ নেই, তবে এ মিথ্যাচার কেন?
সর্বশেষে জানলাম, দোষী চার ছাত্রকে সাময়িক বহিস্কার করা হচ্ছে। আমার মতে তা কখনোই ঠিক নয়, এতে তাদের একপ্রকার নষ্ট করে দেওয়া হবে। আর ভবিৎষতে এমন ঘটনা যেন না ঘটে, তার জন্য কী করা উচিত তা আমার বলা মানায় না।
****
আমার ব্লগ একান্ত আমার ভাবনা, যাদের পছন্দ হয় না মডারেটরে জানাবেন তবু খারাপ গালি দিয়ে নিজের পরিচয় প্রকাশ করার কোন দরকার নেই।
******
গালি ছাড়া সকল প্রকার মন্তব্যে আমাকে ভালো লিখতে সাহায্য করবে। আমি শিখাতে নয় শিখতে এসেছি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


