somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মাননীয় নৌমন্ত্রী, দয়া করে চুপ থাকু আর নিজের কাজ করুন।

০৫ ই এপ্রিল, ২০১৫ রাত ৯:৪৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সকালে সংবাদে শুনলাম "খালেদা নিজ বাসভবনে ফিরেছেন"। ভালই লাগল, হয়তো এবার কোন রাজনৈতিক পরিবর্তন আসবে এই ভেবে। কিন্তু আসলেই হবে কী?
দিন না পেরুতেই, শুরু হলো আওয়ামী-লীগ নেতাদের কথা, কিছুটা চাপাবাজী বললে ভূল হবে না।
খালেদা ভয়ে পালিয়ে বাড়ি চলে গেছেন: নৌমন্ত্রী (prothom-alo)
কি দরকার এমন মন্তব্যের?
তারা যে পদ্ধতি নিয়ে আন্দোলন করছিল, তা জনগন দেখেছে। সেই সাথে আপনারা কিভাবে তাকে কার্যালয়ে আটকে রেখেছিলেন তাও জনগন দেখেছে। এখানে মাইক পেলেই কাউকে কটাক্ষ করার কোন মানে নেই। তার চেয়ে যার যা কাজ তা নিয়ে থাকলেই হয়।
আর জনাব শাহজানান খান, আপনি তো নৌমন্ত্রী। আপনি ব্যাস্ত থাকবেন আমাদের নৌযোগাযোগ উন্নয়ন নিয়ে, অথচ আপনি..........।
মনে পড়ে, ৪ই আগষ্ট, মাওয়া ঘাটের ঘটনা। সেসময় পিনাক-৬ এর যাত্রী সংখ্যা ছিল ৩০০জন, আপনারা হিসাব দিলেন ১৮০জনের। যার মাঝে আপনার নাকি দুই ভাগ্নিও ছিল, সেই ঘটনার পর তাদের দুইবোনের ছবি ফেসবুকেও তোলপাড় করেছিল। আপনার উচিত ছিল স্বজনহারা মানুষগুলোর পাশে থাকা, তাদের কষ্টগুলো ভাগ করে নেওয়া, কিন্তু আপনি তোবার শ্রমিকদের বেতন নিয়ে মিটিং করছিলেন ঢাকায়।
এই বিবেকের শেষ কোথায়!

কিছুদইন আগেও নৌডুবি হয়েছে,আপনি ব্যাস্ত ছিলেন খালেদার কার্যালয় ঘেরাও করতে। লোক আপনার, প্রশাসন আপনাদের অথচ সেখানে ককটেল ফোটালো বিএনপি/জামায়াত! আপনার লোকজনেরা একটি শপিং মলের কাচ ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিল, আপনি তখনও চুপ। সেটা আপনাদের গনতান্ত্রিক অধিকার ছিল।

বোমা বানাতে গিয়ে বিএনপির নেতা মরে, পিকেটিং এ শিবির নেতা গনপিটুনি খায় তাও দেখেছি আমরা। কিন্তু বোমা বানাতে গিয়ে ছাত্রলীগ নেতার হাত উড়ে যায় তখন আপনারা চুপ থাকেন, নাটোরে সাংসদ পুত্র অন্যের বাসায় গিয়ে যখন ভাংচুর করে, আসবাবে গুলি করে জনগনের হাতে আটক হয়, তখন ভুল বোঝাবুজির কথা বলে ছাড়িয়ে আনেন আপনারা। জেল থেকে আসামী ছাড়াতে ছোট নেতা তেকে মন্ত্রী পর্যন্ত সুপারিশও দেখেছি আমরা। নারায়ন গঞ্জের সাত খুনের মামলাও দেখেছি আমরা, তারপরও চুপ আছি। কেন জানেন?

এ দেশে আসলেই একদিন স্বাধীনতার স্বাদ পাবে বলে। আমারও আমরা হাতে হাত মিলিয়ে খোলা আকাশের নিচে মুক্ত বাতাসে ঘুরব বলে। আমাদের জন্য একটু চুপ করে থাকুন না, আমাদের একটু শান্তিতে থাকতে দিন।

৪টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ড.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৪৮

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি....

বন্দর শুধু রাজস্ব আয়ের প্রতিষ্ঠান নয়; এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ প্রতিযোগিতার অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।
বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামহোয়্যারইন ব্লগের সেরা ব্লগার

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:০৮



আমাদের দেশে যে কোনো ক্রিটিক্যাল সময়ে লক্ষ্য করা যায় কোনো না কোনো পণ্যের অভাব লেগে গিয়েছে। কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ, ভোজ্য তৈল এমনকি রিলিফ গায়েব হয়ে যায়। বন্যায় আক্রান্ত বন্যায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

তৌহিদি জনতা কবে দেশ রক্ষায় আন্দোলনে নামবে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:০১


আলহামদুলিল্লাহ। তৌহিদি জনতার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুনামগঞ্জে মেয়েদের একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বন্ধ করা গেছে। ইসলামের দৃষ্টিতে মেয়েদের খেলাধুলা নিষিদ্ধ এবং অশ্লীল কাজ হিসেবে গণ্য করা হয়। সুনামগঞ্জের মাটিতে এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কি আসলেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:৪৪



“রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন “, “মূর্খের দেশে আবার কীসের বিশ্ববিদ্যালয়” – এসব প্রচারণা আমাদের দেশে অনেকদিন ধরেই হয়ে আসছে। বিশেষ করে ফেসবুকে আকছারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৯৭১ঃ নদী-নালায় ভেসে থাকা স্বদেশের কান্নাঃ শহীদদের প্রতি নিবেদিত একটি কাব্যগাথা জাতির রক্ত, অশ্রু ও স্বাধীনতার অমর ইতিহাস

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:০৫


পঁচিশে মার্চ ১৯৭১
রাত্রি তখন গভীর, নগরীর বাতিগুলো
যেন অনাগত বিপদের সামনে অসহায়
ঢাকার আকাশে হঠাৎ গর্জে উঠল কামান
ট্যাংকের চাকার নিচে কেঁপে উঠল রাজপথ
গুলি ছুটে গেল মানুষের ঘুমন্ত জানালায়
আগুন ছড়িয়ে পড়ল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×