সকালে সংবাদে শুনলাম "খালেদা নিজ বাসভবনে ফিরেছেন"। ভালই লাগল, হয়তো এবার কোন রাজনৈতিক পরিবর্তন আসবে এই ভেবে। কিন্তু আসলেই হবে কী?
দিন না পেরুতেই, শুরু হলো আওয়ামী-লীগ নেতাদের কথা, কিছুটা চাপাবাজী বললে ভূল হবে না।
খালেদা ভয়ে পালিয়ে বাড়ি চলে গেছেন: নৌমন্ত্রী (prothom-alo)
কি দরকার এমন মন্তব্যের?
তারা যে পদ্ধতি নিয়ে আন্দোলন করছিল, তা জনগন দেখেছে। সেই সাথে আপনারা কিভাবে তাকে কার্যালয়ে আটকে রেখেছিলেন তাও জনগন দেখেছে। এখানে মাইক পেলেই কাউকে কটাক্ষ করার কোন মানে নেই। তার চেয়ে যার যা কাজ তা নিয়ে থাকলেই হয়।
আর জনাব শাহজানান খান, আপনি তো নৌমন্ত্রী। আপনি ব্যাস্ত থাকবেন আমাদের নৌযোগাযোগ উন্নয়ন নিয়ে, অথচ আপনি..........।
মনে পড়ে, ৪ই আগষ্ট, মাওয়া ঘাটের ঘটনা। সেসময় পিনাক-৬ এর যাত্রী সংখ্যা ছিল ৩০০জন, আপনারা হিসাব দিলেন ১৮০জনের। যার মাঝে আপনার নাকি দুই ভাগ্নিও ছিল, সেই ঘটনার পর তাদের দুইবোনের ছবি ফেসবুকেও তোলপাড় করেছিল। আপনার উচিত ছিল স্বজনহারা মানুষগুলোর পাশে থাকা, তাদের কষ্টগুলো ভাগ করে নেওয়া, কিন্তু আপনি তোবার শ্রমিকদের বেতন নিয়ে মিটিং করছিলেন ঢাকায়।
এই বিবেকের শেষ কোথায়!
কিছুদইন আগেও নৌডুবি হয়েছে,আপনি ব্যাস্ত ছিলেন খালেদার কার্যালয় ঘেরাও করতে। লোক আপনার, প্রশাসন আপনাদের অথচ সেখানে ককটেল ফোটালো বিএনপি/জামায়াত! আপনার লোকজনেরা একটি শপিং মলের কাচ ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিল, আপনি তখনও চুপ। সেটা আপনাদের গনতান্ত্রিক অধিকার ছিল।
বোমা বানাতে গিয়ে বিএনপির নেতা মরে, পিকেটিং এ শিবির নেতা গনপিটুনি খায় তাও দেখেছি আমরা। কিন্তু বোমা বানাতে গিয়ে ছাত্রলীগ নেতার হাত উড়ে যায় তখন আপনারা চুপ থাকেন, নাটোরে সাংসদ পুত্র অন্যের বাসায় গিয়ে যখন ভাংচুর করে, আসবাবে গুলি করে জনগনের হাতে আটক হয়, তখন ভুল বোঝাবুজির কথা বলে ছাড়িয়ে আনেন আপনারা। জেল থেকে আসামী ছাড়াতে ছোট নেতা তেকে মন্ত্রী পর্যন্ত সুপারিশও দেখেছি আমরা। নারায়ন গঞ্জের সাত খুনের মামলাও দেখেছি আমরা, তারপরও চুপ আছি। কেন জানেন?
এ দেশে আসলেই একদিন স্বাধীনতার স্বাদ পাবে বলে। আমারও আমরা হাতে হাত মিলিয়ে খোলা আকাশের নিচে মুক্ত বাতাসে ঘুরব বলে। আমাদের জন্য একটু চুপ করে থাকুন না, আমাদের একটু শান্তিতে থাকতে দিন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




