"পাপীকে নয় পাপকে ঘৃণা কর" বাংলার এই প্রবাদটি ৯০% লোকেই জানে, কিন্তু মানে কয়জন তা বলা কঠিন। সময় এসেছে কথাটি মন থেকে মেনে নেবার। দেশের যে যুবকটি ইসলামের নামে বুকে বোমা বেধে রাস্তায় নামে সে আমাদেরই একজন, রাতের আধারে ৬০বছরের নারী যে মানুষটি ধর্ষণ করে সেও আমাদের একজন, এবার বৈশাখে যে যুবকগুলো টিএসসি তে ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছে তারাও আমাদেরই মাঝেই থাকে।
প্রায় সকল মানুষই ঘটনার জন্য ছাত্রলীগের কিছু সদস্যের কথা তুলে ধরছেন, যাতে বিষয়টি আসলেই ধামা চাপা পড়ে যাবার সম্ভবনা অনেক। তাদের হয়তো গ্রেফতার করা হবে, সময়িকভাবে ছাত্রত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হবে। কিন্তু সময় গেলেই আবার তাদেরই দেখা যাবে কোন মিছিলের নেতৃত্ব দিতে। কিন্তু যদি শুরু থেকেই সকল অন্যায়ের প্রতিবাদ করা যেত তবে হয়তো এতো বড় বড় ঘটনা কখনোই ঘটতো না। যদি সবার জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা যেত তবে হয়তো হলমার্কসহ ব্যাংকের বড় দুর্ণিতিগুলো এড়িয়ে চলা যেত।
হুমায়ূন স্যারের মতো বলতে হয় 'ঘোড়া এখনো লাগাম ছাড়া হয়নি' সময় থাকতেই লাগাম কষে ধরতে হবে। তা না হলে আজ হয়তো আপনার ঘরে যুবতী বোন নেই, কিন্তু কাল আপনি বাবা হবেন। কাল আপনার মেয়ের বুকে কেউ হিংস থাবা বসাবে। কি সাহস করছেন, মেয়ে নেবেন না, ছেলের বাবা হবেন।
কাল আপনার ছেলে যে নোংরা রাজনীতির স্বীকার হবে না, তার নিশ্চয়তা আপনাকে কে দিয়েছে। ঢাবির মেধাবী ছাত্র আবু-বক্করের মতো আপনার ভদ্র-নম্র ছেলেটিকে হারাবেন না তারই নিশ্চয়তা কী? আসুন প্রতিবাদ করি, সকল অন্যায়ের প্রতিবাদই আমদের আগামী প্রজন্মকে শান্তিতে বাচার সুযোগ করে দিবে।
এই প্রতিবাদ হবে অন্যায় কারী বিরুদ্ধে, কোোন দলের বিরুদ্ধে নয়। শুধুমাত্র তাহলেই কোন কিছুর বিচার পাওয়া সম্ভব। আর না হলে!
ছাত্র লিমন, সাংবাদিক মিজানের কথা মনে পড়ে। আসুন সময় থাকতে অন্যায়ের প্রতিবাদ করি, বখে যাওয়া আমাদেরই ভাইগুলোকে সঠিক জীবনে ফিরিয়ে আনি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


