somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

প্রেমের গল্পঃ প্লীজ মিজান তুমি আমাকে ফিরিয়ে দিওনা

২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ১২:০৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

দিনটি ছিলো রবি বার ঠিক যতদূর মনে পড়ে বিকেল চারটার সময় আমি বিসানায় ঘুমে ছিলাম মিতালী ফোন দিলো আমি ফোন ধরে হ্যলো বলতে মিতালী বল্ল মিজান তুমি এখন কোথায় আস আমি বললাম কেন সে আমায় বল্ল তুমি যেখানেই থাকনা কেন এখনি আমার সাথে দেখা কর । তোমার সাথে আমার জরুরি কিছু কথা আছে । আমিও আর দেরি করতে পারলাম না চোখ দুটিকে কচলাতে কচলাতে চলে গেলাম ওয়াস রুমে সেখান থেকে হাত মুখ ফ্রেস করে এসে রেডি হয়ে বেড়িয়ে গেলাম মিতালীদের বাড়ির উর্দ্ধেশে। চিন্তায় পড়ে গেলাম আজ পাচঁ মাস একটি মেয়ের সাথে আমার পরিচয় অথচ আজ পযন্ত সাহস করে তাকে বলতে পারলাম না আমি তোমাকে ভালবাসি । সেই মেয়ের ডাকেই ছুটে চলেছি তাই আজকে তাকে আমি আমার ভালবাসার কথা বলবো । হাতে গাড়ির ইস্টাডিং গাড়ি চলছে রাস্তা দিয়ে আমিও এ কথা ও কথা চিন্তা করতে করতে গাড়ি নিয়ে চলে গেলাম মিতালীর বাড়ির গেটের সামনে মিতালী বাড়িন্দায় দাড়ানো ছিল সে আমাকে দেখে সে সেখান থেকে আমাকে তার হাত দিয়ে ইসারায় বলে দিল গাড়ি নিয়ে আরেকটু সামনে দাড়ানর জন্য । আমিও গাড়িতা নিয়ে তাদের বাড়ি থেকে প্রায় একশত গজ সামনে চলে যাই ।মিতালী চত করে রেডি হয়ে চলে আসেন নিচে গেটে দাড়োয়ান বেটা মিতালীকে ইয়া লম্বা এক সেলুট দিয়ে গেট খুলে দিয়ে বল্ল মেডাম গাড়ি নিয়ে যাবেন না । মিতালী উত্তরে বল্ল না করিম চাচা আজ গাড়ি নিয়ে যাবো না । তাহোলে মেডাম গাড়ি ডেকে দিবো না চাচা আজ আমার এক বান্ধবীর জম্ম দিন । ও আসবে গাড়ি নিয়ে আর আমি ওর গাড়িতে করে যাবো ওর জম্মদিনের পাটিতে ।মিতালী তার ঘায়েছিল লাল রংঙের ড্রেস মাথার চুলের খোপায় ছিলো বেলীফুলের মালা সাথে খোপার মধ্যে খানে গোজা ছিল এক জোড়া লাল গোলাপ বেশ লাগছিল মিতালীকে ।যাই হোক সে গাড়ির সামনে আসলো সে এসে গাড়িতে ওঠে বসলো আর আমাকে তার লাল ঠোট দুটি দিয়ে বল্ল চল মিজান গুলশান চাইনিজে সেখানে তোমার সাথে যা বলার বলবো ততক্ষনে মিতালীর ভাবভংঙ্গীময় দেখে আমি মনে মনে জব বা কাব্য রচনা করতে শুরু করে দিয়েছি ….
কি অপরুপ রুপে বানিয়েছে তোমাকে মহান সৃষ্টি কর্তা
এত দিন যে কথা তোমায় বলার অপেক্ষায় ছিলাম আমি
হয়েছি কতযে হানী
বুঝি কাতবে আজ আমার সব ঘানী
তোমার ঐ লাল রাংঙ্গা লাজুক ঠোটের বলা কথা,
কাটবে এতদিনের জমে থাকা সকল ঘানীর সকল ব্যথা ।
তোমার ঐ চুলের মাঝে গোজা গোলাপ
সে বলছে আজই তোমার সাথে হবে আমার প্রেম আলাপ ।
ভাবতে ভাবতে হঠাৎ করে মিতালী বলে উঠলো কি হয়ছে মিজান এভাবে চেয়ে থাকবে আমার দিকে নাকি গাড়ি চালাবে ।
মনের কথা কি বলছো প্রিয়া গাড়ি চালাবো না মানে আজ তোমায় সাথে নিয়ে দুজনে হারিয়ে যাবো কোন অজানা এক দিকে হারিয়ে যাবো কোন এক স্বপ্নের দেশে যেখানে তুমি আর আমি ছাড়া কেও থাকবে না । দুজন দুজনের মনের কথা বলবো আর শুনবো ।
আবার মিতালী বলে উঠলো ওহ মিজান চুপ করে গাড়ির ইস্টাটিং ধরে বসে থেকনা
সময় কম শুধু শুধু এখানে বসে সময় পাড় হতে চলছে সরি মিতালী আমি অন্য এক ভাবনায় হারিয়ে ছিলাম এখনই গাড়ি ছাড়ছি গাড়ি ছেড়ে অন্য বিষয় নিয়ে কথা বলতে বলতে দুজনে মিলে ততক্ষনে গাড়ি নিয়ে চলছি একটি লেকের পাশ দিয়ে বিকেলের পরিবেশ যেমন থাকে জোড়ায় জোড়ায় নব দম্পতি তেমন থাকে রোমিও জুলিয়েট ও নবযুগের লাইলী মজনু,,শিরিন ফরহাদেরা আর এদের মাঝে কাবাবে হাদ্দির মত থাকেন কিছু বকাতে ।
ইতি মধ্যে এইরকম মন মুদ্ধরকমের পরিবেশ দেখে আমায় মিতালী বল্ল মিজান সামনে লেকের ধাড়ে গাড়িতা একটু রাখ ব্যস প্রিয়ার কথা সেকি আর ফেলে দেওয়া যায় ।
ঠিক লেকের বাম দাড়ে গাড়িটি রাখলাম দুজনে গাড়ি থেকে নামলাম কি অপরুপ মনরোম পরিবেশ লাল,লীল,কমলা আর যত রং আছে সকল রংয়ের পরিরা ও দম্পতিরা বসে বসে
নিরঝুম দিগন্ত হারা প্রেম আলাপন করে চলেছে তারা ।

আমি ও মিতালীও একটি গাছের নিচে বসলাম মিতালী পৃথিবী কতয় সুন্দর আর সুন্দর পৃথিবীর মানুষ গুলো হ্য মিজান সবই সুন্দর । সুন্দর আকাশ আর এই সুন্দর আকাশে র
সাথে আকাশে খন্ড খন্ড হয়ে জমে থাকা মেঘগুলো লুকো চুরি খেলে ।
মিতালী হঠাৎ করে তোমার মনে হলো কেন মেঘ ও আকাশের লুকচুরির কথা ।
না মিজান অন্য কিছু ভেবে না দেখনা এখানে পরিপূর্ণ চলছে প্রেম কুঞ্জর্ন্য মেলা
আর মেলায় চলছে অনেক অসমাধী প্রেম এইযে এরা আজ এখানে একে অপরের
পাশে বসে প্রেম দর্পন পর্ব চালিয়ে যাচ্ছে এরা কি এভাবে সাড়া জীবন একে অপরের
পাশে থাকবে । তুমি বোলেছ ঠিকয় মিতালী কিনতু এতা বুঝা বড় দায় এ বিষয়তা সম্পূর্ণ ভাগ্যের উপরে নির্ভরযোগ্য । যাই হোক মিতালী তুমি বলেছিলে চাইনিজে যাওয়ার পরে আমাকে কি যেন বলবে কেন সে কথাটি এখানে বলা যায় না হ্য অবশ্যই বলা যায় কিনতু
আমাকে আর একটু ভেবে দেখতে দেও মিজান । কি ভাবতে হবে মিতালী । মিজান আমি তোমাকে যে কথাটি বলতে চাই সে কথাটি আজ কয়েক দিন থেকে ভাবছি তবুকেন জানি মনে লাগে ভয় জীবতা না শেষ পযন্ত ঘরের ফ্যনের সাথে নয়ত বা বিষ খেয়ে মরতে হয় ।ঠিকয় বলেছ মিতালী জীবনতা বড় বিষাদময় তাই কোন সিদ্ধান্ত নিতে হলে আগে থেকে ভেবে নিতে হয় । তবে মিজান আমার বিশ্বাশ আমি কোন ভুল করতেছি না
মিজান তোমাকে যে কথাটি বলার জন্য এখানে ডেকে এনেছি সে কথাটি হোল তোমার সাথে
যেদিন থেকে আমার পরিচয় হয়েছে সেদিন থেকে স্বপ্নের ঘরে বারে বারে শুধু তোমার দেখা পাই তাই আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি মিজান কোন প্রেম নয় আজ এখনি তোমাকে আমি বিয়ে করবো । কি বলছো মিতালী তোমার মাথা ঠিক আছে হ্য মিজান আমার মাথা ঠিক আছে বলেই মিজানের হাতে ধরে মিতালী বল্লো প্লীজ মিজান তুমি আমাকে ফিরিয়ে দিওনা । অবশেষে মিজান মিতালীর বিয়ে হোল আজ তারা সুখে দিন কাটাচ্ছে । ওদের বিয়ের বয়ছ চার বছর চলছে এর মধ্যে ওধের ঘরে একটি ছেলে সন্তান এসেছে ।


এই লিংটিতে একবার প্রবেশ করে একটু ভেবে দেখুন অসহায় পথ মানুষ ও বন্যায় যারা কষ্টে আছে তাদের জন্য কোন সহযোগিতার হাতবারানো যায় কি না বা তাদের পাশে যততুক সম্ভব সাহায্য দিয়ে হেল্প করুন ।

সর্বশেষ এডিট : ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ১:২৬
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

হাসিনা-বিভ্রাট: এটা ট্রল নয়, কূটনৈতিক সতর্কসংকেত

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২৮ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:৫৮


হাসিনা-বিভ্রাট: এটা ট্রল নয়, কূটনৈতিক সতর্কসংকেত

জাপানের এক প্রভাবশালী সংসদ সদস্যের একটি পোস্ট নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে হাসাহাসি চলছে। আমার মনে হয়, হাসির আড়ালে আসল প্রশ্নটা চাপা পড়ে যাচ্ছে।

ঘটনাটা কী
প্রধানমন্ত্রী... ...বাকিটুকু পড়ুন

দায়বদ্ধতা: আমরা সবাই ইনসাফের লোক—যতক্ষণ না নিজের স্বার্থ ছাড়ার প্রশ্ন আসে!

লিখেছেন জুয়েল তাজিম, ২৮ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

একজন মানুষ অসুস্থ বোধ করছেন। ভিড়ের মধ্যে দাঁড়িয়ে কাতর কণ্ঠে বলছেন, একটু বসতে দেবেন? শরীরটা ভালো লাগছে না। আশপাশে মানুষ আছে, আসন আছে, চলমান ট্রেন আছে—শুধু তাঁর জন্য একটু জায়গা... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইসরাইলের সাধারণ নির্বাচন।

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ২৮ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১:২৯


এখন পর্যন্ত প্রকাশিত এক্সিট পোল অনুযায়ী, কোনো পক্ষই সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় আসন ৬১টি নিশ্চিত করতে পারেনি।
নেতানিয়াহুর ডানপন্থী জোট, প্রায় ৫১–৫২ আসন।
গাদি আইজেনকটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট: প্রায় ৪৯–৫১ আসন... ...বাকিটুকু পড়ুন

এক সেকেন্ডের নেই ভরসা

লিখেছেন রূপক বিধৌত সাধু, ২৮ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৩


সংসারের শত দায়িত্ব কাঁধে। ধাপে ধাপে সব পালন করতে হবে। মোটরসাইকেল নিয়ে ভালো মনে রাস্তায় নামলেন রাইড শেয়ার করবেন বলে। হঠাৎ একটা প্রাইভেট কারের সাথে ধাক্কা লাগল। আপনি রাস্তায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

অসমাপ্ত নীহারিকা - কেয়া ।

লিখেছেন দানবিক রাক্ষস, ২৮ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৭



বিশ্ববিদ্যালয়ে আমাকে দেখলে মানুষের প্রথম যে কথাটা মনে হতো, তা হলো—ছেলেটার নিশ্চয়ই কোনো সমস্যা আছে।
কালো জিনস। কালো টি-শার্ট। টি-শার্টে কখনো Behemoth, কখনো Slayer, কখনো Cannibal Corpse। কানে হেডফোন। চোখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×