মিনি সেই যে ছোট বেলায় তার মা বাবাকে হারিয়ে ফেলেছে আর সেই থেকে যে তাকে আমরা রাস্তা থেকে কুড়িয়ে এনে লালন পালন করে বড় করেছি । আজ সে অনেক বড় হয়ে গেছে । মিনি বেশ দুষ্ট হয়েছে । তার মিনি নামটি আমার বড় ভাই দেন । সে থাকতো ন্যংতু হয়ে তাকে আমি আদর করে সুন্দর দেখে একসেট নতুন জামা কাপড় কিনে তার গায়ে পড়িয়ে দিলাম ।
তার সব কিছু ভালো লাগে সে বেশ খেলা ধুলা করে । তবে ইদানিং সে তার দুষ্টমির মাত্রা একটু বাড়িয়ে ফেলছে এবং সে চুড়ির লিষ্টে তার নাম দিয়েছে ।
যোদিও মিনিদের বংশটা অবশ্য চুরের বংশ্যই তবে আমরা চেয়েছিলাম তাকে মানুষ করার জন্য কিন্তু না তাকে আর মানুষ করা গেলো না ।
জাতের তান সে আর ছাড়তে পারলো না । তাকে যতই ভাল খাবার
আর পোশাক দেই না কেন সে তার ভালোতা বুঝে না ।
সে মাঝে মধ্যে আমার সাথে স্কুলে যেত তাই আমার এক শিক্ষক
বলেছিলেন কিরে সোহেল মিনিতো নিয়মিত তোর সাথে স্কুলে আছে
তো মিনিকে আমাদের এখানে ভর্তি করে দে আমি বলেছিলাম স্যার
মিনিকে আমি লেখা পড়া শেখাবো ।
তার পরেও মিনিকে আমাদের ক্লাসের সকলে খুব আদর করতো ।
আর তখন মিনির বয়সের ছোট ছেলেমেয়ে আর একটাও ছিলো না
আমাদের স্কুলে । তাই মিনিকে যেমন আদর করতো আমার বাসায়
আমার বাবা মা আর ভাই বোনেরা । তেমনি মিনি আদর পেত আমার স্কুলে আমার সহ পাঠিদের ও স্কুলের শিক্ষকদের কাছে ।
আমাদের বাসায় খাবার থেকে শুরু করে সবকিছুতে মিনির জন্য একটি অংশ রেখে দিতাম ।
এক কথায় মিনিকে কখনো আমরা পরিবারের কেউ সত ভাবতাম না
তাকে আমরা আমদের পরিবারের খুব কাছের একজন সদস্য ভাবতাম ।
কিন্তু মিনি সে কখনো আমাদেরকে তার আপন ভাবত না ।আর ভাবেই বা কেমনে সে যে জাতের তার সে জাতের সাথে আমাদের মিলে না ।
এইত সেদিন খাবারের টেবিলে বাবার জন্য মা খাবার ধেকে রেখেছে আর তা মিনি চুরি করে খেয়ে নিয়েছে ।
তার পড়েও মিনিকে মা বাবা আমরা কেও কিছু বলি নাই । মিনি কথা বলতে পাড়তো না সে বোবা ছিল । তাই সে হয়ত ঠিক মতো আমাদের
কারো কথাই কানে শুনতো না ।
কিন্তু কালকে সে খুব মাইর খেয়েছিলো আমাদের পাশের বাড়ির প্রতিবেশির হাতে ।
শুনেছি তাদের নাকি এক বাতি মাংস খেয়ে ফেলেছে চুরি করে মিনি
তাই তাকে তারা খুব বেদখর মাইর দিয়েছে তাই আজ সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি আমাদের মিনি নামের বিড়াল টি মারা গেছে ।
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই অক্টোবর, ২০১৪ দুপুর ১২:৪৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



