এক বনে ছিলো এক কাঠুরে যার কাজ ছিল সব সময় গাছ কাটা ।
সে ছিল খুব গরিব । সে প্রতেক দিন বন থেকে কাঠ কেটে নিয়ে বাজারে বিক্রি করতো আর তাতে যে টাকা পেত তা দিয়ে সে চাল ডাল কিনে নিয়ে বাড়িতে যেত । তার ঘরে ছিল সে আর তার এক বৃদ্ধ মা তাদের দুই মা ছেলে মিলে দুখে কষ্টে দিন কাটিয়ে নিতেন ।
একদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে কাঠুরে নদীর ধারে গেলেন গাছ কাটতে । গাছ কাটতে কাটতে হঠাৎ করে তার হাত থেকে তার কুড়ালটি পড়ে গেল নদীতে । তার কাছে টাকা পয়সা নাই সে নতুন আরেকটি কুড়াল কি করে কিনবে আর নদীতে অনেক পানি ও কুমিরের ভয় তাই ভেবে সে মনের দুংখ কষ্টে নদীর ধারে বসে কাঁদতে ছিল । কিছুক্ষন পড়ে সে দেখতে পেলো তার পাশে বসে একটি মেয়ে তাকে জিজ্ঞাসা করছে কি হয়ছে তোমার তুমি কাঁদছ কেন কাঠুরে বল্ল নদীতে আমার কুড়ালটি পড়ে গেছে তাই আমি কাঁদছি মেয়েটি বল্ল ঠিক আছে তুমি আর কেদোনা আমি তোমার কুড়াল এনে দিচ্ছি ।
মেয়েটি নদীতে ডুব দিয়ে প্রথমে একটি সোনার কুড়াল এনে দিলো কাঠুরে বল্ল এটা আমার কুড়াল না মেয়েটি বল্ল তুমি আরেক বার ভাল করে দেখ কাঠুরে বল্ল আমি সত্যয় বলছি এ কুড়াল আমার নয় ।
মেয়েটি আবার নদীতে ডুব দিল এবার একটি রুপার কুড়াল এনে কাঠুরের হাতে দিল কাঠুরে বল্ল এটাও আমার কুড়াল নয় । মেয়েটি বল্ল কাঠুরে তুমি ভাল করে দেখ এটা নিশ্চয় তোমার কুড়াল কাঠুরে বল্ল না এটাও আমার কুড়াল না ।
মেয়েটি আবার নদীতে ডুব দিয়ে একটি লোহার কুড়াল আনলো কাঠুরে তার নিজের কুড়াল চিনতে পাড়লো ।
কাঠুরে বল্ল এটা আমার কুড়াল । মেয়েটি কাঠুরেকে তার কুড়ালটি দিল এবং তার সততার পুরস্কার হিসেবে তাকে সোনাঁর ও রুপার কুড়াল দুটি উপহার হিসেবে দিল ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



