somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ঘরের স্ত্রীরা স্বামীদের সাথে যত ঝগড়ার মূলঃ

২০ শে জানুয়ারি, ২০১৫ দুপুর ১:৫২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


পোষ্ট দেখেই নিশ্চই কারো বুঝতে বাকি নেই এই পোষ্টটি কোন বিষয়ের ওপরে ।

আসা করি আর বুঝতে বাকি নাই এটা একটা ক্যাচাল টাইপের পোষ্ট ।তাই পুরো পোষ্টি পড়ার আগে যারা আমার এই পোষ্টে ডুকেছেন তারা কি ভাই বিবাহিত নাকি অবিবাহিত যদি বিবাহিত হন তাহলে আমার কোন আপত্তি নেই আর যদি আপনি অবিবাহিত তাহলে আমার আপত্তি আছে । কি ভাবছেন বিবাহিত না হলে আপত্তি কেন ।কারন একটাই যার বউ নাই তার কোন ক্যচাল নাই ভাই।আর যার বউ আছে তার ঘরে ক্যচাল আছে তার জন্য এই পোষ্টটি ধরকার আছে ।বিবাহিত হলে তার জন্য এ বিষয় গুলো খুবই গুরুত্ব পূর্ণ প্রয়োজন ।

প্রথমে বলে নিচ্ছি ব্লগে থাকা কোন ব্লগার বোনটি বা ভাবিটি কেউ কিন্তু পোষ্ট পড়ে মন খারাপ করবেন না ।
কারন আপনেরা এ ব্লগে আমার সহ ব্লগার হিসেবে এটুক অবশ্যই জানেন ব্লগে আমার কাজ হলো শুধু ক্যাচাল লাগানো ।

তবে ক্যাচালের একটু মাত্রা আছে । কিন্তু ভাই আমার কাছে কোন মাত্রা নাই । তার কারন আমিও সামুকে ভালোবাসি আর সামুও আমাকে ভালোবাসে তাই আমার কোন ভয় নাই ।কি বিশ্বাস হচ্চে না তাহলে কোন অপেক্ষা নয় আমার সবগুলো পোষ্ট দেখুন তাহলেই বুঝতে পারবেন । আমার প্রতিটি পোষ্টে কম আর বেশি ক্যাচাল আছেই তার পরেও সামু আজ আমার
প্রতি কোন দিন নিষ্ঠুর আচড়ন করেন নাই । অবশ্য সে জন্য সামুর কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে হয়। কিন্তু মাঝে মাঝে অনেক কষ্ট লাগে । কারন আমার লেখা প্রায় ১৩০টি এর মধ্যে হয়ত হাতে গোনা ৬টি বা ৭টি পোষ্ট নির্বাচিত পাতায় অংশ নিয়েছে এর বেশি যায়নি ।সেতা অবশ্য আমার লেখায় বানানের ভুলের পুরুষ্কার ধরে নিয়েছি।

আরেকটি বিষয় নিয়ে মাঝে মাঝে নিজের কষ্ট লাগে বুঝেনতো এত বাদরামি এবং বানানের ভুলের পরেও কৃতপক্ষ আমাকে ব্যান করেন নাই । তার মানে সহজ কথা তারাও আমাকে ভালোবাসে ।

যাই হোক এখন চলুন পোষ্টের মূল পর্বে যাওয়া যাক।
শুধু দেখুন ঘরের নিজের লাইসেন্স করা স্ত্রী সে স্বামীর সাথে কি ভাবে ইচ্ছা করে ঝগড়া করে । আর তার সকল মানে শ্ত্রীর সকল ইচ্ছা পূরণ করার জন্য স্বামীকে অফিসে ঘুষ খেতে হয়।

স্ত্রীঃ এই শুনেছো সবুজের বাপ ।
স্বামীঃ কি হয়েছে বলো সবুজের মা।
স্ত্রীঃ না বলছিলাম কি আমাদের পাশের বাসার গোলাপী ভাবীদের ঘরে কি সুন্দর একটা আলমারী কিনে এনেছে ।
এই আমাদের ঘরে তুমিও একটা ঐ রকম আলমারি কিনে এনো না লক্ষী ।
স্বামীঃ কি বলছো সবুজের মা তুমি পাগল হয়ে গেলে।
স্ত্রীঃ হ্যা গো লক্ষী এনো না।

স্বামীঃ দেখ সবুজের মা সামনে আর মাত্র কয়েকদিন তার পরে সবুজের পরিক্ষার রেজাল বের হলে ওকে আবার কলেজে ভর্তি করাতে হবে। না না এই মূহুর্তে অতগুলো টাকা জ্বলে ফেলতে পারবো না ।

স্ত্রীঃ কি বলছো তুমি সবুজের বাপ অতগুলো টাকা জ্বলে ফালাইবা মানে । দেখো সবুজের বাপ কোন অজুহাত চলবে না আমি বলছি তুমি আলমারী কিনে আনবে ।

স্বামীঃ ওহ সবুজের মা একটু বুঝার চেষ্টা কর । তুমিতো জানো আমি কয় টাকাই বা বেতন পাই এ দিয়েই সংসারটা টেনে হেসরে চালাতে হচ্ছে । তুমি তো সব বুঝ ।

স্ত্রীঃ না সবুজের বাপ আমি কিছু বুঝি না কিছু জানি না তোমাকে আমি বলেছি আনতে তোমাকে আনতে হবে । কোথায় থেকে আনবে কেমনে আনবে তা তুমিই জানো ।

স্বমীঃ
বেশি কথা বাড়াবে না ছেলে মেয়ে বড় হচ্ছে আমি চাই না তোমার সাথে এ বিষয়ে কোন কথা কাটা কাটি হোক ।

স্ত্র্রীঃ তুমি যাই বলো না কেন সবুজের বাপ আমি মানতে রাজি না ।

স্বামীঃ দেখ সবুজের মা তোমার স্বামী আজ প্রায় দশ বছর হতে চললো চাকরির বয়স এখনো কোন ঘুষ খায় নাই আর খাবেও না কোন দিন । আর তোমার ঘরে অত সুন্দর আলমারি আসবেও না ।

স্ত্রীঃ দেখ সবুজের বাপ অতদিন ঘুষ খাওনি তা ঠিক আছে কিন্তু এখন থেকে তুমি ঘুষ খাবা ।

স্বামীঃ না সবুজের মা আমি কোন ঘুষ খাবো না ।

স্ত্রীঃ আমি বলছি সবুজের বাপ তোমাকে এখন থেকে ঘুষ খেতে হবে। আর তোমার ঘুষের টাকা দিয়ে এখন থেকে প্রথমে একটি আলমারি পরে আমার জন্য প্রতি মাসে একটি করে নতুন শাড়ি ও গহনা কিনে আনবে।

স্বামীঃ আর যদি আমি ঘুষ না খাই তাহলে কি হবে ।

স্ত্রীঃ তাহলে আর কি হবে কিছুই হবে না শুধু তুমি এখানে একা থাকবে আমি তোমায় ছেড়ে বাপের বাড়ি চলে যাবো ।তোমার সাথে আর সংসার করবো না এই আর কি।

স্বামীঃ সবুজের মা তুমি আমাকে এমন এক কথা বললে শেষ পযন্ত আমাকে তাহলে ঘুষ খেতে বাধ্য করলে।

এখানেই শেষ নয় আরো আছে ।

স্ত্রীঃ এই শোনছো তারেকের বাবা আমার বড় বোনের বিয়ে মেয়ের বিবাহ যাবা না ।

স্বামীঃ হ্যা যেতে তো হবে তোমার বড় বোনের মেয়ের বিয়া যেতে তো হবেই।

স্ত্রীঃ তো কি দিবা ।

স্বামীঃ কি আর দিমু হাজার পাঁচেক টাকা দিয়ে দিমুনি ।

স্ত্রীঃ ঠিক আছে ভালই হবে ।

তার কয়েক দিন পরে স্বামীর বড় ভাইয়ের মেয়ের বিয়ের ঘটনায় শ্ত্রীর কি ভূমিকা কি দেখুন।

স্বামীঃ শুনছো তারেকের মা ।

স্ত্রীঃ কি হয়েছে তারেকের বাবা ।

স্বামীঃ বড় ভাইয়ের মেয়ের বিয়ে । চিন্তায় পড়ে গেলাম কি দেবো একমাত্র ভাইয়ের মেয়ের বিয়ে ।

স্ত্রীঃ কিছের এত চিন্তে করো এক হাজার টাকা দিয়ে দিবে তাহলেই হলো । বেশি টাকা দেওয়ার দরকার নাই।

স্বামীঃ না না এটা কি করে সম্ভব এক মাত্র ভাটিজির বিয়ে আর মাত্র এক হাজার টাকা দিতে বলছো । অন্তত কম হলেও দশ হাজার টাকা হলেও বলা যেত।

স্ত্রীঃ দেখ তারেকের বাপ যা বলেছি তাই এর বেশি নয়।

স্ত্রীদের আরো কিছু বৈচিত্র দেখুন ।

স্বামীর ছোট ভাই গ্রাম থেকে এসেছেন বেরাতে দুপরের খাবার আলু বর্তা আর ডাল । আর স্ত্রীর ছোট ভাই গ্রাম থেকে বেরাতে এসেছে তার জন্য মুরগী গরুর মাংস । ইলিশ মাছ আর বড় বড় মাছ রান্না করেছেন।

দেখুন আমাদের সমাজে আমরা অনেকে পরিবারের সকল সদস্যের মত নিয়ে বিবাহ করি আবার অনেকে আছি প্রেম করে নিজের পষন্দ মত বিয়ে করি ।

সে যে ভাবেই করি বিবাহত করি । মূল কথায় ফিরি সমাজের অনেক পরিবারের অনেক স্বামীরা আছেন যারা দুই তিনটিও বিবাহ করেন ।আর সে জন্য সব সময় আমরা কিন্তু বেশির ভাগ সময় স্বামীদের দোষই দিয়ে থাকি ।

একজন স্বামী যখন সকাল থেকে বিকাল পযন্ত কোন কোন স্বামী মধ্য রাত পযন্ত ঘরে বাহিরে কর্ম ক্ষেত্রে থাকেন তখন তার দেহটি ঘরের বাহিরে থাকলেও কিন্তু তার মনটি ঘরে বউর কাছে । সে স্বামী সর্বক্ষন ভেবে চলেন তার স্ত্রীর কথা ।
তার স্ত্রী ঠিক মত খাওয়া দাওয়া করছে তো স্ত্রী ঠিক মত বিশ্রাম নিচ্ছে তো ।

আজ হয়ত স্ত্রী আমার জন্য অপেক্ষা করছে বা পথ চেয়ে বসে আছে । নানান ধরনের বিষয় নিয়ে স্বামী তার কর্মজীবনের ফাকে ফাকে ভাবেন এবং শ্ত্রীকে নিয়ে নানান রঙিন স্বপ্ন দেখেন ।

আর সেখানে দেখা গেছে স্বামী কর্ম ক্ষেত্র থেকে ফেরার পরে স্ত্রী নানান তালবাহানা করে স্বামীর সাথে ঘরে অযথাই ঝগড়া করেন।

আসলে বিবাহের পরে একজন স্ত্রীকে বিয়ের পরে ভাবতে হবে স্বামীর বাড়িই তার বাড়ি । স্বামীর বাবা মা ভাই বোন তারো বাবা মা ভাই বোন ।

কিন্তু তা না হয়ে আমাদের সমাজে সকল স্ত্রীরা স্বামীর বাড়িকে বাপের বাড়ি মনে করে । আর বাপের বাড়িকে শশুর বাড়ি মনে করে ।

একটু হিসাব মিলিয়ে দেখুন ।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে জানুয়ারি, ২০১৫ দুপুর ২:০৫
৩টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বঙ্গভঙ্গ থেকে চব্বিশ, পূর্ব বাংলার ইতিহাস ও বাংলাদেশের আত্মপরিচয়

লিখেছেন ওয়াসিম ফারুক হ্যাভেন, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:৩৩

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে বর্তমান সময়ে একটি বিরাট পরিবর্তনের ধাক্কা লেগেছে যা এক গভীর মনস্তাত্ত্বিক রূপান্তর এবং আত্মোপলব্ধির ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণ। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানে দীর্ঘ পনের... ...বাকিটুকু পড়ুন

সৌদি আরবে নারীসহ দুই বাংলাদেশির শিরশ্ছেদ: প্রতিমন্ত্রী, নাকি পাপেট?

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:৫০


গত বুধবার সৌদি আরবের শরিয়া আদালত একজন নারীসহ দুই বাংলাদেশি অভিবাসী শ্রমিকের শিরশ্ছেদ কার্যকর করেছে। এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ যে বিবৃতিটি দিয়েছেন, সেটা পড়ে বোঝা গেল যে, পররাষ্ট্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানল পত্রিকা পড়ে: তাহলে দূতাবাসের কাজটা কী?

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:১১

মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানল পত্রিকা পড়ে: তাহলে দূতাবাসের কাজটা কী?

১৪ অক্টোবর মক্কায় দুজন বাংলাদেশি নাগরিকের শিরশ্ছেদ করা হয়েছে। তাঁদের নাম নজরুল ইসলাম আবদুল বাসির ও সিতি আখতার।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছবি ব্লগ -৭ বিনীত, অবনত বৃক্ষ

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:০৯

পথে যেতে চোখে পড়লো নুয়ে পড়া বৃক্ষের শাখাগুলো। মনে হলো স্রষ্টার কাছে সে যেন নিবেদিত প্রার্থনায় অবনত। সব অহংকার, সব আত্মগরিমা, কৃতিত্বের ভার সে ধীরে ধীরে ঝরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা কোন ইসলাম পালন করছি! কাদের ফলো করছি!

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:৫১

খোদা ও নবীজীকে অবমাননা করলে অর্থাৎ ধর্মীয় অবমাননা করলে মৃত্যুদণ্ড দিতে হবে, এমন আয়াত কোরআনে পেলাম না!
অনেক খুঁজলাম.........আমি পাই নাই। আপনি পেয়েছেন কি?



পবিত্র কোরআনে উল্লেখ আছে যে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×