সাড়ে চুয়াত্তর সাহেব তার ব্লগে আমার কমেন্ট ব্লক করে রেখেছেন । তাই তার ব্লগে যে উত্তরটা লিখেছিলাম , সেটাকে পোস্ট আকারে দিলাম ।
কোরআনে নেই কিন্তু হাদিসের মাধ্যমে যা ফরজ, ওয়াজিব বা হারাম করা হয়েছে
আপনারা যে হাদিসকে জাস্টিফাই করার জন্য বার বার নামাজ রোজা হজ্জ জাকাত ইত্যাদির কথা নিয়ে আসেন , সেটা কি গোজামিল নহে ?
যে সমস্ত কোরান বহিরভূত বিষয়ে কোরানের মত ১০০% গেরেন্টেড সে সব গ্রহন করা বাধ্যতা মূলক ।
নামাজ কয় ওয়াক্ত পোড়তে হবে , রোজা কি ভাবে রাখতে হবে , হজ্ঝ কিভাবে পালন করতে হবে , সেই বিষয় গুলো কি ৩০০ বৎসর পর ইমাম বুখারি লিখেছেন ? নাকি প্রতি দিন বা প্রতি বৎসর চর্চা করা হয়েছে ?
লাস্ট ১৪০০ বৎসর এমন কোন দিন নেই যেদিন মুসলানদের একটা বড় অংশ নামাজ পড়ে নি , এমন কোন বৎসর নেই হজ্জ হয়নি বা ঈদ হয়নি । ইগুলো প্রমাণীত ১০০% সত্য -- যদি ইমাম বুখারী এসে এগুলো পড়ার বা আদায় করার নিয়ম কানুন লিখতো ৩০০ বৎসর পরে , তখন এটা নিয়ে প্রশ্ন উঠতো ।
হাদিসতো নামাজের মত প্রতি দিনের চর্চার বিষয় নহে যে সব কিছু ঠিক থাকবে ।
নামাজ লাস্ট ১৪০০ বৎসর দিনে ৫ বার পড়ার পরে ও নামাজের হাত বাধা বা বসার কায়দায় ভিন্নতা আছে , কেহ জোড়ে আমিন বলে কেহ নিরবে বলে । কেহ বলে ঈদের নামাজ সুন্নত কেহ বলে ওয়াজিব , কেহ বলা ঈদের নামাজ অতিরিক্ত ৬ তকবির কেহ বলে ১২ তকবির , কেহ বলে তারাবি ৮ রাকাত কেহ বলে ২০ রাকাত ।
তাহোলে দেখুন বিগত ১৪০০ বৎসর প্রতিদিন ৫ বার নামাজ পড়ার পরেও এত বিভেদ ।
প্রতি বৎসর মাত্র ১ মাস তারাবি পড়া হয় সেখানে ও বিভেদ লাস্ট ১৪০০ বৎসর ।
প্রতি বৎসর ২ বার ঈদের নামাজ পড়া হয় সেখানে ও মত পার্থক্য ।
তাহোলে ৩০০ বৎসর পরে লিখা হাদিস কি করে ১০০% সঠিক হয় ?
সুতরাং নামাজ রোজার উদাহরন টেনে ৩০০ বৎসর পরের হাদিসকে জাস্টিফাই করার চেষ্টা করবেন না দয়া করে । ধন্যবাদ
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে মে, ২০২১ সকাল ৭:০৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



