somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বুকের ভেতর বটবৃক্ষঃ ৫ ~ শিল্পীসত্ত্বা বহনের দায়

০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:২৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



বাংলাদেশে অনেক বাবা মা, নিজের সন্তানকে শৈশবে একটা দুটো শিল্পমাধ্যমের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। কেউ বাচ্চাকে গান গাইতে শেখান, নাচের স্কুলে বা আর্টের স্কুলে ভর্তি করিয়ে দেন। পড়াশোনার পাশাপাশি নিজের সন্তান স্কুলের বার্ষিক ফাংশানে আদুরে গলায় ছড়া পড়ছে, লোকনৃত্য পারফর্ম করছে, কিংবা দেশাত্মবোধক গান গাইছে - এসব দৃশ্য বাবা মাকে আত্মশ্লাঘায় ভোগার সুযোগ করে দেয়। নিজের সন্তানকে আর দশটা শিশু, যারা সরলরৈখিকভাবে স্রেফ পড়াশোনায় ডুবে থেকে জীবন যাপন করছে, তাদের থেকে আলাদা করে চিহ্নিত করে। কিন্তু এই শিশুদের কেউই যদি আল্টিমেটলি নিজের শিল্পীসত্ত্বাকে খুব সিরিয়াসলি নিয়ে ফেলে, আজীবন নিজের আত্মপরিচয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট করে তোলে, তবে তার জন্য জীবনটা কতোটা জটিল হয়ে উঠে, তা অনেকেই জানেন না। শিল্পীসত্ত্বাকে পূঁজি করে জীবন যাপন করতে চাইলে যে সমস্ত সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়, তা ধারাবাহিকভাবে লিখছি, নিজের অভিজ্ঞতার আলোকে, এই পোস্টে।


১। নিজের শিল্পমাধ্যমকে পূঁজি করে জীবিকা নির্বাহে রক্তজল করা পরিশ্রমের প্রয়োজন, এবং সাধনায় ফাঁকি দেয়ার কোন উপায় নেই।


বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে গত ১০ বছর ধরে শিক্ষকতার সূত্রে দেখেছি, আমার অনেক শিক্ষার্থীই নিজের স্পেশালাইজেশনের বিষয়ে ভালো করে পড়াশোনা না করেও, ভালো রেজাল্ট না করেও, অন্য কোন লাইনে কাজবাজ জুটিয়ে সুন্দর একটা জীবন যাপন করে নিচ্ছে। এই লাইনে বিবিএ, লিটারেচার, ইঞ্জিনিয়ারিং, ফার্মেসি সব ধরণের বিদ্যার স্তুদেন্টরাই আছে। কিন্তু কেউ যদি নিজের চর্চিত শিল্পকে বিক্রি করে যদি জীবন যাপন করতে চায়, তবে তার সাধনা এতো উঁচুমাপের হতে হয়, যার তুলনা নাই। আপনি যদি চান মানুষ টিকিট কেটে আপনার গান শুনতে, নাটক বা সিনেমা দেখতে আসবে, তবে আপনার দিন রাত চিন্তাভাবনায় আপনার চর্চিত শিল্পমাধ্যমকেই থাকতে হবে। নিজের পুরো জীবন ঢেলে দিয়ে আপনাকে পারফর্ম করাটা রপ্ত করতে হবে। ফাঁকিবাজির বিন্দুমাত্র সুযোগ নেই। মামুচাচুর জোরে জেনারেল লাইনে অনেক কিছু হয়ে যায়, অনেক অকম্মাও বড় বড় পদে বসে যেতে পারে, কিন্তু মামুচাচুর জোরে আপনাকে ১০ হাজার মানুষের সামনে স্টেজে গাইতে যদি দাঁড় করিয়ে দেয়া হয়, আর আপনি যদি সেরকম কোন ইলেকট্রিফায়িং পারফর্মেন্স দিতে না পারেন, আপনাকে হয়তো ১ বার ডাকবে, ২ বার ডাকবে, ৩য় বার কি আর ডাকবে? যেখানে আপনার মামার জোর নেই, সেখানে আপনি ডাক পাবেন গান গাইতে? একইভাবে, আপনি বড় সরকারি আমলা, নিজের বৌকে নিয়ে লেখা ৫০টা কবিতা একত্র করে ছাপিয়ে ফেলেছেন দেশের শীর্ষ এক প্রকাশনা সংস্থা থেকে, এদিক সেদিকে প্রভাব খাটিয়ে সরকারি বিভিন্ন চ্যানেলে সেই অখাদ্য বই ১০০০ কপি বিক্রি করে ফেললেও, সমাজ আপনাকে কবি হিসেবে মানবে? সাধারণ মানুষ নিজে থেকে ১ কপি বইও কিনবে আপনার? কিনবে না। বৌকে নিয়ে লেখা কবিতার মেধা দিয়ে আমজনতার মাঝে কবিতার বই বিক্রি করে সেই বিক্রিলব্ধ অর্থ দিয়ে পেট ও সংসার চালাতে পারবেন? পারবেন না।

নিজ অভিজ্ঞতায় দেখেছি, নিজের শিল্প বিক্রি করে পেট চালানোর মতো পরিশ্রম করাটা বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে প্রায় অসম্ভবের কাছাকাছি একটা কাজ। চারপাশে প্রচণ্ড রকম নেগেটিভ এনার্জি এবং নেতিবাচক পরামর্শদাতা গিজ গিজ করতে থাকে।

২। সৃষ্টির তাড়নায় উন্মুখ মানুষেরা সাধারণত মর্ত্যের পৃথিবী থেকে বিচ্ছিন্ন এক আদর্শিক (ইউটোপিয়ান) জগতে বসবাস করেন। মানুষের সাথে মিশতে পারেন না সহজে।

সাধনা বরাবরই একটা জনবিচ্ছিন্ন, অন্তর্মুখী, একাকী কাজ। একজন কণ্ঠশিল্পী, একজন লেখক, একজন চিত্রকরকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা একাকী বসে নিজের কাজটি করে যেতে হয়। এই করতে করতে তাদের অনেকেই ব্যক্তিজীবনের দুঃখ কষ্ট আনন্দ বেদনা নিজের সৃষ্টকর্মের মাধ্যমে মেটাফরিক্যালি প্রকাশ করতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েন। বিশেষ করে যার চোখের সামনে মহাজীবনের হাতছানি থাকে, নিজের শিল্পকর্মের মধ্য দিয়ে অমর হওয়ার বাসনা থাকে, তারা উন্মত্ত স্বভাবের হন। যে মানুষটি অমরত্ব চায়, সে কীভাবে জীবনকে সহজভাবে দেখা আর একজন লোকের সঙ্গে বসে জীবনের দুঃখকষ্ট ভাগ করে নেবে? এভাবে, শিল্পীদের মধ্যে কেউ কেউ জীবন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। শিল্পীর অভিমানি সত্ত্বা, ব্যাখ্যাতিত এবং ভাষার ঊর্ধ্বে থাকা কিছু কষ্টকে বুকে নিয়ে ফেরার যন্ত্রণা তাকে আরও একাকী করে দেয়। বিদেশে সৌভাগ্যবান এবং চৌকশ শিল্পী সাহিত্যিকদের পার্সোনাল ম্যানেজার থাকে। শিল্পীর ব্র্যান্ডিং এর কাজটা তারাই করে দেয়। কিন্তু বাংলাদেশের মতো পোড়া দেশে সে কাজ অসম্ভব। ক্ষেত্রবিশেষে শিল্পীরা নিজের পরিবারের মানুষজন থেকেও বিচ্ছিন্ন হয়ে যান, নিজের বেদনা ঠিকঠাকমতো শেয়ার করতে না পারায়।


৩। সমসাময়িক সহশিল্পীদের কাছ থেকে অবহেলা

বাইরের পৃথিবীর কাছ থেকে শিল্পী স্বীকৃতি না জুটলেও, সাধনার একটা বড় স্বীকৃতি হচ্ছে, নিজের কমিউনিটির মানুষজন তাকে নিজের কমিউনিটির একজন মনে করে। সমসাময়িক লেখক - গায়ক - চিত্রকরেরা তাকে একজন লেখক - গায়ক বা চিত্রকর মনে করে। নিজের সাধনা ঠিক পথে আছে, না লাইনচ্যুত হয়ে গেছে - এটা বোঝার সবচে গুরুত্বপূর্ণ উপায় পিআর ফিডব্যাক। এটা ঠিকঠাক থাকলে অনেকসময় বাইরের পৃথিবীতে স্বীকৃতি না মিললেও জীবন চলে যায়। কমলকুমার মজুমদারের কথাই ধরুন। ক'জনই বা তার লেখা পড়ে বুঝতে পারে? কিন্তু সুনীলেরা তাকে লেখকদের লেখক স্বীকৃতি দিয়েছেন।

কিন্তু বাংলাদেশে শিল্পসাহিত্যের লাইনে সহশিল্পীদের কাছ থেকে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া, স্বীকৃতি ও সহায়তা পাওয়া খুবই রেয়ার একটা ঘটনা। বিশেষত লেখালিখির ক্ষেত্রে যদি বলি, বাংলাদেশে লেখক - কবি সাহিত্যিকেরা নিজেদের কোরামের বাইরে অন্য কাউকে দেখতে পারে না, কোরামের বাইরে কারো লেখাপত্র নিয়ে আলাপ, আলোচনা সমালোচনা করে না। একই অবস্থা অভিনয়, ছবি আঁকা, গান, সিনেমা বানানো - সব জায়গায়ই আছে।

৪। দিনের সাধনাটুকু প্রতিদিন করতে না পারলে সাইকোলজির ওপর নেতিবাচক প্রভাব

জীবন নিয়ে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ছিল না আপনার। ভাগ্যের পাকেচক্রে সরকারি চাকুরে, ব্যাংকার, ইঞ্জিনিয়ার ইত্যাদি হয়েছেন। এখন আপনি এই চাকরিটা ঠিকঠাক মতো করেকর্মে খেয়েপরে একটা জীবন সুন্দর মতো কাটিয়ে দিতে পারলেই মোটাদাগে খুশী থাকার কথা।

কিন্তু যে সাধনার পথ আপনি নিজে বেছে নিয়েছেন, তাতে ফাঁকি দিয়ে কি আপনি খুশী থাকতে পারবেন? তাতে অবসর নেয়ার সুযোগ থাকে?

সিরিয়াস লেখক যারা, তারা প্রতিদিন একটা নির্দিষ্ট সংখ্যক শব্দের কোটা পূরণ করতে না পারলে, নির্ধারিত কয়েকপাতা বই পড়তে না পারলে তাদের মনমেজাজ খারাপ হয়ে থাকে। যারা গায়ক, তারা প্রতিদিন ঘড়ি ধরে রেওয়াজ না করলে তাদের মন খারাপ হয়ে থাকে। আঁকিয়েদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকতে হয় নিজের ক্যানভাসের সামনে। যেদিন সাধনাটুকু ঠিকঠাক মতো করা হয়ে ওঠে না, সেদিন তাদের মনমেজাজ খারাপ থাকার প্রভাব তাদের পারিবারিক সম্পর্কের ওপরেও পড়ে। সবার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে সেদিন সে। একজন সাধারণ চাকুরীজীবীর মতো অফিস থেকে বাড়ি ফিরে বিছানায় গা এলিয়ে দেয়ার সুযোগ তাদের খুব কম হয়। তাদের ব্রেইন সবসময় সচল থাকে আইডিয়া অন্বেষণে এবং ধরে রাখায়।

৫। শিল্পচর্চার ক্ষেত্রে উন্নতি পরিমাপের কোন নির্দিষ্ট স্কেল নাই

যেকোন প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট চাকুরী, অথবা ব্যবসা - এসবকিছুতেই ধারাবাহিক উন্নতি, বা অবনতি, বা স্থিতাবস্থা পরিমাপের নির্ধারিত স্কেল থাকে। হায়ারারকি র‍্যাঙ্ক থাকে। অথবা লাইফস্টাইলের চেঞ্জ থেকে আন্দাজ করা যায়। কিন্তু শিল্পী হিসেবে আপনি উন্নতি করছেন না অবনতির দিকে যাচ্ছেন, নাকি আটকে আছেন আগের জায়গাতেই এটা বোঝার, বা পরিমাপ করার সর্বজনস্বীকৃত কোন স্কেল নাই। শিল্পসাহিত্যকে পৃষ্ঠপোষকতা করে এমন কিছু সম্মাননা ও পুরষ্কার আমাদের সমাজে প্রচলিত আছে। কিন্তু সেই পুরষ্কারগুলিও বিতর্কের ঊর্ধ্বে নয়, আর পুরষ্কার পেলেই যে আপনার শিল্পচর্চার রাস্তা পরিষ্কার হয়ে যায়, মানুষ হুমড়ি খেয়ে পড়ে আপনার কাজের ওপর, এমনটা না। বরং পুরষ্কার, সম্মাননা আপনার ব্যাপারে আপনার সতীর্থদের ঈর্ষা আরও বাড়িয়ে দেয়ার সম্ভাবনা তৈরি করে। তারা কোরাম বেঁধে চাইলে আপনাকে একঘরে করে রাখতে পারে।

৬। চর্চিত শিল্পমাধ্যমের অর্থমূল্য স্থির করা, বা আর্থিকভাবে লাভবান হওয়া মুশকিল।

লিখে, গান গেয়ে, ছবি একে, বা নাটক সিনেমা বানিয়ে পেট চালাতে গেলে সবচে বড় সমস্যা যেটা হয়, তা হচ্ছে প্রথমে যে উদ্দেশ্যে শিল্পচর্চার এই বন্ধুর পথে এসেছিলেন, সেই উদ্দেশ্যের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করা। একজন শিল্পী হিসেবে আপনার রুচি নিশ্চয়ই আকাশ সমান উঁচু হবার কথা। কিন্তু আপনি যখন শিল্প বিক্রি করতে ক্রেতার হাটবাজারে এসে বসবেন, তখন বাজারের রুচির সঙ্গে মিলিয়েই আপনার লিখতে হবে, গাইতে হবে, বা ছবি বানাতে হবে। হাই আর্টফর্মের বাজারদর শূন্যের কাছাকাছি। খুব বড় ব্র্যান্ডের আর্টিস্ট না হলে যারা ঐ হাই আর্টফর্মের মূল্য বোঝে, তাদের কাছে আপনার কাজ পৌঁছাবে না। সেই ব্র্যান্ড আপনার আজীবন তৈরি হবে কি না, তা এক ঘোর অনিশ্চয়তার বিষয়। তাও, নিজের শিল্পমানের ও শিল্পীসত্ত্বার সঙ্গে কম্প্রোমাইজ করেও আপনি যে সেলেবল আর্টিস্ট হতে পারবেন - তা নিশ্চিত নয়।

তাহলে উপায়?

শিল্পচর্চাকে রুটিরুজির মাধ্যম হিসেবে না নেয়াটা ভালো। মূল একটা পেশা, বা অর্থ উপার্জনের রাস্তার পাশাপাশি একটা নির্দিষ্ট শিল্পমাধ্যমের চর্চা আজীবন করে যাওয়া যায় - নিজের মুক্তির ভাষা হিসেবে। নিজের সাথে সৎ থেকে, পঙ্কিল পৃথিবীর পঙ্কিলতা থেকে পলায়নের, নিজের ভেতরের শিশুসত্ত্বাকে বাঁচিয়ে রাখার উপায় হিসেবে শিল্পচর্চা দিনের একটা নির্দিষ্ট সময় করে যাওয়া যায়। তবে শিল্প হতে হবে নিজের আনন্দের উৎস। হতাশা বৃদ্ধি করলে তাতে কি লাভ? শিল্প থেকে কিছু পাওয়ার আশা ছেড়ে দিয়ে নিজের চর্চিত শিল্পমাধ্যমের সাগরে আজীবন ডুবে থেকে মণিমুক্তা অন্বেষণ করে যাওয়া - এভাবেও মুক্তি পাওয়া যায়, শিল্পী হিসেবে।




সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১০:০৩
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মুসা নবীর পাতা খেয়ে সুস্থ্য হওয়া সম্পর্কিত হাদিসটি ২৫টি হাদিসগ্রন্থে নেই

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:১৭

আমি গতকাল হযরত মুসা (আ) গাছের পাতা খেয়ে সুস্থ্য হওয়া সম্পর্কে একটি হাদিস উল্লেখ করেছিলাম। এটা ব্লগার নতুন চ্যালেঞ্জ করেন। আমি এরপরে সিহাহ সিত্তাহ-এঁর ৬টি হাদিসগ্রন্থ-সহ ২৫টি হাদিসগ্রন্থ থেকে 'কী... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাতানো নির্বাচনে বিএনপিকে কিভাবে ক্ষমতায় বসানো হল-(১) অথচ দীর্ঘ ফ্যাসিস্ট শাসনের পর চাওয়া ছিল একটি সুষ্ঠ নির্বাচন।

লিখেছেন তানভির জুমার, ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:২১

১/ ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের ভিতরে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ। অর্থাৎ মানুষকে ফোন বাসায় রেখে আসতে হবে। কেন্দ্রে প্রিসাইডিং অফিসার পক্ষপাতিত্ব করলে কেউ রেকর্ডও করতে পারবে না। কেন্দ্রে কোন অনিয়ম, জালভোট... ...বাকিটুকু পড়ুন

শের

লিখেছেন এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল, ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:২৯


তিন শ' তিন
মুমিন তো নই, তবু খোদা টিকিয়ে রেখেছে!
প্রেমিক তো নই, তবু প্রেম বিকিয়ে রেখেছে!

তিন শ' চার

ভীষণ একাকী আমি, অপেক্ষায় কেটে যায় বেলা।
হতাশার মাঝে শুধু, পাশে আছে তার অবহেলা ! ...বাকিটুকু পড়ুন

কলেজ ও ভার্সিটির তরুণরা কেন ধর্মের দিকে ঝুঁকছে? করনীয় পথ নকশাটাই বা কী?

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৩৬


ধর্মের দিকে ঝোঁকার মানচিত্র

অচেনা পথে হাঁটে আজ তরুণের দল
পরিচয়ের কুয়াশায় ঢেকে গেছে কাল
শিক্ষা, কর্ম, সম্পর্ক সবই আজ প্রশ্নবিদ্ধ
কোথায় জীবনের মানে মন দ্বিধাবদ্ধ।

এই দোলাচলে ধর্ম দেয় দৃঢ় পরিচয়
উদ্দেশ্য, শৃঙ্খলা,... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঠাকুর ঘরের কে? কলা আমি খাই নি ! :D

লিখেছেন অপু তানভীর, ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১০:১০



''শেকল ভাঙার পদযাত্রার'' যাত্রা শুরু ২০২০ সাল থেকে। নারী বৈষম্য ধর্ষণের মত অপরাধগুলোর বিরুদ্ধে তারা এই পদযাত্রা করে থাকে। নানান দাবী নিয়ে তারা এই পদযাত্র করে থাকে। এর আগে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×