somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ভালো মানুষের জীবনি। (১)

১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৪০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সদরঘাট,
সদরঘাট বুড়িগঙ্গা নদীর কিনারে। সকাল বিকালে ভদ্রলোকেরা এখানে হেঁটে বেড়াতেন। প্রবাহিত নদী আমার কাছে খুব আকর্ষণীয় ছিলো। আমাদের গ্রামে ছোট্র নদীর মতোই একটি বড় খাল আছে। প্রায় সারাবছর আমরা সেখানেই গোসল করতাম। শীতের শেষের দিকে বর্ষার পুর্ব পর্যন্ত খালে পানি কমে যেতো। তখন গোসল করতে হতো নিকটবর্তী একটি বড় পুকুরে। এ খালটি কোননো নদীর সাথে যুক্ত নয় বলে তাতে কোন স্রোত ছিলো না। তাই বুড়িগঙ্গা নদীর স্রোত আমাকে আকর্ষণ করতো। কিন্তু সদরঘাটে যাওয়ার সৌভাগ্য খুব কমই ঘটতো। যেদিন ছোট মামা দয়া করে নিয়ে যেতেন সেদিন বুড়িগঙ্গার তীরে বাঁধানো রাস্তাটি খুবই পরিস্কার পরিচ্ছন্ন ছিলো। রাস্তাটি বাকল্যান্ড রোড নামে বিখ্যাত ছিলো। পশ্চিমে লালবাগ থেকে পুর্বে সুত্রাপুর বাজার পর্যন্ত এ রাস্তায় ছেলেদের দৌড়াতে দেখেছি। মাঝে মাঝে ভিড় হতো কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই ভ্রমণকারীদের সংখ্যা খুব বেশী হতো না। বয়স্ক ভ্রমণকারীদের মধ্যে হিন্দুর সংখ্যাই বেশী ছিলো। রাস্তার কিনারে দোকানপাট খুবই কম ছিলো।

বাকল্যান্ড রোডের নীচে পানি ও রোডের মাঝখানে আজকাল যে ভয়ানক অবর্জনা ও বহু ধরনের জিনিস বেচাকেনা হতে দেখা যায় , সেকালে এ সব কিছুই ছিলো না কিছু কিছু নৌকা বাঁধা থাকতো। তাতে লোকেরা এপার ওপার যাতায়াত করতো।

সদরঘাট সবচেয়ে চমৎকার মনে হতো বর্ষাকালে। ফুটফুটে পরিস্কার পানি রোডের কাছাকাছি পর্যন্ত এসে যেতো। তখন স্রোত বেশ প্রবল থাকতো। নদীটা তখন বেশ প্রশস্ত মনে হতো। বর্ষাকালের সদরঘাটের এ আকর্ষণের কথা এখনো স্পষ্ট মনে পড়ে। আমরা ঢাকায় সাধারণত বর্ষাকলেই বেড়াতে আসতাম । ঐ সময়ই আম্মার জন্য নৌকায় ভৈরব আসা সহজ ছিলো। একেবারে নৌকা বাড়ির উঠানের কাছে পৌঁছতে পারতো। ঘর থেকে বেরিয়ে উঠান পার হয়েই নৌকায় উঠা যেতো। শীতকালে এ সুবিধা থাকতো না। তখন পাল্কিতে চড়ে প্রায় ২ কোলোমিটার দুরে মেঘনা নদীতে গিয়ে নৌকায় উঠতে হতো।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৪০
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Epstein File-মানবতার কলঙ্ক

লিখেছেন মোঃ মাইদুল সরকার, ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:০৮

গত ৩০ জানুয়ারি Epstein Files এর ৩ মিলিয়নেরও বেশি পৃষ্ঠার নথি, ২,০০০ অধিক ভিডিও এবং ১৮০,০০০টি ছবি প্রকাশিত হয়েছে। আমেরিকা ও ইসরায়েলের সব কুকর্ম ফাঁস করা হয়েছে!
যারা মানবতা, সভ্যতা,... ...বাকিটুকু পড়ুন

রোজার ২৪ আধুনিক মাসআলা, যেগুলো জেনে রাখা প্রয়োজন সকলেরই - রিপোস্ট

লিখেছেন নতুন নকিব, ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৪০

রোজার ২৪ আধুনিক মাসআলা, যেগুলো জেনে রাখা প্রয়োজন সকলেরই - রিপোস্ট

ছবিঃ অন্তর্জাল।

পবিত্র মাহে রমজান খুবই নিকটবর্তী। আল্লাহুম্মা বারিক লানা ফি রজাবা ওয়া শা'বান, ওয়া বাল্লিগনা রমাদান। হে আল্লাহ,... ...বাকিটুকু পড়ুন

জামায়াতের আমিরের একাউন্ট হ্যাক আওয়ামী লীগের হ্যাকাররা করে থাকতে পারেন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১০:৫৮



নিজের অভিজ্ঞতা থেকে লিখছি। গত বছর, লন্ডন থেকে আমার এক আত্মীয় হঠাত একদিন আমাকে জানান যে, 'গ্রামের রাজনীতি' নামক এক ফেসবুক পেইজে আমার উপরের ছবি দেওয়া হয়েছে। আমি হতবাক!... ...বাকিটুকু পড়ুন

=একটি জোনাক প্রহর দেবে আমায়=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:৩৮


গাঁয়ের বাড়ি মধ্যরাতে
জোনাক নাকি বেড়ায় উড়ে,
ঝিঁঝি নাকি নাকি সুরে
ডাকে দূরে বহুদূরে?

মধ্যরাতের নীল আকাশে
জ্বলে নাকি চাঁদের আলো!
রাতে নাকি নিরিবিলি
বসে থাকলে লাগে ভালো?

শিয়াল ডাকে হুক্কা হুয়া;
কুকুর ডাকে একা ঘেউ ঘেউ;
মধ্যরাতে গাঁয়ে নাকি
ঘুমায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাকিস্তানের বির্যে জন্ম নেয়া জারজরা ধর্মের ভিত্তিতে, বিভাজিত করতে চায় বাংলাদেশের নাগরিকদের ‼️

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:২৯



বাংলাদেশী ধর্মান্ধ মুসলমান,
বাঙালি পরিচয় তোমার কাছে অপ্রয়োজনীয় বাহুল্য।
তুমি কি দেশে দেশে Ehtnic Cleansing এর ইতিহাস জানো? জাতিগত নিধন কী বোঝো?
বাঙালি জাতি নিধনের রক্ত-দাগ প্রজন্ম থেকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×