"প্রফেসর কে টু ব্যাংক জব" বই টা অনেক কাজের, মাথার নিচে দিয়ে উপরে বালিশ রেখে টিভি দেখতে অনেক সুবিধা হয় আমার..
"সাইফুর'স জব টেস্ট পেপারে'র উপর চার্জ লাইট রাখলে পুরো ঘর আলোকিত হয় যায়..
এগুলো অর্থনীতির মাইক্রো মেকরো বইয়ের স্থান দখল করে বুক সেলফের পাহাড় প্রতিয়মান জ্ঞানের খুটি হিসেবে দন্ডয়মান হয়ে ইকোলজির ভারসাম্য রক্ষা করছে...
যে দেশে ১৫২ সিটের জন্য আড়াই লক্ষ গ্রেজুয়েট পরীক্ষা দেয় সে দেশে কোন এক বুদ্ধিমান সাইফুর'স খুলে কোটি টাকা স্মাগলিং করে নিচ্ছে..সারা জীবন এত এত পাঠ্য বইয়ের কি দরকার ছিল? এগুলোকে পাঠ্য বই করলেই হয়!!
ইদানিং অনেক বড় ভাই সগর্বে পাঁচ সাত নয় লাখ কিছু সংখ্যা নিয়ে ম্যাথ কষে বের করে কয়দিন অনাহারে থাকবে, বোনের বিয়েটা দু তিন বছরে দেওয়া সম্ভাবনা বিন্যাস কতটুকু, বাবার ইনসুলিনের দৈব বিন্যাস, মাথা গুজার আপেক্ষিক মান....ইত্যাদি ইত্যাদি..
আমার বন্ধু বশির উদ্দীন তত্ত্ব উপাও দিয়ে থিওরি দাড় করল একটা,
[ শিক্ষা জীবন শেষে, অবশেষে বুঝলাম ও জানলাম,
"অবসর" মানে একটা পছন্দের ও আদরের পোশাক।
এই পোশাক যেমন সব সময় গাঁয়ে দেয়া যায় না, ঠিক
তেমনি অবসরও সব সময় ভালো লাগে না।
বেকারত্বের ঝুলি মাথায় ও কাঁধে নিয়ে পথ
চলাটা একটা অসহ্য ও অধৈর্য্য
যন্ত্রনা যা কাউকে বলা যায় না;
আবার দীর্ঘদিন ভালোও লাগে না।
আমার মত অনেকেই বর্তমান বাজারে চাকরির
আকালে পড়ে অকালে নিরব-নিভৃতে এক কঠিন
ক্রান্তিলগ্নের অব্যক্ত যন্রণা ও
যাতনা একা একা সয়ে ও বয়ে যাচ্ছে।
"পৃথিবীতে সবচেয়ে ভারী বোঝা হল,
বহন করার জন্যে কোন বোঝা না পাওয়া...........!!"
[ভাই,এখন কি করেন? কোথায় আছেন? এই সামান্য
প্রশ্নের উত্তর এত জটিল ও কঠিন কেন..........!!!!!]
আতিক স্বাধীন বিসিএস লিখিত ফলাফলের পর স্ট্যাটাস দিল,
"প্লিজ আমাকে আর কেউ ফোন দিস না, আমি কোয়ালিফাই করি নি রিটেনে"
দেশ কোন পথে চলছে হায় পরওয়ার দিগার... !!!
মাকসুদের "নিষিদ্ধ" অ্যালবামের সেই প্রতিবাদী গানটি মনে পড়ে গেল..
"চাকরি দে, নাইলে বেচে থাকার জন্য অস্ত্র হাতে তুলে দে...... "
আমরা ছাত্র রাজনীতি নিয়ে অনেক কথা বলি, কেন একজন ছাত্র রাঘব বোয়াল দ্বারা ইয়ুজ হয়, বিষয়টি কি আমরা কখনো ভেবে দেখেছি? সে যখন দেখে উপলব্ধি করে অশুভ বট গাছের ছায়া ছাড়া অনেক কিছু অসম্ভব তখন সে বট গাছের নিচে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয় ৷

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।






