সিংহের সামনে পড়লে কখনো দৌড় দিবেন না, নিজেকে আরো বড় সিংহ মনে করে মনোবল বাড়িয়ে, দু হাত ছাড়িয়ে ওইইইইইইই বলে চিৎকার দিবেন,
কারণ সিংহের প্রবৃত্তি শিকারকে তাড়িয়ে মেরে ফেলা,সিংহের(আপনার) সাথে লড়াই করা না, প্রকৃতি থেকে অনেক কিছু শিখার আছে আমার আপনার,
এটা একটা সার্বাইভেল কৌশল, দৌড়ালে ওরা আপনাকে শিকার মনে করে আপনার পিছনে দৌড়াবে, সেকেন্ডে দুই মিটার করে দৌড়ায় ওরা, আপনি দৌড়ে ওদের সাথে দুই সেকেন্ড ও টিকতে পারবে না, আপনি যদি ওর চেয়ে জোরে গর্জন করতে পারেন সে আপনাকে শিকার মনে না করে উল্টো পিছু হটবে, জন্ম থেকে সে শিখে এসেছে তার শিকার তাদের দেখলে দৌড়াবে,
একটা হাতী যদি আপনার দিকে তেড়ে আসে আপনাকে বাঁশি বাদক হয়ে যেতে হবে অথবা গাড়ীর হর্ণ, কারণ ওরা শব্দ সহ্য করতে পারে না,
সব চেয়ে বড় কথা বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজন অদম্য সাহস এবং ইচ্ছা শক্তি, মাঝে মাঝে ডিসকভারিতে আমাদের জন্মের ইতিহাস দেখলে অবাক হয়ে যেতে হয়, শক্রাণুর লড়াই যেন বিশ্বযুদ্ধকেও হার মানায়, তারপর চরম অসহায় হয়ে থাকি জন্মের পর, প্রয়োজনের তাগিদে আস্তে আস্তে অনের কিছু শিখে নি, এত সংগ্রামের মধ্য দিয়ে এসেও মাঝে মাঝে সামান্য একটু ব্যর্থতায় ডিমোটিভেটেড হয়ে যায়, অনেকে অত্মহননের পথে হাত বাড়ায়,
ইয়ুটিউবে টিয়ারস অব আমাজান দেখলে বুজা যায়, এখনো প্রকৃতির সাথে লড়াই করে মানুষ কিভাবে টিকে আছে, জানেন, একটি শিকারের জন্য এখনো বনে জঙ্গলে শত মাইল পাড়ি দেয়, এভাবে বেচে থাকে অনেক আদিবাসীরাও,
আমার বন্ধু রফিক, চঃবিঃ কলেজে পড়ার সময় তার ক্যান্সার ধরা পড়ে, জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তাকে একটু মনোবল হরাতে দেখি নি, তার ডায়রীতে সে নোট লিখতো, 'আমি আরো একটি দিন বেঁচে থাকতে চাই ৷'

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





